ট্যাপের পানি বোতলজাত করে বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

Three Noakhali plants fined 130,000 taka for selling tap water as mineral water

প্রতিবেদন:

·

, , , ,

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মিনারেল ওয়াটারের নামে সরাসরি লাইনের পানি বোতলে ভরে বিক্রি করায় তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানি বোতলজাতকরণ, প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি না থাকায় ওই তিন প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার বিকেলে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার পৃথক স্থানে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াসির আরাফাত।

অভিযানে র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

পুকুর, খাল ও মাটির নিচ থেকে মটরের সাহায্যে ভর্তি করা হয় পানির ট্যাঙ্ক। তারপর সেই ট্যাঙ্ক থেকে ট্যাপের মাধ্যমে বোতলজাত করে মিনারেল ওয়াটার বলে তা বিক্রি হয় গ্রাহকের কাছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে নোয়াখালীতে তিনটি পানির কারখানায় যৌথ অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব ও উপজেলা প্রশাসন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কারখানার কাগজপত্র হালনাগাদ না থাকা এবং কারখানার লাইসেন্স না থাকায় এশিয়া ড্রিংকিং ওয়াটারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ দাউদ হোসেন ফাইসালকে ৫০ হাজার টাকা, পিপাসা ড্রিংকিং ওয়াটারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ৫০ হাজার টাকা এবং এবি পিউর ড্রিংকিং ওয়াটারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরিফকে ৩০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

লে. কমান্ডার মাহমুদুল হাসান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জরিমানা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ট্যাপের পানি বোতলজাত করে সুপেয় পানি বলে বাজারজাত করে আসছিল। র‌্যাব-১১ এর আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ পূর্বক উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় যৌথভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপরোক্ত কারখানা মালিকদের আর্থিকভাবে জরিমানা করে।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ