কাউনিয়ার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই রাখার দাবীতে মানববন্ধন

Kaunia residents rally to keep Char Dhushmara primary school at original site

প্রতিবেদন:

·

, , , , ,

কাউনিয়া উপজেলার সবার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানে রাখার দাবি জানিয়েছে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকা বাসী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সেই সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে তারা।

এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে বলেন চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম প্রায় এক বছর ধরে স্থগিত রয়েছে। স্কুলে তালা ঝুলছে, ছাত্র-ছাত্রীরা অনুপস্থিত, ৩ বছর থেকে স্কুলের পরিচালনা কমিটি নেই। বিষয়টি নিয়ে ইতোপূর্বে লিখিত এবং মৌখিক ভাবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমানে শোনা যাচ্ছে স্কুলটি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। ১৯৬০ সালে সরকারি হওয়া স্কুলটি কাউনিয়া থানার ৪০ নম্বর স্কুল নামে পরিচিত । বর্তমানে স্কুলের আশে-পাশের প্রায় ২০০ পরিবার বসবাস করে এবং স্কুলে ১০৫ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকার পরেও স্কুলে ১ (এক) বছর ধরে তালা ঝুলে আছে। অন্যত্র সরিয়ে নিলে এলাকার কোমলমতি শিশুদের নদী পাড়ি দিয়ে অন্য গ্রামে গিয়ে লেখাপড়া করা প্রায় অসম্ভব। স্কুলটি নিয়ে বর্তমানে দুর্নীতি ও অনিয়ম সহ ছিনিমিনি খেলা চলছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ গত ১৯ ফেব্রুয়ার অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান তোতা ও মোঃ মুকুল ইসলাম সহ বহিরাগত কিছু কু-চক্রী মহল যোগসাজস করে উক্ত বিদ্যালয়টি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের বাধা দিলে তারা উক্ত বিদ্যালয়টি সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি পত্র দেখিয়ে বলে আপনারা আমাদের বাঁধা দিয়ে কোন লাভ নেই। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা উক্ত বিদ্যালয়টি সরিয়ে নিচ্ছি।
এলাকার মহৎ ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকবৃন্দ বিষয়টি জানতে পেরে স্কুল টি সরিয়ে নিতে নিষেধ করে। বর্তমানে উক্ত বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই বিদ্যমান আছে। অভিযোগ কারী নজরুল ইসলাম মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে বলেন বিদ্যালয়টি যদি কখনো স্থানান্তর করার প্রয়োজন হয় আমরা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত বিদ্যালয়ের জমি জায়গা দিতে প্রস্তুত আছি। স্কুলটি সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে পূর্বের স্থানেই কার্যক্রম চলমান রাখা ও পরিচালনার সু-ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবী জানাচ্ছি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঞ্জুমানআরা বেগম বলেন স্কুলটি পূর্বের স্থানে রাখার দাবীতে একটি অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানার কাছে একটি স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। এ সময় পাপিয়া সুলতানা বলেন।স্কুলটি বন্ধ আছে কিনা এ বিষয়ে আমি ভালো জানিনা সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করবো।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ