সীতাকুণ্ডে যুবদল কর্মী বাপ্পী হত্যার প্রধান আসামি আরিফসহ গ্রেফতার ৬

প্রতিবেদন:

·

, , , , ,

বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যুবদল কর্মী তারেক হোসেন বাপ্পি হত্যার প্রধান আসামি আরিফসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত দেশী-বিদেশী তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বাপ্পীকে মেরে নিয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়।

আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো: মাসুদ আলম।

এর আগে নিহত বাপ্পীর মা জমিলা খাতুন ছাত্রদলের উত্তর জেলা কমিটির যুগ্ন সম্পাদক আরিফ হোসেনকে প্রধান আসামি করে শনিবার রাতে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় মোট আঠার জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের সবাই যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী বলে জানা গেছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড মধ্যম মাহমুদাবাদের মো: আরিফ হোসেন (২৮), রনি ওরফে নুর আহমদ রনি (২৭), অলিনগর এলাকার ফখরুল ইসলাম (৩১), নডালিয়া এলাকার আব্দুল মান্নান (২৮) এবং মুরাদপুর হাসনাবাদ এলাকার আরিফুল ইসলাম জাবেদ (২৫)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো: মাসুদ আলম বলেন, ‘নিহত তারেক হোসেন বাপ্পির সাথে প্রধান অভিযুক্ত আরিফ হোসেন ও তার সহযোগীদের এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বাপ্পিকে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের পথে বাধা মনে করে অভিযুক্তরা তার ওপর হামলার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।’

পুলিশ সুপার জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শুক্রবার রাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা সীতাকুণ্ডের অলিনগর এলাকায় যুবদল নেতা সাদ্দামের অফিসের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে বাপ্পির মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এ সময় বাপ্পিকে উদ্ধারে এগিয়ে আসা তাফসির আলম শাওনও হামলার শিকার হন। তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে যান। হামলাকারীরা তাদের ওপর আরও আঘাত করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পুলিশ সুপার। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ তৎপরতা শুরু করে।

ঘটনাস্থলের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি আরিফ হোসেনসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। একই অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা একটি এলজি, একটি রিভলভার ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রকাশ্যে গুলি করে বাপ্পিকে হত্যার ঘটনায় তার মা জমিলা খাতুন শনিবার রাতে মামলা করেন। মামলায় ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরো ছয়-সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার ছয়জনকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ,আর

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ