খেলা

  • পিতৃহারা মেসিকে গোল উৎসর্গ ডি পলের

    পিতৃহারা মেসিকে গোল উৎসর্গ ডি পলের

    মাঠে ছিলেন না লিওনেল মেসি, তবে তার উপস্থিতি যেন অনুভব করল পুরো স্টেডিয়াম। গোল করে জার্সি খুলতেই রদ্রিগো ডি পলের গায়ে দেখা গেল মেসির ১০ নম্বরের জার্সি। শোকাহত অধিনায়ক ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুর প্রতি ভালোবাসা এবং সমর্থনের এই বার্তা ছুঁয়ে গেছে ফুটবলপ্রেমীদের।

    ম্যাচ শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই আর্জেন্টিনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মেসির বাবা হোর্হে মেসি (৬৮)। বাবার শেষকৃত্যে যোগ দিতে তড়িঘড়ি করে আর্জেন্টিনায় পাড়ি জমানায় মেক্সিকান ক্লাব মন্তেরের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে নামা হয়নি তার।

    মেসির বাবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ম্যাচ শুরুর আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করে দুই দল। গ্যালারিতেও মেসির প্রতি সমর্থন জানাতে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাজির হন মায়ামির সমর্থকেরা। সেসব বার্তায় লেখা ছিল, ‘শক্ত থাকো, লিও।’ এরপর ম্যাচের ৩১তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে মেসির প্রতি নিজের শ্রদ্ধা জানান ডি পল। পেনাল্টি বক্সের বেশ বাইরে থেকে জোরালো শটে মন্তেরের গোলরক্ষক লুইস কার্দেনাসকে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডার।

    গোলের পরই নিজের জার্সি খুলে ফেলেন ডি পল। আর তখনই তার পরনে থাকা গেঞ্জিতে ফুটে ওঠে মেসির ১০ নম্বরের প্রতীক। মেসির অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সতীর্থ হিসেবে পরিচিত ডি পলের এই উদযাপনকে শোকাহত বন্ধুর প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনের বার্তা হিসেবেই দেখছেন ফুটবলপ্রেমীরা।

    ২০২৬ বিশ্বকাপের সময়ও বাবার অসুস্থতার কারণে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছেন মেসি। জাতীয় দলের হয়ে সেই সময় তার পাশে ছিলেন ডি পল। এবার ক্লাব ফুটবলেও বন্ধুর সবচেয়ে কঠিন সময়ে আবেগঘন এই শ্রদ্ধা জানালেন তিনি। তবে ডি পলের গোল শেষ পর্যন্ত ইন্টার মায়ামিকে জয় এনে দিতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে হুগো কুইপার্সের গোলে সমতায় ফেরে মন্তেরে। ম্যাচের ৯০তম মিনিটে দিয়েগো রসি গোল করলে শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেক্সিকান ক্লাবটি।

  • মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি

    মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি

    আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি মারা গেছেন। একাধিক আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ খবর নিশ্চিত করেছে স্প্যানিশ গণমাধ্যম গোলডটকম।

    আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম ইনফোবায়ে এবং রোসারিও৩ নেটওয়ার্ক দাবি করেছে, ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন হোর্হে মেসি। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন।

    গত জুনে বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করার পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন মেসি। ম্যাচের পর নিজের কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছিলেন, এর সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি কয়েকটি কঠিন দিনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন।

    এরপর মেসির বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা খবর ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে সে সময় মেসি পরিবার এক বিবৃতিতে জানায়, হোর্হে মেসি স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে গুজব ও জল্পনা না ছড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।

    পরিবারের পক্ষ থেকে হোর্হে মেসি ও তার স্বজনদের গোপনীয়তা এবং ব্যক্তিগত পরিসরের প্রতি সম্মান দেখানোর অনুরোধও করা হয়েছিল। তবে এবার এখনও মেসির পরিবারের পক্ষ থেকে হোর্হে মেসির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়নি।

    ছোটবেলা থেকেই ছেলের ফুটবল ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন হোর্হে মেসি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ২০০০ সালে লিওনেল মেসির বার্সেলোনায় যাওয়ার পথ তৈরি করতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ফুটবল খেলোয়াড়দের এজেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন হোর্হে মেসি।

  • অবশেষে আলভারেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন সিমিওনে

    অবশেষে আলভারেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন সিমিওনে

    আতলেতিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজের ভবিষ্যত নিয়ে চলছে তুমুল গুঞ্জন। নতুন চ্যালেঞ্জের খোঁজে বার্সেলোনায় পাড়ি জমাতে ইচ্ছুক এই তারকা ফুটবলার। তবে আতলেতিকো তাদের এই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়তে নারাজ। এই টানাপোড়েন ও জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ক্লাবের কোচ দিয়েগো সিমিওনে।

    সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সফার জটিলতা ও আলভারেজের অবস্থান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সিমিওনে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নিজের মন্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি একদম পরিষ্কার। ক্লাবের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা মিগেল অ্যাঞ্জেল খুব ভালোভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তবে ফুটবলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বললে, হুলিয়ানের মতো একজন খেলোয়াড়কে দলে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। সে যেন ক্রমাগত আরও উন্নতি করতে পারে এবং আরও বড় হয়ে উঠতে পারে, সেজন্য আমরা তাকে সব ধরনের সহায়তা করব।’

    আলভারেজের বর্তমান দলবদল পরিস্থিতির তুলনামূলক ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদের সাবেক তারকা অঁতোয়ান গ্রিজমানের দৃষ্টান্ত স্মরণ করিয়ে দেন সিমিওনে। তিনি বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে আমরা গ্রিজমানের সঙ্গেও এমন একটি সময় পার করেছি, যখন তাকে বাধ্য হয়ে ক্লাব ছাড়তে হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তিনি আবারও ফিরে এসেছিলেন। ফিরে আসার পর নিজের মান এবং ফুটবলে নিজের মর্যাদা কী—তা তাকে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই প্রমাণ করতে হয়েছিল।’

    বার্সেলোনা এই মুহূর্তে আলভারেজকে দলে নিতে সবচেয়ে এগিয়ে থাকলেও রিয়াল মাদ্রিদ, আর্সেনাল এবং প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর মতো ইউরোপের জায়ান্ট ক্লাবগুলোও এই আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারের দিকে নজর রাখছে। তবে আতলেতিকোর অনমনীয় অবস্থানের কারণে প্রস্তাব ও দরকষাকষি বেশ জটিল রূপ ধারণ করেছে।

    খেলোয়াড়ের দলবদল নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আশা প্রকাশ করে সিমিওনে সবশেষে মন্তব্য করেছেন, ‘সব বিষয়ই সময়ে সুরাহা হয়ে যাবে এবং সমাধান খুঁজে পাবে।’

  • ‘সাকিবের জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ নেই’

    ‘সাকিবের জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ নেই’

    জাতীয় দলের হয়ে ঘরের মাঠে বিদায়ী সিরিজ খেলার আশা প্রকাশ করেছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পর সেই সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সাকিবের দেশে ফিরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ নেই। ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সাকিবের জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘তার দেশে ফিরে খেলার কোনো সুযোগ নেই।’

    ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই দেশ ছাড়েন। ওই সময় আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন সাকিব। সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর তাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। আমিনুল হকের ভাষ্য, একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে সাকিবের যে গ্রহণযোগ্যতা ছিল, রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে গেছে।

    তিনি বলেন, ‘একজন ক্রিকেটার হিসেবে যে অবস্থানে তিনি ছিলেন, সেখান থেকে সরে গিয়ে যখন রাজনৈতিক পরিচয় বেছে নিয়েছেন, তখন আমার মনে হয় না তার দেশে ফিরে আসার কোনো সুযোগ আছে। দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।’

    ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এতদিন সাকিবকে মূলত একজন ক্রিকেটার হিসেবেই বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক পদক্ষেপের পর সেই অবস্থান বদলেছে। তিনি বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি এবং অন্য সবাই তার বিষয়টি নিয়ে অনেক সহনশীল ছিলাম। কিন্তু এখন তার ফেরার জন্য কোনো ব্যবস্থা করার সুযোগ আছে বলে মনে করি না। তিনি স্বৈরাচারদের মঞ্চে উঠে তাদের সঙ্গে দাঁড়িয়েছেন। তাই তার দেশে ফিরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার কোনো সুযোগ নেই।’

    এদিকে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসান বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে তিনি দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে দেশের মাটিতে একটি বিদায়ী সিরিজ খেলা এবং ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন।

    তবে সরকারের সর্বশেষ অবস্থানের পর সাকিবের সেই বিদায়ী সিরিজের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।

  • সাফে আসছে আরও পাঁচ প্রবাসী ফুটবলার

    সাফে আসছে আরও পাঁচ প্রবাসী ফুটবলার

    হামজা চৌধুরীর আগমনের পরই বাংলাদেশের ফুটবলে যোগ হচ্ছেন একের পর এক প্রবাসী ফুটবলার। শমিত সোম, ফাহিমদুল ইসলামরা তো এখন লাল-সবুজের অন্যতম তারকা। তাদের দেখে ইউরোপ-আমেরিকাতে থাকা প্রবাসী ফুটবলাররা স্বপ্ন দেখছেন বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়ানোর। এরই মধ্যে বয়সভিত্তিক দলে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার যোগ দিয়েছেন। আগামী নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে আরও পাঁচ প্রবাসী ফুটবলার দেখা যেতে পারে বাংলাদেশ দলে।

    সেপ্টেম্বরে ফিফা উইন্ডো এবং সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে প্রবাসী ফুটবলার যোগ করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। এরই মধ্যে দুজনের খেলানোর ব্যাপারটি অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী উইঙ্গার ফারহান আলী এবং ফরোয়ার্ড জায়ান হাকিমের ফিফা ও এএফসি থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বাফুফে। হয়তো কিছুদিনের মধ্যে এ দুই প্রবাসীর বাংলাদেশি হওয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। আরও তিন ফুটবলারের মধ্যে দুজন ইংল্যান্ডের এবং একজন জাপানের বলে গতকাল সমকালকে জানিয়েছেন বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম। তবে কোচ তাদের ট্রায়ালে ডাকেন কিনা, সেটার অপেক্ষায় আছে ফেডারেশন। যে কারণে তিনজনের নাম এখনই প্রকাশ করতে চাইছেন না ফাহাদ করিম, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে পাঁচ প্রবাসীর মধ্যে কোচ কয়জনকে নেবেন, সেটা তাঁর এখতিয়ার। তবে আমি বলতে পারি, এই পাঁচজন বাফুফের ক্যাম্পে থাকবেন।’

    ইউরোপ-আমেরিকার ফুটবলার নিয়ে গত বছর ঢাকায় প্রবাসী ফুটবলারদের ট্রায়াল আয়োজন করেছিল বাফুফে। এই ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ৫০ জন প্রবাসী। ট্রায়াল থেকে খুব বেশি ফুটবলার খুঁজে পায়নি বাফুফে। তাই এবার ভিন্ন পথে হাঁটতে যাচ্ছে তারা। ঢাকায় না করে ইউরোপের কোনো দেশে ট্রায়ালের আয়োজন করতে চান ফাহাদ করিম, ‘আগামী গ্রীষ্মে আমার ইচ্ছা আছে ইউরোপের কোনো দেশে ট্রায়াল করা। সভাপতির সঙ্গে আলাপ করব। এরই মধ্যে কোচের সঙ্গে এটা নিয়ে কথা বলেছি, তিনি খুবই আগ্রহী।’

    প্রবাসীরা যেন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে কারণে ইউরোপে ট্রায়াল করার চিন্তা বলে জানান বাফুফের এ সহসভাপতি, ‘আমাদের বেশির ভাগ আবেদন আসছে ইউরোপ থেকে। বাংলাদেশে ট্রায়াল দেওয়ার জন্য আমরা তো তাদের কোনো অর্থ দেব না। কে টিকে, না টিকে, তা তো আমরা বলতে পারব না। আমরা দেখেছি অনেকেই নিজ খরচে আসতে চায় না বা পারে না। অনেকে আবার নিজ খরচে আসে; কিন্তু টিকে না। তখন আমাদের বদনাম করে যে দূর থেকে এলাম নিল না। তাই ইউরোপের লন্ডন বা যেসব জায়গা থেকে বেশি প্রবাসী আসবে, ওই জায়গায় করব যেন তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন।’

    সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে সেপ্টেম্বর উইন্ডো কাজে লাগাতে চায় বাফুফে। দুটো বিষয় নিয়ে চিন্তা করছে ফেডারেশন। কিরগিজস্তানে গিয়ে তিন জাতি টুর্নামেন্ট খেলবে অথবা ঢাকায় চার জাতি প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। কোচ থমাস ডুলির চাওয়া ঢাকায় ম্যাচ খেলা। চার জাতি টুর্নামেন্টের জন্য স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও কিরগিজস্তান ও মঙ্গোলিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি একটি দেশ চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছে বাফুফে।

  • দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে মিরাজের দাপুটে সেঞ্চুরি

    দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে মিরাজের দাপুটে সেঞ্চুরি

    দুশ্চিন্তা ছিল অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের নিয়ে। কিন্তু স্বাগতিকরা দাপট দেখালেন স্পিনে। অস্ট্রেলিয়া একাদশের হয়ে অফ-স্পিনার কোরি রকিচিওলি একাই ৬ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে ধসিয়ে দেন। প্রথম দিনে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন ব্যাটিং বিপর্যয়ে ধুঁকছিল, তখন ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়ান মেহেদী হাসান মিরাজ। হাঁকান দারুণ এক সেঞ্চুরি। ১৪১ বলে ১১ ছক্কা ও ৪ চারের ওপর ভর করে ১০৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে যান। তাতে অতিথিরা পেয়েছে সম্মানজনক স্কোর। মিরাজের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৬৩ রানের পুঁজি গড়েছে বাংলাদেশ।

    অস্ট্রেলিয়া সফরের শুরুতে তিন দিনের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ দুর্দান্ত বোলিং করে। আক্রমণের মুখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা পড়ে যায় ব্যাটিং বিপর্যয়ে। প্রথম দিনের চা বিরতি পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান তুলে চাপে পড়ে গিয়েছিল সফরকারীরা।

    তার আগে ডারউইনের মারারা ওভালে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলীয় মাত্র ৭ রানে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে সাজঘরে ফেরান হান্নো জ্যাকবস। ওপেনার তানজিদ বিদায় শূন্য রানে। এরপর সাদমান ইসলাম এবং মুমিনুল হক চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও রানের গতি ছিল বেশ মন্থর।

    অধিনায়ক শান্ত ৫৩ বলে ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৩৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সাদমান করেন ৪৭ বলে ৩১ রান। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক (১৬) ও টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা অমিত হাসান (১৫) উইকেটে থিতু হলেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। মিডল অর্ডারে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। লাঞ্চের আগেই চার উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। যথারীতি শুরুর ছয় ব্যাটসম্যান প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হন এই প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিন।

    অস্ট্রেলিয়ার হয়ে কোরি রকিচিওলি ২৪ ওভারে ৮৩ রান দিয়ে ৬টি উইকেট নেন। এছাড়া হান্নো জ্যাকবস, জাভিয়ার ক্রোন, ক্যাম্পবেল থম্পসন ও জারসিস ওয়াদিয়া ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ২৬৩/১০, ৭৫.৫ ওভার

    (মিরাজ ১০৯*, শান্ত ৩৭, সাদমান ৩১, মুমিনুল ১৬, সৌম্য ১৬; রকিচিওলি ৬/৮৩, জ্যাকবস ১/২৮, ক্যাম্পবেল ১/২৬ ক্রোন ১/৪৮ ও ওয়াদিয়া ১/২৬)।

  • ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন ইনফান্তিনো, থাকছেন ফিফার শীর্ষ পদে

    ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন ইনফান্তিনো, থাকছেন ফিফার শীর্ষ পদে

    ফিফা আয়োজিত প্রতিযোগিতাগুলোর অংশীদারিত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির বিতর্কিত প্রস্তাবের কারণে যে ‘ভুল’ তৈরি হয়েছে সেটির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

    তবে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত এক সভায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমর্থন পাওয়ায় ফিফা সভাপতির পদেই বহাল থাকছেন তিনি।

    তার এই প্রস্তাবগুলো বাতিল হয়ে যাওয়ার পর তীব্র সমালোচনার মুখে বুধবার মরক্কোর রাবাতে ফিফার আফ্রিকা কার্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের তলব করেন ইনফান্তিনো।

    ওই বৈঠকটি শেষ হওয়ার চার ঘণ্টা পর ফিফা ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে।

    এর আগে, গত সপ্তাহের শেষে ইউরোপীয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা জানিয়েছিল, তারা ইনফান্তিনোর ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে।

    উয়েফা ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) প্রস্তাবটিকে একটি “নিম্নমানের, গোপন ও অস্পষ্ট চুক্তি” হিসেবে অভিহিত করেছে।

    ফিফার ভেতর থেকেও বেশ কিছু সমালোচনা এসেছে। যার মধ্যে ছিলেন সংস্থাটির মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রোম, যিনি বুধবারের বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন।

    মঙ্গলবার ফিফার কর্মীদের কাছে পাঠানো একটি স্মারকে তিনি লেখেন, এই পরিস্থিতিটি একটি “দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনাপ্রবাহ”।

    যদিও বৈঠকের পর দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিফা সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের “পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত” করেছেন গ্রাফস্ট্রোম এবং ফিফার পরিচালনা পর্ষদ।

    ফিফার সহ-সভাপতি, কাউন্সিল এবং ২১১টি সদস্য সংস্থাকে ইনফান্তিনো এবং গ্রাফস্ট্রোমের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিবিসি এই চিঠিটি দেখেছে।

    চিঠিতে তারা তাদের ভুলের জন্য “আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান” এবং “ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে প্রতিশ্রুতি” দেন।

    ওই বৈঠকের পরে ইনফান্তিনো এবং গ্রাফস্ট্রোমকে রাবাতে উইমেনস আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের একটি ম্যাচ একসঙ্গে উপভোগ করতে দেখা গেছে।

    এফএফই নামের একটি নতুন অঙ্গসংগঠনের মাধ্যমে পুরুষ ও নারী বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাবটি সমর্থন করলে প্রতিটি সদস্য সংস্থাকে ৪০ মিলিয়ন ডলার অথবা চার কোটি ডলার (৩০ মিলিয়ন পাউন্ড) দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো।

    ফিফা জানিয়েছে, বুধবারের বৈঠকে এফএফই সংক্রান্ত “ভুলগুলো স্বীকার করা হয়েছে।”

    এই সংস্থাটির দাবি, ফিফা কাউন্সিল ও সদস্য সংগঠনগুলো যেন “এই প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছে বলে মনে না করে”। এই প্রক্রিয়াটি “ভিন্নভাবে পরিচালনা করা উচিত ছিল” বলেও তারা উল্লেখ করে।

    নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, “গণমাধ্যমে প্রস্তাবটি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পরেও যে ভুল হয়েছে” সেটি তারা স্বীকার করেছে।

    ২৮শে জুলাই দ্য টাইমসে ইনফান্তিনোর এই পরিকল্পনার খবরটি প্রথম ব্রেকিং হিসেবে প্রকাশ করে।

    তবে, বিবৃতিতে ফিফা এটিও বলেছে, “সততা, সুশাসন এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার ওপর কোনো আঘাত আর সহ্য করা হবে না এবং সংস্থার সুনাম রক্ষা ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে”। সূত্র-বিবিসি বাংলা

  • মেসির জোড়া গোলে লিগ কাপে ইন্টার মায়ামির সহজ জয়

    মেসির জোড়া গোলে লিগ কাপে ইন্টার মায়ামির সহজ জয়

    মেসির জোড়া গোলে আতলেতিকো সান লুইসকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। বৃষ্টিস্নাত রাতে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত সহজ জয় পায় ইন্টার মায়ামি। এই ম্যাচে জোড়া গোল করে লিগ কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে শীর্ষে উঠে এলেন মেসি।

    ন্যু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটির দ্বিতীয়ার্ধে ওই এলাকায় বজ্রপাতের কারণে খেলা ৩০ মিনিট বিলম্বিত হয়।

    মেসি ম্যাচের ১১ ও ৪৪তম মিনিটে গোল করেন। ১২টি লিগ কাপ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা এখন ১৪টি—যা টুর্নামেন্টের চার বছরের ইতিহাসে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির ডেনিস বোয়াঙ্গার চেয়ে এক গোল বেশি এবং এর মাধ্যমে তিনি এখন টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা।

    মেসি বাদেও তেলাস্কো সেগোভিয়া এবং ডিফেন্ডার মাইকায়েল একটি করে গোল করেছেন এবং নোয়াহ অ্যালেন তিনটি অ্যাসিস্ট করেছেন। এর সুবাদে টানা ৮ ম্যাচ ধরে অপরাজিত রইলো ইন্টার মায়ামি।

    এদিন বিশ্বকাপের পর নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মায়ামির শুরুর একাদশে ফিরেছেন মেসি। বিশ্বকাপে তিনি আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে তুলেছিলেন, তবে লা আলবিসেলেস্তেরা স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে যায়। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা শনিবার কলম্বাস ক্রুর সাথে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে ৩৭ মিনিট মাঠে ছিলেন।

    কলম্বাসের বিপক্ষে গোলবঞ্চিত থাকার পর, বুধবার প্রভাব বিস্তার করতে মেসির বেশি সময় লাগেনি। ম্যাচের চার মিনিটের মাথায় ডেভিড রদ্রিগেজ হেডে গোল করে সান লুইসকে এগিয়ে নেওয়ার পর, অ্যালেনের বাড়ানো একটি লম্বা ক্রস থেকে আন্দ্রেস সানচেজকে ফাঁকি দিয়ে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান মেসি। প্রথমার্ধের শেষের দিকে তিনি খুব কাছ থেকে ফিনিশ করে আরও একটি গোল করেন এবং স্টপেজ টাইমে মাইকায়েলের হেডে করা গোলেও অ্যাসিস্ট করেন।

    ২০২৩ সালে ক্লাবে যোগ দেওয়ার পরপরই মেসি মায়ামিকে লিগ কাপের শিরোপা জিতিয়েছিলেন। ইন্টার মায়ামি গত বছরও ফাইনালে পৌঁছেছিল, তবে সিয়াটলের কাছে তারা ৩-০ গোলে হেরে যায়।

  • আর্সেনাল গুঞ্জনের মধ্যে রিয়ালের অনুশীলনে ফিরলেন ভিনি

    আর্সেনাল গুঞ্জনের মধ্যে রিয়ালের অনুশীলনে ফিরলেন ভিনি

    আর্সেনালে দলবদলের গুঞ্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার মাঝেই রিয়াল মাদ্রিদের অনুশীলনে ফিরেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বিশ্বকাপ মিশন শেষে ছুটি কাটিয়ে গতকাল স্থানীয় সময় সকালে মাদ্রিদের ভালদেবেবাস ট্রেনিং কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে নতুন কোচ হোসে মরিনহোর অধীনে দলের সঙ্গে প্রথম অনুশীলন সেশন সম্পন্ন করেছেন তিনি।

    স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিনিকে দলে ভেড়াতে ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন আর্সেনাল বস মিকেল আর্তেতা। গানারদের এই কোচ ভিনিকে পুরো আর্সেনাল প্রজেক্টের কেন্দ্রবিন্দু বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং ক্লাবটিকে ইউরোপের পরবর্তী আধিপত্যশীল দল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য প্রস্তুত করেছেন। রিয়ালের সঙ্গে ব্রাজিলিয়ান এই তারকার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আর মাত্র ১২ মাস বাকি রয়েছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি বা ব্যক্তিগত শর্তে সমঝোতা হয়নি।

    রিয়াল মাদ্রিদে ভিনির ফেরার বিষয়ে ক্লাবটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের পর ভিনি জুনিয়র এবং ব্রাহিম দিয়াজ রিয়াল মাদ্রিদে ফিরে এসেছে। কোচের নতুন অধীনে প্রথম প্রশিক্ষণ সেশন সম্পন্ন করার আগে দুই খেলোয়াড় আজ সকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভালদেবেবাস হাসপাতালে উপস্থিত হন।’

    দ্বিতীয় দফায় অল হোয়াইটদের নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেয়া হোসে মরিনহো তার এই তারকা ফরোয়ার্ডকে হারাতে নারাজ। লস ব্লাঙ্কোস শিবিরও তাদের আক্রমণভাগের অন্যতম এই অস্ত্রকে ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। যদিও চুক্তি নবায়ন নিয়ে এখনো ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি।

    তবে আর্সেনালের গভীর আগ্রহ এবং ভিনির বর্তমান পরিস্থিতি গ্রীষ্মের ট্রান্সফার উইন্ডোকে বেশ রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। প্রি-সিজনের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে মরিনহোর অধীনে ভিনির পারফরম্যান্স এখন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচনার বিষয়।

  • এমবাপ্পেকে ঢাকায় আনার পরিকল্পনা

    এমবাপ্পেকে ঢাকায় আনার পরিকল্পনা

    দেশব্যাপী আয়োজিত ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ঢাকায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একইসঙ্গে প্রতিযোগিতাকে সফল করতে দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে ফুটবল দল গঠনের আহ্বান জানান তিনি। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কোনো প্রতিষ্ঠান দল গঠন না করলে তাদের এমপিও সুবিধা স্থগিত রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

    সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতার স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি। সভায় আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় দেশব্যাপী এ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। দেশের ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অংশগ্রহণ করবে।

    আগামী সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা।

    সভায় জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রসার ঘটানো, প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা, আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছেলে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি করে এবং মেয়েদের জন্য নির্ধারিত অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম ক্রীড়া আয়োজন। এটি শিক্ষার্থীদের মেধা, মননশীলতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা ও দলগত মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও যাতে সমান সুযোগ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারে, সে লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হচ্ছে। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী এই প্রতিযোগিতা আয়োজনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের তাদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।

    সভাশেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেন, আমরা চাই দেশজুড়ে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হোক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলে এসেছেন, আগামী শিক্ষা ব্যবস্থা এমন হবে যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা, মননশীলতা এবং সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে। সে লক্ষ্যেই ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় একযোগে দেশব্যাপী সারা বছরজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে।