শুক্রবারের দিনটি যেভাবে কাটাবেন

Written by

in

মুসলমানদের জীবনে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। এটি কেবল কর্মব্যস্ততা বা ছুটির দিন নয়, বরং ইবাদত, দোয়া ও আত্মশুদ্ধির এক অপূর্ব সুযোগ। রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনকে সব দিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাই একজন মুমিনের উচিত দিনটিকে সুন্দর আমলে সাজিয়ে নেওয়া।

ফজরের পর কোরআন তিলাওয়াত করুন
দিনের শুরুটা কোরআন তিলাওয়াত দিয়ে করা উত্তম। বিশেষ করে জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হাদিস অনুযায়ী, এ দিন সূরা কাহফ তিলাওয়াত করলে দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূরে আলোকিত থাকে।

বেশি বেশি দরুদ পাঠ করুন
শুক্রবারে বিশ্বনবী (সা.)-এর ওপর দরুদ শরিফ পাঠের গুরুত্ব অনেক। পথচলার সময়, কাজের ফাঁকে বা অবসর মুহূর্তে জিকির ও দরুদ পাঠের মাধ্যমে দিনটি কল্যাণময় করে তোলা যায়।

পরিচ্ছন্নতা ও প্রস্তুতি
জুমার নামাজের আগে গোসল করা, পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। এর মাধ্যমে যেমন শরীর পরিচ্ছন্ন থাকে, তেমনই জুমার দিনের প্রতি বিশেষ সম্মানও প্রকাশ পায়।

আগেভাগে মসজিদে গমন
সম্ভব হলে জুমার জামাতের বেশ কিছুক্ষণ আগেই মসজিদে পৌঁছানো উচিত। সেখানে মনোযোগের সঙ্গে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকিরে সময় কাটানো উত্তম। খুতবা চলাকালে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া এবং যেকোনো ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

দোয়ার কবুলিয়াতের সময় খোঁজা
জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন বান্দার দোয়া বিশেষভাবে কবুল হয়। আলেমদের মতে, আসরের পর থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়টি দোয়া কবুলের অত্যন্ত সম্ভাব্য সময়। তাই এই সময়ে নিজের ও সবার কল্যাণে দোয়া করা উচিত।

আত্মসমালোচনা ও তওবা
সপ্তাহের এই বিশেষ দিনে পেছনের ভুলত্রুটিগুলো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। বিগত সময়ের গুনাহের জন্য তওবা করে

Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।