কে হতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

10 Downing Street British political moment exterior in London.

প্রতিবেদন:

·

, ,

নিজ দলের ভেতর থেকে ওঠা পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের বলেছেন, তারা চাইলে দলের নিয়ম মেনে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব বাছাইয়ের লড়াই শুরু করতে পারেন।

লেবার পার্টির বিধি অনুযায়ী, নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ শুরু করতে হলে দলের অন্তত এক-পঞ্চমাংশ এমপির (৮১ জন) সমর্থন প্রয়োজন। এক বা একাধিক প্রার্থী এই পরিমাণ সমর্থন সংগ্রহ করতে পারলে স্টারমারের বিরুদ্ধে ভোট হবে।

স্টারমারকে পদত্যাগের জন্য ইতোমধ্যে ১০০ জন এমপি প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছেন। তবে নেতৃত্ব বদলের জন্য কেউ আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেননি। ধারণা করা হচ্ছে, ৮১ জন এমপির স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে পারবেন- এমন লেবার নেতার সংখ্যা খুব কম। এরপরও সম্ভাব্য তিনজনকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। তারা হলেন- ওয়েস স্ট্রিটিং, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ও অ্যাঞ্জেলা রেনার।

বর্তমানে লেবার পার্টির ভেতর দুটি পক্ষ আছে। যারা দ্রুত নেতৃত্বের পরিবর্তন চান, তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পক্ষে। অন্যদিকে, যারা সুশৃঙ্খলভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর দেখতে চান, তাদের পছন্দ গ্রেটার ম্যানচেস্টারের বর্তমান মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তরুণ ভোটারদের পছন্দ বিবেচনায় সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনারকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এই তিনজনের মধ্যে স্ট্রিটিং লেবার পার্টির ডানপন্থী ঘরানার নেতা হিসেবে পরিচিত। অপরদিকে বার্নহ্যাম বিভিন্ন জনমত জরিপে ব্রিটেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবিদের আখ্যা পেয়েছেন। তিনি ‘ম্যানচেস্টারিজম’ ধারণার প্রবক্তা। এর মূল বার্তায় ব্যবসাবান্ধব নীতি ও সমাজতন্ত্রের আকাঙক্ষার কথা আছে।

ব্রিটিশ রাজনীতিতে অ্যাঞ্জেলা রেনারের স্পষ্টভাষী ভাবমূর্তি অনেক তরুণ ভোটারকে আকৃষ্ট করেছে। পুরনো ঘরানার সমাজতন্ত্রী কর্মীদের কাছেও তিনি বেশ জনপ্রিয়। রেনার ম্যানচেস্টারের শহরতলিতে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হয়েছেন। তিনি মাত্র ১৬ বছর বয়সে মা হন। তিনি ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। সেখান থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত হন।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ