এ সময় গত সেপ্টেম্বরে ঢাকায় ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের কথা স্মরণ করেন তারেক রহমান। বাংলাদেশে মানবিক সহায়তা, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রাখার জন্য সাসাকাওয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
নৈশভোজে বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা এবং এ উদ্যোগে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রটোকল অফিসার-২ কামরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
জাপানের পক্ষে নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন নিপ্পন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক তাকাশি আরিকাওয়াসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
