সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকায় একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, শিক্ষক নিয়োগের আগে বিভিন্ন দূর-দূরান্তে কর্মরত শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা করা হবে। শিগগিরই বদলি কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর নতুন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় যাওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তুতি মোটামুটি সব ক্ষেত্রেই শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদও খালি রয়েছে। এ সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পাবলিক স্কুলগুলোতে প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর যে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল, সেটিও নিষ্পত্তি হয়েছে। শিগগিরই এসব পদের জন্য মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এ ছাড়া শিক্ষকদের অবসর ভাতা সারাদেশে দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
