জাতীয়

  • আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে বুড়িগঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন গায়ক

    আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে বুড়িগঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন গায়ক

    জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কিশোর পলাশ। বিশেষ করে ফোক গানের জন্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তিনি ভালোই জনপ্রিয়। গানের পাশাপাশি তিনি খেলাধুলাতেও মনোযোগ রাখেন। ফুটবলে পলাশ আর্জেন্টিনার কট্টোর সমর্থক। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মেতে আছেন। নিজের দুই সন্তানকে নিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে প্রিয় দলকে সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছেন।

    তবে এই গায়ক এবার এক ব্যতিক্রমী ঘোষণা দিয়েছেন। জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে বুড়িগঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন। নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে বুড়িগঙ্গায় নৌকার ওপর বসে থাকার একটি ছবি পোস্ট করেছেন কিশোর পলাশ।

    ছবির সঙ্গে ক্যাপশনে দিয়েছেন সেই ঘোষণা। লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে সোজা বুড়িগঙ্গায় ঝাঁপ।’

    আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনাল খেলা শুরু হবে ২০ জুলাই রাত একটায়। খেলা শেষ হবে তিনটা বা তার কিছু পরে। যদি আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েই যায় তাহলে কিশোর পলাশ বুড়িগঙ্গায় কখন ঝাঁপ দেবেন, তখনই? সেই মাঝরাতেই? এই প্রশ্ন ভক্তরা করছেন।

    কিশোর পলাশ লোকজ ও জীবনমুখী গানের জন্য বেশ পরিচিতি পেয়েছেন। ‘ভাঙা তরী ছেঁড়া পাল’ গানের মাধ্যমে শ্রোতদের হৃদয়ে স্থান করে নেন এই গায়ক। এছাড়াও ‘ভবের বাড়ি’, ‘যৌবন গেলে প্রেম হবে না’, ‘কলঙ্কী’, ‘দিল দিয়া যারে ভালোবাসিলাম’, ‘দয়াল’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান সংগীতপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন।

  • গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে : জামায়াত আমীর

    গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে : জামায়াত আমীর

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যে গণভোটে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দিয়েছে, সেই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার বলে এখন দাবি করছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। ওই গণভোট যদি ব্যর্থ হয়, এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। ওই গণভোট মানতে জনগণ আপনাদের বাধ্য করবে ইনশাআল্লাহ।

    শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে বরিশালে বিভাগীয় এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

    বিএনপিকে উদ্দেশ করে শফিকুর রহমান বলেন, আপনারা ৯১ সালের পরে ক্ষমতায় এসে বোঝেন নাই কাকে কেয়ারটেকার সরকার বলে। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন ঠিকই। আমরা বলবো জাতির ক্ষতি করে বুঝবেন না, এখনই বুঝুন। আমরা রাজপথে এভাবে থাকতে চাই না। আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করতে চাই। কিন্তু আপনারা যেভাবে ধাক্কায়ে ধাক্কায়ে আমাদেরকে রাজপথের দিকে দিচ্ছেন, রাজপথ জ্বলে উঠলে সেই আগুনে অনেক কিছু পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে।

    তিনি বলেন, গণভোটে এদেশের ৭০ ভাগ মানুষ হ্যাঁ বলেছে। হ্যাঁ বলার মাধ্যমে তারা জানিয়ে দিয়েছে অতীতের পচা রাজনীতি এবং শাসনব্যবস্থা আমরা আর চাই না। আমরা পরিবর্তন চাই। নতুন শাসন ব্যবস্থা চাই, নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। আফসোস, সরকারি দল তারা বলেছিল অধিকাংশ জনগণ যদি গণভোটে হ্যাঁ- এর পক্ষে রায় দেয় তাহলে আমরা গণভোটের প্রত্যেকটি দাবি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো। আমরাও বলেছি, তারাও বলেছেন গণভোটে হ্যাঁ বলুন, আমরাও বলেছি গণভোটে হ্যাঁ বলুন। কিন্তু হ্যাঁ যখন বিজয়ী হলো। যেভাবেই হোক মেকানিজম করে তারা যখন ক্ষমতায় চলে গেলেন, তখন হ্যাঁ-টা তারা ভুলে গেলেন। এখন তারা বলতেছেন- আমরা কখনো সংস্কারের কথা বলি নাই। না না বন্ধুরা আপনারা সত্য বলছেন না, আপনারা মিথ্যা বলছেন। কারণ আপনাদের ৩১ দফা সংস্কারের দাবির প্রথম দফাই হচ্ছে সংস্কার। এখন বলেন যে সংস্কার কী জিনিস বুঝি না। আসেন আমরা সংবিধান সংশোধন কমিটি করি।

    জামায়াত আমির বলেন, আমাদের সংসদের ভেতরে আপনারা দেখবেন মাঝে মাঝে একজন অবৈতনিক শিক্ষক, তিনি আমাদেরকে সবক দেন। এইটা সংবিধান, ওইটা সংবিধান, এইটা ধারা, ওইটা ধারা। আমি জিজ্ঞেস করতে চাই- সংবিধান এবং কার্যপ্রণালী বিধির কোথায় আছে সংসদে আপনি একটা সংবিধান সংশোধন কমিটি করতে পারবেন মেহেরবানি করে তা দেখিয়ে দেন। আমরা যখন তার প্রতিবাদ করেছি, এখন শুনলাম সংসদের ভেতরেই তারা আওয়াজ দিয়ে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করলেন। আমরা এটাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছি। এখন নাকি তারা এটার নাম পাল্টাইয়া নতুনভাবে তারা আকিকা করতেছেন নতুন নামে। তারা এখন বলতেছেন বিশেষ কমিটি। জনগণের সাথে আর কত ছলচাতুরি করবেন, আর কত ধোঁকাবাজি করবেন। পদে পদে মিথ্যা বলবেন, ধোঁকা দেবেন পরিণতির জন্য তৈরি থাকুন।

    শফিকুর রহমান বলেন, ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে ২৪ সাল পর্যন্ত টানা ১৯টি বছর এদেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে, আয়নাঘরের সঙ্গী হয়েছে। লক্ষ লক্ষ মামলা মাথায় নিয়ে জেলে গিয়েছে। সন্তান হারিয়েছে, স্বামী হারিয়েছে, এমনকি স্ত্রীও হারিয়েছে, কিন্তু মানুষ ফ্যাসিবাদের কাছে মাথা নত করে নাই। সেই ফ্যাসিবাদকে বাংলাদেশ থেকে তুড়ি মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে। আপনারা হাজার চেষ্টা করলে ওই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না। আপনারা ডামি ফ্যাসিবাদ হতে পারবেন। আসল ফ্যাসিবাদকেই জনগণ পাত্তা দেয় নাই। ডামি ফ্যাসিবাদ আবার কিসের? ফ্যাসিবাদ যে পথে হেঁটেছে আপনারা সেই পথে হাঁটছেন। খাসলতের একটারও পরিবর্তন আনেন নাই।

    তিনি বলেন, ১৩৩টা অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়েছিল। যেই অর্ডিন্যান্সগুলা ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছিল তার সবগুলো বিএনপি রেখে দিয়েছে। এটা জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। তারা বলে সুন্দর করে আমরা আরো ভালো করে এগুলা নিয়ে আসব। এ পর্যন্ত ছয় মাস চলে যাচ্ছে কই ভালো করে তো এটা আনতে পারলেন না। আমরা বুঝতে পারছি জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য আরেকটা অপকৌশলের আশ্রয় তারা নিতে পারেন। তাদের মনমতো একতরফা ওই অবৈধ কমিটিতে আলাপ-আলোচনা করে। সংবিধান সংশোধন কমিটি বলে কোনো কমিটি নাই। এটা অবৈধ যদি গঠন করা হয়ে থাকে। ওখানে আলাপ-আলোচনা করে তাদের মনমতো কিছু জিনিস স্বৈরশাসনকে পোকাপোক্ত করার জন্য তারা হয়তো নিয়ে আসবে। দুই তৃতীয়াংশের জোরে হয়তো পাসও করবে। তারপরে বলবে আগে তো সংবিধানে গণভোট ছিল না। এখন পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে এটা ফিরে এসেছে। আমরা এখন এই বিষয়গুলোই গণভোটে দেবো। এ রকম কোনো ভাওতাবাজি যদি করা হয়, অগ্রিম বলে রাখছি- এই জাতি আপনাদেরকে ছেড়ে কথা বলবে না। সাবধান ধোঁকার পথে পা বাড়াবেন না।

    শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের একটা চমৎকার স্লোগান ছিল আমাদের সন্তানদের। লেগেছে রে লেগেছে। রক্তে আগুন লেগেছে। রক্তে আগুন ধরাবেন না। এই প্রজন্মের আর পরীক্ষা নেবেন না। এরা পরীক্ষিত। এরা বিজয়ী, এরা বীর।

    জামায়াত আমির বলেন, জুলাইকেও ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কত কসরত। এইটা ওইটা, ৭১ সাল- অবশ্যই এটি আমাদের গর্বের। এটি আমাদের ইতিহাসের সোনালী অংশ। ২৪ টানতে গিয়ে ৭১ টানতে হবে কেন। ৭১ থাকবে ৭১ এর মর্যাদায়, ২৪ থাকবে তার মর্যাদায়। এই ২৪ আমরা হারিয়ে যেতে দেব না ইনশাআল্লাহ। ২৪ এর বীরদেরকে যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মানে সম্মানিত করতে হবে সে শহীদ হোক আর গাজী হোক, ২৪ নিয়ে কোনো অবহেলায় জাতি বরদাসত করবে না।

    সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন। এছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারাও সমাবেশে বক্তব্য দেন।

  • সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের ওপরে বিগত ১৭ বছরে আরোপিত বিভিন্ন কালো আইন সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

    শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    এতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্য সদস্যরা।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

  • কনা ও সজীবের ‘মন দাও’

    কনা ও সজীবের ‘মন দাও’

    ‘তুমি মন দাও না দাও/ আমি তোমাকেই ভালোবাসবো’- এমন রোমান্টিক কথা মালার একটি গান নিয়ে শ্রোতাদের কাছে এলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনা ও সজীব দাস। জামাল হোসেনের কথায় সম্প্রতি ‘মন দাও’ শিরোনামে গানটি রঙ্গন মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে। এর সুর-সংগীত পরিচালনা করেছেন সজীব দাস নিজেই। গানটিতে সজীবের সঙ্গে মডেল হয়েছেন অলংকার চৌধুরী। মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা।

    গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার জামাল হোসেন বলেন, ‘মন দাও নিরেট ভালোবাসার গান। ভালোবাসা কোন যুক্তি মানে না। এ অনেকটা বাঁধন হারা। সত্যিকার ভালোবাসা অপর পক্ষের সাড়ার অপেক্ষায় থাকে না- এক তরফা ভালোবেসে যায়। ভালোবাসার গানের আবেদন চিরন্তন। এ গান প্রেমিক মনে নাড়া দিবেই।

    সজীব দাস চমৎকার সুর ও সংগীত আয়োজন করেছে। কনা ও সজীব গেয়েছেও দারুন। সৈকত রেজার ভিডিও ও মডেল অসাধারন। আশা করি গানটি দর্শক শ্রোতার মনে দোলা দিতে সক্ষম হবে।’

    সজীব দাস বলেন, ‘কনা আপার সঙ্গে নাটকে আমার বেশ কিছু গান শ্রোতারা ভালোভাবে গ্রহন করেছেন। অনেকেই নাটকের বাইরেও আমাদের গান চেয়েছেন। তাই শ্রোতাদের কথা ভেবেই এই গানটি করেছি।’

    উল্লেখ্য, কনা ও সজীবের কণ্ঠে ‘যদি মনটা চুরি করি’, ‘তোমার মায়ায়’, ‘তোমার হতে চাই’সহ আরও বেশ কিছু গান বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

  • সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ আওয়ামী লীগ করে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

    সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ আওয়ামী লীগ করে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ আওয়ামী লীগ করে। ভদ্রলোক আওয়ামী লীগ করে না। সরকারে থাকার অর্থ এই নয় যে, কেউ বড় কিছু হয়ে গেছে। দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

    শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জের মিরপুরে অবস্থিত তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    টুকু বলেন, এক সময় তাঁতের অর্থেই পাকিস্তানের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হয়েছিল। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ এ শিল্পকে ধ্বংস করেছে। আওয়ামী লীগ শুধু গত ১৭ বছর নয়, জন্মলগ্ন থেকেই দেশের ক্ষতি করে গেছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে অনেকে নিহত হয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের পতনের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কাউকে ভয়ভীতি দেখানো হয়নি, ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়নি এবং দিনে ভোট রাতে গণনা হয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে আমি বলেছিলাম, হাসিনা থাকাকালীন দেশে ফিরব না; আমার লাশ ফিরবে। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি পালিয়ে গেছেন, আর আমি দেশে ফিরেছি।

    তাঁতশিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ নিয়ে নারীরা স্বাবলম্বী হতে পারেন। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে বড় উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ রয়েছে এ খাতে।

    বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।

    এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ২০৩০ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা হতে পারে ২৪০০০ মেগাওয়াট

    ২০৩০ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা হতে পারে ২৪০০০ মেগাওয়াট

    দেশে আগামী পাঁচ বছরে সর্বোচ্চ চাহিদা ২৪ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি। প্রতি বছর এই চাহিদা বাড়লেও সেই বৃদ্ধির গতি ২০৩০ সালে ২৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যেই থাকার কথা।

    আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী জরুরি পরিস্থিতি, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রকৃত চাহিদার সঙ্গে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা রাখা হয়, যাকে স্পিনিং রিজার্ভ বলা হয়।

    সেই হিসাবেও ২০৩০ সালে দেশের মোট প্রয়োজন ৩০ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা হচ্ছে।

    বাস্তবে বর্তমানে নির্মাণাধীন প্রকল্পগুলো শেষ হলে এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে এলে সক্ষমতা প্রায় ৩৭ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। যদিও এর মধ্যে কিছু পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাবে। তবু থেকেই যাবে প্রয়োজনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অতিরিক্ত সক্ষমতা।

    দেশে এখন ৩১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন, যেগুলোর কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। এসব কেন্দ্রের বেশিরভাগই জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক এবং মোট উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াট।

  • শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ইস্যুতে আদালতের সমন জারি, নীরবতা ভাঙলেন তিশা

    শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ইস্যুতে আদালতের সমন জারি, নীরবতা ভাঙলেন তিশা

    প্রায় ১০ মাস আগে একটি জামদানি শাড়িকে কেন্দ্র করে ওঠা প্রতারণার অভিযোগ আবারও আলোচনায় এসেছে। আদালতের সমন জারির পর এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তিনি বলেছেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আদালতে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন।

    একটি জামদানি শাড়িকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী ও মডেল তানজিন তিশার বিরুদ্ধে করা প্রতারণার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি আদালত তাঁকে সমন জারি করে আগামী ১৩ আগস্ট হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর বিষয়টি আবারও সামনে আসে।

    সমন জারির পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন তানজিন তিশা। তিনি বলেন, ‘আমি অবশ্যই আদালতে যাব। আমারও ইচ্ছা হয়েছিল, আমার সঙ্গে কী ঘটেছে, সেটা নিয়ে কথা বলি। কিন্তু বিষয়টি যেহেতু বিচারাধীন, তাই প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু বলিনি। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। আমি বিশ্বাস করি, সঠিক বিচার পাব এবং আইনিভাবেই বিষয়টি মোকাবিলা করব।’

    ১৪ বছরের অভিনয়জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিশা প্রশ্ন রাখেন, মাত্র ২৭ থেকে ২৮ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য প্রতারণা করার অভিযোগ কতটা যুক্তিযুক্ত।

    তার ভাষ্য, ‘আমি এত বছর পরিশ্রম করে একজন শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। একটি অনলাইন শপের ২৭ হাজার টাকার শাড়ির জন্য প্রতারণা করার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমার বিশ্বাস, দর্শকেরা বিষয়টি বুঝতে পারবেন।’

    মামলার বাদী একটি অনলাইন পোশাক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। তাঁর অভিযোগ, তানজিন তিশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগ করে একটি জামদানি শাড়ির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে প্রচারণার শর্তে শাড়িটি স্পনসর করা হলেও তিনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো প্রচারণা করেননি এবং শাড়ির মূল্যও পরিশোধ করেননি।

    তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তিশা। তাঁর দাবি, শাড়িটি তাঁকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘গিফট নিয়ে হয়ে গেলাম প্রতারক! হা হা! আর ফটোশুটই যদি করাতে চান, পারিশ্রমিক কই? আজব নারী উদ্যোক্তা! আপনার গিফটরে সালাম!’

    এদিকে আদালতের সমনের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর অভিনেত্রী, তাঁর পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁদের ধারণা, একটি জামদানি শাড়িকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াবে, তা তারা ভাবেননি।

    আগামী ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হয়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন তানজিন তিশা।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম   

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম   

    সরকার গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সরকার যদি গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তাহলে গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে আমরা বাধ্য হবো। শনিবার (১৮ জুলাই) বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা এখানো কোনো কঠোর কর্মসূচি দেই নাই। আমরা হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি দেই নাই। কিন্তু যেকোনো সময় সেই ধরনের কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। আমরা বাংলাদেশে এই মুহূর্তে এই ধরনের কর্মসূচি দেওয়ার পক্ষে ছিলাম না। কিন্তু সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রমশ পরিস্থিতি কে সেই দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।

    এনসিপির এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী অনেক ভালো ভালো কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু, অন্তরে ছলনা। কারণ আমরা দেখলাম যেই গণভোটের পক্ষে, যেই জুলাই সনদের পক্ষে তিনি হ্যাঁ এর প্রচারণা করলেন, নির্বাচনের ফলাফলের পরে ৭০ শতাংশ জনগন গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দেওয়া সত্ত্বেও তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছেন না। অন্যদিকে মুখে বলে যাচ্ছেন জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো। গণঅভুত্থানের সময় আমাদের একটা স্লোগান ছিল নাটক কম করো পিও। তারেক রহমানকেও বলে দিচ্ছি নাটক কম করেন পিও। বাংলাদেশের জনগন আপনাকে ক্ষমতা দিয়েছে মানে এই নয়, আপনি যা খুশি করবেন, যেরকম খুশি ছলনা, প্রতারণা এদেশের জনগণের সাথে করবেন।

    বিএনপি গত ১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, কিন্তু দুঃখের বিষয়, ৫ আগস্টের পর থেকে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে। আসলকথা বিএনপি কখনই গণতন্ত্রের পক্ষে ছিলনা । তারা লড়াই করেছে ক্ষমতার জন্য। তারা গণঅভ্যুত্থানে আমাদের সাথে কাধ মিলিয়েছিল ক্ষমতার জন্য। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত হয়েছে এখন তারা সংস্কারের কথা বলে না।

  • আজ থেকে ‘গৃহযুদ্ধ’

    আজ থেকে ‘গৃহযুদ্ধ’

    বাশার সাহেব একজন সফল ব্যবসায়ী। ঢাকা শহরে তার গাড়ি-বাড়ি, টাকা-পয়সার অভাব নেই। তবে এসবই তার শ্বশুরের কাছ থেকে পাওয়া। তাই ঘরজামাই হিসেবে বউকে ভয় পেয়ে চলে সে। বউ জুলেখা তাকে কড়াকড়ি নজরে রাখে। বাশার সাহেব কোনো মেয়ের দিকে তাকালেও সেটা নিয়ে তুমুল ঝগড়া বেঁধে যায় ঘরে।

    এর মধ্যেই হঠাৎ গ্রাম থেকে তাদের বাসায় আসে কুদ্দুস, তার মা জামেলা ও তার বোন রাবেয়া। কুদ্দুস নিজেকে বাশার সাহেবের ছেলে হিসেবে দাবি করে, কুদ্দুসের মা নিজেকে বাশার সাহেবের স্ত্রী হিসেবে দাবি করে। বাশার সাহেবের সম্পত্তির ভাগের জন্যই তারা ঢাকায় এসেছে বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এরপর বাড়ির মধ্যে শুরু হয় লঙ্কাকাণ্ড। এমন গল্প নির্মাণ হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘গৃহযুদ্ধ’।

    মহিন খানের রচনা ও পরিচালনায় নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালাউদ্দিন লাভলু, চিত্রলেখা গুহ,আরফান আহমেদ, শেলী আহসান, রকি খান, ফাতেমা-তুজ-জোহরা, সাব্বির অর্ণব, হায়দার আলী, জুলফিকার চঞ্চল, সীমান্ত আহমেদ, হানিফ পালোয়ান,জ্যোতি ইসলাম, অনন্যা ইসলাম, সুমাইয়া অর্পা, হিরা মনি, রিমু রোজা খন্দকার প্রমুখ।

    নির্মাতা জানান, আজ শনিবার থেকে ‘গৃহযুদ্ধ’ প্রচার হবে বৈশাখী টেলিভিশনে। সপ্তাহের প্রতি শনি, রবি ও সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে দেখা যাবে এটি।

  • ক্ষমতাসীনদের দুর্বলতায় আবারো গণঅভ্যুত্থান হতে পারে: সেলিম উদ্দিন

    ক্ষমতাসীনদের দুর্বলতায় আবারো গণঅভ্যুত্থান হতে পারে: সেলিম উদ্দিন

    ৩৬ জুলাই’ স্মরণে রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন সড়কে ‘জুলাই গ্রাফিতি আর্ট’ কর্মসূচি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর। শনিবার সকালে নর্থ টাওয়ার হাউজবিল্ডিং এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

    এ সময় তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনদের দুর্বলতা ও জনগণের গণভোটের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষার কারণেই ভবিষ্যতে আবারও জুলাইয়ের মতো একটি গণঅভ্যুত্থানের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এমন পরিস্থিতি যেন না হয়, সেদিকে সরকারের সতর্ক দৃষ্টি রাখা উচিত। এছাড়া কেউ কেউ আওয়ামী লীগের ভাষ্য অনুসরণ করে তাদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    ডিএনসিসির এই মেয়র প্রার্থী আরও বলেন, জুলাইয়ের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নেবে, তারা জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হবে। জুলাই নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র কিংবা অপমানজনক বক্তব্য দেশের মানুষ মেনে নেবে না। জুলাইকে নিয়ে অপপ্রচারের পরিণতি ভালো হবে না।

    তিনি বলেন, কোটি মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই ‘৩৬ জুলাই’-এর সফলতা অর্জিত হয়েছে। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেই বাংলাদেশ পরিচালিত হতে হবে। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন জুলাইয়ের স্মৃতি ও গ্রাফিতি রাষ্ট্রের উদ্যোগে সংরক্ষণ করা উচিত।

    সেলিম উদ্দিন বলেন, জুলাই আন্দোলনে উত্তরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এখানে অসংখ্য মানুষ শহীদ ও আহত হয়েছেন। সে সময় তৎকালীন সরকারের বাহিনী ঘরে ঘরে অভিযান চালিয়ে নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়েছে। তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে যেভাবে আওয়ামী লীগের পুরনো বয়ান তুলে ধরা হচ্ছে, তা উদ্বেগজনক। জুলাইয়ের ইতিহাস বিকৃত বা অপমানের কোনো প্রচেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না।

    আয়োজকরা জানান, আগামী ২০ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত ‘স্মৃতিতে জুলাই’ শীর্ষক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘তুলিতে জুলাই’ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। একই সঙ্গে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচি। কর্মসূচি শেষে শহীদ মুগ্ধ মঞ্চে সেরা গ্রাফিতি শিল্পীদের পুরস্কৃত করা হবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের উত্তরা পূর্ব অঞ্চলের পরিচালক জামাল উদ্দিন, উত্তরা মডেল থানা আমির ইব্রাহিম খলিল, পশ্চিম থানা আমির মাজহারুল ইসলাম, তুরাগ দক্ষিণ থানা আমির মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, তুরাগ মধ্য থানা আমির গাজী মনির হোসাইন, দক্ষিণখান পূর্ব থানা আমির আবু সাঈদ, উত্তরখান পশ্চিম থানা আমি নিজাম উদ্দিন, মহানগর যুব বিভাগের সেক্রেটারি ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, তুরাগ মধ্য থানা নায়েবে আমির কামরুল হাসান, ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর উত্তরের দপ্তর সম্পাদক তাহমিদ হুজাইফা প্রমুখ।