ক্রিকেট

  • হাজারতম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারাল পাকিস্তান

    হাজারতম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারাল পাকিস্তান

    পাকিস্তানের জন্য ম্যাচটি ছিল বিশেষ মাইলফলকের। এক হাজারতম ওয়ানডে বলে কথা! এই মাইলফলকের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান।

    ৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ২০১ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাবর আজম ও গাজি ঘুরির ফিফটিতে ৪২.৩ ওভারে এই রান তাড়া করেছে পাকিস্তান।

    যদিও এ দুজন নয়, হাজারতম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের মূল নায়ক অভিষিক্ত আরাফাত মিনহাস। রাওয়ালপিন্ডিতে ওয়ানডে অভিষেকেই ৫ উইকেট নিয়েছেন ২১ বছর বয়সী এই বাঁহাতি স্পিনার। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে যা প্রথম। ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রানে তিনি আউট করেছেন জশ ইংলিশ, মারনাস লাবুশেন, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাথু শর্ট ও নাথান এলিসকে।

    ৫ উইকেট নিয়েছেন মিনহাস

    রান তাড়ায় ৪৯ রানে ২ উইকেট হারালেও বাবর ও ঘুরি তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১২৭ রান তুললে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। বাবর আউট হয়েছেন ৬৯ রানে, ঘুরি ৬৫ রানে। দুজনকেই আউট করেছেন এলিস। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ২ জুন।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    অস্ট্রেলিয়া: ৪৪.১ ওভারে ২০০ (রেনশ ৬১, শর্ট ৫৫; মিনহাস ৫/৩২)। পাকিস্তান: ৪২.৩ ওভারে ২০২/৫ (বাবর ৬৯, ঘুরি; এলিস ২/৪৫)। ফল: পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: আরাফাত মিনহাস

  • ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ সম্মানে ভূষিত শহীদ আফ্রিদি

    ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ সম্মানে ভূষিত শহীদ আফ্রিদি

    পাকিস্তানের ক্রিকেট কিংবদন্তি ও সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’-এ ভূষিত হয়েছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ভবনে (আইওয়ান-এ-সদর) আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি আফ্রিদির হাতে এ পদক তুলে দেন।

    ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সাফল্যে আফ্রিদির অসামান্য ভূমিকার কথা এ সম্মাননায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট এবং ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস’-এ তার নেতৃত্বের অবদানের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে এ পদকের মাধ্যমে।

    সম্মাননা গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন আফ্রিদি। তিনি লেখেন, রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করা তার জন্য অত্যন্ত গর্বের। এটি কেবল তার একার অর্জন নয় বরং পুরো পাকিস্তানি জাতির অর্জন।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, প্রার্থনা এবং অকুণ্ঠ সমর্থনেরই প্রতিফলন এ পদক। উদার মনের এই ক্রিকেটার এ সম্মাননা উৎসর্গ করেছেন পাকিস্তানের বীর শহীদদের প্রতি।

    তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের ত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি এ পদক উৎসর্গ করছি’।সবশেষে তিনি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন।

  • আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার নাহিদ রানা

    আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার নাহিদ রানা

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে এপ্রিল মাসের আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে এই ডানহাতি পেসার মোট ৮ উইকেট শিকার করেন। এর আগের মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষেও তিনি সমান ৮ উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন।

    এই প্রথমবারের মতো আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পেলেন নাহিদ। এর মাধ্যমে গত বছরের পর আবারও কোনো টাইগার ক্রিকেটার এই সম্মান অর্জন করলেন।

    পুরস্কার পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ জানান, নিউজিল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স করে আইসিসির মাসসেরা হওয়া তার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। ঘরের মাঠে এমন সাফল্য সিরিজটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    সিরিজের শুরুতে প্রথম ওয়ানডেতে কিছুটা খরুচে হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান এই পেসার। ওই ম্যাচে তিনি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বার পাঁচ উইকেট শিকার করেন। এরপর তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতেও গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে সিরিজসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।