জাতীয়

  • ধর্ষণ প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার: ধর্মমন্ত্রী

    ধর্ষণ প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার: ধর্মমন্ত্রী

    মাদরাসায় ধর্ষণ ও অশালীন কর্মকাণ্ডের ঘটনাকে দুঃখজনক ও লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সব বিষয়ে নজর রাখছেন।

    শরিয়াহ অনুযায়ী হারাম ও হালাল কাজের বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারি করা হবে। অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

    এর আগে সম্মেলনে দেশের ইমামদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী বলেন, উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহার করে সুন্দর ও মার্জিত ভাষায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষকে আহ্বান জানাতে হবে।

    এ সময় খুতবায় সমাজের বিভিন্ন অসংগতি, মাদক ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধের বিষয়গুলো তুলে ধরার নির্দেশ দেন তিনি।

  • সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে জামায়াত: রিজভী

    সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে জামায়াত: রিজভী

    জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিথ্যাচারের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

    শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ফকিরাপুল কাঁচাবাজারের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ব খাদ্যসূচকে ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

    তবে দেশে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

    আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার অভিযোগ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে বলে যারা অভিযোগ করছেন, তাদের সেই চুক্তির প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দেখাতে হবে। অন্যদিকে, তাদের সঙ্গে আঁতাতের বিষয়ে আমরা তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরেছি।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

  • এমপি রুমিন বিরুদ্ধে সরাইল থানায় পুলিশের জিডি

    এমপি রুমিন বিরুদ্ধে সরাইল থানায় পুলিশের জিডি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সংসদ সদস্যের সঙ্গে থানায় যাওয়া ব্যক্তিদের তালিকা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

    গত বৃহস্পতিবার রাতে সরাইল থানায় ওই জিডি করা হলেও বিষয়টি গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর জানাজানি হয়।

    জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরাইল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া। তিনি বলেন, থানায় যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের তালিকাও করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকদের ভাষ্য, কয়েক দিন ধরে সংসদ সদস্যের সঙ্গে সরাইল থানার ওসির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সংসদ সদস্য ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জাকির হোসেন ফোন করলেও ওসি সাড়া দেন না। এমনকি তাঁদের ফোনও ধরেন না। ওসির কাছে নিরাপত্তা চেয়েও পাননি সংসদ সদস্য।

    এ পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সরাইল থানায় ওসির কক্ষে যান রুমিন ফারহানা। সেখানে সংসদ সদস্য ও তাঁর সঙ্গীদের সঙ্গে ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

    দুই পক্ষের উত্তপ্ত কথোপকথনের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া তিনটি ভিডিওর একটির দৈর্ঘ্য ৭ মিনিট ৮ সেকেন্ড, আরেকটির ৫৭ সেকেন্ড এবং অন্যটির ২ মিনিট ২৩ সেকেন্ড।

    আমরা ওসির বিষয়গুলো পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করব। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    জাকির হোসেন, রুমিন ফারহানার ব্যক্তিগত সহকারী

    ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে এর আগে গত বৃহস্পতিবার সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছিলেন, ‘নানান অভিযোগ ওনার (ওসি) বিরুদ্ধে। এসব নিয়ে আলোচনা করতে থানায় গিয়েছিলাম। আমি একটা তালিকাও নিয়ে গিয়েছিলাম। উনি কোনো মন্তব্যও করেননি। দুই পাতার তালিকা ছিল যে এই তারিখে এই অপরাধ, ওই তারিখে ওই অপরাধ। উনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।’

    এদিকে ওই ওসির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রুমিন ফারহানার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জাকির হোসেন। গতকাল মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘আমরা ওসির বিষয়গুলো পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করব। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

  • নবীনগরে এমপির ভাতিজা পরিচয়ে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা

    নবীনগরে এমপির ভাতিজা পরিচয়ে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের মাইক্রোবাস আটকে ইজারার টাকা আদায়ের নামে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নবীনগর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের আলীযাবাদ মোড়ে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।অভিযুক্ত নেতার নাম আসাদুজ্জামান বিপ্লব।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে নবীনগরে সংবাদ সংগ্রহের কাজে কয়েকজন টেলিভিশন সাংবাদিক একটি মাইক্রোবাসযোগে উপজেলার ধরাভাঙ্গা গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আলীযাবাদ মোড়ে পৌঁছালে ইজারাদারের লোকজন গাড়িটি থামিয়ে ইজারার টাকা দাবি করেন। সাংবাদিকরা গাড়িটি জরুরি পরিষেবার আওতাভুক্ত এবং টোলমুক্ত বলে জানালেও তারা তা মানতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে তারা যুবদল নেতা আসাদুজ্জামান বিপ্লবকে ডেকে আনেন।

    ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিপ্লব সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন এবং মারমুখী আচরণ করেন। এ সময় তিনি নিজেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের ভাতিজা পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকদের নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

    ঘটনার বিষয়ে পৌরসভার ইজারাদার জাবেদুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন অসদাচরণের জন্য বিপ্লবকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে। ইউএনও এবং এমপি মহোদয় ইতোমধ্যে ইজারা বাতিলের কথা বলেছেন।

    নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক রাকিবুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের গাড়ি থেকে ইজারার টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইজারাদারের লোকজন যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি। পাশাপাশি পৌর ইজারা বাতিলের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমার কোনো ভাতিজা নেই। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে যারা এ ধরনের অপকর্ম করেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। আমি পৌর কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে এই ইজারা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছি।

  • ভারতের মুসলিমদের নিয়ে সোচ্চার হতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ভারতের মুসলিমদের নিয়ে সোচ্চার হতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    বাংলাদেশের হিন্দুদের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি ভারতের মুসলিমদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়েও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

    শুক্রবার নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ আহ্বান জানান।

    স্ট্যাটাসে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “হিন্দুদের দখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধার নিয়ে অনেকেই কথা বলেন না। একইভাবে ভারতে মুসলিম পরিচয়ের কারণে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ নিয়েও অনেকে নীরব থাকেন। তিনি বলেন, “অধিকার ও ন্যায়বিচার কখনো ধর্ম, জাতি কিংবা সীমান্তের পরিচয় দেখে নির্ধারিত হতে পারে না। বাংলাদেশের হিন্দুদের অধিকার নিয়ে যেমন সোচ্চার হতে হবে, তেমনি ভারতের মুসলিমদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়েও কথা বলতে হবে। ”

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, “মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির-গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পদ দখলের বিরুদ্ধে একই অবস্থান থাকতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় যা-ই হোক, কারও সম্পদ দখল কিংবা অধিকার হরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    তিনি বলেন, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান হতে হবে সর্বজনীন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে সবার জন্য। ”

  • আমাদের মূল লক্ষ্য জান্নাতে যাওয়া: জামায়াত আমির

    আমাদের মূল লক্ষ্য জান্নাতে যাওয়া: জামায়াত আমির

    রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) দিনব্যাপী আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

    সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর জান্নাত লাভ করা। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ৭০ ভাগ মানুষ অংশগ্রহণ করেছে, যারা দিন আনে দিন খায়। আল্লাহর পথে দিনমজুর ও মেহনতি মানুষের এই অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    তিনি রুকনদের উদ্দেশে অতীতের দায়িত্বশীলদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং বর্তমানের স্বাধীন কর্মপরিবেশে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে হবে এবং নবী ইবরাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.)-এর ত্যাগের আদর্শ অনুসরণ করে প্রতি মুহূর্তে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে।

    জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ আমাদের ভোট দিলেও তা রক্ষা করা যায়নি। এটি আমাদের নিজেদের দুর্বলতা ছিল। অতীতের ভুলত্রুটি ও দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে আগামীতে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকতে হবে। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের বিজয়ী করতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আমরা বসে বসে তামাশা দেখব না; যেখানে সামর্থ্য থাকবে, সেখানেই সংগত প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এই দেশ কুরআনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে, ইনশাআল্লাহ। সম্মেলন শেষে তিনি ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে নাগরিকদের জন্য ৫০টিরও বেশি সেবামূলক সুবিধা সংবলিত ‘নাগরিক সেবা’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন করেন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রুকনিয়াত কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতা নয়, এটি জীবন ও নীতি-নৈতিকতার একটি মানদণ্ড। রুকন হিসেবে আমাদের মান ও রুহানিয়াত যত শক্তিশালী হবে, সংগঠন তত মজবুত হবে।

    ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন ও নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি প্রমুখ।

    সম্মেলনটি দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে সকাল পৌনে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তর আমীর নির্বাচনে ১৩ সহস্রাধিক রুকন সদস্য ভোট প্রদান করেন। নির্বাচন পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন; তাঁকে সহায়তা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আ. সবুর ফকির। এরপর বেলা ১১টা থেকে শুরু হয় মূল সাংগঠনিক সেশন।

  • সরকারের আচারণ ক্ষমতার থাকার মত নয়  : ১১ দলীয় ঐক্য

    সরকারের আচারণ ক্ষমতার থাকার মত নয় : ১১ দলীয় ঐক্য

    ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার, এমন অভিযোগ করলেন ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। তার দাবি, এখানে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচনে ১২ ফেব্রুয়ারির মতো ইঞ্জিনিয়ারিং করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে তারা খবর পাচ্ছেন।

    আজ শুক্রবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠক শেষে দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে শপথ নেওয়ায় এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

    জামায়াত নেতা আযাদ বলেছেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে সরকারকে মাগুরার নির্বাচন থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। মাগুরার নির্বাচন বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের আন্দোলন হয়েছিল, যা পরে চূড়ান্ত রূপ নিয়েছিল। ’

    সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘সরকার যদি ক্ষমতায় থাকতে না চায়, তাহলে আমরা তো জোর করে ক্ষমতায় রাখতে পারব না। ’ সরকারের বিভিন্ন আচরণে অজুহাত তৈরি করে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে মাগুরার নির্বাচনের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি তারা চান না উল্লেখ করে এ ধরনের কোনো অশুভ পরিকল্পনা থাকলে তা থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

    দুর্নীতি বন্ধে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে জামায়াতের এ নেতা বলেছেন, দুর্নীতির পথগুলো বন্ধ করতে হবে। এ জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনের পাশাপাশি গুম-খুন প্রতিরোধে স্বাধীন কমিশন গঠনের কথাও তারা বলেছেন।

    প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে জামায়াত নেতা আযাদ বললেন, প্রশাসনে নির্লজ্জভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে। পিএসসির সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ ও পদোন্নতির দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছিলেন। কোটা আন্দোলন ও জুলাই আন্দোলন অতীতের ফ্যাসিবাদী আমলে মেধা হত্যার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেয়। কিন্তু বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে। ’

    ‘এখন মেধার পরিবর্তে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে’, অভিযোগ ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির এ সমন্বয়কের।

    নির্বাচন কমিশনে অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় শামসুল আলমের নিয়োগকে দলীয়করণের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন আযাদ।

  • ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি

    ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রপতি বসুন্ধরার এই হাসপাতালে যান বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপতির দফতর।

    রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সাহাবুদ্দিন তালুকদারসহ চিকিৎসকরা আবদুল মঈন খানের সর্বশেষ অবস্থা রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

    রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন বলে জানিয়েছে তাঁর দফতর।

    এই সময়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট রোকসানা খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

    গত বুধবার বুকে ব্যথা নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন আবদুল মঈন খান। তিনি শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগজনিত সমস্যায় ভুগছেন।

    বর্তমানে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

  • ১০ বছরেও ফিরবে না হাসিনা : স্পিকার

    ১০ বছরেও ফিরবে না হাসিনা : স্পিকার

    জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘আমি আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। আওয়ামী লীগ তাদের ক্ষমতায় থাকার সময় এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল, যে পরিবেশের কারণে কোনো সভ্য মানুষ নির্বাচনে আসত না। যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও তারা নির্বাচন করার সাহস পেত না। অর্থ, বিত্ত-বৈভব এবং জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য, অসৎ ও সমাজের নিকৃষ্ট মানুষের দাপটের কারণে ভালো মানুষেরা নির্বাচন করতে পারতেন না।

    বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্পিকার আরও বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া একান্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর মানুষ কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের এমন পদ্ধতি বেছে নেওয়া উচিত, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া বিকল্প কোনো কিছুর চিন্তা করার সুযোগ না থাকে।

    ভোলার গ্যাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে। দেশজুড়ে এখন জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যার অভাবে মানুষ কাজ করতে পারছে না। ভোলার মানুষ ভোলার গ্যাস ভোগ করবে—এটি তাদের ন্যায্য অধিকার। এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া উচিত।

    এ সময় জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের লক্ষ্যে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ বুধবার (২১অক্টোবর) সকালে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সনাতনী সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে এক শুভেচ্ছা বার্তায় রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও সবার।’ হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই এ দেশের নাগরিক উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সংবিধান প্রত্যেককে সমান অধিকার, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা দিয়েছে।’ এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের নানা প্রান্তে যখন যুদ্ধ, সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে, তখন এখানে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ উৎসব পালন করছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। এ সম্প্রীতি আমাদের শক্তি, আমাদের অস্তিত্ব। যেকোনো মূল্যে তা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘কখনো কখনো গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উগ্রতার মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা হয়। এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ় ও আপসহীন থাকতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকতে হবে।’

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই দেশ আমাদের সকলের। সকলে মিলে দেশকে গড়তে হবে। কোনো অপশক্তিকে বিভেদ সৃষ্টি করে জাতীয় ঐক্য ও অগ্রগতি বিনষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।’

    এ সময় তিনি সকলের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক এবং হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণই আমাদের জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।

    বিজয়া দশমী উপলক্ষে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকের এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনে আপনাদের স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত।’ তিনি বলেন, এ উৎসবের অন্তর্নিহিত বাণী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়। ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠী পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক বৈষম্য বা নিপীড়নের শিকার হবেন তা গ্রহণযোগ্য নয়।

    এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে ধর্ম পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল হলে উপস্থিত হলে হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ এবং মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির পক্ষ থেকে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

    রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে আগত সকল দর্শনার্থী এবং অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    এ সময় রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।