জামায়াত

  • সিলেট সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. বাবুল

    সিলেট সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. বাবুল

    আসন্ন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। আলোচনার বাইরে থাকা দলটির সিলেট মহানগর নায়েবে আমির ড. নুরুল ইসলাম বাবুলকে একক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে কেন্দ্র।

    শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপী সিলেট মহানগরীর থানা মজলিসে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত ‘শিক্ষা শিবির’ অনুষ্ঠানে ড. নুরুল ইসলাম বাবুলের নাম ঘোষণা করা হয়।

    একই সঙ্গে জামায়াতের দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নগরীর সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনি মাঠে নামার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, নগরবাসীর নাগরিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সিলেট সিটিকে একটি ইনসাফভিত্তিক, আধুনিক ও বাসযোগ্য মডেল নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কেন্দ্র থেকে ড. নুরুল ইসলাম বাবুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    সততা ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রতীক হিসেবে প্রার্থীর বার্তা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

    প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। সমাবেশ থেকেই অতিসত্বর সিসিকের প্রতিটি ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় সাংগঠনিক গণসংযোগ জোরদার করার প্রাথমিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

  • বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে দেখা করলেন মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার, জামায়াতের ভূমিকার প্রশংসা

    বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে দেখা করলেন মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার, জামায়াতের ভূমিকার প্রশংসা

    বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন তারা। এ সময় হাইকমিশনারের সঙ্গে দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ফায়েয বিন মোহাম্মদ মোখতার এবং হাজওয়ান বিন হাসনল উপস্থিত ছিলেন।

    দলীয় সূত্র জানায়, সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আন্তরিক ও খোলামেলা মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে হাইকমিশনার জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    মতবিনিময়কালে উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিষয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার এবং সব ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

  • গণভোট ও জনদুর্ভোগ নিয়ে সরকারের অনীহার কথা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের জানালেন জামায়াত আমির

    গণভোট ও জনদুর্ভোগ নিয়ে সরকারের অনীহার কথা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের জানালেন জামায়াত আমির

    টেলিভিশন চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

    বুধবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিরোধীদলীয় নেতার সভাপতিত্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ কর্তাব্যক্তি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা এতে অংশ নেন।

    পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণমাধ্যমের প্রত্যাশা ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হয়।

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন জনসমস্যা তুলে ধরেছেন জামায়াত আমির।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় রাজনীতিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা জামায়াতের আমির বৈঠকে তুলে ধরেন। পার্লামেন্টের ভেতরে ও বাইরে জামায়াতের আন্তরিক ভূমিকার কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    জুলাই চার্টার অনুযায়ী অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় সরকারি ও বিরোধীদলের মেনে চলার পক্ষে মত দিয়েছেন কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। ভিন্নমত ছাড়াই এই রায় মেনে নেওয়ার জন্য দলগুলোকে পরিষ্কার বার্তা দেওয়ার তাগিদ দেন তারা।

    বৈঠকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সন্ত্রাস এবং দলীয়করণের নানা চিত্র তুলে ধরেন জামায়াত আমির।

    জামায়াত আমির বৈঠকে বলেন, ইলেকট্রনিক মিডিয়া কেবল সংবাদ পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ না থেকে জাতীয় সচেতনতা ও ঐক্য সৃষ্টিতে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া, জামায়াতে ইসলামীর ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলোও খোলামেলাভাবে তুলে ধরে গঠনমূলক সমালোচনা করার জন্য উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।

  • সবেক বিচারপতি ও সেনা কর্মকর্তাসহ ৬৫০ জনের জামায়াতে যোগদান

    সবেক বিচারপতি ও সেনা কর্মকর্তাসহ ৬৫০ জনের জামায়াতে যোগদান

    সাবেক বিচারপতি, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, কওমি আলেম এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ ৬৫০ জন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

    দলটির মাসব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের উদ্যোগে দাওয়াতি সমাবেশে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন। এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুল ও ইসলামিক বই উপহার দিয়ে বরণ করে নেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি।

    জামায়াতে যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. এএসএম খালেকুজ্জামান, সাবেক সেনাকর্মকর্তা কর্নেল ফারুক হোসাইন, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এসপি ওবায়দুল হক এবং জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ও জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ।

    এ ছাড়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল আয়েশ খান, মো. ফিরোজ আলম খান, সিনহা এ খালিদ, হাজী শাহ আলম, আবদুর রাজ্জাক সোহাগ ও ডা. হুমায়ন কবিরও এদিন জামায়াতে যোগ দেন।

    বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে বংশাল থানার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব সরকার, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা মুশফিকুর রহমান বাবু, ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হাজী আলতাব হোসেন, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জাবেদ ওমর এবং ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সমাজসেবক মোছলেহ উদ্দিন আহমেদ রয়েছেন।

    এ ছাড়া গেন্ডারিয়া লাল খাঁ সিটি মসজিদের সেক্রেটারি নেয়ামত উল্লাহ কোল্লল এবং বাংলাদেশ নূরানী শিক্ষা বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনও জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।

    কওমি আলেমদের মধ্যে রয়েছেন মুফতি আবুল কালাম আজাদ মাদানী, মাওলানা এনামুল হক আজাদী, মাওলানা আব্দুর রহমান আল হাবিবী, মাওলানা মো. জসিম উদ্দিন (রসুলপুরী) ও মাওলানা হাসান জামিল প্রমুখ।

    ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট ড. এএসএম খালেকুজ্জামান, সাবেক বিচারপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহিদুর রহমান, মুফতি আবুল কালাম আজাদ মাদানী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল আয়েশ খান এবং বংশাল থানার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব সরকার।

    এ ছাড়া বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির ও অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপিসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

  • স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থীতার সুযোগ চায় জামায়াত

    স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থীতার সুযোগ চায় জামায়াত

    বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের (এমপিও) নির্বাচনে অযোগ্য করার ইসির প্রণীত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক গোলাম পাওয়ার।

    মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এই দাবি জানান তিনি। ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন গোলাম পারওয়ার।

    তিনি বলেন, এটা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। এটা বাতিল না হলে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন। প্রায় ৩০ হাজার এমপিও শিক্ষক চাকরি করছেন ।

    এছাড়া ইসির অতিরিক্ত সচিব পদে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যকে পদায়ন করায় তাকে অপসারণের জন্য সরকারকে অবহিত করার অনুরোধ জানান।

  • বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিবের সাক্ষাৎ

    বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিবের সাক্ষাৎ

    জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সফররত ইন্টারন্যাশনাল পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব আন্দা ফিলিপ।

    সোমবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় আইপিইউ-এর সেক্রেটারি জেনারেলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার রবার্তো রডরিগুয়েজ ভ্যালেন্সিয়া এবং সিনিয়র এক্সপার্ট হেরিয়েনো-এ অ্যাংগোরো।

    সাক্ষাৎকালে তারা জাতীয় সংসদকে আরও কার্যকর করে তোলা এবং সব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সংলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বিরোধীদলীয় নেতা এ সময় সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণে বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সমতাভিত্তিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা ও সংলাপ অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    এছাড়া সংসদীয় কমিটিগুলোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং তরুণ সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়, যা আইপিইউ-এর অন্যতম অগ্রাধিকার।

    ইপিইউ মহাসচিব বাংলাদেশের সংসদীয় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সংস্থার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎ শেষে উভয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে জাতীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন, বিরোধী দলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এবং বিরোধী দলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

    এ ছাড়াও বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চার আহতযোদ্ধা জসীমউদ্দিন খান, কামরুল হাসান, রিফাত হাওলাদার এবং জাকির শিকদার যোগ দেন।

  • দেশ কোনো একক দলের নয়, দেশ সবার: সেলিম উদ্দিন

    দেশ কোনো একক দলের নয়, দেশ সবার: সেলিম উদ্দিন

    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির এবং নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন বলেছেন, “দেশ কোনো একক দলের নয়, দেশ সবার। ”

    রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টায় ‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের রূপায়ণ সিটির পাশে খিদির খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনলে তিনি এ কথা বলেন।

    সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা মহানগরীর ৫৪টি ওয়ার্ডে দায়িত্বশীলদের নেতৃত্বে শত শত ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়েছে। ”

    তিনি বলেন, “আমরা জানি না, সিটি করপোরেশনের সবকিছু থাকার পরও কেন ময়লাগুলো সরানো যায় না।

    আমরা চাই, এই সপ্তাহের মধ্যেই ঢাকায় জনগণ নির্মল বাতাস পাক। আমরা কাউকে দেখানোর জন্য এসব কাজ করছি না; জনগণের সমস্যা সমাধানের দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এ কাজ করছি। ”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে উত্তরা খালপাড়ে খাল পরিষ্কারের কাজে ক্ষমতাসীন দলের একজন নেতা আমাকে বলেছেন, এটা আমরা পরিষ্কার করব, আপনারা কেন করতে আসছেন? আমি তাকে বলেছি, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করতে এসেছি। কিন্তু তিনি এতে রাজি হননি।

    সেলিম উদ্দিন বলেন, “দেশ কোনো একক দলের নয়, দেশ সবার। ভালো কাজ করতে বাধা কেন থাকবে? আমরা তাকে বলেছি, দলাদলি করবেন না। প্রধানমন্ত্রীও বলেননি যে বাংলাদেশ আমাদের একার; তিনি বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ। এটি আমাদের সবার দেশ।

    তিনি সিটি করপোরেশন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “এক সপ্তাহে আমরা ঢাকা শহরকে যে ক্লিন কর্মসূচির আওতায় নিয়ে এসেছি, তা যেন আর নিচে না নামে। আমাদের যদি আবারও ঝাড়ু হাতে রাস্তায় নামতে হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দায়িত্ব অবহেলার কড়ায়-গণ্ডায় জবাব দিতে হবে। ”

    নগর প্রশাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যেহেতু নগর প্রশাসন নির্বাচিত নয়, সেহেতু জনগণের সমস্যা ও দুর্ভোগ তারা সেভাবে বুঝতে পারবে—এমনটা আশা করা কঠিন। ”

    তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, “গ্রামে আগে নির্বাচন না দিয়ে সিটিতে নির্বাচন দিন। নিজেদের লোক বসিয়ে লুটপাটের চেষ্টা করা হলে আমরা তা মেনে নেব না। আমরা অনতিবিলম্বে সিটি নির্বাচন চাই। ”

    একই সঙ্গে তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে মিলে জনগণের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। ”

    তিনি জনগণের গণরায় ও গণভোট দ্রুত বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।

    কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি ‘স্মার্ট বিন’ স্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, “এই স্মার্ট বিনে তিন ধরনের ময়লা আলাদাভাবে ফেলা যাবে। সংগৃহীত ময়লা পুনর্ব্যবহার করে আমরা কলম তৈরি করব এবং আগামী স্বাক্ষরতা দিবসে সেগুলো স্কুলে স্কুলে বিতরণ করব। ”

    তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা বহু নেতৃত্ব দেখেছি। এবার যারা জনগণের সমস্যা সমাধানে কাজ করবেন এবং জনগণকে সহযোগিতা করবেন, তাদের নতুন নেতৃত্ব হিসেবে সামনে নিয়ে আসুন। ”

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, উত্তরা পশ্চিম সহকারী অঞ্চল পরিচালক মাহবুবুর রহমান, উত্তরা মডেল থানার আমির অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল, তুরাগ দক্ষিণ আমির ও ৫২ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার প্রার্থী মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, তুরাগ মধ্য আমির গাজী মনির হোসাইন, নায়েবে আমির কামরুল হাসান, ফিরোজ আলম, ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মাওলানা মাহফুজুর রহমান, ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী অধ্যক্ষ সালাউদ্দিন এবং ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সুরুজ্জামান।

  • সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যাচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

    সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যাচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

    সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। সরকারের এমন কর্মকাণ্ডকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভাসহ সবক্ষেত্রে দলীয়করণ করা হচ্ছে। আজ যদি, দেশে কোনো দলীয় সরকার না থাকতো, তাহলে প্রশাসক নিয়োগটা বৈধতা ছিল। কিন্তু এখন দলীয় নির্বাচিত সরকার রয়েছে, তারা এটা পারে না।

    সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচন করার সুযোগ দিলে, জনগণের ভোগান্তি কমবে বলে মনে করেন জামায়াত সেক্রেটারি।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ মহিলা মাদরাসা মাঠে উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতিদের সম্মেলন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা ও বিএনপিসহ অনেকগুলো রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছিলাম। সেখানে উল্লেখ ছিল, নির্বাচিত সরকার ১৮০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। আমরা তাদেরকে সে পথ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করছি। সেপ্টেম্বরে সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হবে। আমরা আশা করবো, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অধিবেশন ডেকে সে সনদকে বাস্তবায়ন করবে। অন্যথায়, আমরা এদেশের জনগণকে নিয়ে সনদ বাস্তবায়নে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেব।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, এদেশে সব বিষয়ক একজন মন্ত্রী রয়েছে। তিনি সব মন্ত্রণালয় নিয়ে কথা বলেন। জাতীয় সংসদের বিরোধী দলকে ছোট করে তিনি বক্তব্য রাখেন। অথচ, তার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা আইনশৃঙ্খলার অবনতির দিকে তার খেয়াল নেই।

    সরকারের উদ্দেশ্যে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি না। সব দিকে শুধু সরকার দলীয় লোকদের মারামারি দেখতে পাচ্ছি। দেশে উন্নয়নের বৈষম্য চলছে। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের আসনে সুষম বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না।

    ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্য তার এলাকায় সব উন্নয়ন করবে, উদ্বোধন করবে, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সরকার বিরোধীদলের সংসদ সদস্যের এলাকায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদেরকে দারোয়ান হিসেবে উন্নয়ন তদারকির দায়িত্ব প্রদান করেছে, যা বেমানান। এতে করে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আরও খাটো করা হচ্ছে।

    জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিরোধীদলের ১৩ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন। তাহলে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় আমাদের নারী সংসদ সদস্যদেরকে তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হোক।

    এর আগে উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের ঢাকা মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য সাহাব উদ্দিন, পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা ইব্রাহিম, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আবদুর রহিম, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, মজলিসে শূরা সদস্য ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, আবদুল কাদের, ইউসুফ মেম্বার, পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমির কাজী মো. ইয়াছিন, সেক্রেটারি মোশারফ হোসেন ওপেল, উপজেলা সদর শিবির সভাপতি নাসিম মিয়াজীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

  • রোববার সংসদ অভিমুখে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের পদযাত্রা

    রোববার সংসদ অভিমুখে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের পদযাত্রা

    তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারের সংকটের প্রতিবাদ এবং গুমের ঘটনায় দ্রুত বিচারের দাবিতে আগামী রোববার জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

    বুধবার রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    জোটের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩০ আগস্ট রোববার বিকেল ৩টায় গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জাতীয় সংসদ অভিমুখে এ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনাগুলোর বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানানো হবে।

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’-এর বিল উত্থাপনের কথা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিলের পর নতুন করে এ আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, নতুন আইনে গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা পুলিশের হাতে দেওয়া হচ্ছে। অথচ গুমের অধিকাংশ অভিযোগই পুলিশের বিরুদ্ধে। ফলে অভিযুক্ত বাহিনীর কাছেই তদন্তের দায়িত্ব থাকলে তা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে না বলে মনে করছে তারা।

    বৈঠক শেষে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, দেশে বর্তমানে গ্যাস, বিদ্যুৎ, তেল ও সারের সংকটসহ নানা ধরনের দুর্ভোগ চলছে। সরকারের ব্যর্থতা সর্বত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। পুরো জাতি একাধিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

    তিনি বলেন, সংসদ অধিবেশন চলছে, কিন্তু জুলাই সনদ ও গণরায়ের বাস্তবায়ন হচ্ছে না। গুমের শিকার পরিবারগুলোও এখনো জানে না, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা কোথায় আছেন। অতীতে বিচারবহির্ভূতভাবে অনেক মানুষ গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনার বিচারও এখন পর্যন্ত হয়নি।

    হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এসব বিষয় সামনে রেখে আগামী ৩০ আগস্ট বিকেল ৩টায় গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোট।

    বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন, আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য আসিনি’

    ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন, আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য আসিনি’

    সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলা এবং নিজেকে শিক্ষক মনে করার মানসিকতার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন—এমন দুঃসাহস তিনি দেখিয়েছেন। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই।’

    বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি সম্মান রেখে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি আজ নতুন করে এসব শব্দ উচ্চারণ করেননি; বরং সংসদ অধিবেশন যেদিন থেকে বসা শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই তিনি সবাইকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলে আসছেন। তিনি নিজেকে কী মনে করেন, তা বোধগম্য নয় বলে মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় নেতা।