ট্রাম্প প্রশাসনের তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদত্যাগ

প্রতিবেদন:

·

, ,

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ থেকে তিনজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিচার বিভাগের নাগরিক অধিকারবিষয়ক প্রধান এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্বে থাকা একজন প্রসিকিউটর।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ ঘোষণা করেন, তিনি নাগরিক অধিকারবিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হারমিত ধিলনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। ট্রাম্পের সাবেক ব্যক্তিগত আইনজীবী ব্ল্যাঞ্চ বর্তমানে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছেন।

নিজের দায়িত্ব পালনকালে ধিলন এ সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রায় ৩০টি অঙ্গরাজ্য থেকে ভোটার নিবন্ধনের তালিকা সংগ্রহের ব্যর্থ প্রচেষ্টায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ওই নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, পদত্যাগপত্রে ধিলন উল্লেখ করেছেন, তিনি গত অক্টোবরেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের আগপর্যন্ত দায়িত্বে থাকার বিষয়ে সম্মত হয়েছিলেন।

এদিকে, শুক্রবার ব্ল্যাঞ্চ আরও দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তারা হলেন জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন আইজেনবার্গ এবং ফ্লোরিডার সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি জেসন রেডিং কুইনোনেস।

কুইনোনেস সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত তদারক করছিলেন। ট্রাম্পের অভিযোগ ছিল, ওই কর্মকর্তারা তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বিচার বিভাগ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা ও তদন্ত পরিচালনা করেছে, যাদের ট্রাম্প তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বা শত্রু হিসেবে বিবেচনা করেন। এসব মামলায় অভিযোগ গঠনে অনীহা কিংবা ব্যর্থতার কারণে কয়েকজন কৌঁসুলিকে চাকরি হারাতে হয়েছে।

বিচার বিভাগের দায়ের করা আলোচিত মামলাগুলোর একটি হলো এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কোমির বিরুদ্ধে মামলা। গত এপ্রিল মাসে ইনস্টাগ্রামে ঝিনুকের ছবি পোস্টের মাধ্যমে ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ