বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় মাদক, জুয়ার আসর বন্ধ ও অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ জানানোর জেরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন বিএনপি নেতা শুক্কুর আলী ব্যাপারী (৪২)।
গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোররাত ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত শুক্কুর আলী ব্যাপারী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের চর ধলেশ্বর গ্রামের আব্দুস ছত্তার ব্যাপারীর ছেলে এবং গাছুয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার ডুমুরীতলা লঞ্চঘাট এলাকায় মাদকের আড্ডা, জুয়া খেলা ও নয়াভাঙনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেন শুক্কুর আলী। স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে এসব অপকর্ম ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার কথা প্রকাশ্যেই জানান তিনি।
পরিবারের অভিযোগ, এই ঘটনার জের ধরে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ডুমুরীতলা ফরাজী বাড়ি লঞ্চঘাট এলাকার সালাউদ্দীনের দোকানে চা খাওয়ার সময় তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
নিহতের বাবা আব্দুস ছত্তার ব্যাপারী অভিযোগ করে বলেন, ডুমুরীতলা গ্রামের মোতালেব ওরফে মতু ফরাজীর ছেলে রহমত ফরাজী (৩৮), বারেক ফরাজী (৩৬), মুজাম্মেল ফরাজী (৩২), মন্টু ফরাজী, রফিক ফরাজী ও তাসলিমা নাসরিনসহ বেশ কয়েকজন একজোট হয়ে শুক্কুর আলীর ওপর হামলা চালায় এবং তাকে লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত শুক্কুর আলীকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বরিশাল যাবার পথে মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে ভোররাত ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো: সোহেল রানা জানান, মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বরিশাল হাসপাতালে নেয়ার পথে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর তারা পেয়েছেন। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত বারেক ফরাজী গাছুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। এ,আর
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
