কিউবার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চীনের দুই প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানিয়েছে বেইজিং। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে দ্রুত তাদের ‘ভুল পদক্ষেপ’ সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে চীন। খবর আনাদোলুর।
শনিবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ প্রতিক্রিয়া জানায়। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞার দৃঢ় বিরোধিতা করে বেইজিং। এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতিমালা লঙ্ঘন করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আটটি প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পাশাপাশি পাঁচটি জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করে। কিউবার ভেতরে এবং পশ্চিম গোলার্ধজুড়ে দেশটির সরকারের কথিত ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের বিস্তৃত উদ্যোগের অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানায় ওয়াশিংটন।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা চীনের দুই প্রতিষ্ঠান হলো—চায়না ন্যাশনাল ইলেকট্রনিক ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি (সিইআইইসি) এবং বেইজিং এইচঅ্যান্ডসি টেকনোলজিস কোম্পানি লিমিটেড। কিউবার সশস্ত্র বাহিনীকে যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম সরবরাহের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আরো বলেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও দমনমূলক পদক্ষেপ বাড়িয়েছে এবং একাধিক বৈষম্যমূলক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকার ও স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য থেকে সরে এসে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা নষ্ট করা হয়েছে।
চীনের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার বেইজিং সংরক্ষণ করে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
