সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • আত্মগোপনে চেয়ারম্যান অদৃশ্যভাবে চলছে ইউপি, জনদুর্ভোগ চরমে

    আত্মগোপনে চেয়ারম্যান অদৃশ্যভাবে চলছে ইউপি, জনদুর্ভোগ চরমে

    • ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপনে থেকে চালাচ্ছেন পরিষদের কার্যক্রম। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধন সনদ, নাগরিক সেবাসহ পরিষদের কাগজপত্র গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে কোনো রকমে চলছে পরিষদের কার্যক্রম। অন্যদিকে কাগজে-কলমে গ্রাম আদালত পরিচালনা হলেও বাস্তবে পরিষদ থাকে বন্ধ। জনগণের সেবায় পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতি থাকা বাধ্যতামূলক হলেও দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থেকে অদৃশ্যভাবে চালানো হচ্ছে পরিষদ। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। চিত্রটি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, ইউপি সদস্য, গ্রাম আদালত পরিচালনার রুম তালাবদ্ধ। দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থানকালে পরিষদের রুমগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। এসময় শুধু অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের রুম খোলা পাওয়া যায়।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান যাদু মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ফ্যাসিস্ট সরকার পালিয়ে গেলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম অদৃশ্য স্থান থেকে পরিচালনা করছেন। তিনি এক বছর ধরে পরিষদে আসেন না। তবে পরিষদের কাগজপত্র একজন গ্রাম পুলিশকে দিয়ে তার কাছে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাক্ষর নেয়া হয়।গ্রাম আদালত পরিচালনা নেই বললে চলে। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ নাগরিক সেবার কাগজপত্রে জনগণকে বুড়িরহাটে গিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে আসতে হয়। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়াসহ জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে পরিষদের এলেও পাঁচ থেকে দশ মিনিটের বেশি থাকেন না বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা, আইনশৃঙ্খলা সভাসহ অন্যান্য সভায় রয়েছেন প্রায় ৮ মাস ধরে অনুপস্থিত। তবু তিনি রয়েছেন বহালতবিয়তে।ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকাবাসী একরামুল জানান, চেয়ারম্যান অনেক দিন ধরে অফিসে আসে না। ফলে জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে। জনগণ যেখান থেকে সেবা পাওয়ার কথা, সেখান থেকে পাচ্ছে ভোগান্তি। দূরদূরান্ত থেকে লোকজন এসে যখন দেখছেন পরিষদে চেয়ারম্যান নেই, তখন তাদের বুড়িরহাটে চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়।গ্রাম পুলিশ আব্দুল ওহাবকে কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করে বলেন, আমি কাগজপত্র চেয়ারম্যান সাহেবে যেখানে থাকে, সেখানে গিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে আসি। আমাকে সচিব কাগজ দেন, আমি স্বাক্ষর নিয়ে আসি।হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোর্শেদুল হক বলেন, আমরা জনগণকে সেবা দিচ্ছি। প্রথমে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে তিনি তা স্বীকার করেন। অফিসের সব রুমে তালাবদ্ধ, কেউ কি অফিসে আসেন না, জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, সচিব ম্যাডাম কিছুক্ষণ আগে চলে গেছেন। গ্রাম আদালতের সব মামলা মীমাংসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তাই আজ গ্রাম আদালত বসেনি। নাগরিক সনদে স্বাক্ষর নেয়া রয়েছে, জনগণ এলে দেয়া হয়। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ অন্যান্য নাগরিক সেবার জন্য চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। চেয়ারম্যান না আসায় ট্রেড লাইসেন্সসহ নাগরিক সেবায় একটু হলেও ভোগান্তি হচ্ছে।ইউপি সচিব আনোয়ারা বেগম জানান, চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে আসেন। জনগণের অতি প্রয়োজন হলে বুড়িরহাটে তার নিজস্ব অফিসে পাঠানো হয়। নাগরিক সেবা দেয়া হচ্ছে। আমি অফিস থেকে কিছুক্ষণ আগে বাড়ি এসেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা জানান, নাগরিক সেবা বঞ্চিত হচ্ছে, ভোগান্তি হচ্ছে এ রকম অভিযোগ আমাকে এখন পর্যন্ত কেউ দেয়নি। উপজেলা পরিষদের সভায় তিনি প্রতিনিধি পাঠান। ওই চেয়ারম্যানের সাথে এখন পর্যন্ত আমার দেখা হয়েছে বলে মনে পড়ে না। অফিস সময়ে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান-ইউপি সদস্যদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কেন অফিস বন্ধ থাকে, কেন তিনি উপস্থিত থাকছেন না, এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।

  • বগুড়ায় সারজিসের সভাস্থল চত্বরে ককটেল হামলা

    বগুড়ায় সারজিসের সভাস্থল চত্বরে ককটেল হামলা

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের সভাস্থল চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে সারজিস আলম বগুড়ায় এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন করেন। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন এনসিপি নেতৃবৃন্দ ও জেলা পুলিশ।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বগুড়া শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের কিছু পরেই বিকাল সাড়ে ৪টায় পুলিশি পাহারায় সারজিস আলম পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দ।

    বগুড়া জেলা এনসিপি নেতা সৈকত হাসান বলেন, সারজিস আলম বগুড়া জেলার কার্যালয় উদ্বোধন শেষে জেলা পরিষদ হলরুমে সমন্বয় সভায় অংশ নিয়েছিলেন। সভা চলাকালীন সময়ে জেলা পরিষদ চত্বরে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। অপর একটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেছে। এতে করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলে।

    জেলা পরিষদ থেকে যাওয়ার পূর্বে সারজিস আলম গণমাধ্যমকর্মীদের আক্ষেপ করে বলেন, পুলিশের ভূমিকা আরো দায়িত্বশীল হওয়ার দরকার ছিল। রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আমরা যাদেরকে অন্তবর্তী সরকারে বসিয়েছি তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নমনীয়ভাবে দেশ চালাচ্ছে এতে জুলাই স্পিড থেকে অনেক দূরে।তিনি বলেন বিমানবন্দরসহ বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির জানান, পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এই ঘটনার সাথে যারাই জড়িত থাকুক তাদেরকে অতিদ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সালমান শাহ’র মৃত্যু হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ

    সালমান শাহ’র মৃত্যু হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ

    নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ২৯ বছর পর অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দিয়েছে আদালত।

    সোমবার ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন। সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরীর আইনজীবী আবিদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এদিন চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যুর মামলায় তার মায়ের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

    এ বিষয়ে সালমান শাহর বাবা কমর উদ্দিনের অভিযোগ এবং ঘটনায় জড়িত রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের জবানবন্দি সংযুক্ত করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের জন্য রমনা মডেল থানা পুলিশকে আদেশ দিয়েছেন।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান সালমান শাহ। অভিনেতার হঠাৎ মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। কিন্তু ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলা করেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

    ওই সময় অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সিআইডির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের ২৫ নভেম্বর সিএমএম আদালত সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে রায় দেন। যা প্রত্যাখ্যান করেন সালমান শাহর বাবা এবং পরবর্তীতে রিভিশন মামলা করেন।

    ২০০৩ সালে সেই রিভিশন মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক ‘অপমৃত্যু’ উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

    এরপর ছেলের মৃত্যুর বিচারপ্রার্থী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী মারা গেলে মামলার বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। ২০১৫ সালে তিনি সিএমএম আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন। তখন মামলাটি তদন্তের ভার পড়ে পিবিআইয়ের ওপর।

    ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করলে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন।

    মামলার নিষ্পত্তি আদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১২ জুন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবারও রিভিশন মামলা দায়ের করে বাদীপক্ষ। ওই রিভিশন মামলায় বলা হয়, একাধিক ব্যক্তির প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে হত্যাকে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। সুপরিকল্পিত হত্যাকে ‘আত্মহত্যা’ ও ‘অপমৃত্যু’ বলা হচ্ছে। তাই সত্য প্রতিষ্ঠায় সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

  • জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক

    জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ আহমেদকে হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ছাত্রীর নাম বর্ষা আক্তার। তাকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন জুবায়েদ।

    রোববার রাত ১১টা ২০ মিনিটের বর্ষাকে তার নিজ বাসা রাজধানীর বংশালে নূর বক্স রোডে রৌশান ভিলা থেকে আটক করা হয়। এছাড়া বাড়ির বাকি সদস্যদেরও কড়া নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।

    নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    টিউশনি করতে যাওয়ার পথে খুন হওয়া জুবায়েদের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর মিডফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

    পুলিশ জানিয়েছেন, হত্যায় সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। অতি দ্রুত খুনিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • আরমানিটোলা থেকে জবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    আরমানিটোলা থেকে জবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৫ তম ব্যাচের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জুবায়েদ হোসাইনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যার দিকে টিউশনিতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা লাশটি দেখে পুলিশকে খবর দেন।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুবায়েদ হোসাইন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ওইখানে তার টিউশনের বাসা ছিল। এখনো মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা তদন্ত করছি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ঘটনা শোনামাত্রই আমি সেখানে গিয়েছি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। তারা সেটি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন

  • চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি পুশব্যাক

    চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি পুশব্যাক

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার মাশিলা সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ নয় বাংলাদেশিকে পুশব্যাক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ভারতের বয়রা বিএসএফ ও বাংলাদেশের মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পের মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

    পুশব্যাক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ফুড়িয়াখালি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক খান (৪৭), তার স্ত্রী খাজিদা আক্তার (৩৫) ও ছেলে মাস্টার আব্দুল্লাহ খান (৮), সিলেট সদর উপজেলার ইয়াসমিন খাতুন (৩০), গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার রাজিয়া বেগম (৩০), ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কাজল লিপি (৪৫), দিনাজপুরের বিরল উপজেলার লিটন খান (২৪), বোচাগঞ্জ উপজেলার সুনিল টুডু (২৬) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (২২)।

    ৪৯ মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফরিদ উদ্দিন বলেন, ভারতের বহেরা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ বিকেলে নয়জন বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করে। পরে তাদের চৌগাছা থানা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

    পুশব্যাক হওয়া আব্দুর রাজ্জাক খান জানান, তারা কেউ ভারতের গোয়ায়, কেউ হরিয়ানায় ও কেউ উত্তরখণ্ডে কাজ করতেন। সেখান থেকে বিএসএফ তাদের আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় এবং পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।

    চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, সন্ধ্যায় নয়জন বাংলাদেশিকে পুশব্যাকের মাধ্যমে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে মালিহা পাইক (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    আজ সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার বান্দাবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত মালিহা পাইক কোটালীপাড়া উপজেলার বান্দাবাড়ি গ্রামের বায়জিদ পাইকের মেয়ে।

    কোটালীপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, শিশু মালিহা বাড়ির সামনের উঠানে খেলছিল। এ সময় সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে মালিহাকে অনেক খোঁজা-খুঁজির পর পুকুর থেকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মালিহাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরিবারের অবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

  • পদ্মায় ইলিশ ধরায় ৯ জে‌লে গ্রেপ্তার

    পদ্মায় ইলিশ ধরায় ৯ জে‌লে গ্রেপ্তার

    মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ৯ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

    মঙ্গলবার (০৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    এ সময় পদ্মা নদীর কলাবাগান এলাকা থেকে ৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও আনুমানিক ১০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। পরে ইলিশ স্থানীয় দৌলতদিয়া খানকা শরিফের এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় পদ্মা নদীতে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছি। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ জেলেকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন মতে ২টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আদালত পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে উদ্ধাকৃত জালগুলো আলামত হিসেবে রাখা হয়েছে।

  • নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পদ্মার চরে ইলিশের বাজার

    নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পদ্মার চরে ইলিশের বাজার

    মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকলেও ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদীর চরে বসছে ইলিশের অস্থায়ী বাজার। নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসনের দুর্বলতা ও নজরদারির অভাবে প্রতিদিনই এ বাজার থেকে পাচার হচ্ছে বিপুল মা ইলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের মুন্সীরচরের মোল্লা কান্দিঘাট এলাকায় প্রতিদিন ভোর ও সন্ধ্যায় বসছে এ অবৈধ মাছের হাট। বাজারটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী বলে পরিচিত আক্কাস ও কুদ্দুস নামের দুই ব্যক্তি।

    জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার করে তা এই বাজারে এনে বিক্রি করেন, এবং পরে চোরাই পথে ইলিশ সরবরাহ করা হয় জেলার বিভিন্ন স্থানে, এমনকি পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলার শিবচরের কাজীরসুরা চর এলাকাতেও।

    অভিযুক্ত কুদ্দুসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ক্রেতা পরিচয়ে আক্কাসের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে সাংবাদিক। সাংবাদিককে জানান জানান, ১০-২০ কেজি ইলিশ দেওয়া যাবে। মাছ নিতে চাইলে মোল্লাকান্দি ঘাটে আসতে হবে। প্রশাসনিক তৎপরতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই এলাকায় প্রশাসন আসে না। এখান থেকে মাছ নিতে কোনো ঝুঁকি নেই।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই নিষেধাজ্ঞার সময় এ ধরনের অবৈধ বাজার বসে আসছে। প্রতিদিন ভোর ও সন্ধ্যায় এই বাজারে চলে ইলিশ বেচাকেনা। বাইক ও নৌকায় করে গোপনে এসব মাছ পাচার করা হচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

    এ প্রসঙ্গে সদরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় নৌযানও নেই। উপরন্তু, অঞ্চলটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া সেখানে কার্যকর অভিযান চালানো সম্ভব নয়। আমরা শিগগির প্রশাসনের সহায়তায় অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

  • সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

    সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

    সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৬৬৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৮ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। শতকরা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭০।

    কলেজের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ ২০১২ সাল থেকে টানা তিন বছর ঢাকা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ২০১৫ সাল থেকে বোর্ড কর্তৃক সেরাদের তালিকায় না হলেও নিজেদের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখেছে।

    এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৬৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ১৪১ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৮০ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ জন। ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ১৮৩ জন অংশ নিয়ে জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৩ জন, অকৃতকার্য হয়েছেন ২ জন। মানবিক শাখা থেকে ৩৩৪ জন অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭৩ জন।

    কলেজের অধ্যক্ষ হেরেম উল্লাহ আহসান বলেন, ‘আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। আমাদের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লার সরাসরি নির্দেশনায় নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, হোম ভিজিট, টিউটেরিয়াল, মাসিক পরীক্ষা, গাইড টিচারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানসহ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে কখনো এমন ফলাফল হয়নি। এবারের ঘাটতিগুলোয় গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে পূর্বের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ফিরব ইনশা আল্লাহ।’

  • আলীকদমে মাইন বিস্ফোরণ

    আলীকদমে মাইন বিস্ফোরণ

    বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা সীমান্তের শূন্যরেখায় মাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি আহত এবং মিয়ানমারের এক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পোয়ামুহুরী সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হটাওমগপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আহত বাংলাদেশি যুবকের নাম ম্যাংসার মোরং (৩০)। তিনি আলীকদমের কুরুকপাতা ইউপির গর্জনপাড়া এলাকার শাংওয়ান মোরংয়ের ছেলে। অপরদিকে নিহত মিয়ানমারের নাগরিকের নাম মেনথ্যাং (৪০)। তিনি দেশটির নতুন পাড়া এলাকার তাংলাইয়ের ছেলে বলে জানা যায়।

    স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জুম খেত দেখতে যাওয়ার সময় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা স্থল মাইন বিস্ফোরণের কবলে পড়েন তারা। এতে ঘটনাস্থলে থেকে আহত অবস্থায় বাংলাদেশি যুবক ম্যাংসার মোরং ফিরতে পারলেও ঘটনাস্থলেই নিহত হন মিয়ানমারের নাগরিক মেনথ্যাং। ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হটাওমগপাড়া এলাকায় ঘটেছে।

    কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় হওয়ায় সেখানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

  • ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে পেয়ারার ভাসমান হাট

    ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে পেয়ারার ভাসমান হাট

    বরিশালের ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের ভীমরুলি খালে বসে ভাসমান পেয়ারার হাট। ভাসমান এ হাট দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক আসেন। এমনকি বিদেশি পর্যটকরাও পেয়ারা বাগান ও ভাসমান হাট দেখে মুগ্ধ হন।

    সম্প্রতি ভাসমান পেয়ারার বাজার দেখতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলোহাব সায়দানি। পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত জানান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যবাহী ভাসমান বাজার দেখে তিনি মুগ্ধ। আলজেরিয়ায় পেয়ারা উৎপাদিত হয় না। এখান থেকে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

    প্রতিদিন সকালে ছোট ছোট নৌকায় করে পেয়ারা বিক্রির জন্য এ হাটে আসেন চাষিরা। শ্রাবণ মাসের প্রথম থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত পেয়ারার মৌসুম। এ সময় প্রতিদিনই এখানে পেয়ারা বিক্রি হয়। তবে অন্য দিনের তুলনায় শুক্রবার কেনাবেচা বেশি হয়। বর্তমানে মণপ্রতি পেয়ারা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকা। এখানে পেয়ারার পাশাপাশি আমড়া, লেবুসহ অন্যান্য ফল ও শাকসবজিও বিক্রি হয়। পর্যটককে বিনোদন দিতে বেসরকারি উদ্যোগে এখানের পেয়ারা বাগানের মধ্যে পার্ক গড়ে উঠেছে। শিশুদের খেলনাসহ বিভিন্ন রকমের বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।

    পেয়ারা চাষি পরিমল হালদার, বস্রজিৎসহ কয়েকজন জানান, এ বছর পেয়ারার ফলন তেমন ভালো হয়নি। দাম মোটামুটি ভালো পাওয়া যচ্ছে। বিগত বছরের চেয়ে এ বছর চাষিরা বেশি লাভবান হবেন। আমাদের প্রধান আয়ের মাধ্যম হলো পেয়ারা চাষ। এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় ফলন ভালো হয়নি। বিগত বছরগুলোতে প্রতিদিন ৪-৫ মণ পেয়ারা বিক্রি করেছি আর এ বছর ১০ থেকে ৬০ কেজি পেয়ারা বিক্রি করি।

    পেয়ারা আড়তদার সঞ্চয় হালদার বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আমাদের এখানে পাইকাররা পেয়ারা ক্রয় করার জন্য আসেন। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর পেয়ারার দাম দ্বিগুণ কারণ পেয়ারার ফলন কম। এতে পাইকারদের তেমন লাভ হয় না।

  • খাগড়াছড়িতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ২

    খাগড়াছড়িতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ২

    খাগড়াছড়িতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৩ জন। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক সড়কের সাপমারা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, বাসটির সুপারভাইজার চৌধুরীপাড়া এলাকার বিন্দু চাকমার ছে‌লে অ‌নিল চাকমা (৩২) ও দী‌ঘিনালা কোবাখালী মুস‌লিমপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল ক‌রিমের ছেলে আবদুর রাজ্জাক সওদাগর (৭২) ।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালের দিকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী শান্তি পরিবহনের একটি বাস সাপমারা এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ চেকপোস্টর পর পাহাড় নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৭ জনকে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে তাদের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান আছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে হেফাজতে আনা হয়েছে।

  • কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কেন্দ্র

    কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কেন্দ্র

    কক্সবাজারের উন্নয়ন কেবল জাতীয় ইস্যু নয়, এটি এখন বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতের অংশ, বঙ্গোপসাগরের অর্থনীতি ও আঞ্চলিক রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

    কক্সবাজারের পর্যটন, নিরাপত্তা, পরিবেশ, শিক্ষা ও অবকাঠামো—এই পাঁচ স্তম্ভেই টেকসই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।

    আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘কক্সবাজারের উন্নয়নযাত্রার জোয়ার ভাটা: সমস্যা, সম্ভাবনা ও বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এই অভিমত তুলে ধরেন।

    কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স (সিসিএডি) এ সংলাপের আয়োজন করে। রাজনীতিক, অর্থনীতিবিদ, প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মানবাধিকারকর্মীরা সংলাপে অংশ নেন।

    বক্তারা বলেন, কক্সবাজার এখন একটি গ্লোবাল হাব। এটি এখন আন্তর্জাতিক ব্যবসা, পর্যটন, নীল অর্থনীতি ও ভূরাজনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু। কক্সবাজারের উন্নয়ন এখন আর সম্ভাবনার প্রশ্ন নয়; বরং কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

    আলোচনায় অংশ নেন কক্সবাজার-২ (পেকুয়া-কুতুবদিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির নির্বাহী সদস্য মো. সহিদুজ্জামান, কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম, এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয়ক এম এম সুজা উদ্দিন প্রমুখ।

    হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, রাষ্ট্রকে দেওয়ার মতো কক্সবাজারের অনেক কিছু আছে—অসীম প্রাকৃতিক সম্পদ, সমুদ্র অর্থনীতি ও সম্ভাবনাময় মানুষ। এই উন্নয়নকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে এনে জনগণ ও স্থানীয় নেতৃত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, আগামীর কক্সবাজার হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির মূল কেন্দ্র হবে কক্সবাজার। কক্সবাজারের খনিজ নিয়ে প্রযুক্তিবান্ধব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

  • মিরসরাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল দুজনের

    মিরসরাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল দুজনের

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পৃথক দুই স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে ও সন্ধ্যায় জোরারগঞ্জ ও বারইয়ারহাট এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

    সীতাকুণ্ড রেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফ সিদ্দিকী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    জানা যায়, বিকেল ২টার দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকায় চট্টগ্রামমুখী রেললাইনের ডাউন লেনে খদিজা বেগম (৫৫) নামে এক নারী ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত খতিজা সোনাপাহাড় এলাকার একটি দরগা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়। নিহত খতিজা বেগম উপজেলার ৮ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের মোহাম্মদ হানিফের স্ত্রী।

    অন্যদিকে একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন বারইয়ারহাট কলেজ গেইট এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হন। দুর্ঘটনায় তার দেহের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, ফলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    ঘটনার পর রেলওয়ে পুলিশ দুই মরদেহ উদ্ধার করে।

  • চাঁদপুর কিশোর গ্যাংসহ ১২ জন আটক

    চাঁদপুর কিশোর গ্যাংসহ ১২ জন আটক

    চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে যৌথবাহিনী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে সাত কিশোর গ্যাং সদস্যসহ ১২ জনকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। বৃহস্পতিবার সকালে এক প্রেস রিলিজে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে আর্মি ক্যাম্প।

    বুধবার রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় হামিদিয়া জুট মিল এলাকার চিহ্নিত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য রবিউল আহম্মেদ, মাঈনুদ্দিন খান, বিল্লাল কাজী, কাজী পলাশ, হৃদয় হোসেন, শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

    এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি ছুরি, ১টি চায়নিজ কুড়াল ও তিনটি স্থানীয়ভাবে তৈরি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাজীগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়।

    পৃথক অভিযানে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবনে মাদক সেবনকালে তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন, হিরণ, রাশেদ ও শফিউল আলম। এছাড়া টোরাগড় এলাকা থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ শামীম হোসেন ও ৫০ পিস ইয়াবাসহ পলি বেগমকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাজীগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়।

    হাজীগঞ্জ থানা ওসি মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হবে।

  • বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় সদস্যের তদন্ত কমিটি; সন্দেহে নাশকতা

    বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় সদস্যের তদন্ত কমিটি; সন্দেহে নাশকতা

    ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে পুড়ে গেছে কোটি কোটি টাকার আমদানি পণ্য। এ সময় ১৩টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম, সিলেট ও ভারতের কলকাতায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। আগুন নেভাতে মোতায়েন করা হয় ফায়ার সার্ভিসের ৩৭ ইউনিট। গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা দেশবিরোধী নাশকতার অংশ বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছে নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। সরকার বলছে, নাশকতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ (ফ্লাইট সেফটি)। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি থাকবেন সদস্য হিসেবে।

    কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি), চিফ ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স), উপ-মহাব্যবস্থাপক (সিকিউরিটি), উপ-মহাব্যবস্থাপক (কার্গো-রপ্তানি) এবং উপ-ব্যবস্থাপক (ইন্স্যুরেন্স)।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটি অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরি করবে।কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • বগুড়ার সারিয়াকান্দির ‘চর ধারাবর্ষা’ হতে পারে সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা 

    বগুড়ার সারিয়াকান্দির ‘চর ধারাবর্ষা’ হতে পারে সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা 

    .বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার নদীর কোল ঘেঁষে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর চর ধারাবর্ষা। যেন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে বসে আছে চরটি। এখানে পা রাখতেই কানে বাজবে শোঁ শোঁ শব্দ। মূলত বাতাসে বিভিন্ন গাছের পাতার নাচনে এমন শব্দ তৈরি হয়।

    মাঝেমধ্যে গর্জন করে বিভিন্ন শ্যালো মেশিন চালিত নৌকা চলে যাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। হালকা শব্দে নিজের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে নদীর ঢেউ।

    সেই গর্জনের সঙ্গে পাখির কলকাকলি মিশে অন্যরকম এক আবহ সৃষ্টি করছে। শুধু তাই নয়, সকাল বেলায় পূর্বগগনে নদীর বুক চিরে জেগে ওঠা রক্তলাল সূর্য, বেলা শেষে পশ্চিম আকাশে তার হেলে পড়ার দৃশ্য উপভোগ করারও অতুলনীয় স্থান চর ধারাবর্ষা। বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি বোহাইল ইউনিয়নের যমুনা নদীতে বন অধিদপ্তরের তও্বাবধায়নে গাছ লাগিয়ে নদীতে জেগে ওঠা চরটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে।

    প্রতিদিন হাজারো পর্যটক ভিড় করছেন এখানে। যত্নআত্তি করলে সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে ধারাবর্ষা। চরটিতে রয়েছে কয়েক লক্ষ গাছ। পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ রয়েছে নানা সংকট। তবু সেই সংকট উপেক্ষা করেই প্রকৃতির নয়নাভিরাম চর ধারাবর্ষা পর্যটকের মিলন মেলায় পরিণত হচ্ছে। পৃষ্ঠপোষকতা পেলে উওরবঙ্গের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে এই চর।

  • বীরগঞ্জে হত্যা মামলায় ৬ আ.লীগ নেতা কারাগারে

    বীরগঞ্জে হত্যা মামলায় ৬ আ.লীগ নেতা কারাগারে

    বিডি নিউজ ডেস্ক:
    ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জে শিবির কর্মী সালাউদ্দীন ও আসাদুল ইসলাম হত্যা মামলায় আ.লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম নূর (৫৪), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমএ খালেক (৫৬) ও রেজাউল করিম শেখ (৫২)সহ ৬ নেতাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত

    গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলেন শতগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অব. প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা (৬২), মো. আমিনুল ইসলাম (৫৫) ও যুবলীগ মরিচা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম (৪৫)। বিকেলে তাদেরকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলাম।

    সূত্র মতে জানা যায়, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর বীরগঞ্জ উপজেলার ভগিরপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী জহুরা বেগম বাদী হয়ে বীরগঞ্জ থানায় তার দুইপুত্রের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মনোরঞ্জনশীল গোপালসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

    এজাহারে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বীরগঞ্জের ভেলাপুকুর এলাকায় আসামিদের হামলায় শিবির কর্মী সালাউদ্দিন (১৬) ও আসাদুল হক (১৫) গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনই মারা যায়। তৎকালীন সময়ে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায় কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর মামলাটি দায়ের করা হয়।

    বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল গফুর জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • চৌগাছায় বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত

    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় শহরের ডিভাইন সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হাকিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।

    সভায় আরও বক্তব্য রাখেন যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নি, জেলা বিএনপির সদস্য ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য, যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইসাহক আলী, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউনুস আলী দফাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম এ মান্নান, সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম ওয়াসিম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিক, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইমন হাসান রকি প্রমুখ।

    এসময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ

    শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজের একটি অংশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। অগ্নকাণ্ডের কারনে ঢাকার একটি ফ্লাইট সিলেটে নেমেছে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ কর্মকর্তা কাওসার মাহমুদ।

    এর আগে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ এলাকায় আকস্মিকভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের ২৬টি ইউনিট কাজ করছে। কার্গো ভিলেজের এ অংশে আমদানি করা পণ্য মজুত রাখা হয়।

    শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই বিমানবন্দর ফায়ার সেকশন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফায়ার ইউনিট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সম্মিলিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

  • কাউখালীতে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা

    কাউখালীতে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা

    রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দিনব্যাপী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চলিয়েছ। আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামীণ জনপদে এই প্রচারণা চালায় চালায়।

    দিনব্যাপী প্রচারণার নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত রাঙ্গামাটি-২৯৯ নং আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ। এসময় তিনি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ, পথসভা ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

    প্রচারণাকালে তিনি জনগণের উদ্দেশে বলেন, “আমরা জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে ন্যায়, ও সুশাসনের ভিত্তিতে একটি কল্যাণকর সমাজ গড়ে তুলতে চাই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা সর্বাধিক অগ্রাধিকার পাবে।”

    এ সময় তিনি নৌকা, পাহাড় ও নদীর জনপদ কাউখালীর উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কৃষি ও পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোসহ নানা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

    প্রচারণার সময় দলিটর স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শিক্ষকদের আন্দোলন ইস্যুতে বিএনপির হুঁশিয়ারি

    শিক্ষকদের আন্দোলন ইস্যুতে বিএনপির হুঁশিয়ারি

    শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন ও দাবির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে অপচেষ্টা প্রতিহতের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    তিনি বলেছেন, বিএনপি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত। তবে এই আন্দোলনকে পুঁজি করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে অপচেষ্টা চালালে তা প্রতিহত করা হবে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. তাইফুর ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত প্রেস বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম জানান, দেশের একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত। সহজভাবে শিক্ষকদের জন্য তাদের অঙ্গীকার হলো— মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষকদের চাকরির নিরাপত্তা, শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সামাজিক মর্যাদা এবং তাদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিএনপি বিশ্বাস করে রাষ্ট্র ও জাতির সাংগঠনিক কিংবা নাগরিক উন্নয়নে আমাদের যত উদ্যোগই গ্রহণ করি না কেন শিক্ষাব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন এবং শিক্ষকদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা না গেলে কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাওয়া যাবে না।

    জনগণের ভোটে বিএনপি আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে রাষ্ট্রের আর্থিক অনুকূলতা শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি, চাকরির স্থায়ীকরণ এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের বিষয়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার বিষয়ে বিএনপির কোনো দ্বিমত নেই।

    তবে শিক্ষকদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আন্দোলনের ছদ্মবেশে পড়ে কোনো স্বৈরাচারী সহযোগী পরিকাঠামো নিঃস্বার্থভাবে গড়ে তোলার (দেশের) দায়িত্বশীল করে তোলার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উত্তরণের কোনো প্রয়াস প্রতিহত করার প্রচেষ্টা চালালে সেটি প্রতিহত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি কোনো নমনীয়তা দেখাবে না বলেও জানানো হয়।

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘কালো পতাকা মিছিল’

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘কালো পতাকা মিছিল’

    মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ‘কালো পতাকা মিছিল’ করেছে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টায় জাতীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিল শুরু হয়ে হাইকোর্টের সামনে কদম ফোয়ারা সংলগ্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে।

    গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন মিছিলে সংহতি প্রকাশ করেছেন। আন্দোলনকারীদের মধ্যে একটি অংশ শহীদ মিনারে ‘আমরণ অনশন’ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    শিক্ষক-কর্মচারীরা দাবি, বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা ৫০০

    টাকা থেকে ১,৫০০ টাকা করা হোক এবং উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হোক। এছাড়া তারা সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিও জানিয়েছেন।

    আগামী রোববার তারা ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করবেন। এ পর্যন্ত আন্দোলন চলাকালীন তারা কর্মবিরতি, লংমার্চ এবং সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন।

  • শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২৮ ইউনিট

    শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২৮ ইউনিট

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সেনা ও নৌবাহিনীসহ ফায়ার সার্ভিসের ২৮ টি ইউনিট।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে আকস্মিকভাবে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. মাসুদুল হাসান মাসুদ জানান, কার্গো ভিলেজের পাশে একটি অংশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীসহ বিমানবন্দের দায়িত্বরতরা কাজ করছে।

    শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই বিমানবন্দর ফায়ার সেকশন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফায়ার ইউনিট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সম্মিলিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যক্রম শুরু করে।

    বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট অপারেশন বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে সবাইকে নিরাপদ এবং সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • জুলাই সনদ এখনো পরিবর্তনের সুযোগ আছে

    জুলাই সনদ এখনো পরিবর্তনের সুযোগ আছে

    বিডি নিউজ

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ নিয়ে তর্ক না করাই শ্রেয়, পরিবর্তনের সুযোগ আছে। বানচাল হলে দেশ পিছিয়ে পড়বে।

    শনিবার সকালে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, সনদ বাস্তবায়নে দেরি হলেও জুলাই হত্যার বিচার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই এগিয়ে যাবে। বিচারকার্য কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত হবে না।

  • ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!

    ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। বোর্ডে শতভাগ পাশ করেছে ৩ টি কলেজে। কেউ পাশ করেনি ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ।

    প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ৩০৬টি প্রতিষ্ঠানের ৭৯ হাজার ২৩৭ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছেন ৩৯ হাজার ৯৬ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৮৪ শিক্ষার্থী। শাখাভিত্তিক পাসের হার সবচেয়ে কম ব্যবসায় শিক্ষা শাখায়।

    শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, জেলার ঈশ্বরগঞ্জের চরজিথর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলার আবদুল জব্বার রাবেয়া খাতুন গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ।

    ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি। এর মধ্যে ময়মনসিংহের ৭টি, জামালপুরের ২টি, শেরপুরের ২টি ও নেত্রকোনার ৪টি কলেজ আছে। এই ১৫টি কলেজ থেকে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন ১৩২ জন। এর মধ্যে ১০ জনের বেশি পরীক্ষার্থী ছিল চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার্থী ২ থেকে ৯–এর ঘরে ছিল।

    এবার জিপি এ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬৪৮ জন। এ বছর পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪।

  • কুমিল্লায় ১০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু

    কুমিল্লায় ১০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু

    কুমিল্লা নগরের বিষ্ণুপুর মুন্সেফ কোয়ার্টার এলাকায় চালু হয়েছে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট ‘খায়রুন্নেসা-ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল’। বিশেষায়িত এই হাসপাতালে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা পাবেন ডায়াবেটিক রোগীরা। পাশাপাশি সব রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক সেবাও মিলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অর্ন্তবর্তী সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, এই হাসপাতাল কুমিল্লার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করবে। ঢাকায় গিয়ে নয়, এখন থেকে কম খরচে কুমিল্লাতেই ডায়াবেটিকসহ যেকোনো রোগের উন্নত সেবা পাবেন রোগীরা।’হাসপাতালটি নির্মাণ করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি। কুমিল্লার বাসিন্দা জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব প্রয়াত এ টি এম শামসুল হক এই প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য ১ দশমিক ২৫ একর) সম্পত্তি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিকে দান করেছেন।

    হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতির বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।

    বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্ক (এনএইচএন) বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্সের চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বি এম মশিউজ্জামান, জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মো. সারোয়ার আকবর, অধ্যাপক হাজেরা মাহাতাব, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত এটিএম শামসুল হকে সহধর্মিণী রাবেয়া হক, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. এম এ সামাদ প্রমুখ।

  • বিনিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা!

    বিনিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা!

    বিনিয়োগ ডেস্ক:

    দেশজুড়ে বিনিয়োগের নামে চলছে একের পর এক ভয়াবহ প্রতারণা। অনলাইন কিংবা অফলাইনে, অ্যাপসভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে সব জায়গায়ই লোভনীয় মুনাফার প্রতিশ্রুতিতে প্রলুব্ধ হয়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কেউ ব্যাংকে, কেউ শেয়ারবাজারে হচ্ছেন নিঃস্ব। অথচ প্রতারক চক্রের বেশির ভাগই এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।গত সরকারের পুরো শাসনামলে দুর্নীতিবাজ আর লুটপাটকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল দেশের আর্থিক খাত। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সাধারণ মানুষের পুঁজি লুট করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার যোগসাজশে ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার ধ্বংস করে লুটপাট, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মহোৎসবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফলে নিঃস্ব হয়েছেন দেশের সাধারণ মানুষ। আর তাদের সম্পদ লুট করে দেশ-বিদেশে প্রাচুর্যের পাহাড় গড়েছে আওয়ামী রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, আমলাসহ বিভিন্ন লুটেরা গোষ্ঠী।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বল্পপুঁজিতে অল্প সময়ে অধিক লাভের প্রলোভনই এ প্রতারণার প্রধান অস্ত্র। শুরুতে অল্প অঙ্কের বিনিয়োগে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লভ্যাংশ দেওয়া হয়, এতে আস্থা পেয়ে বিনিয়োগকারীরা আরো বড় অঙ্কের অর্থ ঢালেন। শুধু নিজে নয়, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনকেও বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করেন তারা। কিন্তু একসময় প্রতারক চক্র গা-ঢাকা দেয়, আর বিনিয়োগকারীরা হয়ে যান সর্বস্বান্ত।

    কৌশল ব্যবহার হচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সি জগতে। বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, বাইন্যান্স কয়েনের নামে কোনো নিয়ন্ত্রণ বা বাস্তব ঠিকানা ছাড়াই এসব প্ল্যাটফর্মে মানুষকে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। ফলে বিপুল অর্থ হারানোর পর অভিযোগ জানানোর পথও থাকে না তাদের সামনে।

    ‘সুদবিহীন শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ’—স্লোগানে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে ফাঁদে ফেলছে প্রতারকরা। পিরোজপুরের এহসান গ্রুপের প্রতারণা এর বড় উদাহরণ, যেখানে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে বলে অভিযোগ। দেশের নানা প্রান্তে ‘হালাল মার্চেন্টিং’, ‘শরিয়াহ কমপ্লায়েন্ট ফার্মিং’ ইত্যাদি নামে একই রকম প্রতারণা চলছে। শুরুতে কিছুদিন নিয়মিত লভ্যাংশ দিলেও একসময় বন্ধ হয়ে যায় সব, বিপুল অর্থ নিয়ে হারিয়ে যায় সংগঠকরা।

    প্রতারণার আরো পথ

    বাংলাদেশে আলোচিত প্রতারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ই-ভ্যালি, ডেসটিনি, ইউনিপে টু ইউ ও যুবক অন্যতম। এরা উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। ডেসটিনি বিভিন্ন প্রকল্পের নামে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা, ই-ভ্যালি গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ও পণ্য মিলিয়ে প্রায় ৩৪০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিভিন্ন সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছেন। কিন্তু ভুক্তভোগীরা আজও তাদের অর্থ ফেরত পাননি।

    ক্ষুদ্রঋণ ও সমবায়ের নামে গ্রামীণ প্রতারণা

    গ্রামের সহজ-সরল মানুষ, বিশেষ করে নারীরা, প্রতারকদের সহজ লক্ষ্যবস্তু। মাসিক ভিত্তিতে অল্প অল্প চাঁদা সংগ্রহ করার মাধ্যমে প্রথমে তাদের সদস্য বানানো হয়। পরে বড় কোনো রিটার্ন, কিংবা বাড়ি-গাড়ি, বিদেশ ভ্রমণের লোভ দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করা হয়। এভাবে বিপুল অর্থ হাতে এলে হাওয়া হয়ে যায় প্রতারক চক্র। এমনি একটি সংস্থা বগুড়ার শেরপুরের ‘আশার আলো মালটিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইট’। গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। শুধু এক ‘আশার আলো’ নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতারণা চলছে বিরামহীনভাবে।

    হাসিনা আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লুটপাট

    অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশে লুটপাট, দুর্নীতি একটি অতি সাধারণ ঘটনা হলেও শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যেভাবে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন। শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি ও লুটপাটের এমন মাত্রায় পৌঁছায়, যা দেশের আর্থিক খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে পড়েছে, বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছেন না কোনো লভ্যাংশও।

    লুটপাটের শিকার হওয়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে এখন একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    শেয়ারবাজারে কারসাজি, বীমা খাতে প্রতারণা

    লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক মদতে তালিকাভুক্ত করা, ভুয়া লেনদেন, বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাৎÑসব মিলিয়ে আস্থার চরম সংকটে শেয়ারবাজার। শেয়ারবাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নিলেও বহু কোম্পানি বছরের পর বছর কোনো লভ্যাংশ দিচ্ছে না। অন্যদিকে সেকেন্ডারি মার্কেটে কারসাজির মাধ্যমে বিভিন্ন চক্র সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ফাঁদে ফেলে তাদের পুঁজি লুটে নিয়েছে। মশিউর সিকিউরিটিজ একটি প্রতিষ্ঠান একাই দেড় হাজার বিনিয়োগকারীর ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন।

    অন্যদিকে বীমা খাতে প্রতারণা এখন নিত্যদিনের ঘটনা। ২০২৩ সালেই ভুয়া এজেন্ট, গোপন শর্ত, মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ৫০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে। বর্তমানে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার দাবির অর্থ আটকে আছে বিভিন্ন কোম্পানিতে। এসব অর্থ বীমা কোম্পানিগুলো লুটপাট করে হাতিয়ে নিয়েছে। এসব অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

    সর্বগ্রাসী দুর্নীতিই মূল কারণ

    বিশ্বব্যাংকের সাবেক অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, দুর্নীতি এখন সিস্টেমিক রূপ নিয়েছে। ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রশাসন, আদালত সর্বত্রই দুর্নীতি। সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে নানাভাবে সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে প্রতারক চক্র। তাদের থামাতে না পারলে এসব প্রতারণা বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

    সব মিলিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এখন আর আয়ের নিশ্চয়তা নয়—বরং এক অনিশ্চিত ঝুঁকি। যখন রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতারণাকে প্রশ্রয় দেয়, তখন সাধারণ মানুষের সঞ্চয় হয়ে ওঠে লুটেরাদের হাতিয়ার।

    দৈনিক আমার দেশ

  • লক্ষীপুরে অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

    লক্ষীপুরে অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

    লক্ষ্মীপুরে অর্ধশতাধিক কর্মী–সমর্থক নিয়ে বিএনপি নেতা হোসেন আহমেদ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের নবীগঞ্জ বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি জামায়াতে যোগ দেন।

    হোসেন আহমেদ চররুহিতা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ওমর ফারুক, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    জামায়াত নেতা ওমর ফারুক বলেন, ‘হোসেন আহমেদ অর্ধশতাধিক কর্মী–সমর্থক নিয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।’

    নতুন সদস্য হোসেন আহমেদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতনের পরও আমি বিএনপি করতাম। পরে বুঝেছি, বিএনপির সঙ্গে ইসলামী আদর্শের কোনো সম্পর্ক নেই। একজন মুসলিম হিসিবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য জামায়াতে যোগ দিয়েছি।

  • জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করার কারণ জানােলা এনসিপি

    জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করার কারণ জানােলা এনসিপি

    ঐতিহাসিক জুলাই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর কারণ জানিয়েছেন দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিবিসি বাংলার সঙ্গে আলাপকালে অংশ না নেওয়ার কারণ জানান তিনি।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদের বেশ অনেকগুলো দিক নিয়ে স্বাক্ষরের আগেই সরকারের দিক থেকে নিশ্চিত হতে চাইলেও সনদ ‘বাস্তবায়নের পথটাই’ অনুল্লেখ থেকে যায়। সনদে ধোঁয়াশা থাকলে আমাদের সব অর্জন বিফলে যাবে। এজন্য আমরা আজকের সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছি।

    আখতার হোসেন বলেন, সনদের বিষয়ে অমীমাংসিত দিকগুলোর সমাধান না হলে ‘জনগণকে সাথে নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হবে। সনদ ঘিরে সক্রিয় ভূমিকা থাকলেও এখন যেসব অর্জন রয়েছে, সেগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার বিস্তারিত যেন জনগণের সামনে প্রকাশ করা হয় বলেও দাবি জানান তিনি।

    তিনি বলেন, আমরা যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছি, সনদে যতটুকু অর্জিত হয়েছে সেটাকে টেকসইভাবে বাস্তবায়ন, সনদের ড্রাফট আদেশের প্রাপ্তি, গণভোটের বিষয়ে ফয়সালা, নোট অফ ডিসেন্টের (আপত্তি) জায়গাগুলো পরিষ্কার করা– এসব বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে আলাপ অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করব।

    এর আগে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) না থাকাকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এনসিপির বিচক্ষণতার অভাব রয়েছে।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের সঙ্গে আলোচনায়, ঐকমত্য কমিশনে যে আলোচনা হয়েছে, তারা প্রায় সব ব্যাপারে পজিটিভ ছিল। যে ব্যাপারটাতে সমস্যা আছে সেটা আলোচনার মাধ্যমে… পরেও তারা এ ব্যাপারে আলোচনা করতে পারত… সেটা নিয়ে আমরা পরে আরও বসতে পারতাম, কথা বলতে পারতাম। আমি মনে করি যে, এটা বিচক্ষণতার অভাবে হয়েছে। নাহলে তারা অবশ্যই এটা আজকে সই করত।

    মির্জা ফখরুল বলেন, এটা বিভক্তি নয়। তারা ভুল বুঝতে পারবে এবং সঠিক জায়গায় এসে পৌঁছাবে। বিতর্কের জায়গা রয়ে গেল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা কখনো কোনো দেশেই, কোনো কালেই পিছু ছাড়বে না। আর দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের স্বভাব হচ্ছে যে, আমরা বিতর্ক করতে খুব পছন্দ করি। তবে সবকিছুর মধ্যেই যা হয়েছে, তা ‘গ্রেট এচিভমেন্ট’ বা বড় অর্জন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

  • নারী টি-টোয়েন্টিতে ৩৪ বলে সেঞ্চুরি!

    নারী টি-টোয়েন্টিতে ৩৪ বলে সেঞ্চুরি!

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    স্বীকৃত নারী টি–টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন কিরন নাবগিরে। আজ ভারতের সিনিয়র উইমেন্স টি–টোয়েন্টি ট্রফিতে ৩৪ বলে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। বিশ্ব রেকর্ড গড়ার পথে নাবগিরে ভেঙেছেন সোফি ডিভাইনের ৩৬ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড।

    ১৭ সেপ্টম্বর নাবগিরে শুধু নতুন রেকর্ডই গড়েননি, পাঞ্জাব উইমেন্সের বিপক্ষে ১১০ রান তাড়ায় মহারাষ্ট্রের হয়ে একাই করেছেন ১০৬ রান। তাঁর ৩৫ বলের ইনিংসে ছিল ১৪টি চার ও ৭টি ছক্কা।

    ১০৩ রানের অবিচ্ছিন্ন দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মুক্তার অবদান ১০ বলে ৬ রান। অন্য প্রান্তে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন নাবগিরে। ৩৪ বলে তিন অঙ্ক স্পর্শ করে গড়ে ফেলেন বিশ্ব রেকর্ডই। এর আগে ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ড জাতীয় নারী দলের অধিনায়ক ডিভাইন ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় ওয়েলিংটনের হয়ে ওটাগোর বিপক্ষে ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।

    নাবগিরে ব্যাট করেছেন ৩০২.৮৬ স্ট্রাইক রেটে। নারী ক্রিকেটে ৩০০‍+ স্ট্রাইক রেটে সেঞ্চুরির প্রথম কীর্তি এটি।

  • জুলাই সনদ স্বাক্ষর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মির্জা ফখরুল

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মির্জা ফখরুল

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার যে কমিশনগুলো গঠন করেছিলেন সেগুলো প্রায় দীর্ঘ ৮ মাস পরিশ্রম করে আজকে এই সনদ (জুলাই সনদ) স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

    তিনি এজন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, রাজনৈতিক দল এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদসহ সব দলের সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যা বলল জামায়াত

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যা বলল জামায়াত

    জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এর আইনি ভিত্তি এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আজকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে আমরা সনদে একমত হয়েছি, তবে এর আইনি ভিত্তি এখনো বাকি রয়েছে। সরকারের উচিত তা দ্রুত নিশ্চিত করা।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

    এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পাঁচদিন অব্যাহতভাবে আমরা আলোচনা করেছি। সমাপনী সেশনে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ সাহেব কনক্লুশান দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেছেন, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ওপর একটা সুপারিশমালা তৈরি হবে, সেটার খসড়া আমরাও পাবো, সরকারের কাছেও যাবে। কিন্তু আমরা উনাদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও পাইনি। আজকেও কথা বলেছি, সেই জায়গা থেকে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটা জাতির কাছে অস্পষ্ট রয়ে গেল।’

    ‘আমরা বলেছি আইনি ভিত্তি দিতে হবে। আইনি ভিত্তি যদি না দেন তাহলে এই সনদটা, বিপ্লবের স্পিরিট, ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য যে সংস্কার সেই উদ্দেশ্যটা ব্যবহত হবে এবং অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এজন্য আমরা আইনি ভিত্তির জন্য আগেও বলেছি, একটা আদেশ জারি করতে হবে এবং গণভোটের মাধ্যমে এটা টেকসই করতে হবে’-যোগ করেন আযাদ।

    ডা. তাহেরও আইনগত স্বীকৃতির ওপর জোর দিয়ে যোগ করেন, সনদে স্বাক্ষর করা হলেও আইনগত স্বীকৃতি না থাকায় এর কার্যকরী প্রয়োগ এখনো সম্পন্ন হয়নি। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মিটিংয়ে যে নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারিত হয়েছে, সেটি যেন সরকার দ্রুত বাস্তবায়ন করে।
    জামায়াতের এ নেতা সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার ডিলে করে বা এমন কিছু চিন্তা করে, তাহলে সেটা আবার জুলাইয়ের সাথে জাতীয় গাদ্দারি হিসেবে বিবেচিত হবে এবং নতুন রাজনৈতিক জটিলতা সৃষ্টি করবে।

  • কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

    কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

    বহুল আকাঙ্ক্ষিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাক্ষর করেছেন।

    শুক্রবার বিকালে এ স্বাক্ষর গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় কী আছে তা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:

    জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা

    গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীগণ এই মর্মে অঙ্গীকার ও ঘোষণা করছি যে-

    ১। জনগণের অধিকার ফিরে পাওয়া এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের জীবন ও রক্তদান এবং অগণিত মানুষের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি ও ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত সুযোগ এবং তৎপ্রেক্ষিতে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রণীত ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করব।

    ২। যেহেতু জনগণ এই রাষ্ট্রের মালিক, তাদের অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ আইন এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত জনগণের অভিপ্রায় প্রতিফলিত হয় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে সেহেতু রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ সম্মিলিতভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে জনগণের অভিপ্রায়ের সুস্পষ্ট অভিব্যক্তি হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ গ্রহণ করেছি বিধায় এ সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে তফশিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে সংযুক্ত করব।

    ৩। জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করব না, উপরন্তু উক্ত সনদ বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করব।

    ৪। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের দীর্ঘ ১৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বিশেষত ২০২৪ সালের অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক তথা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করব।

    ৫। গণঅভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানকালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারকে এবং জুলাই আহতদের রাষ্ট্রীয় বীর, আহত জুলাই বীর যোদ্ধাদের যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান যেমন মাসিক ভাতা, সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং শহীদ পরিবার ও আহত বীর যোদ্ধাদের আইনগত দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।

    ৬। জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ বাংলাদেশের সামগ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা তথা সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে যেসব সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান এবং বিদ্যমান আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন বা নতুন আইন প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন বা বিদ্যমান বিধি ও প্রবিধির পরিবর্তন বা সংশোধন করব।

    ৭। জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত যেসব সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সেগুলো কোনো ধরনের কালক্ষেপণ না করেই দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

  • ১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না

    ১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও দেশের রাজনৈতিক দলের নেতারা শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেছেন। যা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

    তবে বহুল আলোচিত এই জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী- বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এজন্য সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে বলেও জাতীয় সনদে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী পদে ১০ বছরের বেশি নয় সিদ্ধান্তে বিএনপি ও জামায়াতসহ মোট ৩৩টি রাজনৈতিক দল একমত পোষণ করে।

  • জুলাই সনদে জরুরি সংশোধন হয়েছে: আলী রীয়াজ

    জুলাই সনদে জরুরি সংশোধন হয়েছে: আলী রীয়াজ

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ এর অঙ্গীকারনামার ৫নং দফার পরিবর্তন করা হয়েছে৷

    জুলাই বীর যোদ্ধাদের দাবির প্রতিফলন ঘটিয়ে প্রয়োজনীয় জরুরি সংশোধন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি৷ শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আন্দোলনরত জুলাই বীর যোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

    এ সময় অধ্যাপক আলী রীয়াজ অঙ্গীকারনামার ৫নং দফার সংশোধিত ভাষ্যটি পাঠ করেন।

    এতে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান কালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারকে এবং জুলাই আহতদের রাষ্ট্রীয় বীর, আহত জুলাই বীর যোদ্ধাদের যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান যেমন মাসিক ভাতা, সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং শহীদ পরিবার ও আহত বীর যোদ্ধাদের আইনগত দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।

    কমিশনের সহসভাপতি জানান, কমিশন এই অঙ্গীকারনামা বাস্তবায়নের ব্যাপারে সরকারকে সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করবে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দল এবং ঐকমত্য কমিশনের কোনো মতপার্থক্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি৷

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

  • জুলাই যোদ্ধাদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র সংসদ এলাকা

    জুলাই যোদ্ধাদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র সংসদ এলাকা

    জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান নেওয়া ‘জুলাই শহীদের পরিবার ও আহত’ ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

    শুক্রবার দুপুরের দিকে তাদের ওপর লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে ডিএমপি কমিশনার তাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাইযোদ্ধারা। ভাঙচুরেরও চেষ্টা চালান।

    জুলাই যোদ্ধা, আহত জুলাই যোদ্ধা বিভিন্ন ব্যানারে শুক্রবার সকাল থেকে মানিক মিয়া এভিনিউতে বেশ কিছু তরুণ জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে স্থাপিত জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকে পড়েন।পুলিশি বাধা উপেক্ষ করে বৈধ আমন্ত্রপত্র ছাড়াই প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে জোরপূর্বক অবৈধ অনুপ্রবেশের ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক করলেও তারা বিষয়টি আমলে নেয়নি।

    একপর্যায়ে ফটক টপকে ভেতরে ঢুকে মঞ্চের সামনে সাজানো চেয়ারগুলোতে বসে পড়েন তারা।

    এরপর মাইক হাতে নিয়ে তাদেরকে শান্ত হবার অনুরোধ করেন একজন প্রতিনিধি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক টিম উপস্থিত হন।

    পুলিশের ব্যারিকেড একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ আছে।

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সেচ ভবনের সামনে তৈরি করা অস্থায়ী তাঁবুতেও আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীদের মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে সরিয়ে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি এখন থমথমে রয়েছে।এক পর্যায়ে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে থেকে জুলাইযোদ্ধাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় বলপ্রয়োগের হুঁশিয়ারি দেন।

    কিন্তু অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা হুশিয়ারি আমলে না নিলে এক পর্যায়ে পুলিশ বলপ্রয়োগ করে এবং লাঠিপেটা করে তাদের ভেন্যু থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেয়। পুলিশের লাঠিপেটায় বেশ কয়েকজন আহত হন।

    এর আগে শুক্রবার সকালে তিন দফা দাবিতে সংসদ ভবনের ফটক টপকে মঞ্চের সামনে অবস্থান নেন জুলাইযোদ্ধারা। এক পর্যায়ে ফটক টপকে ভেতরে ঢুকে মঞ্চের সামনে সাজানো চেয়ারে বসে পড়েন তারা। এরপর মাইক হাতে নিয়ে তাদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানান একজন প্রতিনিধি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক দল উপস্থিত হয়।

  • বদলে যাচ্ছে জামালপুরের মানচিত্র!

    বদলে যাচ্ছে জামালপুরের মানচিত্র!

    নদীমাতৃক বাংলাদেশে যে কয়টি জেলা সারা বছর ভাঙনের মুখে থাকে তার মধ্যে জামালপুর একটি।

    জামালপুরে বর্ষার ভরা মৌসুমে কিংবা শীতের শুকনো মৌসুমেও যমুনা নদীর পাড় ভাঙতে দেখা যায়। এ ছাড়া পুরাতন ব্রহ্মপুত্রেও ভাঙনে বদলে যাচ্ছে। বেশ কয়েক বছর ধরে ভরা নদীতে ভাঙন দেখা দিচ্ছে জিঞ্জিরাম নদীতে।

    যমুনার করালগ্রাস আর ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনেই বদলে গেছে জেলার মূল মানচিত্র। শুধু ভাঙনেই থেমে নেই নদীগুলো, শুকনো মৌসুমে জেগে ওঠা চর নিয়ে হতে দেখা যায় কাটাকাটি।

    নদীমাতৃক বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে ‘সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়’ -এর যাত্রা শুরু হয়। ১৯৯৪ সালে ‘পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়’ হিসেবে নতুনভাবে এর নামকরণ করা হয়। জামালপুরে পাউবোর কার্যক্রম রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই নদীভাঙনের শিকার জামালপুরের মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

    জানা গেছে, ইমার্জেন্সি ডাম্পিং, এনডিআরসহ বিভিন্ন প্রকল্পে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করা হলেও স্থায়ী বাঁধ তৈরির প্রকল্প সহজে পাস হয় না। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাঙতে ভাঙতে, লাল ফাইলের দৌরাত্ম্য চলতে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ বসতভিটা ভাঙার পর হয়ত একটা সময় গিয়ে একটা প্রকল্প পাস হয়।

    দেওয়ানগঞ্জের পোল্লাকান্দি এলাকার স্থানীয় এক সাংবাদিক বলেন, আমি জন্মের পর যখন বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই দেখি প্রায়ই নদীভাঙন। এ পর্যন্ত অসংখ্যবার আমাদের বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যাদের একটু জায়গাজমি বেশি আছে তারা ঘরবাড়ি সরিয়ে নেয়। আর যাদের শুধু বাড়ির জায়গাটুকু নদীগর্ভে হারিয়ে যায়, তাদের সপরিবারে অন্য কোথাও চলে যেতে হয়। বেশিরভাগই চলে যায় ঢাকায়। রাজধানীতে গিয়ে তারা জীবনসংগ্রামে টিকে থাকার চেষ্টা করে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসমত আলী বলেন, আমাদের বাড়িঘর ২৫-২৬ বার পরিবর্তন করতে হয়েছে। আগেও নদীভাঙন ছিল, এ বছরও পাশের গ্রামে নদীভাঙন চলছে।

    জামালপুর জেলার উত্তর পশ্চিম, পশ্চিম এবং পশ্চিম দক্ষিণ অংশে পুরো যমুনা নদীতে ঘেরা। দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ এবং সরিষাবাড়ী উপজেলা যমুনার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বদলে গেছে জামালপুর জেলার মূল মানচিত্র। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে হাজার হাজার একর আবাদি জমি, বাজারঘাট, সরকারি বেসরকারি অসংখ্য স্থাপনা নিমেষেই তলিয়ে গেছে যমুনার করালগ্রাসে। ২০৩২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের জামালপুর জেলায় বর্তমানে পঁচিশ লাখ মানুষের বসবাস।

    জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খান বলেন, আমরা আমাদের কাজ করছি। কোনো এলাকায় নদীভাঙনের খবর পেলে দ্রুত সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করি। প্রকল্প অনুমোদনের জন্য যা যা করার করে থাকি কিন্তু পাশ করার দায়িত্ব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের।

    তিনি আরও বলেন, যমুনা নদীতে বিশ কিলোমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রে দশ কিলোমিটারের মতো স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হলে হয়ত নদীভাঙন মোটামুটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এতে তিন হাজার কোটি টাকার মতো ব্যয় হতে পারে বলে জানান তিনি।

  • নেত্রকোনার ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই স্বীকৃতি

    নেত্রকোনার ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই স্বীকৃতি

    নেত্রকোনার শতবর্ষের ঐতিহ্যের ধারক ‘বালিশ মিষ্টি’। নেত্রকোনার অনন্য এই মিষ্টি এবার দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সম্প্রতি পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) বালিশ মিষ্টিকে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে।

    বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়। আনুমানিক ১২০ বছর আগে স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এই মিষ্টি তৈরি করেন। ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে আকারের জন্যই এর নাম ‘বালিশ মিষ্টি’। সাধারণ সন্দেশ বা রসগোল্লা থেকে একেবারেই ভিন্ন এই মিষ্টি এখন নেত্রকোনার সামাজিক অনুষ্ঠান, উৎসব ও উপহারের অপরিহার্য অংশ। গয়ানাথ ঘোষের তৃতীয় প্রজন্ম এখনো এই মিষ্টি বানানোর ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।

    নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২৩ সালে ডিপিডিটিতে বালিশ মিষ্টির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়। পণ্যের ইতিহাস, উৎপাদন প্রক্রিয়া ও বিশেষ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে বিস্তৃত প্রতিবেদন দাখিলের পর যাচাই-বাছাই শেষে সম্প্রতি এর স্বীকৃতি মিলল। গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভান্ডারের বর্তমান কর্ণধার ও গয়ানাথ ঘোষের নাতি বাবুল চন্দ্র মোদক বলেন, ‘বালিশ মিষ্টি জিআই পণ্য হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা গর্বিত। দাদার হাতে যে মিষ্টির সূচনা হয়েছিল, তা আজ দেশের গৌরবের প্রতীকে পরিণত হলো।’ তিনি জানান, ১৯৬৫ সাল থেকে তার বাবা নিখিল চন্দ মোদক এবং এখন তৃতীয় প্রজন্মের তিন ভাই মিলে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে যাচ্ছেন।

    নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, ‘এর আগে বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই সনদ পেয়েছিল। এবার বালিশ মিষ্টি যুক্ত হওয়ায় নেত্রকোনাবাসীর গর্ব আরও বেড়ে গেল। আমরা এটিকে জেলার ব্র্যান্ডিং হিসাবে তুলে ধরতে কাজ করব।’ এর আগে ২০২১ সালে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছিল। ২০২৫ সালে এসে বালিশ মিষ্টির এই অর্জন জেলার জন্য আরেকটি ঐতিহাসিক গৌরব যোগ করল। শত বছর আগে গড়ে ওঠা এই মিষ্টি এখন শুধু স্থানীয় স্বাদের সীমায় নয়, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

  • মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে  ফেনীর ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে ফেনীর ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    খেলায় জেলার ছয়টি উপজেলার দল অংশ নিচ্ছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বেলুন উড়িয়ে ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম। উদ্বোধনী খেলা ফেনী সদর ও ফুলগাজী উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

    আয়োজক সূত্রে জানায়, টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া হবে এক লাখ টাকা। রানার্স-আপ দল পাবেন ৫০ হাজার টাকা। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল পাবে ২০ হাজার টাকা। টুর্নামেন্টের ক গ্রুপে রয়েছে পরশুরাম, সদর ও ফুলগাজী উপজেলা, আর খ গ্রুপে আছে ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলা। টুর্নামেন্টের প্রতিটি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রথমে লীগ পর্ব খেলবে। লীগ পর্ব শেষ করে সেমি-ফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৫ অক্টোবর ফাইনাল খেলার মাধ্যমে টুর্নামেন্টটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতি ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচন করা হবে এবং দুই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা গোলকিপারকে যথাক্রমে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

  • খাগড়াছড়ির সেই কিশশোরীর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি

    খাগড়াছড়ির সেই কিশশোরীর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি

    খাগড়াছড়ির সেই কিশশোরীর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি

    খাগড়াছড়িতে মারমা কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে চলমান উত্তেজনা ও সহিংসতার মধ্যেই ঘটনার নতুন মোড় নিয়েছে। ওই কিশোরীর মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত মেলেনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত পরীক্ষার ১০টি সূচকের প্রতিটিতে ‘স্বাভাবিক’ উল্লেখ রয়েছে।

    মারমা এই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর খাগড়াছড়িতে ব্যাপক উত্তেজনা, অবরোধ আর সহিংসতা ছড়িয়েছে; গুইমারায় ১৪৪ ধারা জারির মধ্যে গুলিতে তিনজনের প্রাণ গেছে।

    জানা গেছে, খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জয়া চাকমা, ডা. মীর মোশাররফ হোসেন ও ডা. নাহিদ আক্তারের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম পরীক্ষা করে। চিকিৎসক দলটির প্রধান খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) জয়া চাকমা বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর মেডিকেল পরীক্ষার ফলাফলে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি।’

    খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বলেন, প্রতিবেদন মঙ্গলবার পেয়েছি। ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খাগড়াছড়িতে ছড়ানো সহিংসতাকে ‘পরিকল্পিত’ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত সহিংসতায় তিনটি জীবন ঝরে গেছে, যা খুবই দুঃখজনক।’

    উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে খাগড়াছড়ি সদরের সিঙ্গিনালায় প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে ওই দিন রাত ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় একটি ক্ষেত থেকে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এতে জড়িত থাকার অভিযোগে শয়ন শীল (১৯) নামে এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।

    এ ঘটনায় খাগড়াছড়িতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা একসময় সহিংসতায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং অতিরিক্ত সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়। এর পরও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। ১৪৪ ধারার মধ্যেই জেলার গুইমারায় ঝরে যায় তিন প্রাণ।

    এদিকে খাগড়াছড়ি সদরের সিঙ্গিনালায় মারমা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় বিক্ষোভ ও সহিংসতাকে কেন্দ্র করে গত রোববার গুইমারা সহিংসতার ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার দুপুরে গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার।

  • রমজানের আগেই নির্বাচন; প্রধান উপদেষ্টা

    রমজানের আগেই নির্বাচন; প্রধান উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রমজানের আগেই দেশে ত্রয়োদশ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকার বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ভিডিও কলে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। এসময় ড. ইউনূস এসব কথা বলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    বাসস জানিয়েছে, ড. ইউনূস জর্জিয়েভাকে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সময়মতো ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। আগামী ফেব্রুয়ারিতে পবিত্র রমজানের পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের পর তিনি (ড. ইউনূস) তার পূর্ববর্তী কাজে ফিরে যাবেন।

    বাসসের প্রতিবেদন জানিয়েছে, আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

    তিনি বলেছেন, অধ্যাপক ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং এই কৃতিত্ব তার নিজেরই।

    অধ্যাপক ইউনূস জানান, তার সরকার এরইমধ্যে ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন এবং রাজস্ব সংগ্রহ জোরদারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এক বিধ্বস্ত ও সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। কিছু ব্যক্তি আক্ষরিক অর্থে ব্যাগভর্তি টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে পালিয়ে গেছে।’

    অর্থনীতির সংকটকালীন পরিস্থিতি স্মরণ করে আইএমএফ প্রধান বলেন, ‘আপনার অর্জন আমাকে মুগ্ধ করেছে। অল্প সময়ে আপনি অনেক কিছু করেছেন। যখন অবনতির ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি ছিল, তখন আপনি দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনি সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি।’

    তিনি নিউইয়র্কে গত বছরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সময় জর্জিয়েভার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, সেই সাক্ষাৎ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পুনরায় আশ্বস্ত করেন যে আগামী ফেব্রুয়ারি রমজান মাসের আগে নির্ধারিত সময়ে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, নির্বাচন শেষে তিনি তার পূর্বের কাজে ফিরে যাবেন।

    ফোনালাপে আইএমএফ প্রধান বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের এই অমূল্য সময়ে শক্ত অবস্থানে যেতে হলে সাহসী সংস্কার অনিবার্য।’

    অধ্যাপক ইউনূস জানান, সরকার ইতোমধ্যে ব্যাংকিং খাতে কাঠামোগত পরিবর্তন এবং রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা একেবারে ভেঙে পড়া অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। কেউ কেউ আক্ষরিক অর্থে ব্যাগভর্তি টাকা ব্যাংক থেকে চুরি করে পালিয়ে গেছে।’

    আলোচনায় আঞ্চলিক বিষয়ও উঠে আসে। অধ্যাপক ইউনূস নেপালের চলমান যুব আন্দোলন এবং বাংলাদেশের আসিয়ানভুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তিনি ঢাকার নতুন বন্দর ও টার্মিনাল প্রকল্পসহ বড় ধরনের অবকাঠামোগত উদ্যোগের অগ্রগতি সম্পর্কেও অবহিত করেন।

    এ সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনাকালে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এবং অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

  • এসপি গৌতমকে চুয়াডাঙ্গায় পদায়ন, প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন

    এসপি গৌতমকে চুয়াডাঙ্গায় পদায়ন, প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন

    চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধ

    ডিএমপির মিরপুর জোনের ডিসি গৌতম কুমার বিশ্বাসকে চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেছে চুয়াডাঙ্গাবাসী।

    রোববার সকালে চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সামনে চুয়াডাঙ্গাবাসীর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অংশ নেন জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, এবি পার্টির ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

    মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গায় পদায়ন করা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বিগত সরকারের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে চিহ্নিত।

    তিনি পাবনা ও ঢাকায় চাকরিরত অবস্থায় সাধারণ মানুষের ওপর বিভিন্নভাবে জুলুম ও নির্যাতন চালিয়েছেন। এমনকি জুলাই আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    এমন একজন পুলিশ অফিসারকে চুয়াডাঙ্গার মানুষ মেনে নিবে না। চুয়াডাঙ্গাবাসী কোনো ফ্যাসিস্ট চায় না, আমরা মানবিক পুলিশ সুপার চাই। অনতিবিলম্বে এ আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

    গত ১১ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে ডিএমপির মিরপুর জোনের ডিসি গৌতম কুমার বিশ্বাসকে পুলিশ সুপার হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় পদায়ন করা হয়।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- চুয়াডাঙ্গা এবি পার্টির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, চুয়াডাঙ্গা জাতীয় নাগরিক কমিটির এনসিপির যুগ্ন আহবায়ক আমির হোসেন সমির, চুয়াডাঙ্গা পৌর জামায়াত ইসলামী শাখার ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি আমিরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা পৌর শাখার ২নং ওয়ার্ড সভাপতি নুরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক, দৌলোতদিয়ার ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সুমন আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা এবি পার্টির যুগ্নআহবায়ক রেজওয়ান আহমেদ, সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী রুজদী মজনু, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ যুগ্ম সমন্বয়কারী আমির হোসেন সামিরসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

  • জাবি শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা অনুষ্ঠিত

    জাবি শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা অনুষ্ঠিত

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুমা কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জাকসু নির্বাচনে ভোটগণনা কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু হয়।

    জানাজায় বিশ্বিবদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, দর্শন বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও তার সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্যানেলের ভিপি প্রার্থীদের অংশ নিতে দেখা যায়।

    এর আগে, এদিন সাড়ে ৯টায় জান্নাতুল মৃত্যুবরণ করেন বলে নিশ্চিত করেছে জাকসু নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।

    জানা গেছে, দায়িত্বরত অবস্থায় বুকে ব্যথা অনুভব করলে সঙ্গে সঙ্গে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় জান্নাতুল ফেরদৌসকে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জাবির চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন ।

    এ বিষয়ে চারুকলা বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক শামীম রেজা বলেন, ভোটগণনা অবস্থায় অসুস্থতা অনুভব করলে অ্যাম্বুলেন্স যোগে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সহকর্মীর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।

  • জাকসুর ফলাফল ঘোষণার দাবি সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের

    জাকসুর ফলাফল ঘোষণার দাবি সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ফলাফল আজকের মধ্যে ঘোষণা করা না হলে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মাজহারুল ইসলাম।

    শুক্রবার বিকাল পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকসু নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের নিচে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন তিনি।

    এ সময় তিনি বলেন, ভোট গ্রহণের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত ফলাফল ঘোষণা করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। কেবলমাত্র ২১টি হলের হল সংসদের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। আমরা জানি কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে এর দ্বিগুণ সংখ্যক প্রার্থী রয়েছে। তাই ফলাফল ঘোষণা একটু অনিশ্চয়তার মধ্যে চলে গিয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের একটি গ্রুপ এখনো নির্বাচন বানচালে সচেষ্ট রয়েছে। তারা নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র লিপ্ত রয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই যদি আজকের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা না করা হয় তাহলে আমরা কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হব।

    ছাত্রদল ও বাগছাস মিলে অটোমেটিক মেশিনে ভোট গণনাকে বন্ধ করেছে একটি ঠুনকো অজুহাতে। তারা ওইমার মেশিনে ভোট গণনা কোম্পানিকে জামায়াতি প্রতিষ্ঠান ট্যাগ দিয়ে ভোট গণনাকে কষ্টকর করে তুলেছে। অথচ গতকাল আমরা তথ্য প্রমাণ সহ হাজির করেছি প্রতিষ্ঠানটি বিএনপিপন্থিদের। তারপরেও অযৌক্তিক ভাবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা হচ্ছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী অসহনীয় কষ্ট হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে জাকসুর ফলাফল ঘোষণা চাই।

  • জাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার সময় জানাল নির্বাচন কমিশন

    জাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার সময় জানাল নির্বাচন কমিশন

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলে সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ শেষে ২১টি হল থেকে ব্যালট বাক্সগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে নেওয়া হয়েছে।এখন চলছে গণনা।

    নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট গণনার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্বে রয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তারা। নির্বাচনের ফলাফল প্রাথমিকভাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঘোষণা করা হতে পারে। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে। ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত দের হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

    এবারের জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৯১৯। ছাত্রদের হলের মধ্যে আল বেরুনী হলে ভোটার ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলে ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হলে ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হলে ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হলে ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হলে ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হলে ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হলে ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হলে ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হলে ৯৪৭ জন ভোটার রয়েছেন।

    ছাত্রীদের হলের মধ্যে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলে ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হলে ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হলে ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হলে ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হলে ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী হলে ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে ৫৭১ জন, রোকেয়া হলে ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা হলে ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হলে ৯৮৩ জন ভোটার রয়েছেন।

    এবারের নির্বাচনে ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৭৮ প্রার্থী। নির্বাচনে বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্র শিক্ষার্থীদের সমর্থিত ৮টি প্যানেল অংশগ্রহণ করে। তবে, কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল।

    বৃহস্পতিবার বিকালে মওলানা ভাসানী হলের গেস্ট রুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত জিএস প্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। পরবর্তীতে সম্প্রীতির ঐক্য, সংশপ্তক পর্ষদ ও স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদও ভোট বয়কটের ঘোষণা দেয়। ৫ স্বতন্ত্র প্রার্থীও এক পর্যায়ে ভোট বর্জন করে।

  • ছাত্রী কেন্দ্রে ঢুকে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীর বিশৃঙ্খলা

    ছাত্রী কেন্দ্রে ঢুকে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীর বিশৃঙ্খলা

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ১৫ নম্বর হলে (সাবেক বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল) ভোট কারচুপির মিথ্যা অভিযোগ এনে দলবলসহ কেন্দ্রে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা করেছেন ছাত্রদল প্যানেলের ভিপিসহ তার অনুসারীরা। এসময় ভিডিও করতে গেলে সাংবাদিকে গলা ধাক্কা দেন ছাত্রদল কর্মী জিসান।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও হলের রিটার্নিং অফিসারের সূত্রে জানা যায়, হলে ভোট গ্রহণের সময় আঙুলে যে কালি ব্যবহার করা হচ্ছিল তা মুছে যাচ্ছিল। এজন্য ছাত্রীরা অভিযোগ করেন। এরপর যাদের কালি মুছে যাচ্ছে তাদেরকে জড়ো করা হয়। এসময় হঠাৎ করে বিএনপিপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীসহ তার অনুসারীরা ১৫ নং হলে প্রবেশ করে। এ সময় ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী হাসান সরাসরি কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। অনুসারীসহ কেন্দ্রে প্রবেশ করায় ছাত্রীরা এর প্রতিবাদ করেন। এ সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন কয়েকজন সাংবাদিক ভিডিও করতে গেলে ছাত্রদল কর্মী জিসান তাকে ঘাড় ধাক্কা দেন। এতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশন ও প্রক্টর এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো ভোট বন্ধ আছে।

  • রাজবাড়ী পুলিশের উপরে  হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫

    রাজবাড়ী পুলিশের উপরে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। শনিবার রাতে রাজবাড়ীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- গোয়ালন্দ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিরু মৃধা, উজানচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদ মৃধা, শাফিন সরদার, এনামুল হক জনি ও কাজী অপু।

    এর আগে গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলের দরবারে হামলার সময় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে।

    এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় থানার উপ-পরিদর্শক সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার থেকে ৩৫০০ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

    এ ঘটনায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা করেন। এদিকে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলের দরবারে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও মরদেহ উত্তোলন করে পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনার পর বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

    শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নুরাল পাগলের দরবারে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় নুরাল পাগলের ভক্তদের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত এবং দুই পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয় ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয় হামলাকারীরা।

  • পুলিশের ওপর হামলা করে ছিনিয়ে নিয়েছে মাদক কারবারিকে

    পুলিশের ওপর হামলা করে ছিনিয়ে নিয়েছে মাদক কারবারিকে

    যশোরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আটক এক মাদক কারবারিকে ছিনিয়ে নিয়েছে তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় সিআইডির কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম আহত হয়েছেন।

    টনাটি ঘটে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার রাজারহাট এলাকায়।

    পরে আহত কনস্টেবলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    সিআইডি সূত্র জানায়, মাদকের বড় একটি চালান জড়ো করা হয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে যশোর জোনের একটি টিম রাজারহাটের একটি আখড়ায় অভিযান চালায়।

    এসময় একজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তবে তার সহযোগীরা আকস্মিক হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় সিআইডির এক সাব-ইন্সপেক্টর যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তন

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তন

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে ক্ষমতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগে সুপারিশের ক্ষমতা দিতে একটি কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক অনুবিভাগ-২) মো. মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির প্রতিবেদনের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, ‘বর্তমানে যেভাবে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়, সেভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, উপাধ্যক্ষ, অধ্যক্ষ নিয়োগ করা হবে। আগে এসব পদে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি নিয়োগ দিত। তাতে কমিটি নিজেদের সুবিধা আদায় করে অযোগ্য লোক নিয়োগ দিত। এনটিআরসিএ-এর সুপারিশে যোগ্য প্রার্থীকে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হবে।’মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে দীর্ঘদিন থেকে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে। পরিচালনা কমিটি প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে অর্থ-বাণিজ্য করে, এমন অভিযোগ উঠেছে বারবার। সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগও এসেছে মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে। এমন প্রেক্ষাপটে সহকারী প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষ নিয়োগ এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে নিশ্চিতের দাবি অভিভাবক ও সাধারণ শিক্ষকদের।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান নিয়োগ নিয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এসব প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের সুপারিশ করবে এনটিআরসিএ। নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি ও অন্যান্য প্রক্রিয়া কী হবে তা ঠিক করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগ থাকছে বলেও জানা গেছে।

  • বামদের মধ্যেও শিবির ঢুকে পড়েছে: আমানউল্লাহ আমান

    বামদের মধ্যেও শিবির ঢুকে পড়েছে: আমানউল্লাহ আমান

    ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে বামদের মধ্যেও শিবির ঢুকে পড়েছে। সে অন্য সংগঠনে পদ নিবে, কিন্তু আসলে সে শিবিরের নেতা’ বলে মন্তব্য করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান।

    বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান বলেন, এ বিষয়ে জড়িত ছাত্রদল নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে তার কাছে আমরা কোনো সদুত্তর পাইনি। এসময় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনায় ছাত্রদলের সবাইকে সতর্ক করে আমান।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জুলাই ৩৬ হল’-এর প্রভোস্ট কর্তৃক ৯১ জন শিক্ষার্থীকে তলব করার প্রতিবাদে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও শিক্ষার্থী জান্নাতুল নাঈমা তুহিনা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট করেন। এতে শাহ মখদুম হলের সহ-সভাপতি এ আর মিলন খান কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। তারই প্রতিবাদে অভিযুক্তকারী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

  • ডিম-পেঁয়াজ-কাঁচামরিচ আমদানির বিষয়ে সরকারের  সিদ্ধান্ত

    ডিম-পেঁয়াজ-কাঁচামরিচ আমদানির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত

    এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা ছাড়ালেই আমদানির অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি শুল্ক–কর ছাড় দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন আজ বৃহস্পতিবার এই সুপারিশ করে বাণিজ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বাজারে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ছিল ১৪০ টাকার আশপাশে। কিছুদিন আগে ডিমের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

    শুধু ডিম নয়, পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৯০ টাকা পেরোলে আমদানির অনুমতিসহ শুল্ক–কর ছাড় দেওয়ার সুপারিশ করেছে ট্যারিফ কমিশন। বর্তমানে রাজধানীর বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

    ট্যারিফ কমিশন বলছে, স্থানীয়ভাবে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার ৭০০ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। আমদানি উন্মুক্ত করায় পেঁয়াজের মূল্য ও সরবরাহ স্থিতিশীল হয়েছে।

    এদিকে কিছুদিন ধরে কাঁচামরিচের দাম বাড়তি। বর্তমানে বাজারে ২২০ থেকে ২৬০ টাকার মধ্যে এক কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে। ট্যারিফ কমিশন কাঁচামরিচের বাজারদর ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমদানিতে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করার সুপারিশ করেছে। এ ছাড়া কাঁচামরিচ আমদানির সময় শুল্কায়নযোগ্য মূল্যের পরিবর্তে প্রকৃত বিনিময়মূল্য শুল্কায়নের সুপারিশও করা হয়েছে।

    এদিকে সবজির বাজার স্থিতিশীল রাখতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে ট্যারিফ কমিশন। সংস্থাটি বলেছে, সবজির উৎপাদন মূল্য থেকে খুচরা মূল্য পর্যন্ত সরবরাহ শৃঙ্খল তদারকি জোরদার করতে হবে।

  • উপসচিব পদে ২৬২ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি

    উপসচিব পদে ২৬২ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি

    উপসচিব পদে ২৬২ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    এতে বলা হয়, এই কর্মকর্তাদের উপসচিব পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপসচিব) নিয়োগ করা হলো। পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল হতে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম/ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

    পরে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর অথবা অনলাইনে (email : sa1@mopa.gov.bd) দাখিল করতে পারবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • সুদানে ভূমিধসে নিশ্চিহ্ন পুরো গ্রাম

    সুদানে ভূমিধসে নিশ্চিহ্ন পুরো গ্রাম

    পশ্চিম সুদানের প্রত্যন্ত মারারা পর্বতমালায় ভূমিধসে কমপক্ষে এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে রোববার ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। ভূমিধসে ধ্বংস হয়ে গেছে তারাসিন গ্রাম। পুরো গ্রামে মাত্র একজন মানুষ বেঁচে আছেন। সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মি এক বিবৃতিতে এসব কথা জানিয়েছে। খবর বিবিসির।সংগঠনটির নেতা আবদেলওয়াহিদ মোহাম্মদ নূর জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুরা রয়েছেন এবং তাদের মরদেহ উদ্ধারে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোর জরুরি সহযোগিতা প্রয়োজন।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ভূমিধসে গ্রামটি সম্পূর্ণভাবে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।

    সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে যুদ্ধের পর উত্তর দারফুর রাজ্যের অনেক বাসিন্দা মারা পর্বতমালা অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই এলাকায় খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট বিরাজ করছে।

    প্রায় দুই বছর ধরে চলমান এ গৃহযুদ্ধে সুদানের অর্ধেকের বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছে। কোটি মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং উত্তর দারফুরের রাজধানী আল-ফাশির বর্তমানে গোলাবর্ষণের কবলে রয়েছে।

    ২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আরএসএফের মধ্যে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ দেশটিকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সেইসঙ্গে পশ্চিম দারফুর অঞ্চলে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

    গত বছর একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এক লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।

  • ভারত সীমান্তে ৩ স্থলবন্দর বন্ধ, ১টির কার্যক্রম স্থগিত

    ভারত সীমান্তে ৩ স্থলবন্দর বন্ধ, ১টির কার্যক্রম স্থগিত

    বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের তিনটি স্থলবন্দরকে বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। অপর একটি স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে স্থলবন্দর সংক্রান্ত এসব সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বন্ধ করে দেওয়া স্থলবন্দর তিনটি হচ্ছে – নীলফামারীর চিলাহাটি, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ এবং রাঙামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর। এছাড়া, হবিগঞ্জের বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখা হচ্ছে।

    ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলাম জানান, স্থলবন্দরগুলো নিয়ে একটি ক্যাবিনেট কমিটি কাজ করেছে।

    ‘অনেক স্থলবন্দর আছে, সেখানে কোনো কাজ হয় না, অবকাঠামো নেই,’ উল্লেখ করে আলম বলেন, ‘যেগুলোতে আসলে কোনো কাজই হচ্ছে না।’

    তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তাদের পদায়ন করতে হয়, পরিচালনায় অনেক অর্থব্যয় করতে হয়। কিন্তু কোনো কাজে আসে না। সেসব স্থলবন্দরই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

  • সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনা দেয়নি সরকার: আইএসপিআর

    সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনা দেয়নি সরকার: আইএসপিআর

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত বিবিধ সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে যা সেনাবাহিনীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে এ সকল নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো দায়িত্বে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মনে করে, বিদ্যমান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে।’

  • দুই শিবির নেতার পায়ে গুলি; চৌগাছায়  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত টিম

    দুই শিবির নেতার পায়ে গুলি; চৌগাছায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত টিম

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ইস্রাফিল ও রুহুল আমিন নামের দুই শিবির নেতার পায়ে পুলিশের গুলি করার ঘটনায় তদন্তে করছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) দুপুরে এ তদন্ত হয়। এসময় ঘটনাস্থল বুন্দুলিতলা, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এবং থানায় গিয়ে তদন্তকাজ করেন তদন্ত টিম।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের তদন্তকারী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

    পুলিশের গুলিতে পাহারানো দুই শিবির নেতা জানান, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট সাংগঠনিক কাজ শেষে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় চৌগাছা থানার এসআই মাজেদ এবং মখলেছুর রহমান তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান। হ্যান্ডকাপ পরিয়ে সারা রাত এসআই মাজেদ এবং ওসি এম মশিউর রহমান নির্যাতন চালায় তাদের উপরে। ৪ আগস্ট সকালে তাদের ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সেখানে সারাদিন নির্যাতন করে। সেখান থেকে চৌগাছা থানায় নিয়ে আসার পথে কয়ারপাড়া এলাকায় দুজনেরই দুই হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে চোখ বেঁধে ফেলে পুলিশ।

    এরপরে রাত আনুমানিক ২ টার দিকে তাদের বন্দুলিতলার নির্জন মাঠে নেয়। সেখানে নিয়ে দুজনের হাঁটুতে পুলিশ গুলি করে পা ঝাঁঝরা করে দেয়। উপর্যপুরি ক্ষতস্থানে বালু দিয়ে বেধে দেয় এস আই আকিকুল ইসলাম। তারা জানায় গুলি করার পরে চোখ খুলে দেয়। এসময় তারা দেখতে পায় এসআই আকিক, এসআই মখলেছুর, মাজেদ এবং ওসি এম মশিউরকে।

    সেখান থেকে তাদের উপজেলা হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই তাদের রেফার করা হয় যশোর সদর হাসপাতলে। সেখানে দুদিন চিকিৎসার পর কোনো উন্নতি না হওয়ায় তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতলে পাঠানো হয়। ভর্তির সাতদিন পর চিকিৎসক পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত দেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার করা হয় বন্ধুকযুদ্ধে দুই শিবির নেতা আহত হওয়ার ঘটনা।

    এসময় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কমিটি উপজেলার গণমাধ্যম কর্মী ও এলাকাবাসির স্বাক্ষী গ্রহণে করেন।

    তদন্তকারী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম বলেন, প্রত্যেকটা মানুষের ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এটা একটা লোমহর্ষক ঘটনা! এই ঘটনার বিচার হওয়া প্রয়োজন। তানাহলে অপরাধিরা বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে থাকবে।

    এঘটনায় ৫ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে ভুক্তভোগী শিবির নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

  • ডিএমপির ডিবিপ্রধান হলেন শফিকুল ইসলাম

    ডিএমপির ডিবিপ্রধান হলেন শফিকুল ইসলাম

    অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলামকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার প্রধান করা হয়েছে।

    বুধবার (২৭ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে পদায়ন করা হয়েছে।

    শফিকুল ইসলাম পুলিশের ১৮তম বিসিএস ব্যাচের সদস্য। এর আগে তিনি ডিআইজি হিসেবে হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

    সাড়ে চার মাস ধরে ডিবিপ্রধানের পদটি শূন্য ছিল। গত ১২ এপ্রিল ডিবির তৎকালীন প্রধান রেজাউল করিম মল্লিককে সরিয়ে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি করা হয়েছিল। এরপর থেকে একজন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই ইউনিটের দায়িত্বে ছিলেন।

    শফিকুল ইসলামের বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায়। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগদান করে পেশাগত জীবন শুরু করেন।

    কর্মজীবনের শুরুতে তিনি লক্ষ্মীপুরে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হন।

  • আগামীকাল জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা: ইসি সচিব

    আগামীকাল জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা: ইসি সচিব

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে সচিব সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা যে কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) করেছি, সে কর্মপরিকল্পনাটা আপনাদের জানাবো। আমি ঢাকার বাইরে থাকায় একটু পিছিয়ে পড়েছি। এটা আমার টেবিলে এখন আছে। আগামীকাল পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করেন।’

    এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব আজ এক বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) অনুমোদন করেছে কমিশন।

    এখন যেকোনো সময় নির্বাচনের এই রোডম্যাপ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হতে পারে বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘কর্মপরিকল্পনার সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে। অনুমোদন হয়েছে, এখন শুধু টাইপিং চলছে।’

    উল্লেখ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দল নিবন্ধন, সীমানা নির্ধারণ, নির্বাচন পর্যবেক্ষক, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংস্কার, বিধিমালা ও নীতিমালা জারি, প্রবাসীদের জন্য আইটি সাপোর্টেড নিবন্ধন ও পোষ্টাল ব্যালট পদ্ধতি ও নির্বাচনী সরঞ্জাম কেনাকাটা বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে রোডম্যাপে।