রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের চেয়ে বেশি তেল কেনে চীন। নতুন আইনটি চীনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ভারতের কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকেরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁদের প্রশ্ন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর যে চাপ দিচ্ছে, চীনের ওপরও কি একই চাপ দেবে।
প্রশ্নটি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভারত বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করেছে। চীনের শক্তি মোকাবিলার কৌশল হিসেবেই ভারত এটি করেছে।
গত সপ্তাহের শেষ দিকে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হয়েছে। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যোগ দেন চীনের নেতা সি চিন পিং আর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিন নেতা একসঙ্গে ছবি তোলেন। এটি ছিল পশ্চিমাদের বাইরের দেশগুলোর সহযোগিতার স্পষ্ট প্রদর্শন।
আশঙ্কা ও চুক্তি
ব্রিকসের বড় দেশগুলোর মধ্যে ভারতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার শক্তিশালী কৌশলগত কারণ রয়েছে।
জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সি রাজা মোহন বলেন, ভারতকে দুটি অস্বস্তিকর বিকল্পের একটি বেছে নিতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘আপনি কি যুক্তরাষ্ট্রের কড়াই থেকে লাফ দিয়ে চীনের আগুনে পড়তে চান?’
চীনের শক্তি বাড়ছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখার বড় কারণ রয়েছে ভারতের।
কিন্তু জ্বালানি ও বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বারবার দাবি বদলাচ্ছে। এতে নয়াদিল্লিতে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো সমঝোতা হলেও সেটি কত দিন টিকবে?
এ বিষয়ে অজয় শ্রীবাস্তব বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি স্থির না হওয়া পর্যন্ত ভারতের কোনো চুক্তি করা উচিত হবে না।

মন্তব্য করুন