জাতীয়

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি; গাংনীতে জামায়াতের মিছিল ও সমাবেশ

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি; গাংনীতে জামায়াতের মিছিল ও সমাবেশ

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং শহীদদের স্মরণে মেহেরপুরের গাংনীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    শনিবার (১ আগস্ট) বাদ আসর গাংনী মডেল প্রাইমারি স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে গাংনী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাংনী উপজেলা জামায়াতের আমির ও গাংনী পৌরসভার জামায়াত মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ রবিউল ইসলাম।

    এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা শূরা সদস্য মাওলানা আব্দুল মজিদ, মাওলানা আব্দুর রহমান, পৌর জামায়াতের আমির মোঃ আহসানুল হক, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ওয়াস কুরুনী জামিল এবং বায়তুল মাল সম্পাদক জিল্লুর রহমান।

    বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। তারা গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের দাবি জানান। পাশাপাশি জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের আহ্বান জানান।

    কর্মসূচিতে উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির, সেক্রেটারিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিল ও সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

  • স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা সুযোগ পেলে দেশকে তছনছ করবে: কৃষিমন্ত্রী

    স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা সুযোগ পেলে দেশকে তছনছ করবে: কৃষিমন্ত্রী

    কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা এখনো ঘাপটি মেরে বসে আছে। সুযোগ পেলে তারা দেশকে তছনছ করে ফেলবে। শনিবার রাতে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ‘জুলাই স্মৃতিকথা’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থান না হলে আজ আমি এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারতাম কি না, জানি না। যারা তখন ক্ষমতায় ছিল, তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত ছিল না। তারা জনগণের সঙ্গে প্রহসনের নির্বাচন করেছে। ফ্যাসিস্টদের অনুসারীরা এখনো আমাদের আশপাশে লুকিয়ে আছে। সুযোগ পেলেই তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হবে।’

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া সবার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আহতদের চিকিৎসার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

    অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির নেতা ইউসুফ মোল্লা টিপু।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হানের সঞ্চালনায় এবং ফেইস দ্য পিপলের সম্পাদক সাইফুর সাগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামানসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত ব্যক্তিরা।

  • নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকলে সাংবাদিকতার বস্তুনিষ্ঠতা নষ্ট হতে পারে: তথ্যমন্ত্রী

    নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকলে সাংবাদিকতার বস্তুনিষ্ঠতা নষ্ট হতে পারে: তথ্যমন্ত্রী

    সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্যনিষ্ঠা ও বস্তুনিষ্ঠতা উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জনস্বার্থে ইতিবাচক এক্টিভিজমের ভূমিকা থাকতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা পক্ষপাত সাংবাদিকতার নিরপেক্ষতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। শেষ পর্যন্ত সত্যের মুখোমুখি সবাইকেই দাঁড়াতে হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    রোববার (২ আগস্ট) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ‘রাজনীতি, ক্ষমতা ও সাংবাদিকতার আন্তঃসংশ্লেষ: তত্ত্ব, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম ভিত্তি হলো স্বাধীন ও কার্যকর গণমাধ্যম। যেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতা অনুপস্থিত, সেখানে গণতান্ত্রিক কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই সংবাদ পরিবেশনে সত্যনিষ্ঠা, বস্তুনিষ্ঠতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি বলেন, জনমত গঠনে কল্যাণকামী এক্টিভিজম ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে সেই ভূমিকা যেন কখনোই সংবাদ পরিবেশনের নিরপেক্ষতা ও পেশাগত মানদণ্ডকে ক্ষুণ্ন না করে।

    রাজনীতি ও গণতন্ত্রের প্রসঙ্গ টেনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জনপ্রিয় ভোটে নির্বাচিত অনেক সরকার পরবর্তীতে ক্ষমতা নিজেদের হাতে কেন্দ্রীভূত করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে ভিন্নমত ও বহুমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক সমঝোতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই সময় কিছু সাংবাদিক তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। আবার যারা প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধেও একাংশের সাংবাদিক অবস্থান নিয়েছিলেন। তার ভাষায়, ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব সত্য তুলে ধরা, কারণ শেষ পর্যন্ত সত্যই প্রতিষ্ঠিত হয়।

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে অপতথ্য ও ভুয়া তথ্যের বিস্তার সাংবাদিকতার বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তাই তথ্য যাচাই, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন এবং পেশাগত নৈতিকতা মেনে চলার গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেড়েছে।

    তিনি জানান, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, জবাবদিহি ও সুশাসনের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করতে সরকার একটি গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। তার আশা, এই কমিশন গণমাধ্যম খাতকে আরও শক্তিশালী, দায়িত্বশীল ও কার্যকর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

  • অবদান নিয়ে বিতর্ক তুলে যারা অনৈক্য তৈরি করেছে ব্যর্থতার দায় তাদের: এবি পার্টি

    অবদান নিয়ে বিতর্ক তুলে যারা অনৈক্য তৈরি করেছে ব্যর্থতার দায় তাদের: এবি পার্টি

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার, রাজনৈতিক ঐক্য এবং অর্জন-ব্যর্থতার মূল্যায়ন নিয়ে ‘৩৬ জুলাইয়ের অবদান বিতর্ক ও ব্যর্থতার দায় পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সংলাপের আয়োজন করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।

    সভায় সভাপতির বক্তব্যে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পার হলেও অর্জনের চেয়ে ব্যর্থতার আলোচনা বেশি হচ্ছে। শেখ হাসিনার পলায়নের পর অবদান নিয়ে বিতর্ক তুলে যারা জাতীয় অনৈক্য সৃষ্টি করেছে, ব্যর্থতার সিংহভাগ দায় তাদেরই নিতে হবে।

    তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর দুটি সরকার দায়িত্ব পালন করেছে, প্রথমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরে বিএনপি সরকার। রাষ্ট্র সংস্কার ও মানুষের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান পরিবর্তন না এলে উভয় সরকারকেই ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ছয় মাসের সঙ্গে তুলনামূলক মূল্যায়ন করে এবি পার্টি আরেকটি সংলাপের আয়োজন করবে। তখন দেশের অর্থনীতি, দ্রব্যমূল্য, আইন-শৃঙ্খলা ও জনজীবনের বাস্তব চিত্র পরিসংখ্যানসহ জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।

    তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শত শত আন্দোলন হলেও বর্তমান সরকারের গত পাঁচ মাসে দাবি-দাওয়া নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো আন্দোলন হয়নি। শক্তি প্রয়োগ করে সমালোচনার কণ্ঠরোধের চেষ্টাকে খুবই দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে তা সরকারের জন্য হিতে বিপরীত হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

  • ফ্যাসিস্ট যা করেছে, আপনাদের কর্মকাণ্ড হুবহু এর ফটোকপি, বললেন জামায়াত আমির

    ফ্যাসিস্ট যা করেছে, আপনাদের কর্মকাণ্ড হুবহু এর ফটোকপি, বললেন জামায়াত আমির

    বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘১৭ বছরের নির্যাতনের কথা যেন সরকার ভুলে না যায়।’

    তিনি বলেছেন, ‘আমরা তো নতুন কিছুই দেখছি না। আগের ফ্যাসিস্ট যা করে গেছে, এখন হুবহু ফটোকপি আপনারা করছেন। বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন আপনারাও আগের মতোই করছেন।রোববার প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, ‘৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে কেন অগ্রাহ্য করছেন? ’৭০-এর নির্বাচন অগ্রাহ্য করার জন্যই তো ৭১ সংঘটিত হয়েছিল।’

    তিনি বলেন, ‘৯৬-এর নির্বাচন নিয়ে মাঝেমধ্যে বিএনপি আমাদের খোঁচা দেয়। অথচ ’৯১-এ নিঃস্বার্থ সমর্থনের কারণেই বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছিল।’

    নির্বাচন কমিশনের মতো নিরপেক্ষ জায়গায় দলীয় লোক বসানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

  • কওমিপিডিয়া প্রভাবশালী আলেমের তালিকায় প্রথম মামুনুল

    কওমিপিডিয়া প্রভাবশালী আলেমের তালিকায় প্রথম মামুনুল

    দেশের কওমি মাদরাসাভিত্তিক তথ্যভান্ডার ‘কওমিপিডিয়া’ দেশের শীর্ষ পাঁচ প্রভাবশালী আলেমের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ২৯ জুলাই প্রকাশিত এ তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন মাওলানা মামুনুল হক, দ্বিতীয় স্থানে মাওলানা মাহমুদুল হাসান, তৃতীয় স্থানে মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, চতুর্থ স্থানে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ড. মাওলানা আ ফ ম খালিদ হোসেন।

    প্রথম স্থানে থাকা মাওলানা মামুনুল হক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির। তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামি পণ্ডিত, বক্তা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে কওমি অঙ্গন এবং দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।প্রকাশিত তালিকা অনুসারে, দেশের শীর্ষ প্রভাবশালী আলেমদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মাওলানা মাহমুদুল হাসান। তিনি কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সংস্থা আল হাইআতুল উলয়া ও সর্ববৃহৎ শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সভাপতি এবং জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়ার মহাপরিচালক হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

    তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছেন হেফাজতে ইসলামের বর্তমান আমির মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি একজন প্রখ্যাত দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত, রাজনীতিবিদ এবং আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরের মহাপরিচালক।

    তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি দেশের একজন বিশিষ্ট ইসলামী পণ্ডিত, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদ হিসেবে সুপরিচিত।

    এছাড়া পঞ্চম স্থানে জায়গা পেয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ইসলামি পণ্ডিত ড. মাওলানা আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি অতীতে বিভিন্ন কওমি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    কওমিপিডিয়ার প্রকাশ করা এই প্রভাবশালী আলেমদের তালিকা দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • ঢাকার চারপাশে নৌপথ সচল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঢাকার চারপাশে নৌপথ সচল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    বাসস : রাজধানী ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো সচল করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    একইসাথে কীভাবে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ প্রতিরোধ করা যায়, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা যায় এবং নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকার চারপাশে নৌপথ চালু নিয়ে এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, রাজধানী ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো সচল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সভায়। এছাড়া আগ্রহী বেসরকারি কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিবেচনা করে নৌপথে তাদের ওয়াটার বাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়।

    উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, সভায় নৌপথ সচল করার পাশাপাশি কীভাবে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ প্রতিরোধ করা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা যায় এবং নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নদীর চারপাশে নির্মিত ওয়াকওয়ের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশনা দেন, যাতে পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত হয় এবং নদীর তীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

    সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘আগস্টে নিষিদ্ধ ঘোষিত গোষ্ঠীর তৎপরতা’, সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    ‘আগস্টে নিষিদ্ধ ঘোষিত গোষ্ঠীর তৎপরতা’, সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর বিভিন্ন কার্যক্রম আগস্ট মাসে পরিলক্ষিত হচ্ছে। সেই জন্য আমরা সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছি।

    রোববার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত ব্যাগ ঘিরে তৈরি হওয়া ‘বোমা আতঙ্ক’ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উদ্ধার হওয়া ব্যাগগুলোতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    মন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল যেসব পরিত্যক্ত ব্যাগ পাওয়া গেছে, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কোনো বোমার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। মূলত জননিরাপত্তার স্বার্থে কোথাও কোনো পরিত্যক্ত ব্যাগ বা সন্দেহজনক বস্তু দেখা গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা মেনে সেগুলো পরীক্ষা করে থাকে।’

    তবে আশুলিয়ায় প্রেসার কুকারের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তু এবং মতিঝিলে পাওয়া সন্দেহজনক বস্তুর বিষয়ে আলাদাভাবে তদন্ত চলছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এসব ঘটনার পেছনে কারা জড়িত বা কোনো ইন্ধন রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    গত ৫-৬ মাসের অপরাধপ্রবণতার পরিসংখ্যান টেনে মন্ত্রী বলেন, আনুপাতিক হারে ও তুলনামূলক বিচারে দেশে বর্তমানে এ ধরনের অপরাধ বা নাশকতার পরিমাণ অনেকটাই কম। পরিস্থিতি কোনোভাবেই উদ্বেগজনক নয়। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট’ ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    পাশাপাশি নাশকতার যেকোনো পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • শক্তিশালী বিচার বিভাগ ও আইনের শাসনেই টিকে থাকবে গণতন্ত্র: মির্জা ফখরুল

    শক্তিশালী বিচার বিভাগ ও আইনের শাসনেই টিকে থাকবে গণতন্ত্র: মির্জা ফখরুল

    গণতন্ত্রকে স্থায়ী ও কার্যকর করতে বিচার বিভাগ, প্রশাসন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পর বাংলাদেশ নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। এখন প্রয়োজন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও স্বাধীনভাবে গড়ে তোলা।

    রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ, দক্ষ প্রশাসন এবং কার্যকর সংসদীয় কমিটি প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশের গণতন্ত্র আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে। গণতন্ত্রের বিকাশে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী থাকলে সেই ব্যবস্থা টিকে থাকে।

    প্রতিবেশী ভারতের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভিন্ন সংকটের মধ্যেও সেখানে বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করেছে। বাংলাদেশেও নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, একটি সমাজকে এগিয়ে নিতে এই দুই বিষয় অপরিহার্য। অতীতে দেশ এ ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হলেও বর্তমান সরকার ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান তিনি।

    তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, মাদক শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, সারা দেশের জন্যই বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান বাড়াতে কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধপ্রায় সুগার মিলের কারণে স্থানীয় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাই বিকল্প শিল্পায়নের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে।

    তিনি আরও জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং এর উপাচার্য নিয়োগ ও জমি চূড়ান্ত হয়েছে। পাশাপাশি নতুন মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম আগামী বছর থেকে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া শহরের পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মাস্টার প্ল্যান এবং যানজট নিরসনে রিং রোড নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে একই দিন সকালে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ‘ফ্রি আই ক্যাম্প-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    ‘সবার জন্য দৃষ্টি, প্রতিটি চোখের যত্ন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জনগণের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই বিনামূল্যের চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

    অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ডা. আবু মো. খায়রুল কবিরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতীক কার্কি, এনএনজেএস-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. চেত রাজ পান্ত এবং বিরাটনগর আই হাসপাতালের চেয়ারম্যান পদ্ম নারায়ণ চৌধুরী।

    দিনব্যাপী আয়োজিত এ ক্যাম্পে শত শত মানুষকে বিনামূল্যে চোখের পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও রোগ নির্ণয় সেবা দেওয়া হয়।

  • সত্য যদি আমার বিরুদ্ধেও যায়, অকপটে প্রকাশ করুন: জামায়াত আমির

    সত্য যদি আমার বিরুদ্ধেও যায়, অকপটে প্রকাশ করুন: জামায়াত আমির

    বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, গণমাধ্যম সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ। একটি স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমই সমাজকে সজাগ রাখে এবং মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনে। তিনি বলেন, ‘মিডিয়াকে সমাজের আয়না বলা হয়। আয়নার সামনে দাঁড়ালে যেমন কোনো কিছু আড়াল থাকে না, তেমনি একজন প্রকৃত সাংবাদিকও কোনো তথ্য বিকৃত বা পরিবর্তন না করে মানুষের সামনে সত্য তুলে ধরেন। এ কারণেই সাংবাদিকদের সমাজের বিবেক বলা হয়। মিডিয়া যতদিন জাগ্রত থাকে, একটি সমাজও ততদিন জাগ্রত থাকে। আর বিবেকের মৃত্যু হলে সমাজেরও মৃত্যু ঘটে।’

    শনিবার সিলেটের বন্দরবাজারস্থ কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্সে দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার ৩৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জালালাবাদ পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই পত্রিকার প্রতি একটি অনুরোধ রাখব। আমাদের অঙ্গীকার ছিল— জালালাবাদ কোনো রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র হবে না; এটি হবে জনগণের মুখপাত্র। কোন দল কখন রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে, সেটি আল্লাহ তাআলার ফয়সালা। কিন্তু জালালাবাদকে অবশ্যই নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এই নীতিগত অবস্থান বজায় রাখতে গিয়ে যদি কোনো রাজনৈতিক দলের রোষানলে পড়তে হয়, তাতেও আপত্তি নেই। এমনকি এ পথে চলতে গিয়ে যদি পত্রিকাটি বন্ধও হয়ে যায়, তবুও নীতির প্রশ্নে যেন কখনো আপস না করা হয়। পত্রিকার পৃষ্ঠাসংখ্যা ছোট হতে পারে, কিন্তু তার সংবাদ অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে এবং জনগণের কথা বলতে হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে যদি কোনো সংবাদ আমার বিরুদ্ধে যায় কিংবা আমার দলের বিরুদ্ধেও যায়, তবুও জালালাবাদ যেন সত্য প্রকাশে পিছপা না হয়। একটি গণমাধ্যম যখন নির্ভয়ে সত্য তুলে ধরে, তখন মানুষের আস্থা স্বাভাবিকভাবেই তার প্রতি বৃদ্ধি পায়।’

    বর্তমান সমাজে পারস্পরিক বিশ্বাসের সংকটের কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আজ আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো আস্থার সংকট। মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করতে চায় না। আমি প্রত্যাশা করি, দৈনিক জালালাবাদ তার বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে এই আস্থার সংকট কাটিয়ে উঠতে সমাজকে সহায়তা করবে।’

    বক্তব্যের শেষে তিনি দৈনিক জালালাবাদ পরিবারের উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করেন এবং দেশের গণমাধ্যমে সত্য, ন্যায় ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতার ধারা আরও শক্তিশালী হোক— সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    সুধী সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার বর্তমান সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা মুকতাবিস উন নূর, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী এবং ফিলিপাইন ক্রিশ্চিয়ান ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপুসহ সিলেটের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ।