ট্যাগ ক্রিকেট

  • ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

    ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

    পাকিস্তানে বন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খানের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি দিয়েছেন দেশটির সাত সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ।

    তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, সাবেক অধিনায়ক হিসেবে ইমরান খানের বিষয়ে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

    চিঠিতে তারা আরও জানিয়েছেন, ইমরান খানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে তারা কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না। সেটি পাকিস্তানের নিজস্ব বিষয় বলেই মনে করেন তারা। তবে কারও আটক অবস্থায় তার সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, সেটি নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের মতে, ‘রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক, আটক থাকা যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণ করা মৌলিক মানবিকতার বিষয়।’

    ইমরান খানের পক্ষে বিশ্ব ক্রিকেটের সাবেক তারকাদের এটাই সর্বশেষ উদ্যোগ। এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়ে ইমরানের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, বর্তমানে ইমরানের চিকিৎসা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার মান পূরণ করছে না।

    ওই চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছিল। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত চিকিৎসক বোর্ডকে ইমরানের নিজস্ব চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করে তার স্বাস্থ্যের পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়নের সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটি গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশে পুনর্বহাল করা সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাৎ যেন কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই চালু রাখা হয়। তৃতীয়ত, চিকিৎসা পরীক্ষার ফল যা-ই হোক না কেন, চিকিৎসকদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

    এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৪ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক ইমরানের পক্ষে প্রথম চিঠি দিয়েছিলেন। এরপর পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মইন খানও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। বর্তমান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও ইমরানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

    সর্বশেষ চিঠিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়করা উল্লেখ করেছেন, ইমরানের ছেলে ও বোনেরা কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে তার স্বাস্থ্য ও কারাগারে তার সঙ্গে আচরণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সীমিত চিকিৎসাসেবা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ কম থাকা।

    ইমরানের বিষয়টি নিয়ে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতেরও অনুরোধ করেছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল। তবে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো জবাব পাননি।

  • আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ

    আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ

    সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।বিশ্বকাপ না খেলার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এমনটি ফুটে উঠেছে।

    গত মার্চে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গঠিত এই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় আজ মঙ্গলবার। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. একে এম ওলি উল্যার নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন সদস্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর ও সাবেক জাতীয় অধিনায়ক, জাতীয় দলের বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার।

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ফয়সাল বলেন, তদন্তে যা উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সবকিছু মিলিয়ে যা বলা যায়, বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার জন্য যে মানুষটি দায়ী তিনি হলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপেদষ্টা আসিফ নজরুল। সেই সময়ের সরকার ও তিনি দায়ী।

    তদন্ত কমিটির প্রতিনিধি হিসেবে ফয়সাল বলেন, বাংলাদেশের অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া উচিত ছিল।

    ২২ পৃষ্ঠার যে তদন্ত প্রতিবেদন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া হয়, সেখানে ১২ জন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তদন্ত কমিটি এবং তাদের বক্তব্যের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

    সেখানে ক্রিকেটারদের মধ্যে আছেন- বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস ও টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ক্রিকেট আঙিনা থেকে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খান, বোর্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদ সৈয়দ আশরাফুল হক, বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরি, বিসিবির কোচ ও ওই সময়ে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং ওই সময়ের বিসিবির পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীনের।

    যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমের সঙ্গেও কথা বলে কমিটি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি হিসেবে এই কমিটি সাক্ষাৎকার নেয় বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আরিফুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক এসএম সুমন এবং বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেদুয়ানুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমেদের।

    তবে বিতর্কের কেন্দ্রে যে দুজন, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও সেই সময়ের বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল, তাদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি বলে জানায় তদন্ত কমিটি।

    উল্লেখ্য, আইপিএলে রেকর্ড মূ্ল্যে কলকাতা নাইট রাইডার্সে সুযোগ পাওয়ার পরও উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের কারণে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়ে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। নিরাপত্তা ইস্যুতে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়।

    ঠিক একই কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারত সফরে যায়নি। চেয়েছিল পাকিস্তানের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে। কিন্তু আইসিসি এতে রাজি হয়নি। যে কারণে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ দেয় আইসিসি।

  • ‘জ্যোতি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি’

    ‘জ্যোতি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি’

    বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতান জ্যোতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রিকেটার। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় দলের এক ক্রিকেটার জ্যোতির আচরণকে ‘স্বৈরাচারী’ বলেও মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘সে তো অধিনায়ক না, স্বৈরাচার। তার কথার বাইরে গেলে বা বিপরীত মত দিলেই রোষানলে পড়তে হয়।’

    আরেক ক্রিকেটারের অভিযোগ, জ্যোতির অতিরিক্ত চিৎকার ও আচরণের কারণে তিনি নিজেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

    তিনি বলেন, ‘এক ম্যাচে বল আমার কাছে আসার আগেই চিল্লানো শুরু করেন অধিনায়ক। এরপর ঘাবড়ে গিয়ে মিস করি আমি। তখন উনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছিলেন। শুধু তাই নয়, মাঠের বাইরেও উনি যেভাবে মানসিক নিপীড়ন করেন, আমি মাঝেমাঝে আল্লাহর কাছে বিচার দিই। বলি, অভিশাপ লাগে যেন।’

    অভিযোগ রয়েছে, জ্যোতির কঠোর আচরণে দলের কয়েকজন ক্রিকেটার এতটাই অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন যে তারা স্রষ্টার কাছে তার বিরুদ্ধে মোনাজাত করে অভিশাপও চেয়েছেন।

    জ্যোতি ২০২১ সালে বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক হন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দায়িত্ব পাওয়ার এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই নিজের প্রভাববলয় তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সরিয়ে একের পর এক নতুন মুখকে দলে আনা এবং তাদের একটি নির্দিষ্ট বলয়ের মধ্যে রাখার অভিযোগও রয়েছে।

    এরপর ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ক্রমেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। এমন দাবি করেছেন দলসংশ্লিষ্টরা। এমনকি মারামারি ও গালাগালির ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনা নিয়ে বিচার-সালিশ পর্যন্ত হয়েছে বলেও জানা যায়।

    গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে স্পিনার জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনার বাদ পড়া নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। দল সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র তখন দাবি করেছিলেন, অফ-স্পিনার সুমনাকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না রাখার পেছনে জ্যোতির ভূমিকা ছিল।

    পারফরম্যান্স ও স্মার্টনেস দিয়ে সুমনা দীর্ঘদিন ধরেই নজর কাড়ছিলেন। অভিযোগকারীদের মতে, তাকে নিজের জন্য সম্ভাব্য হুমকি মনে করেই দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    সাম্প্রতিক সময়েও দলের এক তরুণ অলরাউন্ডারকে জ্যোতি হুমকি হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের দাবি, ওই ক্রিকেটারের সঙ্গে অধিনায়কের সাম্প্রতিক সময়ে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

    এর আগে জ্যোতির একচ্ছত্র আধিপত্য ও মানসিক চাপের মুখে নিজের আত্মসম্মান রক্ষায় পেসার জাহানারা আলম একপর্যায়ে দেশ ছাড়তেও বাধ্য হন। এমন দাবিও রয়েছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় দলের সাবেক এক অধিনায়ক বলেছেন, ‘মাঠের অধিনায়কত্ব আর বাইরের অধিনায়কত্ব আবার ভিন্ন। এখানে ওর কিছু জিনিস আছে, যেগুলো না করলেও পারতো। সেই জিনিসটা হচ্ছে, অধিনায়ক হয়েই তখনকার নির্বাচক কাম ম্যানেজার মঞ্জু (বর্তমানে নিষিদ্ধ মঞ্জুরুল ইসলাম) ভাইকে নিয়ে একটা সিন্ডিকেট তৈরি করা। এই জিনিসটা আসলে আমার মতে ও ঠিক করেনি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘একটানা সিনিয়রদের সবাইকে বসিয়ে দিয়ে জুনিয়র যারা ওর কথা শুনছে বা ওর কথা মান্য করছে, সেই ধরনের জুনিয়রদের নিয়েছে। এমনও আছে, যারা অভিষেক পর্যন্ত করেনি, সেই নতুনদেরও ওর কথা অনুযায়ী দলে ঢুকিয়েছে। দল তো এভাবে করে কোনোদিন ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে না। একটা সময় এর প্রতিফলন ঘটবেই। এখন যেটা ঘটছে, সেটাই তার প্রতিফলন। সে যেভাবে চেয়েছিল, সবাইকে ভয় দেখিয়ে চলবে বা সবাই ওর কথা শুনবে, জিনিসগুলো সেরকমই হচ্ছে; কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সটা আর পাওয়া যাচ্ছে না। সেই আগের ক্রিকেটটা আর নেই।’

  • দল থেকে বাদ পড়ে ট্রিপল সেঞ্চুরি সালমান আগার

    দল থেকে বাদ পড়ে ট্রিপল সেঞ্চুরি সালমান আগার

    জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার ক্ষোভ আর হতাশাকে শক্তিতে রূপ দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন পাকিস্তানের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান সালমান আলী আগা। টেস্ট স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেই ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেছেন সালমান।

    সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলের সঙ্গেই ছিলেন সালমান আলী আগা। হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাবর আজমের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দল বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ায় লর্ডস টেস্টের একাদশ থেকে বাদ পড়েন সালমান।

    প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড-ওয়ানের উদ্বোধনী রাউন্ডে মার্কোর আইটি সলিউশন্সের বিপক্ষে কিংসমেন একাডেমির হয়ে ব্যাট করতে নেমেছিলেন তিনি। দলের বিপর্যয়ের মুখে (৭২ রানে ৩ উইকেট পতনের পর) উইকেটে নেমে প্রথম দিনে সেঞ্চুরি তুলে নেন সালমান।

    তবে সেখানেই থেমে থাকেননি তিনি। শতকটিকে ডাবল সেঞ্চুরি পরবর্তীতে দুর্দান্ত এক ট্রিপল সেঞ্চুরিতে রূপ দেন এই ব্যাটার। এর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল ১৬৯ রান। ফলে এই একটিমাত্র ইনিংসেই ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল ও ট্রিপল সেঞ্চুরি—উভয় মাইলফলক একসঙ্গে স্পর্শ করলেন তিনি।

    জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর সালমানের এমন রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের পর তার স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি অর্থবহ বার্তায় লিখেছেন, ‘বেসিক বা মৌলিক জায়গায় ফিরে যাওয়ার মধ্যে কোনো ভুল নেই। মাঝে মাঝে এটি জরুরি; কখনো অহংকার করতে নেই। শুরুটা বিনয়ী ছিল, শেষটাও সেভাবেই হবে।’

    সালমান আগা পাকিস্তানের ২৩তম ব্যাটসম্যান যিনি ফার্স্ট ক্লাসে ট্রিপল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়লেন।

  • ১৪৯ বছরের ইতিহাসে রেকর্ড গড়লেন পাকিস্তানের ‘রাজা’

    ১৪৯ বছরের ইতিহাসে রেকর্ড গড়লেন পাকিস্তানের ‘রাজা’

    নামই তার ‘রাজা’। ইংলিশ ব্যাটারদের সামনে অভিষেকেই মোহাম্মদ রাজাউল্লাহ রীতিমতো রাজত্ব করেছিলেন। ব্যাট হাতে যেন সেটাকেও ছাড়িয়ে গেলেন। এমনই সব কীর্তি গড়েছেন, যা টেস্টের ১৪৯ বছরের ইতিহাসে আর নেই একটিও।

    প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে নেমে একে একে ৪টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। গতির ঝড়ের সঙ্গে এমন উইকেট তুলে নেওয়ার ক্ষমতা তাকে আলোচনায় এনেছিল। কে জানত, তিনি আরও বড় বিস্ময় লুকিয়ে রেখেছিলেন তার ব্যাটের আড়ালে?

    তিনি যখন ব্যাট হাতে নামছেন দলের দ্বিতীয় ইনিংসে, তখনও পাকিস্তানের ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে চাই ২ রান। এ অবশ্য খুব বড় বিষয় নয়, তবে তখন টেল এন্ডারদের ২টি উইকেট বাকি আর; এ বিষয়টাকে যখন মাথায় রাখবেন তখনই মনে হবে, এ তো স্রেফ দুটো ইয়র্কারের ব্যাপার!

    পাক ইনিংসের যবনিকাকে স্রেফ ২টি ইয়র্কারের ব্যাপার বনে যেতে দেননি রাজাউল্লাহ। জশ টাংকে ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করেছিলেন। সে ছক্কাতেই পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ায়।

    এরপর শুরু হয় তার ‘শো’। সব মিলিয়ে ৯টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। ৪৩ বলে ফিফটি করেছেন। অভিষেকে পাকিস্তানের হয়ে এর চেয়ে দ্রুততম ফিফটি নেই আর একটিও। শেষমেশ তিনি থামেন ৬৩ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলে। এই ইনিংস পাকিস্তানকে স্রেফ ইনিংস হারের লজ্জা থেকেই বাঁচায়নি, ১২৯ রানের লিড এনে দিয়ে জয়ের ক্ষীণতর একটা আশাও এনে দিয়েছে বৈকি!

    পাকিস্তান শেষমেশ কী করবে, সেটা পরে দেখা যাবে। তৃতীয় দিনে যা করেছেন রাজা, তাই তাকে তুলে দিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। অভিষেকে ৯ ছক্কা, এমন কীর্তি ক্রিকেট ইতিহাস দেখেছে আর একবার মোটে। ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকে নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি হাঁকিয়েছিলেন সমান সংখ্যক ছক্কা, তবে সেটা ছিল নেপিয়ারে, নিজেদের ঘরের মাঠে। প্রতিপক্ষের মাঠে অভিষেকে এমন কীর্তি ক্রিকেটের ১৪৯ বছরেই আর কখনো দেখা যায়নি।

    মজার বিষয় হলো, রাজাউল্লাহর এই কীর্তির সাক্ষী ছিলেন খোদ সাউদি নিজেই। অবসরপ্রাপ্ত এই কিউই পেসার এখন ইংল্যান্ড দলের পরামর্শক হিসেবে এজবাস্টনে আছেন।

    ছক্কার রেকর্ড হয়েছে জুটিতেও। মোহাম্মদ আব্বাসের সঙ্গে তার এই জুটিতে এসেছে ১০টি ছক্কা। ক্রিকেট ইতিহাসে আর কখনো শেষ তিন ব্যাটার মিলে এই সংখ্যক ছক্কা হাঁকাতে পারেননি। Advertisement

    https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?gdpr=0&us_privacy=1—&gpp_sid=-1&client=ca-pub-9589667218503970&output=html&h=280&slotname=3643708405&adk=3439397580&adf=4180579246&pi=t.ma~as.3643708405&abgtt=6&w=713&fwrn=4&fwrnh=100&lmt=1789214037&rafmt=1&format=713×280&url=https%3A%2F%2Fwww.jugantor.com%2Fsports%2F1153427&fwr=0&fwrattr=true&rpe=1&resp_fmts=3&asro=0&aimartd=4&aieuf=1&aicrs=1&uach=WyJXaW5kb3dzIiwiMTkuMC4wIiwieDg2IiwiIiwiMTUyLjAuNzk3Ny44MyIsbnVsbCwwLG51bGwsIjY0IixbWyJDaHJvbWl1bSIsIjE1Mi4wLjc5NzcuODMiXSxbIk5vdD9BX0JyYW5kIiwiMjQuMC4wLjAiXSxbIkdvb2dsZSBDaHJvbWUiLCIxNTIuMC43OTc3LjgzIl1dLDBd&dt=1789214033260&bpp=1&bdt=187&idt=0&shv=r20260909&mjsv=m202609040101&ptt=9&saldr=aa&abxe=1&cookie=ID%3D1a7f6e138809f0f5%3AT%3D1779707906%3ART%3D1789213986%3AS%3DALNI_Mbdnfm9CTohjCA6cnSNejdWnmiIhg&gpic=UID%3D0000142f5f330211%3AT%3D1779707906%3ART%3D1789213986%3AS%3DALNI_MZGlbJTVJyn4lV3l90SxwMXTEhcmg&eo_id_str=ID%3D22ac888cdf6df72a%3AT%3D1779707906%3ART%3D1789213986%3AS%3DAA-AfjYnqjpzr37wZfWlR8Ewh7O-&prev_fmts=0x0%2C160x600%2C713x280%2C300x600%2C320x100&nras=1&correlator=6864940804687&frm=20&pv=1&u_tz=360&u_his=6&u_h=1080&u_w=1920&u_ah=1032&u_aw=1920&u_cd=24&u_sd=1&dmc=16&adx=532&ady=2964&biw=1858&bih=869&scr_x=0&scr_y=0&eid=95399630%2C95400774%2C95373848&oid=2&pvsid=6792218395388050&tmod=42049829&uas=1&nvt=1&ref=https%3A%2F%2Fwww.jugantor.com%2Fsports&fc=1920&brdim=20%2C68%2C20%2C68%2C1920%2C0%2C1889%2C964%2C1873%2C869&vis=1&rsz=%7C%7CoEebr%7C&abl=CS&pfx=0&fu=128&bc=31&plas=245x588_l%7C273x588_r&bz=1.01&ifi=6&uci=a!6&btvi=4&fsb=1&dtd=245

    ৯টি ছক্কায় ইংল্যান্ডের মাটিতে এক টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। ২০২৩ অ্যাশেজে লর্ডসে ১৫৫ রানের ইনিংস খেলতে গিয়ে এই রেকর্ড গড়েন তিনি। সেই রেকর্ডেও গতকাল ভাগ বসিয়েছেন রাজা।

  • তিন নম্বরে তিন বছরে মুমিনুলও তিনে

    তিন নম্বরে তিন বছরে মুমিনুলও তিনে

    ক্রিকেটে কিছু সংখ্যা শুধু সংখ্যা নয়। তিন নম্বর যেমন।

    ওপেনারদের পরেই নামতে হয় বলে নতুন বলের পরীক্ষা থাকে, আবার প্রথম উইকেট পড়লেই দলের ইনিংসের ভার এসে পড়ে কাঁধে। এই জায়গায় তাই ব্যাটসম্যানকে কখনো ধৈর্য ধরে ধাক্কা সামাল দিতে হয়, কখনো আবার দ্রুত রান তুলে ব্যাটিংয়ের সুরটা বেঁধে দিতে হয়। ডন ব্র্যাডম্যান, ভিভ রিচার্ডস, রিকি পন্টিং, রাহুল দ্রাবিড়, কুমার সাঙ্গাকারা—এমন কিংবদন্তি সব ব্যাটসম্যান ওয়ান ডাউন বা তিন নম্বর পজিশনের গুরুত্বটা আরও ভালো করে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    সেই গুরুত্ব এখনো আছে। টেস্ট ক্রিকেটে গত তিন বছরে তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সের দিকে তাকালে ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপার চোখে পড়বে। বাংলাদেশের মুমিনুল হক যেন ‘৩’ সংখ্যাটা নিজের সমার্থক করে নিয়েছেন। গত তিন বছরে তিন নম্বরে ব্যাটিং করা ব্যাটসম্যানদের রানের হিসেবে তিনি আছেন ঠিক তিন নম্বরেই। তাঁর ওপরে আছেন শুধু ইংল্যান্ডের ওলি পোপ ও নিউজিল্যান্ডের কেইন উইলিয়ামসন।

    ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ টেস্টে ২৬ ইনিংসে তিন নম্বরে ব্যাট করেছেন মুমিনুল। ৪০.৭৯ গড়ে করেছেন ৯৭৯ রান। একটি সেঞ্চুরির সঙ্গে আছে আটটি ফিফটি। অর্থাৎ ২৬ ইনিংসে নয়বার পঞ্চাশ পেরিয়েছেন। মুমিনুলের চেয়ে যাঁরা ভালো করেছেন, সেই দুজনের মধ্যে পোপের রান ৩৮ ইনিংসে ১৩৬৯, পাঁচ সেঞ্চুরি তিন ফিফটি আর উইলিয়ামসনের ৩০ ইনিংসে ১৩৬০ রান, পাঁচ সেঞ্চুরি দুই ফিফটি। অর্থাৎ পঞ্চাশ ছোঁয়ার দিক থেকে এ দুজনের চেয়েও এগিয়ে মুমিনুল। তবে পিছিয়ে পড়েছেন বেশির ভাগ ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে না পারায়।

    তিন নম্বরের এই হালচাল বিশ্লেষণের কারণ মারনাস লাবুশেন। দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার তিন নম্বর পজিশন সামলানো এই ব্যাটসম্যান বেশ কিছু দিন ধরে ধুঁকছেন। গত তিন বছরে ৪৩ ইনিংসে তাঁর গড় মাত্র ২৪.৬৯। অন্তত ২০ ইনিংস খেলেছেন, এমন ৫৬ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তার চেয়ে খারাপ গড় মাত্র তিনজনের। দুজন আবার অবসরেও চলে গেছেন।

    এই তিন বছরে তিন নম্বরে যাঁরা ব্যাট করেছেন (শীর্ষ ১০), তাঁদের মধ্যে একমাত্র লাবুশেনেরই কোনো সেঞ্চুরি নেই। বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজেই যেমন তিন ইনিংসে আউট হয়েছেন যথাক্রমে ১, ৩১ ও ৪ রানে। লাবুশেনের এমন হাঁসফাঁস দেখে রিকি পন্টিং তো বলেই দিয়েছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার এখন তিন নম্বরের জন্য অন্য কাউকে খোঁজা উচিত।

    তবে নির্বাচকেরা শেষ পর্যন্ত সেই পথে হাঁটেননি। তিন টেস্টের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। সেই সফরের দলে রাখা হয়েছে লাবুশেনকে। ২০১৮ সালের কুখ্যাত ‘শিরীষ কাগজ’ কেলেঙ্কারির পর এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। তিন নম্বরে খেলতে যে ধার লাগে, যে ভার সইতে হয়, তা নতুন কারও কাঁধে তুলে দেওয়ার ঝুঁকি নেননি নির্বাচকেরা। তিন নম্বর পজিশন বলে কথা!

  • আচরণগত সমস্যায় বাদ রিজওয়ান-ইমাম, বাদ পড়তে পারেন আকিবও

    আচরণগত সমস্যায় বাদ রিজওয়ান-ইমাম, বাদ পড়তে পারেন আকিবও

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টেস্টে হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সাত ক্রিকেটার ও দুই কোচকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্তের পেছনে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আচরণগত বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই।

    লর্ডস টেস্টের পর বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের মধ্যে ছিলেন সালমান আগা, ইমাম–উল–হক ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তাঁদের কেউ ভালো ফর্মে নেই। রিজওয়ান সিরিজের চার ইনিংসে করেছেন মাত্র ৬১ রান। লর্ডস টেস্টে তাঁর শট নির্বাচন নিয়েও সমালোচনা হয়।

    ইমাম তো চোটের কারণে লর্ডস টেস্টে ব্যাটিংয়ে নামেননি। সেই চোট নিয়েও পিসিবির সন্দেহ আছে। সালমান টেস্টে সর্বশেষ ৫ ইনিংসেই হয়েছেন ব্যর্থ। অথচ এই সালামানই হেডিংলি টেস্টে বাবর আজমের পরিবর্তে অধিনায়কত্ব করেছিলেন। লর্ডসে ছিলেন না একাদশে। এরপর তো স্কোয়াড থেকেই বাদ পড়েছেন।

    পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, রিজওয়ান ও ইমামের ক্ষেত্রে শুধু পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হয়নি। ড্রেসিংরুমে তাঁদের আচরণও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গেছে।

    এমনকি এ দুই ক্রিকেটারকে ডিসিপ্লিনারি কমিটির সামনে আচরণের ব্যাখ্যা দেওয়া লাগতে পারে। পিটিআই জানিয়েছে, রিজওয়ান ও ইমামের সঙ্গে সালমানকেও কমিটির সামনে দাঁড়াতে হতে পারে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরেই নাকি তাঁদের আচরণজনিত সমস্যা দেখা গেছে।

    ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফেরত যাওয়া অন্য খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন টেস্ট কোচ মাইক হেসনের সুপারিশে। আগে সাদা বলের দলে যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছেন, এমন কয়েকজন ক্রিকেটারকে তিনি পরীক্ষা করে দেখতে চেয়েছেন।

    বোর্ডের একটি সূত্র পিটিআইকে বলেছেন, ‘বাকি যেসব খেলোয়াড়কে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাদের অন্তর্বর্তীকালীন টেস্ট কোচ মাইক হেসনের সুপারিশেই পাঠানো হয়েছে। তিনি সাদা বলের ক্যাম্পে যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছেন, এমন কিছু খেলোয়াড়কে সুযোগ দিতে চেয়েছেন।’ তৃতীয় টেস্টের জন্য পাকিস্তান দলে এসেছেন আরাফাত মিনহাস, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, সাদ বেগ, মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়া, রাজউল্লাহ, সাইম আইয়ুব ও আবদুল্লাহ ফজল।

    নির্বাচক কমিটির প্রধান আকিব জাভেদকেও সরিয়ে দেওয়া হতে পারে

    নির্বাচক কমিটির প্রধান আকিব জাভেদকেও সরিয়ে দেওয়া হতে পারে এএফপি

    এদিকে এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে পারে পাকিস্তানের নির্বাচক কমিটিতেও। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা করছেন। সেই প্রক্রিয়ায় নির্বাচক কমিটির প্রধান আকিব জাভেদকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।

    এরই মধ্যে আরেকটি বড় পরিবর্তন এসেছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে নির্বাচক মিসবাহ-উল-হক পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তবে পিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ করেছে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

    মিসবাহর পদত্যাগের আগে নির্বাচক কমিটিকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিল পিসিবি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট দলে ইমাম ও রিজওয়ানকে রাখার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছিল বোর্ড।

    শুধু নির্বাচক কমিটিই নয়, নির্বাচন ও পরামর্শক কমিটির সদস্যদেরও নোটিশ দিয়েছে পিসিবি। ইংল্যান্ড সফরের দলে ইমাম ও রিজওয়ানকে কেন নেওয়া হয়েছিল, তা ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে দল নির্বাচনের নীতিতে কী ধরনের মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটিও জানতে চেয়েছে বোর্ড।

    পাকিস্তান ওপেনার ইমাম-উল-হক চোটের ইস্যুতে চাপে আছেন

    পাকিস্তান ওপেনার ইমাম-উল-হক চোটের ইস্যুতে চাপে আছেন এএফপি

    ইংল্যান্ড সফর শেষ হওয়ার পর নতুন নির্বাচক কমিটি গঠন হতে পারে। একটি সূত্রের ভাষায়, ‘ইংল্যান্ড সফরের পর নতুন নির্বাচক কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।’

    এদিকে ইংল্যান্ড সিরিজের পরও দায়িত্বে থাকতে পারেন হেসন। তাঁকে স্থায়ী প্রধান কোচ করার বিষয়ে আগ্রহী পিসিবি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে নিউজিল্যান্ডের এই কোচ দায়িত্ব নিতে রাজি হন কি না, তার ওপর।

  • বাবর কি পাকিস্তানের পরের টার্গেট

    বাবর কি পাকিস্তানের পরের টার্গেট

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যর্থতার পর পাকিস্তানের ক্রিকেটে ব্যাপক রদবদল চলছে। একের পর এক ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফকে সরিয়ে দেওয়ার পর এবার সেই তালিকায় অধিনায়ক বাবর আজমের নামও উঠছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার রশিদ লতিফ।

    টেস্ট সিরিজ হাতছাড়া হওয়ার পর সাত ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফের কয়েকজনকে ছাঁটাই করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলও দায়িত্ব হারিয়েছেন। একই সময়ে নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মিসবাহ উল হক। প্রধান নির্বাচক আকিব জাভেদও পিসিবির পরবর্তী নজরে থাকতে পারেন বলে খবর এসেছে।

    এমন পরিস্থিতিতে বাবরের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন রশিদ। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পিসিবির দল পরিচালনার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানতে চেয়েছেন, বাবরই কি হতে যাচ্ছেন পরবর্তী টার্গেট।

    রশিদ লিখেছেন, ‘যদি দলকে রিমোট কন্ট্রোলে চালাতেই হয়, তাহলে সরফরাজ ও উমর গুলকে কেন পাঠানো হলো? গ্যারি কারস্টেন ও জেসন গিলেস্পির কাছ থেকে নির্বাচনের ক্ষমতা কেন কেড়ে নেওয়া হলো? আর অধিনায়ক বাবর আজম যদি কথা না শুনে থাকে, তাহলে অধিনায়ককেই তো বরখাস্ত করা উচিত ছিল—তাহলে সরফরাজ ও উমর গুলকে কেন সরিয়ে দেওয়া হলো? বাবর আজম কি পরের টার্গেট?’

    এর আগে পিসিবির ছাঁটাইয়ের ঘটনায় বাবরের অধিনায়কত্ব ছাড়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেছিলেন রশিদ। তাঁর মতে, দলের একাধিক ক্রিকেটার ও কোচকে সরিয়ে দেওয়ার পর বাবরের উচিত ছিল তাঁদের পাশে দাঁড়ানো।

    এই প্রসঙ্গে রশিদ বলেন, ‘বাবরের পদত্যাগ করা উচিত ছিল। দলের অর্ধেক ক্রিকেটারকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি যদি তার জায়গায় থাকতাম, তাহলে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতাম। তুমি একজন পুতুল অধিনায়ক হয়ে গেছ। নেতা আর অধিনায়কের মধ্যে পার্থক্য আছে।’

    বাবরের কড়া সমালোচনা করে রশিদ আরও বলেন, ‘তোমরা সাতজন ক্রিকেটারকে ফেরত পাঠিয়েছ। ইমামের বিষয়টি আমি বুঝতে পারি, সে চোট পেয়েছিল। কিন্তু তারপরও ছয়জন ক্রিকেটারকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তোমরা তোমাদের কোচ, তোমাদের মেন্টরকে ফিরিয়ে দিয়েছ। যে কোচ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছিল, তাকেও সরিয়ে দিয়েছ। উমর গুলকেও ফিরিয়ে দিয়েছ। তুমি তোমার দলের হয়ে দাঁড়াচ্ছ না। তোমার কোচকে এক পাশে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর তুমি নীরবে বসে আছ। এতে বোঝা যায়, পিসিবির সবসময় একজন পুতুল অধিনায়কই প্রয়োজন।’

  • তিন জন্মসনদে তিন বয়স, নিষিদ্ধ ভারতীয় ক্রিকেটার

    তিন জন্মসনদে তিন বয়স, নিষিদ্ধ ভারতীয় ক্রিকেটার

    একজনেরই তিন জন্মদিন!

    বাস্তবে সম্ভব নয়। তবে কাগজে-কলমে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের লেগ স্পিনার রোহিত যাদবের জন্মসাল তিনটি—২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০। মাসখানেক আগেও শ্রীলঙ্কা সফর করে আসা এই ক্রিকেটারকে বয়সের তথ্য জালিয়াতির দায়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।

    ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি) তাদের খেলোয়াড়দের জন্য প্রাক্‌–মৌসুম নথিপত্র যাচাই কর্মসূচি পরিচালনা করার সময় রোহিতের বিষয়ে গরমিল পায়। পিটিআই জানিয়েছে, ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০—এই তিনটি ভিন্ন জন্মসনদ পাওয়া গেছে তাঁর নামে।

    ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়, রোহিতের আধার কার্ডের তথ্যেও ছিল গরমিল। সিএবির নিবন্ধনে তাঁর জন্মসাল ২০০৭। অন্যদিকে ২০১৭ ও ২০২০ সালে হালনাগাদ করা আধার রেকর্ডে জন্মসাল ছিল ২০০৬। পরে ২০২১ সালে সেটি পরিবর্তন করে করা হয় ২০০৯।

    বয়স নিয়ে এত রকম তথ্য পাওয়ার পর আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে রোহিতকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    রোহিত একা নন। একই ধরনের বয়সের গরমিলের কারণে আরও ৬৪ ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করেছে সিএবি। তাঁদের মধ্যে আছেন ২০২২ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের পেসার রবি কুমারও। ২০২৫-২৬ মৌসুম পর্যন্ত বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে তাঁর সব রেকর্ড বাতিল বলে গণ্য হবে। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো জানিয়েছে, রবি কুমারের ক্ষেত্রে বয়সের গরমিল ছিল ৪০ মাসের বেশি।

    বয়স জালিয়াতি ঠেকাতে অতীতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বিসিসিআই। ২০২০ সালে দায়ীদের শাস্তির পাশাপাশি সাধারণ ক্ষমার একটি পরিকল্পনাও প্রস্তাব করেছিল সংস্থাটি। সেই ব্যবস্থায় নিবন্ধিত খেলোয়াড়েরা স্বেচ্ছায় বয়সের গরমিল স্বীকার করে সঠিক জন্মতারিখ জমা দিলে সাময়িক বরখাস্ত এড়াতে পারতেন। তবে পরে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে তাঁদের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হতো।

  • না খেলেই ৬ মাসে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ

    না খেলেই ৬ মাসে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসের ভেতর দুবার ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ালেন তামিম ইকবাল। প্রথম দফায় অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর চলতি বছরের ৮ এপ্রিল ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বাড়িয়েছিলেন তামিম। এরপর গতকাল আরও এক দফা তাদের ম্যাচ ফি বাড়িয়েছেন বিসিবি সভাপতি। কারণ হিসেবে যদিও বলেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানোর কথা, তবে চলমান ঘটনাপ্রবাহে এটি স্পষ্ট যে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন করতে না পারার ক্ষতি পোষাতেই বিসিবির এই সিদ্ধান্ত।

    বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, এ বছর বিপিএল না হওয়া এবং ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে অবনমন না থাকা ও সুপার লিগ না থাকায় দেশের পেশাদার ক্রিকেটাররা যে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন, সেই ক্ষতি খানিকটা পূরণ করার জন্য বহুমুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে বিসিবি। প্রথমত, ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে। তামিম অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে পুরুষদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ম্যাচ ফি ৭০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করেছিলেন। সেই ঘোষণার পর দেশের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট মাঠে গড়ানোর আগেই এসেছে আরেক দফা বৃদ্ধির ঘোষণা— এবার ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। অর্থাৎ গত মৌসুমের চেয়ে শতভাগের চেয়ে বেশি ম্যাচ ফি বাড়ল ক্রিকেটারদের, সেটিও কোনো ম্যাচ না খেলেই!

    আনুপাতিকভাবে বেড়েছে বিসিবি আয়োজিত ৫০ ও ২০ ওভারের ম্যাচের ম্যাচ ফিও। তামিম বলেছেন, ‘এখানে আসার আগে কোয়াবের সিনিয়রদের সঙ্গে আলাপ করেছি। সবাই অনেক খুশি। একজন খেলোয়াড় ঘরোয়া ক্রিকেটের পুরো সিজন খেললে বছরে ৩৫-৪০ লাখ টাকা করে পাবে।’

    সীমিত ওভারের ঘরোয়া প্রতিযোগিতা হিসেবে বিসিবি এনসিএল টি-টোয়েন্টি এবং বিসিএল ওয়ানডে আয়োজন করে থাকে, তবে তামিমের নেতৃত্বাধীন বোর্ড বিসিএলের প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ টুর্নামেন্ট এবং এনসিএল টি- টোয়েন্টিকে এক ছাতার নিচে এনে নতুন একটি টুর্নামেন্ট চালু করার ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

    বিপিএল না হওয়ার ঘোষণার পর ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব (ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) দেনদরবার করেছে বিসিবির সঙ্গে। বছর দুই আগে তামিম নিজেও খেলোয়াড়দের প্রতিনিধি হয়ে সাবেক বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের কাছে অনুরোধ করেছিলেন ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক কমিয়েও বিপিএলটা আয়োজন করার, অথচ এ বছর কেন এত আগেই হাল ছেড়ে দেওয়া। তামিম বৃহস্পতিবার স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি বাদে অন্য কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তিই হয়নি আগের বিপিএলে, তাদের কোনো ব্যাংক গ্যারান্টি বা চেক কিছুই জমা নেই বিসিবির কাছে। আমি ফারুক ভাইয়ের কাছে গিয়েছিলাম বিপিএল করার জন্য অনুরোধ করতে, এটা যেমন সত্যি; তেমনি সত্যি হচ্ছে কয়েকদিন পর আমি আবার গিয়ে বলেছি দুটি দলকে ফ্র্যাঞ্চাইজি না দিতে। এর মধ্যে একটা হচ্ছে রাজশাহী। এরপর আপনারাই দেখেছেন কী অবস্থা হয়েছে।’ শুধু আর্থিক লোকসান এড়াতেই যে বিসিবি এ বছর বিপিএল আয়োজন করা থেকে বিরত আছে, ব্যাপারটা তা নয়, ‘আমরা শুধু যে আর্থিক ক্ষতির কারণে বিপিএল করছি না, তা নয়। যদি মাঠে খেলাটা ভালো হতো, খেলোয়াড়রা ঠিকঠাক টাকা পেত, হোটেলগুলো তাদের টাকা পেত, যারা যানবাহন সরবরাহ করেছে তারা টাকা পেত, তাহলে ক্ষতিটা মেনে নেওয়া যেত। কিন্তু কিছুই যেখানে ঠিক নেই, সেখানে কেন এই টুর্নামেন্ট আমাদের তাড়াহুড়ো করে মাঠে নামাতে হবে?’

    তামিমের যুক্তির সঙ্গে ক্রিকেটাররাও একমত হয়েছেন, কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন বুধবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় ১৫০ থেকে ২০০ জন ক্রিকেটার যেন উপকৃত হয়, সেটা বেছে নিয়েছি।’

    বিপিএল স্থগিত রাখা নিয়ে খেলোয়াড়দের অবস্থান এবং তামিমের ঘোষণা— এ দুইয়ের ভেতর কোনো যোগসূত্র আছে নাকি ব্যাপারটা নিতান্তই কাকতালীয়, সেই প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, সরকারী কর্মচারীদের নতুন পে স্কেলে ১৪২ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির ৯৬ ঘণ্টার ভেতর ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফিও বেড়ে গেল।