জাতীয়

  • অপরাধের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

    অপরাধের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

    চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। আর এ কারণে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগের সাথে প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা আছে বলেই তো তদন্ত শুরু হয়েছে। আমাদের তদন্ত টিম কাজ করতেছে। প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা তো আছেই। তদন্ত সম্পন্ন হওয়া তো সময়ের ব্যাপার।

    প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতার মধ্যে কি আছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্যে দলগত তাদের সংশ্লিষ্টতা আছে। ব্যক্তিগত দায় আছে। সুপরিয়র দায় আছে। এগুলো নিয়েই আমাদের তদন্ত এগুচ্ছে।

    এর আগে রবিবার চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার হবে কি হবে না সে বিষয়ে সংস্থা তদন্ত করছে। তদন্ত করার পরে যদি সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া যায়, আমার কাছে রিপোর্ট যদি দাখিল করা হয়, আমি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুযোগ আছে। আপাতত এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান আছে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনেছিল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)।

  • সরকারি চাকুরীতে  শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার :  জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

    সরকারি চাকুরীতে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

    গত ২০২৫ সাল পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী সরকারি অফিসগুলোতে ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি অনুমোদিত পদ এবং ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি শূন্য পদ আছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

    তিনি বলেন, এ সব শূন্য পদ পূরণে সরকার ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদী কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে।

    মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

    জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী সরকারি অফিসসমূহে অনুমোদিত পদ রয়েছে ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি এবং শূন্য পদ রয়েছে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি। শূন্য পদ পূরণে সরকার ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কর্মপরিকল্পনায় বর্ণিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’র বিষয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য এবং নিয়োগের অধিযাচন প্রেরণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া, দ্রুততম সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগের বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: জুবাইদা রহমান

    স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: জুবাইদা রহমান

    জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান জুবাইদা রহমান বলেছেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা জনগণের জন্য কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি দেশের মানুষ মৌলিক অধিকার।’

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য উদ্যোক্তা উন্নয়নের পথরেখা বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

    দেশের স্বাস্থ্যখাতের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের স্বাস্থ্য উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, তরুণদের প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে, যেন তারা দেশের স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

    তিনি বলেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদান করতে এবং প্রতিটি নাগরিকের কাছে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করছে সরকার।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের রয়েছে এক বিশাল তরুণ প্রজন্ম। যাদের শক্তি, ডিজিটাল দক্ষতা, চিন্তা আমাদের অন্যতম সেরা জাতীয় সম্পদ। চলতি বছরে গ্রাম পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

    জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের দেশে উৎপাদিত ওষুধের মান কোনো অংশেই কম নয়। বেশিরভাগ ওষুধই উন্নতমানের এবং এগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানিও হচ্ছে।

    জুবাইদা রহমান বলেন, নানা কারণে আমরা দারিদ্র্য, দুর্যোগ, রোগবালাই, বাস্তুচ্যুতি এবং নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছি। এরপরও সাহসিকতার সঙ্গে এসব মোকাবিলা করেছে দেশের মানুষ। তবে বর্তমান সরকার রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। আর এ লক্ষ্যে গ্রামে গ্রামে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রাথমিকভাবে ডায়রিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অপুষ্টি এবং অন্যান্য সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার দিকে মনোনিবেশ করছেন।

    তিনি বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্যগত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। অসংক্রামক রোগ বাড়ছে, জনসংখ্যা বার্ধক্যের দিকে যাচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তন নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে এবং নগরায়ন মানুষের জীবনযাপন, কাজ ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ধরন বদলে দিচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা খাতের পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এর জন্য নতুন চিন্তা ও নতুন অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

  • সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

    সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেছেন। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে মাঠ পর্যায়ের সেনাসদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটালেন।

    মঙ্গলবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৮ বীরের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয়ে বিস্তীর্ণ অংশ পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন তিনি।

    মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফার্ম বেস’-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি ‘রেইড’ মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

    এ ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেনা বাঙ্কারে নেমে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী অফিসার ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। এমনকি গাছের পাতার আড়ালে ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়েও তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

    একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা তাৎক্ষণিক রান্না করা খাবার খান এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন। মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরকারপ্রধান দীর্ঘ সময় কাটানোয় উপস্থিত সেনাসদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

    পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখছে। জাতীয় সংকট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন— প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।▫️

  • দল হিসেবে আ.লীগের বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে: তথ্য উপদেষ্টা

    দল হিসেবে আ.লীগের বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে: তথ্য উপদেষ্টা

    প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান বলেছেন, নির্বাহী আদেশে এখন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছ। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ট্রাইবুনালে এ দলটির বিচার হবে। বিচার শেষে আদালতই রায় দিবে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসাবে এ দেশে থাকবে কি না–।

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তো নিষিদ্ধ হয়নি, তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ আছে। তারা একটু অপেক্ষা করুক, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আমাদের আইসিটি থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলছে। সেই সময়টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেই হবে। যদি বিচারে দেখা যায় যে তাদেরকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না, আবারও বলছি এটা আদালতের এখতিয়ার, তিনি (বিচারক) সব পক্ষকে শুনেই সিদ্ধান্ত নেবেন, তাহলে তারা তাদের কর্মকাণ্ড করতে পারবেন।

  • ভেড়ামারায় বালু মহাল নিয়ে দ্বন্দ্বে  বিএনপি নেতা গুলিবৃদ্ধ

    ভেড়ামারায় বালু মহাল নিয়ে দ্বন্দ্বে বিএনপি নেতা গুলিবৃদ্ধ

    কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় বালুমহাল নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক বিএনপি নেতা। রোববার বিকেলে বাহিরচর ইউনিয়নের ১৬ দাগ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ নাসিরুল বিশ্বাস (৫০) বাহিরচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বালু বিক্রির উদ্দেশ্যে ভেড়ামারার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় গেলে নাসিরুল বিশ্বাসের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার পিঠে গুলি করা হয়। পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে পায়েও আঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

    হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান জানান, ওই ব্যক্তির পিঠ থেকে একটি গুলি বের করা হয়েছে। পায়েও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এখন তিনি আশঙ্কামুক্ত।

    ভেড়ামারা বাহিরচর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জহুরুল ইসলাম বিজলী বলেন, নাসিরুল ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় আমাদের বালু ব্যবসা আছে। তিনিই দেখাশোনা করেন। বালু বিক্রির জন্য ব্যবসাস্থলে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে।

    ভেড়ামারা থানার ওসি মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, বালু ব্যবসার দ্বন্দ্ব নিয়েই এ ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাত হামলাকারীর ছয়জন মুখোশধারী। একজনের মুখ খোলা থাকলেও তারা কাউকে চিনতে পারেননি। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, খুঁটিবগাড়ি বালুমহাল নিয়ে দ্বন্দ্বে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।

  • জাল-ই- ভিসা শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে উধাও ৭১ যাত্রী

    জাল-ই- ভিসা শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে উধাও ৭১ যাত্রী

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইট ঘিরে রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। বোর্ডিং পাস সংগ্রহ এবং ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও শেষ মুহূর্তে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওঠেননি ৭১ যাত্রী। এর আগে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসা জাল বলে শনাক্ত হওয়ার পর ঘটনাটি সামনে আসে। গত শনিবার রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটটি শেষ পর্যন্ত ওই ৭৬ জন যাত্রী ছাড়াই ঢাকা ছেড়ে যায়।

    বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ই-ভিসা জাল বলে শনাক্ত হয়। এরপর বোর্ডিং লাইনে থাকা আরো অনেক যাত্রী হঠাৎ করে সরে যান। পরে তাদের অনেকেই ইমিগ্রেশনের প্রস্থান সিল বাতিল করে আবার দেশে প্রবেশ করেন।

    সূত্র আরো জানায়, ওই ৭৬ জনের ভিসা যথাযথভাবে যাচাই ছাড়াই চেক-ইন কাউন্টার থেকে ‘ভেরিফায়েড’হিসেবে গ্রহণ করে বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়েছিল। পরে ইমিগ্রেশনও তাদের বিদেশযাত্রার অনুমতি দেয়। কিন্তু বোর্ডিং গেটে গিয়ে পাঁচজনের জাল ই-ভিসা ধরা পড়ে।

    বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিমানে না ওঠা ৭৬ জনই ট্যুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। তবে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে দেশটিতে গিয়ে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বোর্ডিং চলাকালে কয়েকজন যাত্রীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। পরে তাদের ভিসায় অসঙ্গতি ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে লাইনে থাকা আরো কয়েকজন যাত্রী সেখান থেকে সরে যান। কিছুক্ষণ পর কয়েকজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অফলোড করা হলে বোর্ডিং গেট এলাকায় উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়।

    বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই ফ্লাইটের ১০ জন যাত্রীকে উড়োজাহাজে ওঠার পর আটকে দেয় ইমিগ্রেশন বিভাগ। এরপর আরো পাঁচ যাত্রীকে বিমানবন্দরের বোর্ডিং গেটে আটকে দেওয়ার পর ওই ফ্লাইটের আরো ৬১ জন যাত্রী আর বোর্ডিং গেটেই আসেননি। এর মধ্যে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসার সঙ্গে পাসপোর্টের তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাদের অফলোড করা হয়।

    বিমানের মহাব্যবস্থাপক জনসংযোগ বোসরা ইসলাম বলেন, মালয়েশিয়াগামী বিমানের ওই ফ্লাইটে ২৮৮ জন যাত্রী টিকিট কেটেছিলেন। তাদের মধ্যে দশজন যাত্রীকে অফলোড করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। পাঁচজনকে পাসপোর্ট চেকিংয়ের সময় ভিসা সমস্যায় আটকে দেওয়া হয়েছে। ১০ জনকে ইমিগ্রেশনে আটকায়। ফ্লাইটে ৬১ জন যাত্রীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর আরো ৬১ জন যাত্রী যারা বোর্ডিং পাস নিয়েছিলেন, কিন্তু বোর্ডিংয়ের জন্য আর গেটেই আসেননি। শেষ পর্যন্ত ১৯২ জন যাত্রী নিয়ে সাড়ে ৮টার দিকে ছেড়ে যায় ফ্লাইটটি।

    বিমানবন্দর সূত্র জানায়, এই ফ্লাইটের ৭৬ জন যাত্রী প্লেনে চড়েননি। তাদের রেখেই চলে যায় ফ্লাইট। ৭৬ জনের মধ্যে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসার সঙ্গে পাসপোর্টের মিল না থাকায় তাদের অফলোড করা হয়। এছাড়া ইমিগ্রেশন থেকে ১০ জন অফলোড করা হয়েছে।

    বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ বলেন, ঘটনাটি তারা খতিয়ে দেখছেন। বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    পুলিশের বিশেষ ব্রাঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কিছু যাত্রী টুরিস্ট ভিসা নামে মালয়েশিয়ায় কাজ করার জন্য ঢাকা ত্যাগ করছিল। ইমিগ্রেশন পুলিশের বিষয়টি নজরে এলে তারা অফলোড করে।

    অবৈধভাবে বিদেশ যেতে কাগজপত্রে ত্রুটি রেখেই বিনা বাধায় ইমিগ্রেশন পার করিয়ে দেয় একটি অসাধু চক্র। যা ‘বডি কন্ট্রাক্ট’ নামে পরিচিত। এর সঙ্গে বিমানবন্দর এবং এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা জড়িত থাকতে পারে বলে গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা।

    যেসব যাত্রীকে অফলোড করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের বিশেষ শাখার এ কর্মকর্তা বলেন, আমার কাছে তাদের জাল ভিসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। তবে এসব ক্ষেত্রে দেখা যায় একজন যাত্রী ট্যুরিস্ট ভিসায় যাচ্ছেন, কিন্তু তার আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে বিদেশে ভ্রমণের বিষয়টি মেলে না। বা আরো কতগুলো বিষয় মিলিয়ে সন্দেহের কারণ থাকে।

    বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, বিমানে না ওঠা ৭৬ জনই ট্যুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। তবে একই ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে তাদের মালয়েশিয়ায় থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন চিত্রনায়িকা

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন চিত্রনায়িকা

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন চিত্রনায়িকা পলি। অভিযোগ তোলেন নির্বাচনে তাকে হারানোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে এবং পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অর্থের প্রভাব ছিল স্পষ্ট।

    গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত শিল্পী সমিতির নির্বাচনে শিবা শানু-জয় চৌধুরী প্যানেল থেকে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পলি। এ পদে বিজয়ী হয়েছেন পারভেজ চৌধুরী আবির। তিনি পেয়েছেন ২৭২ ভোট, আর পলি পেয়েছেন ১৪৪ ভোট।

    নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গুলশানে নিজ বাসায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পলি বলেন, ‘আমাকে হারানোর জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। আমি শুরু থেকেই বলে আসছি, প্রকৃত শিল্পীরা কখনো টাকা ছিটিয়ে নির্বাচন করেন না। এবারের নির্বাচনে প্রকৃত শিল্পীরাই হেরেছেন। রোজিনা আপা, নূতন আপা, রিনা খান আপা, মুক্তির মতো প্রকৃত শিল্পীরা পরাজিত হয়েছেন। তাদের সঙ্গে আমিও রয়েছি।’

    নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পলির ভাষ্য, ‘যারা টাকা দিয়েছে এবং যারা টাকা নিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। আমি ঢাকা-১৭ আসনের একজন ভোটার। দেশের জনগণের ভোটেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে আমারও একটি ভোট রয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’

    নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রসসঙ্গে পলি জানান, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল না তার। তবে শিবা শানু-জয় চৌধুরী প্যানেলের প্রার্থী সনি রহমানের অনুরোধে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন।

    বলেন, ‘আমাকে প্যানেলে নেওয়ার পর থেকেই নানা ধরনের নাটক শুরু হয়। শুরুতে একজন নায়িকাকে প্যানেলে নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়, পরে শুরু হয় চাঁদাবাজি। নির্বাচনী খরচের কথা বলে আমার কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়। আমি প্রথমে তিন লাখ টাকা দিই। পরে শিল্পীদের বিভিন্ন সহযোগিতার জন্য আরও দুই লাখ টাকা খরচ করি। এটি ভোট কেনার জন্য নয়, বিভিন্ন হেল্পারের খরচ হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। নায়িকা জলি নিজেও আমাকে জানিয়েছে, সেও টাকা এনে দিয়েছে।’

    সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে পলি বলেন, ‘যে দেশে ১৫ বছর পর একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, সেখানে শিল্পী সমিতিতে কেন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না? যারা নির্বাচনে টাকা ছিটিয়ে নোংরামি করেছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। প্রয়োজন হলে রিমান্ডে নিয়ে তদন্ত করা হোক, যাতে প্রকৃত সত্য সবার সামনে আসে।’

    সবশেষে নায়িকা বলেন, ‘এখন শিল্পী সমিতির ওই চেয়ার নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আমি শুধু চাই সত্যটা প্রকাশ হোক। তা না হলে প্রকৃত শিল্পীরা ফাইটার ও নাচের শিল্পীদের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে প্রকৃত শিল্পীরা আর শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী হবেন না।’

  • পড়ে থাকা আম কুড়োলেই ৫ লাখ টাকা জরিমানা!

    পড়ে থাকা আম কুড়োলেই ৫ লাখ টাকা জরিমানা!

    রাস্তার পাশে আমে ভরা গাছ, নিচে পড়ে আছে পাকা আম—এমন দৃশ্য দেখলে অনেকেই হয়তো সহজভাবেই কয়েকটি আম কুড়িয়ে নিতে চাইবেন। তবে সিঙ্গাপুরে এমন কাজ করতে গেলে গুনতে হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির আইন অনুযায়ী, সরকারি জায়গা কিংবা রাস্তার ধারে পড়ে থাকা আম সংগ্রহ করা বা গাছ থেকে আম পাড়া—দুটোই শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    সম্প্রতি সিঙ্গাপুরপ্রবাসী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা প্রিয়াঙ্কা সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশে একটি আমগাছ পাকা আমে পরিপূর্ণ এবং বেশ কিছু আম মাটিতেও পড়ে রয়েছে। সাধারণভাবে ফলগুলো পরিত্যক্ত মনে হলেও প্রিয়াঙ্কা জানান, সিঙ্গাপুরে অনুমতি ছাড়া এসব আম স্পর্শ করাও নিষিদ্ধ।

    তিনি বলেন, যদি কেউ সেগুলো কুড়ানোর চেষ্টা করে, তবে তাকে ৫ হাজার সিঙ্গাপুরিয়ান ডলার জরিমানা করা হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অংকের পরিমাণ ৫ লাখ টাকার কাছাকাছি (বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী)।

    কারণ, সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী পাবলিক প্লেস বা রাস্তার পাশে লাগানো সমস্ত গাছপালা সরকারের সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই অনুমতি ছাড়া গাছ থেকে ফল পাড়া বা মাটি থেকে কুড়ানোকে সরকারি সম্পত্তি চুরির সমান অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই কারণেই সরকার এই ধরনের কাজের ওপর কঠোর ও ভারী জরিমানা আরোপ করে থাকে।

    সুতরাং, সিঙ্গাপুরের রাস্তায় চলাচলের সময় সুন্দর ফল দেখে প্রলুব্ধ হওয়ার আগে এর পরিণতির কথা মনে রাখা জরুরি। সামান্য একটি আম কুড়ানোর শখ আপনার জন্য বয়ে আনতে পারে সাড়ে ৪ লাখ টাকারও বেশি জরিমানার বোঝা।

    তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

  • সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে আমি অনেক বেশি খুশি: তুষি

    সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে আমি অনেক বেশি খুশি: তুষি

    সিনেমাটি সম্প্রতি ভিয়েতনামের চতুর্থ ডানাং এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে এশিয়ার সেরা ছবি হিসেবে ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি।

    নাজিফা তুষি বলেন, ‘ক্রিটিকস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড কিন্তু সব সময় আলাদা একটি গুরুত্ব বহন করে। সেখানে এশিয়ার সেরা সিনেমা হিসেবে ক্রিটিকস চয়েজ পুরস্কার পেয়েছে “রইদ”। দেশ ও দেশের বাইরে দর্শক সিনেমাটি গ্রহণ করেছে। সেটাই মনে করিয়ে দেয় এই পুরস্কার। একজন অভিনেত্রী হিসেবে এটি আমার জন্য খুবই সম্মানের। একই সঙ্গে টিমের জন্য যেমন অর্জন, তেমনি সম্মানের। সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে আমি অনেক বেশি খুশি।’

    ‘রইদ’–এ মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি ছবি: নির্মাতার সৌজন্যে

    ২০২৫ সালের শেষ দিকে ‘রইদ’-এর ট্রেলার ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই চলচ্চিত্রটি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। পরে ঈদে মুক্তির পরে দর্শক ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশংসা পায় ‘রইদ’। একই সঙ্গে দেশের বাইরেও সিনেমাটি মুক্তি পায়।

    আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ার দিয়েই সিনেমাটির যাত্রা শুরু হয়। মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারড্যাম’-এর ৫৫তম আসরের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগ ‘টাইগার কম্পিটিশন’-এ এটি অফিশিয়ালি নির্বাচিত হয়। ‘রইদ’ নির্মিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমী মানবিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে। এক সাধু ও তার মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীর জীবনসংগ্রামকে ঘিরে। নাজিফা তুষি ও মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ছাড়াও সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদসহ অনেকে।