আর্ন্তজাতিক

  • তিন জন্মসনদে তিন বয়স, নিষিদ্ধ ভারতীয় ক্রিকেটার

    তিন জন্মসনদে তিন বয়স, নিষিদ্ধ ভারতীয় ক্রিকেটার

    একজনেরই তিন জন্মদিন!

    বাস্তবে সম্ভব নয়। তবে কাগজে-কলমে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের লেগ স্পিনার রোহিত যাদবের জন্মসাল তিনটি—২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০। মাসখানেক আগেও শ্রীলঙ্কা সফর করে আসা এই ক্রিকেটারকে বয়সের তথ্য জালিয়াতির দায়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।

    ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি) তাদের খেলোয়াড়দের জন্য প্রাক্‌–মৌসুম নথিপত্র যাচাই কর্মসূচি পরিচালনা করার সময় রোহিতের বিষয়ে গরমিল পায়। পিটিআই জানিয়েছে, ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০—এই তিনটি ভিন্ন জন্মসনদ পাওয়া গেছে তাঁর নামে।

    ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়, রোহিতের আধার কার্ডের তথ্যেও ছিল গরমিল। সিএবির নিবন্ধনে তাঁর জন্মসাল ২০০৭। অন্যদিকে ২০১৭ ও ২০২০ সালে হালনাগাদ করা আধার রেকর্ডে জন্মসাল ছিল ২০০৬। পরে ২০২১ সালে সেটি পরিবর্তন করে করা হয় ২০০৯।

    বয়স নিয়ে এত রকম তথ্য পাওয়ার পর আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে রোহিতকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    রোহিত একা নন। একই ধরনের বয়সের গরমিলের কারণে আরও ৬৪ ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করেছে সিএবি। তাঁদের মধ্যে আছেন ২০২২ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের পেসার রবি কুমারও। ২০২৫-২৬ মৌসুম পর্যন্ত বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে তাঁর সব রেকর্ড বাতিল বলে গণ্য হবে। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো জানিয়েছে, রবি কুমারের ক্ষেত্রে বয়সের গরমিল ছিল ৪০ মাসের বেশি।

    বয়স জালিয়াতি ঠেকাতে অতীতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বিসিসিআই। ২০২০ সালে দায়ীদের শাস্তির পাশাপাশি সাধারণ ক্ষমার একটি পরিকল্পনাও প্রস্তাব করেছিল সংস্থাটি। সেই ব্যবস্থায় নিবন্ধিত খেলোয়াড়েরা স্বেচ্ছায় বয়সের গরমিল স্বীকার করে সঠিক জন্মতারিখ জমা দিলে সাময়িক বরখাস্ত এড়াতে পারতেন। তবে পরে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে তাঁদের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হতো।

  • জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে

    জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আজ শনিবার সকালে নগরীর একটি হোটেলে টেলিভিশন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্তীর ভারত সফর ও সম্পর্ক নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের দিন তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারতের সাথে হাজার সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ নেই। প্রতিবেশি দেশ হিসেবে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক থাকাই উচিত।’

    হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কীভাবে একটি সাইকোপ্যাথিক দুর্নীতি করা যায়, এনার্জি সেক্টর দেখলে বুঝা যাবে। তবে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন জ্বালানি খাতকে। জ্বালানি খাতের সঙ্কট সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।’

    মক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মক্কা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক নয়। অনেক দেশই এখন একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকছে। জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া দরকার, সেখানে যাওয়া হবে ‘

    আমেরিকার কাছ থেকে বোয়িং কেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বোয়িং কিনতে হবে এটা কেউ চাপিয়ে দিচ্ছে না। চাহিদা আছে বলেই আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও কেনা হবে।’

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমলের সিন্ডিকেটের কারণে মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। বর্তমান সরকার এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। ধাপে ধাপে শ্রমশক্তি রপ্তানি হবে।’

  • জাতিসংঘের অধিবেশনের আগে ভারত সফর নয় : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    জাতিসংঘের অধিবেশনের আগে ভারত সফর নয় : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

    তিনি বলেছেন, ‘ভারত সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।’

    আজ শনিবার সকালে সিলেট নগরীর একটি হোটেলে টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেছেন।

    প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, দুই দেশের মধ্যে নানা সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ হয়নি। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক থাকা উচিত।

    জ্বালানি খাত প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন জানিয়েছেন, অতীতে জ্বালানি খাতে কীভাবে দুর্নীতি হয়েছে, তা এ খাতের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। বর্তমান সরকার জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সংকট সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

    মক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা চলছে। চুক্তিতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। বর্তমান বিশ্বে অনেক দেশ একাধিক নিরাপত্তা জোটের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া প্রয়োজন, সেখানেই যাবে।’

    ‘বাংলাদেশকে বোয়িং বিমান কিনতে কেউ চাপ দিচ্ছে না। দেশের প্রয়োজন ও চাহিদা রয়েছে বলেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও বিমান কেনা হবে,’ যোগ করলেন প্রতিমন্ত্রী।

    মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানি প্রসঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার সিন্ডিকেটের কারণে দেশটিতে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। বর্তমান সরকার সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। এখন ধাপে ধাপে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো হবে।

    কলকাতায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে থাকার সুযোগ না পাওয়া এবং রাস্তায় রাত কাটানোর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জোর দেন, নির্দিষ্ট ঘটনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে আনা হলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    গতকাল শুক্রবার প্রতিমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠান কাভার করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হেনস্তার শিকার হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সকালে ইমজার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন তিনি।

    এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ চৌধুরীসহ ইমজার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন আগামী ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

  • একই জার্সিতে দেখা যাবে মেসি-রোনালদোকে!

    একই জার্সিতে দেখা যাবে মেসি-রোনালদোকে!

    ফুটবল ইতিহাসের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কি এবার একই দলের হয়ে মাঠে নামবেন? বিশ্বজুড়ে ভক্তদের মনে এমন প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ‘টিএনটি স্পোর্টস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্লোস তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এই অসম্ভবকে সম্ভব করার পরিকল্পনা চলছে।

    আগামী ডিসেম্বরে মাঠে গড়ানোর কথা রয়েছে ‘অ্যাপাচি’ খ্যাত তেভেজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ সংবর্ধনা ম্যাচটি। বোকা জুনিয়র্স ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছেন তেভেজ। তার ইচ্ছা, এই বিশেষ আয়োজনে দুই ভিনগ্রহের ফুটবলার মেসি ও রোনালদোকে একসঙ্গে একই একাদশে খেলাবেন।

    ক্যারিয়ারজুড়ে বিশ্ব ফুটবলের বহু নামী ক্লাবে খেলেছেন তেভেজ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, জুভেন্টাস কিংবা আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির পাশাপাশি ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে দেখা গেছে তাকে। ইউনাইটেডের হয়ে খেলার সময় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গেও ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, তার এই ঐতিহাসিক বিদায়ী ম্যাচে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬০ জন সাবেক সতীর্থ অংশ নেবেন।

    ২০২২ সালের জুনে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানানো এই ফরোয়ার্ড কোচিং পেশার সঙ্গেও যুক্ত আছেন। রোসারিও সেন্ট্রাল ও ইন্দেপেন্দিয়েন্তের পর বর্তমানে তায়েরেস কোর্দোবার ডাগআউট সামলাচ্ছেন তিনি। তবে কোচিংয়ের ব্যস্ততা ছাপিয়ে এখন তার সব মনোযোগ ঐতিহাসিক এই বিদায়ী আয়োজন নিয়ে।

    সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বোকা জুনিয়র্সের বিখ্যাত হোমগ্রাউন্ড লা বমবুনেরা স্টেডিয়ামে আগামী ডিসেম্বরের ১২-১৩ কিংবা ১৮-১৯ তারিখে এই প্রদর্শনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে আর্জেন্টাইন লীগের সূচির সঙ্গে যাতে ম্যাচটির তারিখের সংঘাত না ঘটে, সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

  • চোটে পড়ে মাঠ নিয়ে ক্ষোভ নেইমারের, প্রতিপক্ষ দিল খোঁচা

    চোটে পড়ে মাঠ নিয়ে ক্ষোভ নেইমারের, প্রতিপক্ষ দিল খোঁচা

    এক ম্যাচে তিন চোট। এর মধ্যে একজন নেইমার। চোটের জন্য মাঠ ছাড়ার পরই সান্তোসের মাঠ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। তবে তাঁর এসব কথাকে অজুহাত হিসেবেই দেখছে প্রতিপক্ষ পালমেইরাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তারা খোঁচাই দিয়েছে নেইমারকে।

    বুধবার ব্রাজিলিয়ান কাপে পালমেইরাসের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে গোলশূন্য ড্র করে সান্তোস। প্রথম লেগে ৩-০ ব্যবধানে হেরে যাওয়ায় দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ ব্যবধানে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয় নেইমারের দল। তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে সান্তোসের মাঠ ভিলা বেলমিরোর বেহাল দশা এবং চোটের মিছিল।

    প্রথমার্ধেই চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন নেইমার। তাঁর সঙ্গে চোটে পড়েন সান্তোসের উইঙ্গার আলভারো বারেয়াল ও ডিফেন্ডার লুকাস ভেরিসিমো। মাঠ ছাড়ার সময় নেইমারকে কাঁদতেও দেখা যায়।

    এক দিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাঠের অবস্থা নিয়ে খোঁচা দিয়ে নেইমার লেখেন, ‘ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামের মাঠের দায়িত্বে যিনি আছেন, তাঁকে অভিনন্দিত করতে চাই।’

    এরপরই তাঁর সেই খোঁচা পরিণত হলো তীব্র আগুনে, ‘গতকাল যা দেখলাম, তা ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে মাঠ। ম্যাচের ঠিক আগের দিন কাজ করার কারণে পুরো মাঠ গর্তে ভরা ছিল। অবিশ্বাস্য! প্রতিপক্ষের পাশাপাশি আমাদের মাঠের বিরুদ্ধেও লড়তে হয়েছে।’

    ব্রাজিলিয়ান কাপ থেকে সান্তোসের ছিটকে যাওয়ার দিনে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন নেইমার ইনস্টাগ্রাম/নেইমার

    ক্ষোভের রেশ টেনে এখানেই থামেননি নেইমার। মাঠের বেহাল দশা কীভাবে তাঁদের টেনে নামাল, সেই হিসাব কষে লিখেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো, মাঠের এই জঘন্য অবস্থার কারণে আমাদের বাড়তি শারীরিক শক্তি খরচ করতে হয়েছে। প্রথমার্ধেই যে তিনজন খেলোয়াড় চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দারুণ কাজ করেছেন সত্যিই…খুবই নিম্নমানের কাজ!’

    নেইমারের এই বিলাপের আগুনে পালমেইরাস বাণ মারতে ছাড়েনি। চরম নাটকীয়তায় সুযোগ বুঝে নিজেদের মাঠের প্রশংসা করে এক খোঁচাপূর্ণ বিবৃতি ছাড়ে ক্লাবটি।

    নিজেদের মাঠের নিয়মিত পরিচর্যা ও গুণগত মান নিয়ে খোঁচা দিয়ে পালমেইরাস লেখে, ‘নুবাঙ্ক পারকের মাঠের দায়িত্বপ্রাপ্তদের আমরা অভিনন্দন জানাতে চাই…দিন যা-ই হোক না কেন, এখানকার ঘাস সব সময় নিখুঁত আর গর্তমুক্ত থাকে। কারণ, প্রতিদিন এর যত্ন নেওয়া হয়। বিশ্বাস করুন আর না–ই করুন, প্রতিপক্ষকে ভালো মাঠ উপহার দেওয়ার পাশাপাশি আমাদের খেলোয়াড়েরাও এখানে দৌড়ানোর সময় নিরাপদ বোধ করে। কারণ, পুরো উপরিভাগ সব সময় সমান থাকে। অমনি তো আর গত পাঁচ বছরে সিরি আ-তে পালমেইরাসের খেলোয়াড়েরা সবচেয়ে কম চোটে পড়েনি…সত্যিই অভিনন্দন। দুর্দান্ত কাজ!’

    এখানেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। যেন সমস্যার সহজ সমাধান শেখাতে গিয়ে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিল, ‘বাজে মাঠের একমাত্র সমাধান হলো একটি ভালো মাঠ তৈরি করা, সহজ বিষয়।’

    লিগ টেবিলে সান্তোস এখন ১৪ নম্বরে, অবনমন অঞ্চল থেকে মোটে চার পয়েন্ট দূরে।

  • কেন নিজের ক্যান্সারের খবর লুকিয়েছিলেন ডলি পার্টন? জানালেন ভাগনি

    কেন নিজের ক্যান্সারের খবর লুকিয়েছিলেন ডলি পার্টন? জানালেন ভাগনি

    কান্ট্রি সংগীতের বিশ্বখ্যাত তারকা ডলি পার্টন আর নেই। গত ২৫ আগস্ট ৮০ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির ন্যাশভিলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সংগীতশিল্পী, গীতিকার, অভিনেত্রী, উদ্যোক্তা ও সমাজসেবী এই কিংবদন্তি।

    জীবনের শেষ সময়ে ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করছিলেন ডলি। তবে নিজের অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। তার ভাগনি জাডা স্টারের বক্তব্য অনুযায়ী, পরিবার ও কাছের মানুষদের অযথা উদ্বিগ্ন করতে চাননি বলেই শেষ পর্যন্ত রোগের কথা গোপন রেখেছিলেন এই শিল্পী।

    সম্প্রতি ‘এক্সট্রা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডলিকে নিয়ে কথা বলেন জাডা। সেখানে তিনি প্রয়াত তারকার সঙ্গে কাটানো সময়ের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। জাডার কথায়, ডলি নিজের শারীরিক অবস্থার চেয়ে কাজ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকেই বেশি গুরুত্ব দিতেন।

    জাডা বলেন, ডলি কখনোই চাইতেন না তার অসুস্থতার কারণে পরিবারের সদস্য কিংবা পরিচিতরা দুশ্চিন্তায় থাকুন। ফলে তার মৃত্যুর খবর স্বজনদের জন্য ছিল বড় ধরনের ধাক্কা। এমনকি কঠিন সময়েও ডলি তাদের কান্নায় ভেঙে না পড়ে নিজেদের কাজে ফিরে যেতে এবং পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখার কথা বলতেন।

    জাডার ভাষায়, ডলি ছিলেন সত্যিই অসাধারণ একজন মানুষ। নিজের কষ্টের কথা আড়ালে রেখেও অন্যদের ভালো থাকার কথা ভাবতেন তিনি।

    ডলি পার্টনের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন সংগীত ও বিনোদন জগতের বহু তারকা। তাদের মধ্যে রয়েছেন টেলর সুইফট, ডলির ধর্মকন্যা মাইলি সাইরাস ও তার বাবা বিলি রে সাইরাস, অভিনেত্রী রিজ উইদারস্পুন, গায়িকা বিয়ন্সে, র‍্যাপার এমিনেম এবং কেলি ক্লার্কসনসহ আরও অনেকে।

    ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি টান

    ১৯৪৬ সালের ১৯ জানুয়ারি টেনেসির পিটম্যান সেন্টারে একটি দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ডলি পার্টন। তার মা লোকগান গাইতেন। শৈশবেই মায়ের কাছ থেকে সংগীতের প্রতি গভীর আকর্ষণ তৈরি হয় তার। মাত্র ছয় বছর বয়সেই গান লেখার হাতেখড়ি হয় ডলির। নিজের প্রিয় পুতুলকে কেন্দ্র করে প্রথম গান লেখেন তিনি। আট বছর বয়সে হাতে তুলে নেন গিটার। এরপর ধীরে ধীরে স্থানীয় পর্যায়ে সংগীতচর্চা শুরু করেন।

    মাত্র ১১ বছর বয়সেই স্থানীয় বেতারে গান পরিবেশনের সুযোগ পান ডলি। আর ১৩ বছর বয়সে পৌঁছে যান যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে সম্মানজনক কান্ট্রি সংগীতের মঞ্চে। সেখান থেকেই শুরু হয় তার দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য সংগীতযাত্রা।

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গান, অভিনয়, ব্যবসা ও সমাজসেবায় নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেন ডলি পার্টন। তার মৃত্যুতে তাই শুধু কান্ট্রি সংগীত নয়, পুরো বিনোদনজগতেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

  • মেসিকে মিস করবেন মরিনিও

    মেসিকে মিস করবেন মরিনিও

    বল নিয়ে কাড়াকাড়ি তাঁরা করেননি। একজন ছিলেন মাঠে, অন্যজন ডাগআউটে। তবু একসময় এল ক্লাসিকোতে তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল ফুটবল–বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত লড়াইগুলোর একটি। একজনের পায়ের নৈপুণ্য আর অন্যজনের মাথার ট্যাকটিকসের লড়াই অনেকের কাছেই ছিল উপভোগ্য।

    এরপর অবশ্য এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন মেসি। এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মরিনিও বলেছেন, মেসির মতো খেলোয়াড়কে তিনি সব সময়ই মিস করবেন।

    আগামীকাল লা লিগায় রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে খেলবে রিয়াল মাদ্রিদ। এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেসির জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মরিনিও বলেন, ‘মেসিকে নিয়ে কথা বলা কঠিন। তার খেলোয়াড়ি মান নিয়ে বলার মতো খুব বেশি কিছু নেই। এমনকি এই যে বিশ্বকাপ, সেখানে ৩৮ বা ৩৯ বছর বয়সেও সে আমাদের দেখিয়েছে, সে কী করতে পারে।’

    ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো মেসি এবারও দলকে বিশ্বকাপের ফাইনালে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা এরপরই ঘোষণা দেন—জাতীয় দলের হয়ে তাঁর পথচলা শেষ। মেসির বিদায় যে ফুটবলের একটি যুগেরও অবসান, মরিনিওর কথায় সেটিই ফুটে উঠেছে, ‘কখনো কখনো এমন খেলোয়াড় থাকে, যাদের আপনি মিস করবেন। তার শেষ কয়েক বছর বা মৌসুমগুলোকে উপভোগ করতে আমাদের হয়তো কিছু এমএলএস ম্যাচ দেখতে হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব একটা এমএলএস দেখতে পছন্দ করি না, কিন্তু তাকে দেখতে হলে দেখতে হবে। কারণ, সে এমন একজন খেলোয়াড়, যাকে আপনি সব সময়ই মিস করবেন।’

    যখন মেসি ছিলেন বার্সেলোনায়, মরিনিও রিয়ালেছবি: এক্স

    মরিনিও ও মেসি কখনো সরাসরি একই দলের হয়ে কাজ করেননি বা খেলেননি। মেসি বার্সেলোনায় থাকার সময় ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের কোচ ছিলেন মরিনিও। সেই সময়ের এল ক্লাসিকো উত্তাপ ও বিতর্ক মিলিয়ে উত্তেজনাময় ছিল। কোচ হিসেবে মরিনিওকে বারবারই মোকাবিলা করতে হয়েছে মেসির বার্সেলোনাকে।

    তবে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা মেসির প্রতি মরিনিওর শ্রদ্ধা কমাতে পারেনি। পর্তুগিজ কোচ বলেছেন, ‘গত দুই দশকে আমাদের প্রজন্মের জন্য সে কী প্রতিনিধিত্ব করে, সেটা আমরা সবাই জানি।’

  • ‘পাকিস্তানের নির্বাচকের উচিত আয়নায় নিজের মুখ দেখা’- গিলেস্পি

    ‘পাকিস্তানের নির্বাচকের উচিত আয়নায় নিজের মুখ দেখা’- গিলেস্পি

    ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ নাম তো এমনি এমনি বসেনি পাকিস্তানের নামের সঙ্গে। মাঠের পারফরম্যান্সের মতোই অবস্থা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও (পিসিবি)। কোচ আসেন, কোচ যান। শুধু তাই নয়, অধিনায়ক পরিবর্তনের ঘটনাও ঘটে নিয়মিত। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার জেসন গিলেস্পি তোপ দাগলেন পিসিবির নির্বাচকের ওপর।

    প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হলেও গিলেস্পি যেন তা কিছুতেই ভুলতে পারছেন না। কারণ, পিসিবির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি থাকলেও আট মাসেই শেষ হয়ে যায় সম্পর্ক। ২০২৪ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের লাল বলের কোচ হয়ে ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেছিলেন। একই সময়ে (২০২৪ সালের এপ্রিলে) গ্যারি কারস্টেন পাকিস্তানের সাদা বলের কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তখন মাত্র ছয় মাস দায়িত্বে থেকেই পদত্যাগ করেছিলেন।

    হেডিংলি ও লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সিরিজ খোয়ানোর পর পাকিস্তান দলে চলছে টালমাটাল অবস্থা। নির্বাচকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মিসবাহ উল হক। আকিব এরপর নির্বাচকের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। অস্ট্রেলিয়ান সংবাদপত্র ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান’-কে আজ গিলেস্পি বলেন, ‘আকিব জাভেদ সম্প্রতি এসে পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সাবেক সাদা বলের কোচ গ্যারি কারস্টেন এবং আমাকে দায়ী করেছেন। আকিব গত দুই বছর ধরে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্বে আছেন। অথচ আমরা সেখানে ছিলামই না।’

    পাকিস্তান দলের বাজে অবস্থায় কারস্টেন-গিলেস্পির ওপর দায় চাপানোর কোনো মানেই বের করতে পারলেন না গিলেস্পি। আকিবকে দায়ী করে গিলেস্পি অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘তারপরও কোনোভাবে তিনি (আকিব) বলছেন, সবকিছুর জন্য আমরা (গিলেস্পি-কারস্টেন) দায়ী। এর কোনো মানে হয়? আমার মনে হয়, আকিব জাভেদের নিজের দিকে আয়নায় তাকানো উচিত।’

    হেডিংলিতে প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে হেরে যায় পাকিস্তান। দ্বিতীয় টেস্টে তারা হেরেছে ১৯৪ রানে। টানা দুই ম্যাচে ভরাডুবির পর টেস্টের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং পেস বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ইংল্যান্ড সফররত দলের সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেই সাত ক্রিকেটারের মধ্যে আছেন সালমান আলী আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানও। এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টের দলে যুক্ত করা হয় পাঁচ ক্রিকেটারকে।

    লর্ডস টেস্টের পর বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জন্য খারাপ লাগছে গিলেস্পির। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য আমার খারাপ লাগছে। এটা তাদের জীবিকা। বাইরে থেকে মনে হচ্ছে, তারা ভয় নিয়ে খেলছে। এটা স্পষ্ট যে তাদের কোনো নির্বাচনী কৌশলই নেই। বিশেষ করে আকিব জাভেদের অধীনে।’

    বাবর প্রথম টেস্টে খেলতে না পারায় সালমানকে অধিনায়ক করা হয়েছিল। দ্বিতীয় টেস্টে বাবর অধিনায়ক হয়ে ফেরায় সালমান একাদশ থেকেই বাদ পড়েছিলেন। পরবর্তীতে তো তাঁকে ফেরত পাঠানো হলো দেশে। গিলেস্পি বলেন, ‘সালমান আলী আগা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিল। এরপর দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকেই বাদ পড়ল। তৃতীয় টেস্টের আগেই দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হলো। এটা কীভাবে সম্ভব? প্রধান নির্বাচক আকিব জাভেদের সঙ্গে আসলে খেলোয়াড়দের যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে। এটা স্পষ্ট।’

    হেডিংলির পর লর্ডসে হেরে টেস্টে পাকিস্তানের জয়ের চেয়ে হারই বেশি। ১৯৫২ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ৪৭৩ টেস্ট খেলে তারা জিতেছে ১৫৩ ম্যাচ, হার ১৫৪টিতে। ড্র করেছে ১৬৬ ম্যাচ। এজবাস্টন টেস্টে পাকিস্তানের লাল বলের কোচের দায়িত্বে থাকছেন মাইক হেসন। অ্যাশলে নফকে পেস বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন। এজবাস্টনে ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হবে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় টেস্ট।

  • বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে সালমান খানের ভাতিজা আরহানের

    বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে সালমান খানের ভাতিজা আরহানের

    এবার সিনেমায় নাম লেখাতে চলেছেন বলিউড অভিনেতা আরবাজ খান ও অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা দম্পতির ছেলে আরহান খান। একটি সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে সাবেক এ তারকা দম্পতির সন্তানকে। আরহান সম্পর্কে বলিউড ভাইজান সালমান খানের ভাতিজা হন।

    আরহান খানকে হরহামেশাই বিভিন্ন বলিউড পার্টিতে দেখা যায়। এবার জানা গেছে, তিনি অভিনয়ের জগতে পা রাখতে চলেছেন। প্রথম সিনেমায় আরহান একজন অ্যাকশন হিরো হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিগ বাজেটের এই সিনেমাটি পরিচালনা করবেন নির্মাতা অনিরুদ্ধ আইয়ার, যিনি এর আগে ‘অ্যান অ্যাকশন হিরো’ ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন। এদিকে, আসন্ন এ সিনেমাটির চিত্রনাট্য বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    এর আগে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছেলেকে বলিউডে লঞ্চ করা প্রসঙ্গে আরবাজ খান বলেছিলেন, ‘চিত্রনাট্য আমার বা অন্য কারো হতে পারে। এ মুহূর্তে সবাই ওর দিকেই তাকিয়ে আছে।’

    তিনি আরও বলেন, দেশে অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতা আছেন এবং সবাই নতুন প্রতিভা ও মুখের সন্ধানে আছেন। তার আগে যদি আরহানের জন্য কারো কাছে কোনো প্রস্তাব থাকে, তবে সে তা বিবেচনা করতে পারে।

    তিনি বলেন, এমন নয় যে, আমি আরহানকে কিছুই দেব না। আমার কাছে কিছু থাকলে, আজ হোক কিংবা কাল হোক— আমি অবশ্যই তাকে প্রস্তাব দেব এবং সে কী করতে চায়, সেই সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে দেব।

    উল্লেখ্য, আরহান খান কিছু দিন আগে ‘দম বিরিয়ানি’ নামে একটি পডকাস্ট শুরু করেছেন। তিনি তার বন্ধু দেব এবং আরুশের সঙ্গে সেই পডকাস্টটি সঞ্চালনা করতেন। যাতে তাদের পরিবারও অংশ নিত।

    ১৯৯৬ সালে আরহানের বাবা ও সালমান খানের ভাই অভিনেতা আরবাজ খান ‘দারার’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি ‘ফির প্যায়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া’, ‘মা তুঝে সালাম’, ‘ইয়ে মোহাব্বত হ্যায়’, ‘সোচ’ এবং ‘কুছ না কহো’ সিনেমার মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। এমনকি নির্মাতা হিসেবে তিনি সালমান খানের ‘দাবাং ২’ সিনেমাটি পরিচালনাও করেছেন।

  • মেসির অবসরে ভেস্তে গেল আর্জেন্টিনার এশিয়া সফর

    মেসির অবসরে ভেস্তে গেল আর্জেন্টিনার এশিয়া সফর

    লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্তের পর বদলে গেছে আর্জেন্টিনার পরবর্তী আন্তর্জাতিক সূচির পরিকল্পনা। তারকা ফরোয়ার্ডকে ঘিরে এশিয়া সফরের যে পরিকল্পনা করেছিল আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ), সেটি এখন বাতিল হওয়ার পথে।

    এশিয়া সফর বাতিল করে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতে দেশের মাটিতে তিনটি ম্যাচ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আর্জেন্টিনা।

    ইএসপিএন আর্জেন্টিনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে তিন ম্যাচের একটি ঘরোয়া সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে এএফএ। প্রথম ম্যাচটি বুয়েনস এইরেসের এল মনুমেন্টালে দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দল অথবা কনক্যাকাফ অঞ্চলের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি দুটি ম্যাচের ভেন্যু হিসেবে এগিয়ে আছে কর্দোবা ও রোজারিও।

    এর আগে এই আন্তর্জাতিক বিরতিতে এশিয়া সফরের পরিকল্পনা ছিল আর্জেন্টিনার। চীনের বিপক্ষে একটি ম্যাচও প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মেসি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসে।

    ইএসপিএনের সাংবাদিক দিয়েগো মনরোইগ জানিয়েছেন, পুরো আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে আর্জেন্টিনার দেশের মাটিতে খেলার সম্ভাবনা প্রায় ৯০ শতাংশ। স্পোর্টসসেন্টারের সকালের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দলটির ৯০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে পুরো সময়টা ঘরের মাঠে কাটানোর।’

    মেসিকে ছাড়া নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের নিয়ে দল সাজানোর ক্ষেত্রে ঘরের মাঠের এই তিন ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে কোচ লিওনেল স্কালোনির জন্য। জুলাইয়ে স্পেনের কাছে বিশ্বকাপ ফাইনালে ১-০ গোলে হারের পর দলকে নতুনভাবে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ এখন এই কোচের সামনে।

    এর পর ৯ থেকে ১৭ নভেম্বর আরেকটি ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডো রয়েছে। ফলে ২০২৭ সালের ব্যস্ত সূচি শুরুর আগে মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনার নতুন দলকে প্রস্তুত করার জন্য আগামী আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো স্কালোনির জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ।