সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • সব ‘ককরোচ’ একহলে কি হবে ভারতে?

    সব ‘ককরোচ’ একহলে কি হবে ভারতে?

    ভারতের তরুণদের প্রতি আহ্বানটি ছিল সহজ, ‘শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাতে দিল্লির রাস্তায় নামতে প্রস্তুত হও’। সেই আহ্বানে বেরিয়ে আসেন হাজার হাজার তরুণ।

    শনিবার অনুষ্ঠিত হলো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রথম প্রকাশ্য বিক্ষোভ। মূলত ঠাট্টা-বিদ্রু প আর ব্যঙ্গের মধ্য দিয়ে দলটির জন্ম। ব্যঙ্গাত্মক এই উদ্যোগ দ্রুতই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

    সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, যিনি এই প্রাণবন্ত বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিতে শনিবার সকালেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন, ‘এ দেশের তরুণেরা আর ভয় পাবে না, তারা লড়াই করবে।’

    দীপকে বলেন, ‘সরকারের কাছে আমরা হয়তো নিছক পোকামাকড়, কিন্তু আমরা জীবিত এবং আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে সক্ষম।’

    কড়া পুলিশি পাহারার মধ্যে সমবেত হওয়া জেন-জি ও মিলেনিয়াল প্রজন্মের অনেকেই আশা প্রকাশ করছেন যে, প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সরকার পতনকারী আন্দোলনের মতো একটি যুব নেতৃত্বাধীন আন্দোলন ভারতেও গতি পেতে পারে।

    সিজেপির পেছনের এই জোয়ার অনেককেই অবাক করেছে। বিশেষ করে দীপকে, যিনি মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও বোস্টন ইউনিভার্সিটির একজন ভারতীয় স্নাতক হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক শান্ত জীবনযাপন করছিলেন।

    সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি ভারতের বেকার যুবকদের ‘পরজীবী’ এবং ‘তেলাপোকা’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তার এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েই দীপকে হঠাৎ করে সামাজিক মাধ্যমে মজা করে একটি আহ্বান জানান, ‘সব তেলাপোকা একজোট হলে কেমন হয়?’

    এ/জেড

    ।

  • হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের, তবে ইসরায়েল হামলা চালালে কঠোর জবাব

    হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের, তবে ইসরায়েল হামলা চালালে কঠোর জবাব

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের, তবে ইসরায়েল হামলা চালালে কঠোর জবাব দেওয়া হবে । আপাতত হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে ইসরায়েল যদি আবার ইরানে বা লেবাননে হামলা চালায়, তাহলে এর জবাব দেওয়া হবে।

    ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সশস্ত্র বাহিনীর চলমান অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হলো।’ পাশাপাশি বিবৃতিতে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েল যদি ইরান ও লেবাননে হামলা চালাতে থাকে তেহরান ‘আগের চেয়ে আরও কঠোর এবং শক্তিশালী’ জবাব দেবে।

  • ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৯

    ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৯

    ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে গতকাল সোমবার আঘাত হানে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রিখটার স্কেলে তীব্র মাত্রার এই ভূমিকম্পের পর ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।

    বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে এই শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতায় বেশ কিছু ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে বিখ্যাত ফাস্টফুড চেইন শপ ‘জলিবি’র একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার ভিডিও সামনে এসেছে।

    স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে দক্ষিণ কোটাবাতো, সুলতান কুদরাত, সারাঙ্গানি প্রদেশ এবং জেনারেল সান্তোস শহরে অন্তত ১৩৪ জন আহত হয়েছেন।

    ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা উপকেন্দ্রের কাছাকাছি থাকা জেনারেল সান্তোস শহরটি ফিলিপাইনের ‘টুনা মাছের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত এবং এটি বিশ্বখ্যাত বক্সার ও রাজনীতিবিদ ম্যানি প্যাকিয়াও-এর দেশের বাড়ি। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় সারাঙ্গানি প্রদেশে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল, যা পরবর্তীতে সচল করা হয়। মূল ভূমিকম্পের পর ১ দশমিক ৩ থেকে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ১৩০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।

    ফিলিপাইনের নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগটি আঘাত হানে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, সকালের প্রাত্যহিক সমাবেশের (পিটি) সময় তীব্র কম্পনে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা মাটিতে বসে চিৎকার করছে।

    ভূমিকম্পের পরপরই প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে সর্বোচ্চ ৩ মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল। জাপানের কর্তৃপক্ষও তাদের উপকূলে এক মিটার উঁচু ঢেউয়ের আঘাতের সতর্কতা জারি করে।

  • আসছে নতুন পাঠ্যবই

    আসছে নতুন পাঠ্যবই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণিশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, চতুর্থ শ্রেণিতে দুটি নতুন পাঠ্যবই, খেলাধুলা বিষয়ক একটি, অন্যটি সংষ্কৃতি। অন্যদিকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে কারগারি ও বৃতি্তমূলক শিক্ষা এবং লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস।

    সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আরো উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

  • ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’

    ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ত: তেহরান ও তেল আবিবের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনা ও একের পর এক সামরিক সংঘাতের মধ্যেই ইসরাইলকে নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

    সোমবার (৮ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভঙ্গুর জায়নবাদী শাসনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি আছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের এক চরম সংকটময় মুহূর্তে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে এই মন্তব্য এলো। লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলি বিমান হামলার জবাবে রোববার (৭ জুন) রাতে উত্তর ইসরাইল অভিমুখে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান।

    ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই পাল্টা জবাব দেয় তেল আবিব। ইসরাইলি বাহিনী পশ্চিম ও মধ্য ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে জোরালো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এই সময় রাজধানী তেহরান, ইসফাহান এবং তাবরিজসহ ইরানের বেশ কয়েকটি প্রধান শহরে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

    উভয় পক্ষের এই ব্যাপক হামলা ও পাল্টা হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মোজতবা খামেনির এই হুঙ্কার ইসরাইলের প্রতি ইরানের কঠোর অবস্থান এবং সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী হবে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

    ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী হবে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শের ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলার পর রোজার আগেই পরীক্ষা শুরু এবং শেষ করার ঘোষণা দিয়েছি। স্টেকহোল্ডারদের কাছ থেকে কোনো বিরোধিতার তথ্য নেই তবে, আপনাদের [সাংবাদিক] কাছ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর তারিখ নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন শুনেছি। একমাস পেছানোর দাবির কথা শুনেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য কোর্স শেষ হওয়ার পরে অহেতুক দেরিতে পরীক্ষা নিয়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট না হয়।

    সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণিশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। য

    আরো উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

    এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, এসএসসি এক্সাম তাদের সিলেবাস শেষ হয়ে যাচ্ছে জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে। আমরা চেয়েছি ২০২৭ এর কোনো একটি সময়, হয় রোজার আগে বা রোজার পরে নেয়ার। আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করেছিলাম সেখানে সাজেশন আসছে রোজার আগেই শেষ হয়ে যাক পরীক্ষাটা সেই অর্থে আমরা ৭ জানুয়ারি শুরু করতে চেয়েছিলাম আর ৮ ফেব্রুয়ারি শেষ করতে। বাট ইন দ্য মিনটাইম আপনারা রিঅ্যাক্ট করছেন সেটাও আমরা অবজার্ভ করছি। আমরা চাচ্ছিলাম পরীক্ষাটা হয়ে যাক এবং অনেকেই চাচ্ছেন। অতএব আপাতত আমরা রুটিও দিয়েছি এবং আশাকরছি এটাই রয়েছে এটাই থাকবে যেহেতু স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি।

    তিনি বলেন, পরবর্তীতে যদি আপনারা সবাই মনে করেন এক মাস আগানো পিছানোতে আমাদের কিছু যাবে না, বাট ২০২৭ এসএসসি পরীক্ষাকে বেইজড নিয়ে আগামীদিনের সেশনজট এবং ইউনিভার্সিটিগুলো তাদের টাইমলি কোর্স-কারিকুলাম শেষ করতে হবে। অর্থাৎ থ্রি ইয়ারস কোর্স থ্রি ইয়ারসই হবে আর ফাইভ ইয়ারস কোর্স ফাইভ ইয়ারস হবে কোনো রকম ডিলে ওয়েটিং সেশনজট চলবে না। এট দ্যা সেইম টাইম ইন্টারমিডিয়েড পরীক্ষাও একইভাবে সিম্পটোমাইজ করার চেষ্টা করছি যেনো কোনো রকম সময় নষ্ট না হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট টুয়েন্টি জুলাই আউট করবো সেই নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি। পরবর্তী এসএসসি পরীক্ষার রুটিন ও সবকিছু আমরা অ্যানাউন্স করেছি।

  • ইসরাইল-ইরানকে অবিলম্বে পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ করতে হবে: ট্রাম্প

    ইসরাইল-ইরানকে অবিলম্বে পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ করতে হবে: ট্রাম্প

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও ইরানের মধ্যকার চলমান নতুন সংঘাত দ্রুত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

    সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ইসরাইল ও ইরানকে অবিলম্বে পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলা চালানো বন্ধ করতে হবে।

    একই পোস্টে তিনি জানান, চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান অবরোধ ব্যবস্থা বহাল থাকবে। ট্রাম্প বলেন, “চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ সম্পূর্ণ কার্যকর থাকবে। তবে বিষয়গুলো দ্রুত এগোবে বলে আশা করছি।

    ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে আবারও হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।

  • এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই

    এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই

    শিক্ষো ডেস্ক:

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    আজ সোমবার ( ৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, নির্ধারিত তারিখে সারাদেশের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এখন চলছে ব্যবহারিক পরীক্ষা। ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে ১৪ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।

    ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এ বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।

  • স্বামীকে লাইভে রেখে নববধূর আত্মহত্যা

    স্বামীকে লাইভে রেখে নববধূর আত্মহত্যা

    যশোরের চৌগাছায় স্বামীকে লাইভে রেখে নববধূ শেফা (১৮) গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চৌগাছা পৌরসভার কুটিপাড়া এলাকার মুজিবুল ইসলামের মেয়ে ও উপজেলার চুটারহুদা গ্রামের মিন্টুর ছেলে খালিদ বিন ওয়ালিদ ওরফে সেতুর স্ত্রী।

    রোববার রাতে চৌগাছা পৌরসভার কুটিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেতুর চৌগাছা শহরে আকবর মার্কেটে বেস্ট ওয়ান নামে একটি কাপড়ের দোকান আছে।

    শেফার পারিবারিক সূত্র জানায়, দুই মাস পূর্বে সেতু ও শেফার বিবাহ হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই সেতু ও তার পরিবার প্রথমে ব্যবসা করার জন্য এবং পরবর্তীতে বিদেশ যাওয়ার জন্য শেফার পরিবারের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবী করে। শেফার পরিবার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাকে নানাভাবে মানসিক ও শারীরিকভাবে টর্চার করতে থাকে। এক পর্যায়ে নিরুপায় হয়ে রোববার রাতে তার স্বামী সেতুকে লাইভে রেখে শেফা তার পিতার বাড়িতে গলায় রশি দেয় । পরিবারের লোকেরা তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সবার একই কথা মেয়েটার হাতের মেহেদি শোকানোর আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের (এস‌এইচ‌এস‌এমসি) শিক্ষার্থীরা।

    সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় কলেজের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাসপাতাল ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

    বিক্ষোভকালে ‘ডাক্তারদের অপমান, মানি না মানব না’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘ইন্টার্নদের কর্মবিরতি চলছে চলবে’, ‘ইন্টার্নদের কর্মঘণ্টা বেশি কেন, জবাব চাই চাই’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

    সমাবেশকালে মেডিক্যালের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাহফুজুর রহমান ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত মেডিকেল শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকরা ঘরে ফিরে যাবে না।

    উল্লেখ্য, ৬ দফা দাবি আদায়ে গতকাল রোববার কর্মবিরতি শুরু করেন সারাদেশের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। একই দিন থেকে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জনও চলছে। এ নিয়ে সোমবার (৮ জুন) ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। এরই মধ্যে আজ কর্মবিরতি শুরু করেছেন পোস্টগ্রাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরাও।

    পোস্টগ্রাজুয়েট ট্রেইনি, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবি হলো— এফসিপিএস পার্ট-১ উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির প্রস্তাবনা বাতিল, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) এবং বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) ভর্তি পরীক্ষার ফি কমিয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে আনা, নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী ইন্টার্নদের ভাতা ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা ও ট্রেইনিদের ৯ম গ্রেডে নির্ধারণ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বিসিএস স্বাস্থ্য চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা ৩৪ বছর করা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য শ্রম আইন ২০০৬ মেনে সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো তৈরি করা।

  • দেশে প্রতিবছর খাদ্য অপচয় প্রায় ৩৫ লাখ টন

    দেশে প্রতিবছর খাদ্য অপচয় প্রায় ৩৫ লাখ টন

    বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়। জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনেপের ‘ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স ২০২৪’ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

    তিনি জানান, এটি দেশের সামগ্রিক অপচয়ের চিত্র। সরকারি ব্যবস্থাপনায় গুদাম ও সাইলোতে খাদ্যশস্যের অপচয় বা ঘাটতি আগের তুলনায় কমিয়ে আনা হয়েছে।

    সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব তথ্য জানান। এ দিন বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

    অধিবেশনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, ‘ইউনেপের ২০২৪ সালের ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বাংলাদেশে প্রতিবছর যে পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন হয় তার একটি বড় অংশই চলে যায় ময়লার ঝুঁড়িতে, যা প্রায় ৩৫ লাখ টন। দেশে খাদ্যের অপচয় রোধকল্পে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে?’

    লিখিত জবাবে খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ইউনেপের প্রতিবেদনে যে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়ের কথা বলা হয়েছে, তা সামগ্রিক সংখ্যা।

    খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে গুদাম ও সাইলোতে সংরক্ষণ করা হয়। সেখান থেকে বিভিন্ন খাতে খাদ্যশস্য বিতরণের সময় ওই ব্যবস্থাপনায় কিছু খাদ্যশস্য নষ্ট হয়।

    তিনি বলেন, তবে নতুন আধুনিক সাইলো ও খাদ্য গুদাম নির্মাণ, সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও পরিবহনে নজর দেওয়া হয়েছে। এসব প্রচেষ্টার মাধ্যমে খাদ্যশস্যের অপচয় পর্যায়ক্রমে কমানো হচ্ছে।

    সরকারি ব্যবস্থাপনায় খাদ্যশস্যের ঘাটতি বা অপচয় কমার পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের মোট ঘাটতি বা অপচয়ের পরিমাণ ছিল ২১ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন; যা শতকরা হিসেবে শূন্য দশমিক ৩১৬ শতাংশ।

    অন্যদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাদ্যশস্যর মোট ঘাটতি বা অপচয়ের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮৮৭ দশমিক ৩৪৭ মেট্রিক টনে; যা শতকরা হিসেবে শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। অর্থাৎ, আগের অর্থবছরের তুলনায় ঘাটতি হ্রাস পেয়েছে।

    খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশে খাদ্যের অপচয় রোধকল্পে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের অপচয় ও ক্ষতি রোধে সংস্থাটি নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও সংসদে জানান তিনি।

  • হাম ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু

    হাম ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৮৫ জন।

    সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ৭৯ হাজার ১২ জনের এবং এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ৯ হাজার ৬৮৬ জনের।

    আর এই সময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৪ হাজার ২৬৩ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ জন।

  • সেীদিতে হাজার হাজার অবৈধ বাসিন্দা গ্রেপ্তার

    সেীদিতে হাজার হাজার অবৈধ বাসিন্দা গ্রেপ্তার

    সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী গত এক সপ্তাহে ৭ হাজার ৭৬০ জন অবৈধ বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে সৌদি গেজেটের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে শনিবার জানানো হয়, গত ২৮ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত অভিযানে এসবব্যক্তিকেগ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪ হাজার ৬০ জন আবাসিক আইন, ২ হাজার ৫৭৪ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ১ হাজার ১২৬ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনকারী। বিবৃতিতে বলা হয়, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ১৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২৮ শতাংশ ইয়েমেনি নাগরিক, ৭০ শতাংশ ইথিওপীয় এবং বাকি ২ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।

    এ ছাড়া অবৈধভাবে দেশ ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ৪ হাজার ৬৯০ জন অবৈধ বাসিন্দাকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ১৪ হাজার ৪৯৫ জনকে তাদের ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে এবং ৮৫০ জনকে ভ্রমণ ব্যবস্থা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়ায় রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহন, আশ্রয় বা কর্মসংস্থান দেয়ার সঙ্গে জড়িত ১৬ জনকেও আটক করা হয়েছে।

    বর্তমানে মোট ২১ হাজার ৭৭৪ জন প্রবাসী আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ২০ হাজার ৪৫৫ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৩১৯ জন নারী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধ প্রবেশে সহায়তা, পরিবহন, আশ্রয় বা যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

  • মালয়েশিয়ায় অবৈধ ব্যবসা ও ভিসাধারীর বিরুদ্ধে বার্তা

    মালয়েশিয়ায় অবৈধ ব্যবসা ও ভিসাধারীর বিরুদ্ধে বার্তা

    মালয়েশিয়ায় স্থানীয় ব্যবসার লাইসেন্স ব্যবহার করে বিদেশিদের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা, বিভিন্ন ধরনের ভিসার অপব্যবহার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।

    প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাম্প্রতিক নির্দেশনাকে ঘিরে দেশটির ব্যবসায়ী মহল ও প্রবাসী কমিউনিটিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের নামে লাইসেন্স নিয়ে বিদেশিদের ব্যবসা পরিচালনা, প্রক্সি কোম্পানি গঠন এবং ভিসার শর্ত ভঙ্গ করে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ থাকলেও এবার সরকার বিষয়টিকে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

    সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, স্থানীয় কিংবা বিদেশি—যে-ই হোক না কেন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, ভিসা বা ব্যবসায়িক সুবিধার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল সাংবাদিকদের বলেন, আইন লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা, লাইসেন্সের অপব্যবহার বা ভিসার শর্ত ভঙ্গের ঘটনায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে স্থানীয় নাগরিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তার এ বক্তব্যকে অনেকেই সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘জিরো টলারেন্স’ বার্তা হিসেবে দেখছেন।

    মালয়েশিয়ায় বহু বছর ধরে আলোচিত একটি বিষয় হলো ‘আলী বাবা’ ব্যবসা। স্থানীয়ভাবে এর অর্থ হলো—কোনো মালয়েশীয় নাগরিক তার ব্যবসায়িক লাইসেন্স বা কোম্পানির নিবন্ধন ব্যবহার করে বিদেশিদের ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দেন। কাগজে-কলমে ব্যবসার মালিক স্থানীয় ব্যক্তি হলেও বাস্তবে ব্যবসা পরিচালনা করেন বিদেশিরা।

    মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থী, সামাজিক ভিজিট, ডিপেনডেন্ট কিংবা অন্যান্য ভিসায় প্রবেশ করে অনুমোদন ছাড়া ব্যবসা বা চাকরিতে যুক্ত হওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন, কিছু ক্ষেত্রে বিদেশিরা স্থানীয়দের নামে ব্যবসা পরিচালনা করে বাজারে প্রভাব বিস্তার করছেন। এতে কর পরিশোধ, শ্রমনীতি এবং লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ হচ্ছে না।

  • উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্র ছাড়বেনা -কিমের বোন

    উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্র ছাড়বেনা -কিমের বোন

    উত্তর কোরিয়া কখনোই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে না । বরং নিজেদের পারমাণবিক শক্তি ক্রমাগত বাড়াতেই থাকবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের ক্ষমতাধর বোন কিম ইয়ো জং। সোমবার (৮ জুন) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উত্তর কোরিয়া সফরের ঠিক আগে এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    দুই দেশের ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে কিম ইয়ো জং স্পষ্ট করেন, উত্তর কোরিয়া কোনো ধরনের হুমকি বরদাশত করবে না এবং পিয়ংইয়ংকে পরমাণুমুক্ত করার মার্কিন প্রচেষ্টাকে তিনি একটি ‘সেকেলে স্বপ্ন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-র বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

    কিম জং উনের সরকারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থাকা কিম ইয়ো জং যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর আগে গত মে মাসে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যকার এক শীর্ষ সম্মেলনে উত্তর কোরিয়াকে পরমাণুমুক্ত করার বিষয়ে বেইজিং ও ওয়াশিংটন একমত হয়েছে বলে দাবি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

    এই প্রসঙ্গে কিম ইয়ো জং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবিটি অসত্য এবং এ বিষয়ে তাদের কাছে সবচেয়ে সঠিক তথ্য রয়েছে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে রাষ্ট্রপ্রধানের ঘোষণা অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক পারমাণবিক যুদ্ধের সক্ষমতা ক্রমাগত শক্তিশালী করার নীতি একটি চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয় সিদ্ধান্ত, যা কোনো শর্ত ছাড়াই বাস্তবায়ন করা হবে। মার্কিন কিছু কর্মকর্তা এখনও অবাস্তব ও সেকেলে স্বপ্ন থেকে জেগে উঠতে পারেননি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    কিম ইয়ো জংয়ের এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো, যখন উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি তাদের একটি নতুন পারমাণবিক উপাদান উৎপাদন কারখানা জনসমক্ষে এনেছে। সেখানে পরিদর্শনের সময় কিম জং উন দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডার ‘জ্যামিতিক হারে’ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ-জানায়, কিম জং উন একটি প্রধান গোলাবারুদ কারখানা পরিদর্শন করেছেন এবং আগামী পাঁচ বছরে দেশের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতা আড়াই গুণ বাড়ানোর আদেশ দিয়েছেন।

  • লালমনিরহাটে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ আপন ২ ভাই

    লালমনিরহাটে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ আপন ২ ভাই

    লালমনিরহাটের মোগলহাটে ধরলা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই সহোদর কিশোর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৭ জুন) দুপুরে এ দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও উদ্ধার তৎপরতা চালালেও সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি।

    নিখোঁজ দুই কিশোর হলো— শাওন (১৪) ও সাব্বির (১৬)। তারা দু’জন সদর উপজেলার মোগলহাট বাজার এলাকার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের ছেলে। তারা মোগলহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোববার দুপুরে শাওন, সাব্বির ও তাদের বন্ধু মেহেদী ধরলা নদীতে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর তারা নদীর প্রবল স্রোতের মুখে পড়ে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে মেহেদী তীরে ফিরে আসতে সক্ষম হলেও দুই ভাইকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন নদীতে নেমে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হলে তাদের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।

    স্থানীয় সংবাদ কভারেজ

    ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, নিখোঁজ দুই কিশোরকে উদ্ধারে নদীর বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।

    এ ঘটনায় পুরো মোগলহাট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুই সহোদরের সন্ধান না মেলায় স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও তাদের দ্রুত উদ্ধার হওয়ার প্রত্যাশা করছেন।

  • তৃণমূল নেতাকে জুতার মালা পরিয়ে ঘোরালেন এলাকাবাসী

    তৃণমূল নেতাকে জুতার মালা পরিয়ে ঘোরালেন এলাকাবাসী

    সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাকে জুতার মালা পরিয়ে গ্রাম ঘোরালেন। পরে তার মাথার চুল কেটে দেয় বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

    অভিযুক্ত নেতার নাম সন্ন্যাসী মান্না। তিনি শ্যামপুরের আমড়দহ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একশো দিনের কাজ, আবাসন প্রকল্পসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ ছিল সন্ন্যাসী মান্নার বিরুদ্ধে।

    তবে সন্ন্যাসী মান্না নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেননি। তার দাবি, এলাকার উন্নয়নমূলক কিছু কাজের জন্য কয়েকজনের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি সেই অর্থ ফেরত দিতে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।

    ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে সন্ন্যাসী মান্নাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ, জনরোষের কারণ এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনার বিষয়েও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

  • ফেনীতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় পিকআপচালক নিহত

    ফেনীতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় পিকআপচালক নিহত

    ফেনী শহরের অদূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় কাউছার (৪০) নামে এক পিকআপচালক নিহত হয়েছেন।

    রোববার (৭ জুন) সকালে ফাজিলপুর সবুজবাগ নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত কাউছার কুমিল্লা জেলার বাঙ্গরা থানার দৌলতপুর ইউনিয়নের মো: জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

    হাইওয়ে পুলিশের কর্তব্যরত এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, আজ সকালে মহাসড়কের সবুজবাগ নামক স্থানে ঢাকামুখী একটি পিকআপের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি কাভার্ডভ্যান। এতে পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান উভয়ই মহাসড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন পিকআপের চালক কাউছারকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাশেদ খান চৌধুরী জানান, গাড়ি দু’টি রেকার দিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত চালকের লাশ ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    এ,আর,

  • যশোর শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুখে আযম

    যশোর শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুখে আযম

    শিক্ষা ডেস্ক:

    যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছেন অধ্যাপক ফারুখে আযম মু. আব্দুস ছালাম। তিনি খুলনার হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের প্রিন্সিপাল পদে কর্মরত রয়েছেন।

    রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

  • পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফখরুল মাওলা

    পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফখরুল মাওলা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নতুন চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা। তিনি চট্টগ্রাম কমার্স কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে কর্মরত।

    রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

  • মেয়াদ শেষের আগেই ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে অব্যাহতি: টিআইবি

    মেয়াদ শেষের আগেই ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে অব্যাহতি: টিআইবি

    (৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি।

    বিএনপি সরকার গঠনের পর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তবে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে সার্চ কমিটি থাকলেও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে দলীয় বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

    রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি।

    শিক্ষাখাত নিয়ে টিআইবি পর্যবেক্ষণে জানায়, ক্ষমতাসীন দলের গুরত্বপূর্ণ পদে থাকা একজনকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, ডিন ও প্রভোস্ট পদে রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিবর্তন, সরকার গঠনের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন, সংঘর্ষ ও সহিংসতা। উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা ইত্যাদি ইস্যুতে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র দুইটি ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘঠনা ঘটেছে।

    টিআইবি জানায়, শিক্ষাখাতে সরকারের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটির পুনর্গঠন, প্রতি বছর বিদ্যালয়ে পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল, লটারির পরিবর্তে বিদ্যালয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি, শিক্ষকদের প্রতিবন্ধি শিশুবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলী নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

  • ছুটিতে দেশে ফেরা হলো না, ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় মিরসরাইয়ের যুবক নিহত

    ছুটিতে দেশে ফেরা হলো না, ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় মিরসরাইয়ের যুবক নিহত

    ছুটি নিয়ে দেশে আসার মাত্র পাঁচ দিন আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের যুবক শহীদুল ইসলাম প্রকাশ শহীদুল্লাহ (৪০)।

    শনিবার (৬ জুন) রাতে ওমানের বেরুমিতে রাস্তা পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার।

    নিহত শহীদুল ইসলাম মিরসরাই উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জমাদারগ্রাম এলাকার আস্কর আলী বৈদ্দ্য বাড়ির মরহুম মোহাম্মদ মেস্ত্রীর ৪র্থ ছেলে। বর্তমানে তার লাশ বেরুমি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

    নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সুখের আশায় দীর্ঘ ২০-২৫ বছর ধরে শহীদুল ইসলাম প্রবাসে কাজ করছেন। সেখানে এমব্রয়ডারির কাজ করতেন তিনি। আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দেশে আসার কথা ছিল তার। মার্কেট থেকে ছেলে-মেয়ে, স্ত্রী ও আত্মীয়-স্বজনদের বিভিন্ন মালামাল নিয়ে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

    দেশে আসবে এই নিয়ে কত খুশি ছিল শহীদুল ইসলামের পরিবার। বাড়িতে ছেলে-মেয়ে ও পরিবারের লোকজনও খুশি। ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় সেই খুশি এখন বিষাদে রূপ নিলো। অল্প বয়সে তার ছেলে-মেয়েরা এতিম হয়ে গেল।

    মিরসরাই সমিতি ওমানের সাবেক সভাপতি মো: আবু নছর রিয়াদ বলেন, লাশ দেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

  • ইরানের অর্থ উপসাগরীয় মিত্রদের দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের অর্থ উপসাগরীয় মিত্রদের দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

    যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে, তারা ইরানের সম্পদ গালফ দেশগুলোর ক্ষয়ক্ষতি পুনর্গঠন ও মেরামতের কাজে ব্যবহারের জন্য দেওয়ার চেষ্টা করবে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে। ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের ওপর একাধিক হামলা চালানোর পর এবং নতুন করে ড্রোন উৎক্ষেপণ করার ধারাবাহিকতার মধ্যেই এই সিদ্ধান্তের কথা সামনে আসে।

    সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট একটি দলকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে ইরানের হামলায় গালফ মিত্রদের ইতোমধ্যে হওয়া ক্ষতির আর্থিক মূল্যায়ন করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষেত্রেও ইরানি সম্পদ ব্যবহার করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

    এই তথ্য এমন সময় প্রকাশিত হলো, যখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই সিএনএনকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তিন মাসের যুদ্ধ শেষ করতে শান্তিচুক্তির অন্যতম শর্ত হলো যুক্তরাষ্ট্রে জব্দ থাকা ২৪ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ মুক্ত করা।

    এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ আবারও বেড়েছে। শান্তি আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের একজন মন্ত্রী শনিবার তেহরান সফর করেন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির কাছে চিঠি পৌঁছে দেন।

    এর আগে শনিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ইরানের উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে গোরুক ও কেশম দ্বীপের লক্ষ্যবস্তু ছিল, যা হরমুজ প্রণালির ভেতরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, তারা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত একাধিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যেগুলো সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছিল। পরে আরও দুটি ইরানি আক্রমণাত্মক ড্রোনও গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।

    পরে ইরান জানায়, তারা কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করে, ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে এবং সপ্তমটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেনি।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসেন নাকভি গতকাল শনিবার তেহরানে পৌঁছান এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। নাকভি জানান, তিনি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ‘বিশেষ একটি চিঠি’ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইর কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে রয়েছেন।

  • আদ-দ্বীনে মৃত ৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা- শিশির মনির

    আদ-দ্বীনে মৃত ৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা- শিশির মনির

    আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, ‘রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে মারা যাওয়া ৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ভুক্তভোগী পরিবার ও কর্তৃপক্ষের যৌথ আলোচনায় এ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে।’

    রোববার (৭ জুন) গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ ছাড়াও ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য আগে ঘোষিত অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন এই আইনজীবী।

    উল্লেখ্য, শিশির মনির ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন।

  • চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় কাভার্ডভ্যান চালক নিহত

    চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় কাভার্ডভ্যান চালক নিহত

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় কাজী জাফর (৩৫) নামে এক কাভার্ডভ্যান চালক নিহত হয়েছেন।

    রোববার (৭ জুন) সকাল ৭টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের আমজাদের বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজিম উদ্দিন।

    নিহত চালক ভোলার বোরহানউদ্দিন থানার মানিকারহাট গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে চট্টগ্রামমুখী রোডে চলন্ত অবস্থায় কাভার্ডভ্যানটি সামনে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কাভার্ডভ্যানের চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত চালক কাজী জাফরের মৃত্যু হয়েছে।

    মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার এসআই নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।’

  • হামে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর

    হামে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরো ৭ শিশুর। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৬ জন । আর সন্দেহজক হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে ১ হাজার ২২১ জনের। এতে মোট হামের রোগী পাওয়া গেল ১ হাজার ২৮৭ জন।

    গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯১ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৫২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৬২০ জনে।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ৭৯ হাজার ১২ জনের এবং এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ৯ হাজার ৬৮৬ জনের । আর এই সময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৪ হাজার ২৬৩ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ জন।

    অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া ৭ শিশুর মধ্যে ৪ জন ঢাকা বিভাগের এবং চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ এবং খুলনা বিভাগের একজন করে মারা গেছে। একই সময়ে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি সন্দেহজনক হামের রোগী পাওয়া গেছে ৫০৭ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামের রোগী রয়েছে ৫১ জন। বিভাগওয়ারি মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত হামে সবচেয়ে বেশি ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৫৫ শিশু এবং ‘সন্দেহজনক হামে’ মৃত্যু হয়েছে ২২০ জনের। এরপরেই রয়েছে রাজশাহী বিভাগে নিশ্চিত হামে দুইজনসহ মোট ৮৭ জন, সিলেটে নিশ্চিত হামে তিনজনসহ ৬৬ জন, বরিশালে নিশ্চিত হামে ১৯ জনসহ ৫৬ জন, চট্টগ্রামে নিশ্চিত হামে ১০ জনসহ ৫৬ জন, ময়মনসিংহে নিশ্চিত হামে দুইজনসহ ৫০ জন, খুলনাতে হামের উপসর্গে ২৩ জন এবং রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ককরোচ পার্টির আন্দোলন চলবে

    শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ককরোচ পার্টির আন্দোলন চলবে

    ভারতে বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে শুরু হয়েছে তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

    রোববার (০৭ জুন) মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগর জেলার এমআইডিসি ওয়ালুজ এলাকায় নিজ বাসভবনে পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন অভিজিৎ। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দুর।

    দীপকে দাবি করেন, নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি সফল হয়েছে। এতে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন থেকে এক পা-ও পিছিয়ে যাব না।’তিনি আরও জানান, আন্দোলনকে এখন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    শনিবার ককরোচ জনতা পার্টির ব্যানারে শত শত বিক্ষোভকারী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় আন্দোলনকারীদের ভয় না পাওয়ার আহ্বান জানান দীপকে।

    পরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মুখপাত্ররা জানান, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণ অথবা তার স্বেচ্ছা পদত্যাগের জন্য তারা কেন্দ্রীয় সরকারকে এক সপ্তাহ সময় দেবেন। এর মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হলে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করা হবে।

  • সুস্থ থাকতে যা খাবেন থাইরয়েডের রোগীরা

    সুস্থ থাকতে যা খাবেন থাইরয়েডের রোগীরা

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    গলার সামনে অবস্থিত প্রজাপতির মতো ছোট কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্ল্যান্ড হলো থাইরয়েড। যা থেকে নিঃসৃত হয় ট্রাই আরোজে থাইরনিন এবং থাইরক্সিন হরমোন। এ হরমোনের কাজ শর্করা ও চর্বির বিপাক ক্রিয়াকে সাহায্য করা। থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমে যাওয়াকে বলে হাইপোথাইরয়েডিজম। আর অতিরিক্ত হরমোন নিঃসৃত হওয়াকে বলে হাইপার থাইরয়েডিজম। বর্তমানে থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা বেড়েই চলেছে, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে। থাইরয়েড জটিলতার কারণ হিসাবে অটোইমিউন বা দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ত্রুটিকে দায়ী করা হয়। কিছু কিছু খাবার থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। যেমন-আয়োডিন, ভিটামিন সি, জিঙ্ক, থায়ামিন, ভিটামিন বি২ রাইবোফ্লাভিন, নায়াসিন, ভিটামিন বি৬ বা পাইরডক্সিন এবং সেলেনিয়াম।

    আয়োডিন পাওয়া যাবে-সামুদ্রিক মাছ, স্পিরিলুনা, দুধ, ডিম, চিংড়ি মাছ ও আয়োডিনযুক্ত লবণ থেকে। ভিটামিন সি পেতে হলে আমলকী, পেয়ারা, লেবু, কাঁচামরিচ, কমলা, আলু ইত্যাদি খেতে হবে। জিঙ্ক পাবেন গরুর মাংস, কলিজা, মুরগির মাংস, কুমড়ার বীজ, সরিষা ও ডিম থেকে।

    ভিটামিন বি১, বা থায়ামিন পাওয়া যাবে ভুসিসহ আটার রুটি, লাল চাল, ওটস, চিনাবাদাম, ইত্যাদিতে। ভিটামিন বি২ বা রাইবোফ্লাভিন আছে দুধ, দই ও দুধজাত খাদ্যতে।
    নায়াসিন লাল চাল, ডালিম, মুরগির মাংস, টুনামাছ ইত্যাদিতে আছে। ভিটামিন বি৬ বা পাইরডক্সিন আছে কলিজা, লাল আটা ও লাল চাল, ওটস, আখরোট, পাকাকলা, আম, মিষ্টি আলু থেকে।

    মেলেনিয়াম পাওয়া যাবে মাশরুম, ডিম, রসুন, পেঁয়াজ, মাছ, মুরগির মাংস, টমেটো টুনামাছ, ব্রকলি, দুধ ও দুধজাত খাদ্য থেকে। কিছু কিছু খাবার থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে। যেমন-সয়াবিন, বাঁধাকপি, পালংশাক, ফুলকপি, মুলা, পান, সিগারেট, এলকোহল, অতিরিক্ত আঁশযুক্ত খাবার। এ খাবারগুলো ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

    হাইপোথাইরয়েডের রোগীদের দ্রুত ওজন বাড়াতে থাকে। বুক ধড়ফড় করে, হঠাৎ হঠাৎ গরম লাগে, অস্থিরতা অনুভব হয়। এদিকে হাইপার থাইরয়েডের রোগীদের ওজন কমে যায়, রক্তের চাপ বাড়ে, ডায়রিয়া ও স্মরণশক্তি কমে যায়।দুই ধরনের রোগীরই সুষম খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এদের প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল খেতে হবে। মাছ-মাংস-ডিম-ননীবিহীন দুধ চাহিদামতো খেতে হবে। মেটাবলিক রেট বেড়ে যায় বলে চা-কফি-চিনি বাদ দিতে হবে। তবে গ্রিন টি পান করা যায়। নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা উচিত।

  • জামালগঞ্জে কৃষকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান

    জামালগঞ্জে কৃষকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান

    সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা হিসেবে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়ন, ফেনারবাঁক ইউনিয়নসহ ছয় ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত কৃষকদের এই প্রণোদনা দেয়া হয়।

    সাচনাবাজার ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে ১৫ কেজি চাল, নগদ তিন হাজার টাকা ও সহায়তা কার্ড তুলে দেয়া হয়।

    ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জলাবদ্ধতায় ফসলহানির শিকার ৭৫০ জন কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

    সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া তালুকদার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিলয় চন্দ্র কর, ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গুনেন্দ্র কুমার তালুকদার, যাচাই-বাছাই কমিটির বিএনপির সদস্য হাসান তালুকদার, ওসমান গণী ও নূরউদ্দিনসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপকারভোগীরা।

    এদিকে ফেনারবাঁক ইউনিয়ন পরিষদে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করেন ইউপি চেয়ারম্যান কাজল চন্দ্র তালুকদার, উপজেলা বিএনপির নেতা ফজলুল কাদের চৌধুরী তৌফিক ও জুলফিকার চৌধুরী রানা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মোজাম্মেল হোসেন চৌধুরী, রাব্বি তালুকদারসহ নেতৃবৃন্দ।

    সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন কৃষক নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার ছয় কিয়ার জমি জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে। ধান কাটতে পারিনি। এই সহায়তা পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।

    ৬৫ বছর বয়সী কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, অনেক কষ্ট করে চাষাবাদ করেছিলাম। জমি তলিয়ে যাওয়ায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছি। আজকের এই সহায়তা আমাদের জন্য কিছুটা হলেও আশার সঞ্চার করেছে।

    কৃষাণী রাণী দেবী বলেন, ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। চাল ও নগদ অর্থ পেয়ে উপকার হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।

    সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া তালুকদার বলেন, ‘হাওরাঞ্চলের মানুষ প্রতি বছরই কোনো না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়। এবার অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে বরাদ্দের তুলনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা অনেক বেশি।’

    তিনি বলেন, ‘ইউনিয়নে মোট দুই হাজার ৭৫০টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে এক হাজার ৫০০ জন কৃষকের তালিকা প্রণয়ন করা হলেও মন্ত্রণালয় থেকে ৭৫০ জনকে সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। ফলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অনেক কৃষক এবার সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।’

    তিনি আরো বলেন, ‘সীমিত বরাদ্দের কারণে সবাইকে সহায়তা দেয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতে বরাদ্দ বৃদ্ধি পেলে আরো কৃষককে সহায়তার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।’

    বিতরণ শেষে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকার বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • সাদুল্লাপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত ভ্যানচালকের মৃত্যু

    সাদুল্লাপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত ভ্যানচালকের মৃত্যু

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত ভ্যানচালক জয়নাল মিয়ার (৬০) মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সকাল ৬টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত জয়নাল মিয়া সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হামিদ (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের মরহুম ওসামন মিয়ার ছেলে।

    স্বজনরা জানায়, জয়নাল মিয়া অটোভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ২৯ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নলডাঙ্গা-রংপুর সড়কে যাত্রীবহন করছিলেন তিনি। এ সময় বাড়ির পাশে কিশামত হামিদ নামক স্থানে চলন্ত ভ্যানটির পেছনে একটি মোটরসাইকেল ধাক্কা দেয়। এতে ছিটকে পড়ে জয়নাল মিয়া গুরুতর আহত হন।

    পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (শনিবার) সকালে তার মৃত্যু হয়।

    এ বিষয়ে নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুর গফুর বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় জয়নাল মিয়া নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর লোকমুখে শুনেছি।

  • বাংলাদেশের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করতে চায় তুরস্ক

    বাংলাদেশের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করতে চায় তুরস্ক

    বাংলাদেশের সাথে তুরস্ক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, মানবিক কার্যক্রম ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি রোহিঙ্গা সঙ্কট ও বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগে ঢাকার প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানিয়ে সম্পর্ক আরো গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

    তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শুক্রবার (৫ জুন) ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরো বিস্তৃত পরিসরে গভীর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং একে দৃঢ় ভিত্তির ওপর আরো শক্তিশালী ও দূরদর্শী পর্যায়ে উন্নীত করতে চাই।

    ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে ফিদান বলেন, এটি বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন। জাতিসঙ্ঘে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকা এবং ড. খলিলুর রহমানের অভিজ্ঞতার কারণে তিনি দায়িত্ব সফলভাবে পালন করবেন বলে তুরস্কের মন্ত্রী আশ্বাস দেন।

    ফিদান স্মরণ করিয়ে দেন, সম্প্রতি ড. খলিলুর রহমান তুরস্ক সফর করেছেন এবং দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফরে সম্পর্ক গভীর করার অভিন্ন সংকল্পকেই তুলে ধরে।

    তিনি জানান, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক সংস্থায় সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রসঙ্গে ফিদান বলেন, দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে দুই বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রতিরক্ষা শিল্পকেও সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    সফরের অংশ হিসেবে তুরস্ক ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়।

    বাংলাদেশকে ‘গ্লোবাল সাউথের শক্তিশালী কণ্ঠস্বর’ আখ্যা দিয়ে ফিদান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    রোহিঙ্গা সঙ্কট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১১ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবতার পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক ত্যাগ স্বীকার করেছে। তিনি আশ্বাস দেন, তুরস্ক রোহিঙ্গা ইস্যুকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্রিয় রাখতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে এবং তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনকে সমর্থন করবে।

    ফিদান কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন এবং তুরস্কের বিভিন্ন সংস্থা- টিকা, এএফএডি, তুর্কি রেড ক্রিসেন্ট ও দিয়ানেত ফাউন্ডেনের মানবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।

    আঞ্চলিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান সঙ্ঘাত ও অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক গতিশীলতাকে প্রভাবিত করছে এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় অগ্রগতিকে স্বাগত জানান এবং স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং যুদ্ধ-পূর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়া বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    গাজা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ফিদান ইসরাইলকে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা ব্যাহত করার অভিযোগ এনে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত ইসরাইলের আগ্রাসন বন্ধ করা এবং ওই অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি দূর করা।

    ফিদান আরো বলেন, বাংলাদেশকে তুরস্ক সাথে নিয়ে নতুন উদ্যোগ ও প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করবে এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরেও শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বাড়াতে কাজ করবে।

  • ইরান যুদ্ধে আজারবাইজানে গোপন সেনা ঘাঁটি ছিল ইসরাইলের

    ইরান যুদ্ধে আজারবাইজানে গোপন সেনা ঘাঁটি ছিল ইসরাইলের

    ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ চলাকালে আজারবাইজানে গোপনে সেনা ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করেছিল ইসরাইল। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিস্তৃত এক গোপন সামরিক নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে এসব বাহিনী পরিচালিত হয়েছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের উত্তর সীমান্তঘেঁষা দক্ষিণ আজারবাইজানের কয়েকটি স্থানে ইসরাইলের বিশেষ বাহিনী ও গোয়েন্দা সদস্যরা অবস্থান নেয়। এসব স্থানের কিছু ইরানের তাবরিজ শহর থেকে মাত্র ৬০ মাইল দূরে অবস্থিত। যুদ্ধ চলাকালে তারা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, ড্রোন পরিচালনা এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার কাজে যুক্ত ছিল।

    সূত্রগুলোর দাবি, আজারবাইজানে মোতায়েন করা বাহিনীর মধ্যে ইসরাইলের বিশেষ অভিযান ইউনিট, এলিট হেলিবোর্ন কমব্যাট ও রেসকিউ ফোর্স এবং মোসাদের সদস্যরা ছিলেন। প্রথমদিকে জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা করা হলেও পরবর্তীতে এসব অবস্থান গোয়েন্দা ও সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়।

    সিএনএনের তথ্যানুযায়ী, আজারবাইজান ছাড়াও ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সোমালিল্যান্ডে গোপন সামরিক অবস্থান গড়ে তুলেছিল ইসরাইল। এসব ঘাঁটি ইরানের উত্তর, পশ্চিম ও দক্ষিণ প্রান্তে ইসরাইলি উপস্থিতি নিশ্চিত করে, যার ফলে দেশটির ভেতরে দূরপাল্লার অভিযান ও ধারাবাহিক হামলা পরিচালনা সহজ হয়।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রে আজারবাইজান দূতাবাস সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশটির ভূখণ্ড তৃতীয় কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহারের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী ভূখণ্ড সোমালিল্যান্ডও ইসরাইলকে একটি সামরিক অবস্থান ব্যবহারের সুযোগ দেয়। এটি ইরানমুখী দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটে সম্ভাব্য যাত্রাবিরতির স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। এছাড়া যুদ্ধের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং তা পরিচালনার জন্য সেনা মোতায়েন করেছিল ইসরাইল।

    সিএনএনের প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, যুদ্ধ শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে ইরান-আজারবাইজান সীমান্তে নজরদারি সরঞ্জাম ও শ্রবণযন্ত্র স্থাপনের মাধ্যমে ইসরাইল একটি গোপন অভিযান চালায়। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক তৎপরতা পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের আগাম তথ্য সংগ্রহ।

  • পুতিনকে জেলেনস্কির খোলাচিঠি, মুখোমুখি আলোচনায় বসার প্রস্তাব

    পুতিনকে জেলেনস্কির খোলাচিঠি, মুখোমুখি আলোচনায় বসার প্রস্তাব

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জন্য প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সরাসরি বা মুখোমুখি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

    রুশ প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো একটি খোলাচিঠিতে ইউক্রেনীয় নেতা বলেছেন, ইউরোপের এই যুদ্ধে আবারো যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ ফিরে আসা পর্যন্ত ‘অপেক্ষা করাটা ভুল হবে’। কেবল ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে ‘সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই’ শান্তি আসতে পারে।

    ক্রেমলিন নিশ্চিত করেছে যে তারা চিঠিটি পেয়েছে এবং পুতিনকে এর বিষয়বস্তু জানানো হবে। অবশ্য জেলেনস্কির পাঠানো ওই চিঠিটি বিদ্রোহী ও ব্যঙ্গাত্মক সুরেই লেখা হয়েছে, যেখানে সম্প্রতি রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনের চালানো হামলাগুলোর দিকেও ইঙ্গিত রয়েছে বলে জানা গেছে।

    জেলেনস্কি উল্লেখ করেছেন যে, ‘২৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর বয়স এখন পুতিনের ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।’ ‘ইউক্রেন আমাদের অর্থাৎ আপনার ও আমার- সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শেষ করার প্রস্তাব দিচ্ছে। আমি একটি বৈঠকের প্রস্তাব করছি।’

    এদিকে সেন্ট পিটার্সবার্গে বিদেশী সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় পুতিন জানিয়েছেন যে, তিনি ‘নিশ্চিতভাবেই ইউক্রেনের সাথে চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত ও ইচ্ছুক’, তবে তিনি এ-ও যোগ করেছেন যে, উভয় পক্ষকেই ছাড় দিতে হবে।

    পুতিন ইঙ্গিত দেন, ট্রাম্প যেহেতু ইরান নিয়ে ব্যস্ত, তাই ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ জেলেনস্কিকে ভূখণ্ড সমর্পণের জন্য রাজি করাতে পারে।

    পুতিনের দীর্ঘদিনের অবস্থান হলো, ইউক্রেনকে অবশ্যই রাশিয়ার আংশিক দখলে থাকা চারটি অঞ্চল- দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া- থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে এবং নেটোতে যোগদানের প্রচেষ্টা ত্যাগ করতে হবে।

    ভূখণ্ড ছেড়ে দেয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেন। তাদের যুক্তি, এটি রাশিয়াকে আবার আক্রমণ করার সাহস জোগাবে, যেমনটা তারা ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের আট বছর পর ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর সময় করেছিল।

    ১৮০০ শব্দেরও বেশি দীর্ঘ এই চিঠিতে জেলেনস্কি লিখেছেন, ‘এমন নয় যে ইউক্রেনে আমরা রুশ সৈন্যদের ভাগ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন, বিশেষ করে আপনার যুদ্ধ আমাদের দেশে যা কিছু নিয়ে এসেছে তার পর। তবে আমি ইউক্রেনীয়দের নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা আমাদের মানুষদের হারাচ্ছি এবং প্রতিটি ক্ষতি আমাদের কাছে বেদনাদায়ক।’

    জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জ্বালানি সঙ্কট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার সাধারণ মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

    তিনি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথে পা বাড়াতে ভয় পাবেন না। এখন আপনার কাছে প্রধানত এটাই চাওয়া হচ্ছে।’

    সুইজারল্যান্ড বা তুরস্কের মতো কোনো দেশে এই মুখোমুখি আলোচনা হতে পারে বলেও প্রস্তাব দিয়েছেন জেলেনস্কি।

    ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের এই চিঠিটি এমন এক দিনে এসেছে যেদিন পুতিন সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি বড় অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিচ্ছেন।

    এর আগের দিনই রাশিয়ার একটি শহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল কিয়েভ, যে ঘটনাকে জেলেনস্কি তার বার্তায় ‘পরিদর্শন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    এছাড়া, অধিকৃত ক্রিমিয়ার সিমফেরোপোল এলাকায় চারজনের মৃত্যুর জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে রুশ-সমর্থিত কর্তৃপক্ষ। যদিও ইউক্রেন জানিয়েছে যে, তারা একটি জ্বালানি ডিপোতে আঘাত করেছিল।

    বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে পুতিন তাৎক্ষণিকভাবে একটি বৈঠক বা চুক্তি হওয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেছেন, ‘জেলেনস্কি ইউক্রেনের বৈধ প্রতিনিধি কি-না, তা আইনজ্ঞদের এবং আইনি বিশ্লেষণের বিষয়।’

    এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দুই দেশকে শান্তি আলোচনার জন্য কাছাকাছি নিয়ে আসার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

  • ক্রমাগত একঘরে হয়ে পড়ছে ইসরাইল

    ক্রমাগত একঘরে হয়ে পড়ছে ইসরাইল

    বিশ্বব্যাপী ইসরাইলের ভাবমূর্তী ক্রমাগত নিচের দিকে নামছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের সবশেষ সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। বাংলাদেশসহ ৩৬টি দেশের ওপর জরিপ চালায় পিউ রিসার্চ। জরিপে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ মানুষ ইসরাইল সম্পর্ক নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে।

    ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মে পর্যন্ত পরিচালিত এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, জরিপকৃত দেশগুলোর প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে গড়ে ৬৭ শতাংশ ইসরাইল সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যেখানে মাত্র ২৫ শতাংশ দেশটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেন।

    পিউ জানিয়েছে, বেশিরভাগ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর। এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংকট বাড়িয়ে দিয়েছে।

    জরিপে অন্তর্ভুক্ত মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে—যেমন বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক, সেইসাথে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে—ইসরাইলের প্রতি বৈরিতা বিশেষভাবে প্রকট ছিল। পিউ জানিয়েছে, তারা গাজায় জরিপ পরিচালনা করতে পারেনি।

    ইউরোপীয় জনগণও কম বৈরী মনোভাব পোষণ করেনি। ইতালি, নেদারল্যান্ডস এবং স্পেনে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বা তার চেয়ে বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি বলেছেন, ইসরাইল সম্পর্কে তাদের অত্যন্ত নেতিবাচক ধারণা রয়েছে।

    এই গবেষণার ফলাফল থেকে বোঝা যায় যে, গাজা গণহত্যার কারণে ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ইসরাইলের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পর থেকে আরো খারাপ হয়েছে। পিউ জানিয়েছে, ২৪টি দেশের মধ্যে ১৩টি দেশে ইসরাইলের প্রতি নেতিবাচক প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    উদাহরণস্বরূপ, আর্জেন্টিনায় ২০২৫ সালে ৪৬ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ইসরাইল সম্পর্কে প্রতিকূল ধারণা পোষণ করতেন। সেই সংখ্যা এখন বেড়ে ৫৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

    অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, নাইজেরিয়া, পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যেও অত্যন্ত প্রতিকূল ধারণা পোষণকারী মানুষের সংখ্যা বেড়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্র চাইলেই ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে নিতে পারে: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্র চাইলেই ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে নিতে পারে: ট্রাম্প

    ইরানের কাছে যে ইউরেনিয়ামের মজুত আছে, যুক্তরাষ্ট্র তা চাইলেই দখল করতে পারে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ ব্যাপরটি ‘অযৌক্তিক’ হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

    গতকাল ৪ জুন ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত দখল করা কঠিন কিছু নয়। আমরা চাইলেই তা দখল করতে পারি। যদি আমরা সেই মজুত নিতে অগ্রসর হই, আমার মনে হয় না তারা আটকাতে পারবে। কিন্তু সেটা অযৌক্তিক হবে। আমার মনে হয়, এমন পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন আমাদের নেই।’

    উল্লেখ্য, তেহরান ও ওয়াশিংটন মধ্যে উত্তেজনার প্রধান কারণ ইরানের ইউরেনিয়াম। জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ পরিষদ ইন্টান্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি অথরিটি (আইএইএ)-এর তথ্য অনুসারে, ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে। এই ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ বা পরিশুদ্ধ। বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হলেই এই ইউরেনিয়াম দিয়ে একের পর এক পরমাণু বোমা তৈরি করতে পারবে ইরান।

    যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, বোমা তৈরির জন্য পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে ইরান তার ইউরেনিয়াম বিশুদ্ধকরণ অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে ইরান এ অভিযোগ বার বার প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, ইরানের পরমাণু প্রকল্পের উদ্দেশ্য শান্তিপূর্ণ।

    ইরানের এই ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোথায় আছে তা এখনও রহস্য। যুক্তরাষ্ট্র চায় এই পরমাণু তেহরান ওয়াশিংটনকে হস্তান্তর করুক। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তার একটি বড় কারণ এই ইউরেনিয়াম হস্তগত করা।

    হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকরা তাকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারেও প্রশ্ন করেন। তারা জানতে চান, মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাতে তার কোনো আপত্তি আছে কি-না।

    জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি নিজে যেচে দেখা করতে আগ্রহী নই, কিন্তু কখনও সাক্ষাৎ ঘটে আমি সম্মানিত বোধ করব।

    ট্রাম্প বলেন,যদি আমরা ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তিতে আসতে পারি, তাহলে তার সঙ্গে আমার সাক্ষাতের সম্ভাবনা আছে। সেক্ষেত্রে আমি রাজি আছি, অন্তত আমার তরফ থেকে কোনো আপত্তি নেই।

  • সাহারায় ট্রাক নষ্ট, পিপাসায় ৪৯ মৃত্যু।

    সাহারায় ট্রাক নষ্ট, পিপাসায় ৪৯ মৃত্যু।

    নাইজারের সাহারা মরুভূমিতে একটি ট্রাক বিকল হওয়ার পর পিপাসায় ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফেসবুকে করা পোস্টে একথা জানিয়েছে আগাদেজ গভর্নরেট।

    বিবৃতিতে বলা হয়, মুসলমানদের একটি উৎসবে যোগ দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তারা। পথে তাদের বহনকারী ট্রাক বিকল হয়ে যায়। তাদের কাছে থাকা পানি শেষ হয়ে গিয়েছিল। এক পর্যায়ে আসামাকা থেকে ৮০ কিলোমিটারেরও (৫০ মাইল) বেশি পশ্চিমে একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে পানি পিপাসায় ৪৯ জনের মৃত্যু হয়। আসামাকা নাইজার ও আলজেরিয়ার মধ্যে একটি প্রধান সংযোগস্থল এবং এটি মালি সীমান্তেরও কাছাকাছি।

    গভর্নরেট জানায়, ‘ট্রাকের চালক, তার সহকারী এবং যাত্রীরা গাড়িটি মেরামতের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু যানবাহনটি মেরামত করতে পারেননি। যাত্রীরা এক প্রতিকূল পরিবেশে আটকা পড়েন। সেখানে চরম তাপদাহ ও পানির অভাবে তাদের বেঁচে থাকাকে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।’

    তবে দুজন ব্যক্তি পায়ে হেঁটে ৫০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়ে নিকটবর্তী একটি পানির উৎসের কাছে পৌঁছাতে পেরেছিলেন। সেখান থেকে আসামাকায় গিয়ে তারা কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহতদের গণকবরে দাফন করা হয়েছে।

  • মতলবে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন!

    মতলবে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন!

    দেশে যেখানেই এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর অনুষ্ঠান, সেখানেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি। যেখানেই তার অনুষ্ঠান, সেখানেই শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। এমন পরিস্থিতি ও ফেসবুকের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গারচরে ঈদ পুনর্মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হওয়ায় সেখানে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৌনে দুই শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতলব উত্তর থানার ওসি (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল।

    সভাটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে উপজেলা প্রশাসনও গত কয়েক দিন মাঠে কাজ করেছে এবং সভাস্থলের কাছাকাছি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হেদায়েত উল্লাহকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

    শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই ঈদ পুনর্মিলনী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি বক্তব্য রাখেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

    এনসিপি মতলব উত্তর উপজেলার সদস্য সচিব ইমাদুল ইসলাম জানান, গত কয়েক দিন ফেসবুকে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে ঘায়েল করতে দেয়া বক্তব্য ও হুমকি-ধমকির প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো: রবিউল হাসান অনুষ্ঠানের আগের দিন স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও মতলব উত্তর থানা পুলিশের সাথে দফায় দফায় সভা করেছেন।

    অনুষ্ঠানে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার জুমার নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের স্থান দূরবর্তী অঞ্চল ফরাজীকান্দি থেকে সভাস্থলের নিকটবর্তী স্থানে নিয়ে আসা হয়।

  • মাদারগঞ্জে ঘোড়াকে গোসল করাতে গিয়ে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

    মাদারগঞ্জে ঘোড়াকে গোসল করাতে গিয়ে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

    জামালপুরের মাদারগঞ্জে ঘোড়াকে গোসল করাতে গিয়ে নদীর পানিতে ডুবে জুলহাস মন্ডল (৪২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

    শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন ও মেলান্দহ উপজেলার কাহেতপাড়া সীমান্তবর্তী ঝাড়কাটা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত জুলহাস মন্ডল আদারভিটা ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি এলাকার মরহুম আনার মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

    স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার বিকেলেও জুলহাস মন্ডল তার ঘোড়াকে গোসল করাতে বাড়ির পূর্ব পাশের ঝাড়কাটা নদীতে যান। এ সময় তার সাথে ছিল একমাত্র ছেলে রাহাত (৬)। নদীর তীরে ছেলেকে রেখে তিনি ঘোড়াসহ পানিতে নামেন। একপর্যায়ে জুলহাস পানিতে ডুব দিলে ঘোড়াটি তীরে উঠে এলেও তিনি আর ভেসে ওঠেননি।

    বাবাকে পানিতে ডুবে যেতে দেখে ছোট্ট ছেলে রাহাত দৌড়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করে। প্রায় এক ঘণ্টা পর মাছ ধরার জালের সাহায্যে নদী থেকে জুলহাসের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    সংবাদ প্রতিবেদন পরিষেবা

    ঘটনার খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ-কালিবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জিয়াউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    নিহতের ভাতিজা সুমন জানান, চাচা প্রতিদিনই এই নদীতে ঘোড়াকে গোসল করাতে যেতেন। আজও ঘোড়ার সাথে নদীতে নামেন। কিন্তু ঘোড়াটি তীরে ফিরে এলেও চাচা আর উঠতে পারেননি। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

    মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশিষ রায় জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সাদুল্লাপুরে অটোরিকশার চাকায় পিষ্ট হয়ে শিশু নিহত

    সাদুল্লাপুরে অটোরিকশার চাকায় পিষ্ট হয়ে শিশু নিহত

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় চলন্ত একটি অটোরিকশার চাকায় পিষ্ট হয়ে আব্দুল্লাহ মিয়া (৪) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।

    শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে সাদুল্লাপুর-গাইবান্ধা সড়কের মেসার্স শাহানা ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আব্দুল্লাহ মিয়া উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ মন্দুয়ার গ্রামের মধু মিয়ার ছেলে।

    স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দুপুরে আব্দুল্লাহ মিয়া বাড়ি থেকে টায়ার নিয়ে খেলতে খেলতে ওই ফিলিং স্টেশনের রাস্তায় আসে। এ সময় রাস্তা পার হতেই সে গাইবান্ধাগামী একটি অটোরিকশার নিচে পড়ে যায়। অটোরিকশাটির চাকা তার বুকের উপর দিয়ে যাওয়ায় মারাত্মকভাবে আহত হয় আব্দুল্লাহ। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, মেসার্স শাহানা ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন সড়কের পাশে বিশাল একটি মেহগনি গাছ রাস্তার দিকে হেলে পড়েছে। এ গাছটির সাথে যানবাহনের ধাক্কা লেগে ইতোমধ্যে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একইভাবে শিশু আব্দুল্লাহরও মৃত্যু হলো। হেলেপড়া ওই গাছটি দ্রুত অপসারণ করা না হলে আবারো যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    এ বিষয়ে বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফজলুল কাইয়ুম হুদা বলেন, মেসার্স শাহানা ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন সড়কে দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে। তবে হেলেপড়া গাছের কারণে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। গাছটি দ্রুত অপসারণ করা দরকার।

  • কৌতুহল থেকে কুসংস্কার : প্রশাসনের অভিযানে কড়ই গাছ নিয়ে বিভ্রান্তির অবসান

    কৌতুহল থেকে কুসংস্কার : প্রশাসনের অভিযানে কড়ই গাছ নিয়ে বিভ্রান্তির অবসান

    প্রকৃতির এক অদ্ভুত ঘটনার সাথে মানুষের বিশ্বাস-অবিশ্বাস মিশে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তৈরি হয়েছিল কৌতূহল, আলোচনা ও কুসংস্কারের এক বিচিত্র অধ্যায়।

    ঝড়ে শিকড়সহ উপড়ে পড়া একটি কড়ই গাছের কাণ্ড কয়েকদিন পর হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়াকে ঘিরে এলাকায় শুরু হয় নানা গুঞ্জন। একপর্যায়ে সেখানে মানত, মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালানোর ঘটনাও দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত গাছটি কেটে ফেলেছে প্রশাসন।

    ঘটনাটি আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের মুন্সীবাড়ি এলাকায়। প্রায় এক মাস আগে কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বড় কড়ই গাছ শিকড়সহ উপড়ে পড়ে যায়। পরে গাছটির ডালপালা কেটে ফেলা হলে প্রায় ১৫ ফুট দীর্ঘ কাণ্ডটি মাটিতে পড়ে ছিল। কিন্তু কয়েকদিন পর স্থানীয়রা বিস্ময়ের সাথে দেখতে পান, কাণ্ডটি আবার অনেকটা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে।

    বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসতে শুরু করেন। কেউ এটিকে প্রকৃতির স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখলেও অনেকে এর মধ্যে অলৌকিকতার ছাপ খুঁজতে থাকেন। ধীরে ধীরে গাছের গোড়ায় লাল কাপড় বাঁধা, মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালানো এবং মানত করার মতো কর্মকাণ্ড শুরু হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, স্থানটি একটি অনানুষ্ঠানিক ‘মাজারে’ পরিণত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

    এ অবস্থায় শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় গাছটি অপসারণ করে স্থানীয় প্রশাসন।

    আখাউড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ জানান, গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। মালিকের সম্মতি নিয়েই সেটি অপসারণ করা হয়েছে। গাছ বিক্রি করে যে অর্থ পাওয়া যাবে, তা একটি মসজিদ বা মাদরাসায় দান করা হবে।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকৃতির অস্বাভাবিক বা বিরল কোনো ঘটনা ঘটলেই সেটিকে অলৌকিক বলে ধরে নেয়ার প্রবণতা সমাজে এখনো রয়েছে। অথচ উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মতে, কিছু গাছ উপড়ে পড়ার পরও শিকড়ের একটি অংশ মাটির সাথে সংযুক্ত থাকলে বা কাণ্ডের ভারসাম্য পরিবর্তিত হলে আংশিকভাবে আবার সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন ঘটনা বিরল হলেও অসম্ভব নয়।

    স্থানীয় প্রশাসনের মতে, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে কুসংস্কার ছড়িয়ে পড়ার আগেই ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন ছিল। তাই জনমনে বিভ্রান্তি দূর করতে এবং সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

    ঘটনাটি আবারো মনে করিয়ে দিল— প্রকৃতির বিস্ময়কর ঘটনা কৌতূহলের জন্ম দিতে পারে। কিন্তু সেই কৌতূহল যেন অন্ধ বিশ্বাসে রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকাও সমান জরুরি।

  • রাঙ্গাবালীতে বজ্রপাতে ৬ গরুর মৃত্যু, প্রাণ গেলো কৃষকের

    রাঙ্গাবালীতে বজ্রপাতে ৬ গরুর মৃত্যু, প্রাণ গেলো কৃষকের

    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজ ও নয়ার চর গ্রামে বজ্রপাতে ৬টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে পাশের গলাচিপা উপজেলার পশ্চিম চরকাজল গ্রামে বজ্রাঘাতে আলমগীর সরদার (৪৫) নামে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত আলমগীর সরদার পশ্চিম চরকাজল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম আহমেদ সরদারের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় উত্তর চরমোন্তাজ ও নয়ার চর গ্রামের মাঠে থাকা ৬টি গরুর ওপর বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই গরুগুলো মারা যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ও কৃষকরা উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

    অন্যদিকে, আলমগীর সরদার জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বাড়ির পাশের মাঠ থেকে নিজের গরু আনতে যান। গরু আনতে গিয়ে হঠাৎ বজ্রাঘাতের শিকার হন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    নামাজ শেষে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে দূর থেকে দেখতে পান কয়েকটি গরু একটি স্থানে জড়ো হয়ে আছে। কাছে গিয়ে তারা আলমগীর সরদারের লাশ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

    পৃথক এ দুই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সহায়তা এবং নিহত কৃষকের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    এ বিষয়ে চরকাজল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজ ও নয়ার চর গ্রামে বজ্রপাতে ৬টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে পাশের গলাচিপা উপজেলার পশ্চিম চরকাজল গ্রামে বজ্রাঘাতে আলমগীর সরদার (৪৫) নামে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

    নিহত আলমগীর সরদার পশ্চিম চরকাজল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম আহমেদ সরদারের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় উত্তর চরমোন্তাজ ও নয়ার চর গ্রামের মাঠে থাকা ৬টি গরুর ওপর বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই গরুগুলো মারা যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ও কৃষকরা উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

    অন্যদিকে, আলমগীর সরদার জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বাড়ির পাশের মাঠ থেকে নিজের গরু আনতে যান। গরু আনতে গিয়ে হঠাৎ বজ্রাঘাতের শিকার হন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    নামাজ শেষে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে দূর থেকে দেখতে পান কয়েকটি গরু একটি স্থানে জড়ো হয়ে আছে। কাছে গিয়ে তারা আলমগীর সরদারের লাশ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

    পৃথক এ দুই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সহায়তা এবং নিহত কৃষকের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    এ বিষয়ে চরকাজল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • নোয়াখালীতে নিখোঁজের ১৪ ঘণ্টা পর খাল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

    নোয়াখালীতে নিখোঁজের ১৪ ঘণ্টা পর খাল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের ১৪ ঘণ্টা পর সাদ্দাম হোসেন (২৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ব্রিজের নিচে খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত সাদ্দাম একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাসানপুর গ্রামের আরজু মেম্বার বাড়ির হকসাবেরের ছেলে।

    সাদ্দামের মামা মো: ইমাম আলী জানান, সাদ্দাম চট্টগ্রামে ইগলু কোম্পানিতে চাকরি করত। ঈদের ছুটিতে সে বাড়িতে এসেছিল। ঈদের আগে আবুধাবি থেকে তার মেজ মামা আইয়ুব দেশে ফেরে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে সাদ্দাম সাইকেলে করে শরীফপুর ইউনিয়নের গয়েজপুর গ্রামের রুস্তম আলী বেপারীর বাড়িতে মামার সাথে দেখা করতে যায়।

    রাত ৯টার দিকে সাদ্দাম সেখান থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু সাদ্দাম বাড়িতে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এক ব্যক্তি ফোন করে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজের নিচে খালে একটি লাশ পড়ে থাকার খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বজনরা লাশটি সাদ্দামের বলে শনাক্ত করেন।

    বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থলে সাদ্দামের মোবাইলফোন ও হাতঘড়ি পাওয়া গেলেও তার ব্যবহৃত সাইকেলটি পাওয়া যায়নি।

  • যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে বাধা জব্দকৃত সম্পদ ইস্যু

    যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে বাধা জব্দকৃত সম্পদ ইস্যু

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে ইরানের জব্দকৃত (ফ্রোজেন) সম্পদের একটি অংশ মুক্ত করা ইস্যুতে দুদেশের মতপার্থক্য এখনও বড় বাধা হয়ে রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়াকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার শেষ ধাপে ইরানের ফ্রোজেন তহবিলের ব্যবস্থাপনা অন্যতম প্রধান বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সূত্রটির দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছেন, কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের আগে তিনি ইরানের জন্য কোনো অর্থ ছাড় করতে রাজি নন।

    আলোচনায় থাকা প্রস্তাব অনুযায়ী, ইরানের জব্দকৃত সম্পদ রাখার জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা হতে পারে। চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ওই তহবিলের মাধ্যমে অর্থ ছাড় ও ব্যবস্থাপনা করা হবে।

    কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং চুক্তির কাঠামো প্রায় চূড়ান্ত। তবে ফ্রোজেন সম্পদ মুক্তির শর্ত ও সময়সূচি নিয়ে এখনও সমঝোতা হয়নি।

    চুক্তির এই সময়ে জব্দকৃত অর্থের বিষয়টি সমাধান হলে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে। তবে অর্থ ছাড়ের বিষয়ে ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থান চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পথে শেষ বড় বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ইসরাইলের গোপন গোয়েন্দা ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছিল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র

    ইসরাইলের গোপন গোয়েন্দা ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছিল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র

    তেল আবিবের এক আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়া ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরাইলের একটি অতিগোপন সামরিক গোয়েন্দা দফতর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মার্কিন-ইসরাইল যৌথ বাহিনীর সাথে ইরানের যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই এই হামলা চালিয়েছে তেহরান।

    স্পাইটকের বরাত দিয়ে ইসরাইলের টেকনিক্যাল ওয়েবসাইট ক্যালক্যালিস্টেক ডটকম সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সে সময় ঘটনাটি একটি আবাসিক এলাকায় সাধারণ বিস্ফোরণ হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হলেও এর আসল লক্ষ্যবস্তু যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোয়েন্দা কেন্দ্র ছিল, তা এতদিন সম্পূর্ণ ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল!

    ইরানের একটি মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের তথাকথিত অভেদ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ফাঁকি দিয়ে তেল আবিবের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ওই গোপন জিওস্পেশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা জিওইন্ট ঘাঁটিতে সরাসরি আঘাত হানে। অত্যন্ত সুরক্ষিত ও গোপন এই জাতীয় ভূ-স্থানিক তথ্য-প্রযুক্তি কেন্দ্রটি একটি সাধারণ আবাসিক এলাকার ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, যা এই হামলায় কেঁপে ওঠে।

    তবে নতুন এই প্রতিবেদনে যে তথ্যটি ফাঁসের মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে তা হলো, দুর্ঘটনাস্থল এবং মূল বিস্ফোরণের প্রভাববলয় থেকে মাত্র ৫০ ফুট দূরত্বের মধ্যে থাকা ইসরাইলের ন্যাশনাল জিওডেটিক ইনস্টিটিউট বা জাতীয় ভূ-স্থানিক প্রতিষ্ঠানটি এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মূল শিকার ছিল এবং বিস্ফোরণের প্রচণ্ড ধাক্কায় কেন্দ্রটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    এটি সাদামাটা কোনো বেসামরিক দফতর নয়, মূলত ইসরাইলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার অতিগোপন ‘ইউনিট ৯৯০০’ এর প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। সহজ কথায়, ‘ইউনিট ৯৯০০’ হলো যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল জিওস্পেশিয়াল অ্যাজেন্সির সমকক্ষ সংস্থা। এই প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তিগত উপায়ে ভৌগোলিক ও অবস্থানভিত্তিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা। যুদ্ধক্ষেত্রে কোন কোন ঘাঁটিতে হামলা চালাতে হবে, কোথায় বোমা ফেলতে হবে, শত্রুপক্ষের সামরিক যাতায়াত কেমন এবং ভূখণ্ড বা মাটির গঠন কেমন- এই সমস্ত জটিল সামরিক গোপন তথ্য ও নিখুঁত মানচিত্র তৈরি করে ইসরাইলি পাইলট এবং পদাতিক বাহিনীকে সরবরাহ করে এই ইউনিট।

    সহজভাবে বলতে গেলে, এ ইউনিটটি যুদ্ধক্ষেত্রের ‘চোখ’ হিসেবে কাজ করে এবং সেনাবাহিনীকে কোথায় কী ঘটছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করে। গাজা এবং লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর চলমান সমস্ত বিমান ও স্থল অভিযানের পেছনের মূল চালিকাশক্তি হলো এই দফতর থেকে পাঠানো ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি মানচিত্র এবং ড্রোনের রিয়েল-টাইম তথ্য। এমনকি ‘ইউনিট ৯৯০০’ একটি বিশেষ নিম্ন-উড্ডয়ন ড্রোন ইউনিটও পরিচালনা করে, যা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরাসরি তাৎক্ষণিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে।

    স্পাইটকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে ঘটনার পরপরই ইসরাইলের কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ কর্তৃপক্ষ এই স্পর্শকাতর গোয়েন্দা ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতি বা বিস্ফোরণের স্থান থেকে এর দূরত্বের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ফলে সে সময় প্রকাশিত কোনো সংবাদেই সামরিক অবকাঠামোর ক্ষতি বা কোনো সেনা কর্মকর্তা হতাহত হয়েছে কিনা তা বিন্দুমাত্র উল্লেখ করা হয়নি।

    তেল আবিবের ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকার ঠিক মাঝখানে এমন একটি অতিসংবেদনশীল সামরিক গোয়েন্দা ঘাঁটি লুকিয়ে রাখার বিষয়টি এখন ইসরাইলের সাধারণ নাগরিক ও বেসামরিক মানুষের জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

    ক্ষয়ক্ষতির ধরন এবং নিখুঁত নিশানা বিশ্লেষণ করে স্পাইটকের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরানি এই হামলায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না, বরং তেল আবিবের বুকে লুকিয়ে থাকা ইসরাইলের এই অন্যতম প্রধান ও সংবেদনশীল গোয়েন্দা কেন্দ্রটিই ছিল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের প্রকৃত লক্ষ্যবস্তু।

  • ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে: মার্কো রুবিও

    ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে: মার্কো রুবিও

    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ‘এপিক ফিউরি’ শেষ হয়েছে এবং এখন আর ইরানের ভেতরে ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে না।

    মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিকে রুবিও বলেন, ‘আমরা এখন আর ইরানের ভেতরে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছি না, কারণ এপিক ফিউরি শেষ হয়েছে।’ তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযানে ‘বিজয় অর্জন করেছে’।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধ শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ অভিযানের মাধ্যমে, যা পরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

    রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প অবকাঠামো ধ্বংস করা, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারের সংখ্যা কমানো এবং ড্রোন মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো। তার দাবি, এসব লক্ষ্য পূরণ হয়েছে, পাশাপাশি ইরানের বাকি থাকা বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর সক্ষমতাও ধ্বংস করা হয়েছে।

    তবে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। তাদের দাবি, সংঘাত এখনো চলমান। তাদের মতে, বুধবার কুয়েতের একটি বিমানবন্দরে ইরানের হামলায় একজন নিহত এবং ৬৩ জন আহত হয়েছে, যা উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

    এছাড়া বাহরাইনেও রাতের বেলায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।

    ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারা জ্যাকবস বলেন, নাম পরিবর্তন করলেও বাস্তবতা বদলায় না। তার ভাষায়, ‘স্ট্রেইট অব হরমুজ এখনো বন্ধ, আর আমাদের সেনারা এখনো ঝুঁকির মধ্যে আছে।’

    রুবিও কংগ্রেসকে আরও জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি হয়নি।

    যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অনুযায়ী, শান্তি চুক্তির জন্য ইরানকে তাদের প্রায় অস্ত্র-যোগ্য ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে, পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে হবে।

    অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, আলোচনায় বসার আগে তাদের ১২ বিলিয়ন ডলার অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই মন্তব্যও প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত ধ্বংস করা হবে।


    আরও পড়ুন · নির্ভরযোগ্য সূত্র:

  • বাজেট সংকটের মুখে পেন্টাগন

    বাজেট সংকটের মুখে পেন্টাগন

    ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়ায় ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপের সম্মুখীন হচ্ছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সামরিক বাহিনীর পরিশোধিত গড় জ্বালানির দাম অক্টোবরে ছিল ব্যারেল প্রতি ১৫৪ দশমিক ১৪ ডলার। এপ্রিলে তা বেড়ে ১৯৫ দশমিক ৭২ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

    ইরান যুদ্ধের সময় জ্বালানির দাম বেড়েছে। যার ফলে সামরিক বিমান, ট্যাঙ্ক এবং অন্যান্য সরঞ্জাম পরিচালনার জন্য এই বছর সম্ভাব্য এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অপ্রত্যাশিত বাড়তি খরচ হতে পারে। প্রতিরক্ষা বিভাগ বছরে প্রায় ৮০ মিলিয়ন ব্যারেল জ্বালানি ব্যবহার করে বলে জানা গেছে।

    সামরিক নেতারা ক্রমবর্ধমান বেসামরিক জ্বালানি এবং বাণিজ্যিক বিমান ভাড়ার খরচ নিয়েও লড়াই করছেন। যেহেতু সেনারা প্রায়শই প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য বাণিজ্যিক ফ্লাইট, ভাড়া করা গাড়ি এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভর করেন, তাই জ্বালানির দাম বৃদ্ধি বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

    এর ফলে, ভ্রমণ ব্যয় তীব্র পর্যালোচনার আওতায় এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, অন্তত এপ্রিল মাস থেকে কিছু ইউনিট খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানের ভ্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে বা বাতিল করেছে।

  • বাংলাদেশের হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য, মমতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

    বাংলাদেশের হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য, মমতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

    বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যা প্রসঙ্গে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতাসহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের আইনজীবী রিংকু চ্যাটার্জি সিং শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনমনে বিভ্রান্তি ও বিদ্বেষ সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভারত সরকার ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জড়িয়ে দেওয়া তাঁর বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    অভিযোগকারীর দাবি, মমতার মন্তব্য প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দুই দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৫২, ১৫৩, ১৫৩(এ), ১৯১, ১৯২, ১৯৬, ৩৫১, ৩৫২ ও ৩৫৩ ধারাসহ একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, সম্প্রীতি ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার মতো অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় এক মাস পর একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওসমান হাদি হত্যা প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত কয়েকজনকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গ্রেপ্তার করেছিল। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে ফোন করে বিষয়টি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    মমতা আরও দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মেঘালয় সীমান্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছিলেন এবং পরে এসটিএফ তাদের আটক করে। তবে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেননি। তাঁর ভাষ্য, ওই নাম প্রকাশ করা হলে বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।

  • মোদি আর এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না: রাহুল গান্ধী

    মোদি আর এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না: রাহুল গান্ধী

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর এক বছরেরও বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারছেন না বলে দাবি করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, যে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর ভর করে সরকার পরিচালিত হচ্ছিল, তা এখন ভেতর থেকেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে প্রধানমন্ত্রী জরুরি অবস্থার মতো কঠোর পদক্ষেপও নিতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

    নয়াদিল্লিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেখানকার অনেকেই বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তথ্য ভাগাভাগি করছেন। তাঁর ভাষায়, “দেশে সিস্টেমের মধ্যে একটি সংঘবদ্ধ বিক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। যে সিস্টেম একসময় নরেন্দ্র মোদি নিয়ন্ত্রণ করতেন, সেই সিস্টেমই এখন আমাকে তাঁর সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছে। গোটা ব্যবস্থার ভেতর থেকে একটি বড় ঝাঁকুনি আসতে চলেছে।”

    তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য নিয়মিতভাবে তাঁর কাছে পৌঁছাচ্ছে। এসব ঘটনার ভিত্তিতে রাহুল গান্ধীর মন্তব্য, “আমার হিসাবে নরেন্দ্র মোদি আর এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না।”

    এখানেই থেমে থাকেননি রাহুল গান্ধী। তিনি আরও দাবি করেন, “যে নির্বাচন কমিশনকে মোদি নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন বলে মনে করা হয়, সেই নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকেও আমার কাছে বার্তা আসে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও তদন্তকারী প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও নিয়মিত তথ্য পাঠান।”

    রাহুলের বক্তব্য, মোদি এখন চরম অস্বস্তির মধ্যে রয়েছেন, কারণ তিনি বুঝতে পারছেন যে দীর্ঘদিন ধরে যে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামো তাঁর নিয়ন্ত্রণে ছিল, সেটি ভেঙে পড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে জনঅসন্তোষ মোকাবিলায় সরকার জরুরি অবস্থার মতো কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    উল্লেখ্য, ভারতে সর্বশেষ জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ২৬ জুন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

  • মাধ্যমিক পরীক্ষায় ফল কেলেঙ্কারি

    মাধ্যমিক পরীক্ষায় ফল কেলেঙ্কারি

    শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে মোদি

    ডেস্ক নিউজ:

    ভারতের অন্যতম বৃহত্তম স্কুল সমাপনী পরীক্ষার বোর্ড ‘সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন’ (সিবিএসই)-এর ফল প্রকাশের পর দেশজুড়ে তীব্র শিক্ষার্থী অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফল গত ১৩ মে প্রকাশের পর থেকে একের পর এক জালিয়াতি ও অব্যবস্থাপনার তথ্য সামনে আসায় এই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ডিজিটাল খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া তাড়াহুড়ো করে চালুর জেরে ১৭ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জোরালো হচ্ছে।

    ৩০ হাজারেরও বেশি স্কুল অনুমোদিত সিবিএসই বোর্ড এ বছর কোটি কোটি উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ‘অন-স্ক্রিন মার্কিং’ (ওএসএম) পদ্ধতি চালু করে। এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার খাতা স্ক্যান করে ডিজিটাল ইমেজে রূপান্তর করে একটি প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা হয় এবং পরীক্ষকেরা কম্পিউটারে তা মূল্যায়ন করেন। তবে ঝাপসা স্ক্যান, প্রযুক্তিগত ত্রুটি, সার্ভার ডাউন এবং সময়মতো সমস্যার সমাধান না হওয়ায় পুরো ফলাফল ব্যবস্থার ওপর সন্দেহের ছায়া নেমে এসেছে।

    পরীক্ষার মাত্র ছয় মাস আগে সিবিএসই নিয়ম শিথিল করে হায়দরাবাদভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘কোয়েম্পট এদু তেক’-কে এই কাজের দায়িত্ব দেয়। এই প্রতিষ্ঠানটির পূর্ব ইতিহাস বেশ বিতর্কিত। ২০১৯ সালের এপ্রিলে তেলেঙ্গানা রাজ্যে এক পরীক্ষার খাতা ডিজিটালাইজেশনের দায়িত্বে ছিল ‘গ্লোবারেনা টেকনোলজিস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে ত্রুটিপূর্ণ ফলের কারণে ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করে এবং অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। পরবর্তীতে এই প্রতিষ্ঠানটিই নাম পরিবর্তন করে ‘কোয়েম্পট এদু তেক’ রাখা হয় এবং তারা সিবিএসই-এর এই কাজের কাজ পায়।

    একাডেমিক ও শিক্ষকেরা ওএসএম পদ্ধতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তবে এবার শিক্ষার্থীরা নিজেরাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই জালিয়াতি ও অবহেলা প্রকাশ্যে এনেছে।

    বেদান্ত শ্রীবাস্তব নামে এক শিক্ষার্থী পরীক্ষার খাতা পর্যালোচনার আবেদন করার পর দেখতে পান, সিবিএসই তাকে যে স্ক্যান কপি পাঠিয়েছে তা আসলে তার খাতাই নয়, হস্তাক্ষর সম্পূর্ণ ভিন্ন। এক্সে (সাবেক টুইটার) তার এই পোস্ট ১৩ হাজারের বেশি বার শেয়ার হওয়ার পর সিবিএসই ভুল স্বীকার করে এবং ম্যানুয়ালি খাতা দেখে তার ফল সংশোধন করে।

    রাঁচির ১৮ বছর বয়সি তরুণ শিক্ষার্থী সার্থাক সিদ্ধান্ত তার ব্লগে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে দেখান যে, কীভাবে একটি বড় সরকারি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব নিয়মাবলী পরিবর্তন করে একটি কালো তালিকাভুক্ত বা বিতর্কিত সংস্থাকে জাতীয় স্তরের পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।বেঙ্গালুরুর ১৯ বছর বয়সি তরুণ নিসর্গ অধিকারী সিবিএসই-এর অন-স্ক্রিন মার্কিং পোর্টালের নিরাপত্তা ত্রুটি বা দুর্বলতা উন্মোচন করেন। তিনি দেখান যে কীভাবে মাস্টার পাসওয়ার্ড ভেঙে পরীক্ষক হিসেবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নম্বর পরিবর্তন করা সম্ভব। গত ফেব্রুয়ারিতে তিনি সিবিএসই-কে বিষয়টি জানালেও ফল প্রকাশের পর পর্যন্ত তার সমাধান করা হয়নি।

    ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি কেন্দ্রের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রণেশ প্রকাশ আল জাজিরাকে জানান, ভারতের সিস্টেমে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা নিরাপত্তা দুর্বলতা ধরিয়ে দেওয়ার জন্য গবেষকদের উৎসাহিত করার কোনো ব্যবস্থা নেই।

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অপূর্বানন্দ বলেন, ‘এই বিপর্যয় কোনো একক ঘটনা নয়। শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ‘ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি’ (এনটিএ) জাতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও প্রশ্ন ফাঁসের কারণে আগে থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে।’তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থা হারিয়েছে এবং যেকোনো ধরণের ভিন্নমতের প্রকাশকে এখানে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এমনকি এক শিক্ষার্থী খাতার অমিল নিয়ে সরব হলে সরকারি চ্যানেল দূরদর্শনের এক সঞ্চালক তাকে ‘পাকিস্তানি’ বলে আখ্যা দেন, যদিও পরবর্তীতে সিবিএসই ভুল স্বীকার করার পর তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

    এই তীব্র বিতর্কের মুখে সরকার গত মঙ্গলবার সিবিএসই-এর চেয়ারম্যান ও সচিবকে অন্য দপ্তরে বদলি করেছে। তবে বিরোধী দলগুলো একে ‘আসল অপরাধী’ শিক্ষামন্ত্রীকে বাঁচানোর এবং আমলাদের বলির পাঁঠা বানিয়ে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা বলে তীব্র সমালোচনা করেছে।

    লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘আমাদের দাবি এখনো একই, শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করা হোক এবং একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক।’

    আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, এই বদলি কোটি কোটি শিশু ও তাদের অভিভাবকদের ক্ষতে নুনের ছিটা দেওয়ার মতো এবং এর মাধ্যমে সরকার বার্তা দিচ্ছে যে তারা শিক্ষামন্ত্রীকে পরিবর্তন করবে না।

    এদিকে ফল প্রকাশের পর থেকে সিবিএসই-এর খাতা পুনঃমূল্যায়নের ওয়েবসাইটটি ডাউন থাকায় অনেক অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থী আবেদনও করতে পারছে না, যার ফলে তাদের মনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • মাদরাসা শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা প্রকাশ

    মাদরাসা শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি মাদরাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা জারি করেছে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভুল সংশোধন করে নতুন করে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে এ বদলি নীতিমালা জারি করা হয়।

    এর আগে, গত ২ জুন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা প্রকাশিত হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের একটি সূত্র জানায়, ইনডেক্সধারী সব শিক্ষকই বদলির সুযোগ পাবেন। নীতিমালায় ভাষাগত ভুল থাকায় বিষয়টি সংশোধন করে পুনরায় নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

  • শিক্ষার্থীদের জন্য মিড ডে মিল চালুর আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

    শিক্ষার্থীদের জন্য মিড ডে মিল চালুর আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের মধ্যে সারাদেশে শিশুদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হবে বলে আস্বাস দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুর ন্যাশনাল বাংলা স্কুলে আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

    বিগত সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের ড্রপ আউটের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিলো, বর্তমান সরকার সবার আগে শিশুদের শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে – এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে শিশুদের স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করা হবে এবং এ বছরের মধ্যে সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হবে।

    তিনি বলেন, শিক্ষাকে আনন্দময় করতে খেলাধুলাকে কারিকুলামে যুক্ত করা হবে, শিক্ষার্থীরা যাতে হাসতে হাসতে শিখতে পারে সেজন্য সকল পদক্ষেপ নিবে সরকার।

    আজকের শিশুরাই আগামীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

    আর প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, সরকার এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেন শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমত বিষয় নিয়ে নিজেকে তৈরি করতে পারে।

  • বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

    বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা মার্কিন বাণিজ্য ও শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিকর। খবর রয়টার্সের।

    মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর জানায়, তাদের পরিচালিত সেকশন ৩০১ তদন্তে এ ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, কম্বোডিয়া, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়াসহ ১৫টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। বাকি ৪৫টি দেশের ক্ষেত্রে শুল্কের হার হবে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।

    এক বিবৃতিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। তবে প্রস্তাবিত শুল্ক থেকে জ্বালানি, বিরল খনিজ, কিছু ধাতু, গরুর মাংস, কফি, নির্দিষ্ট ফল ও সবজি, ওষুধ, জৈব রাসায়নিক এবং বিমানযন্ত্রাংশকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    এছাড়া পোশাক ও বস্ত্র খাতের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে, যার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ আমদানি কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

    মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত শুল্ক নিয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত জনমত গ্রহণ করা হবে এবং ৭ জুলাই একটি প্রকাশ্য শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে।

  • তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি বাতিল

    তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি বাতিল

    পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় সংকট ও অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা নিয়েছে দলটি। একই সঙ্গে সংগঠনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে কর্মমূল্যায় ও সাংগঠনিক পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    বুধবার দলীয় নেতৃত্ব জানায়, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সব স্তরের কমিটি এবং এর সহযোগী ও শাখা সংগঠনগুলোর কমিটি অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। পর্যালোচনা কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করা হবে।

    এ সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন দলের কয়েকজন বিধায়ক প্রকাশ্যে নেতৃত্বের সমালোচনা করছেন। বিদ্রোহী বিধায়কদের একটি অংশ ইতোমধ্যে বিধানসভার স্পিকারের কাছে পৃথক পরিষদীয় দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন জানিয়েছে। এতে দলের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও প্রকট হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূলের ভেতরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। একাধিক নেতা ও বিধায়ক নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত, প্রার্থী নির্বাচন এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এর ফলে সাংগঠনিক দুর্বলতা নিয়ে দলীয় অঙ্গনেই আলোচনা শুরু হয়।

    দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, জেলা থেকে বুথ পর্যায় পর্যন্ত পুরো সংগঠন নতুনভাবে পুনর্গঠন করা হবে। মাঠপর্যায়ে কারা সক্রিয় ছিলেন, কারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং কোথায় কোথায় সাংগঠনিক ঘাটতি রয়েছে—সেসব বিষয় বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অতীতেও সাংগঠনিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি জটিল। নির্বাচনী পরাজয়, বিধায়কদের বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন—সব মিলিয়ে তৃণমূল বর্তমানে কঠিন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এখন সবার নজর থাকবে পুনর্গঠনের পর তৃণমূল কতটা ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে এবং বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে নেতৃত্বের সম্পর্ক কোন দিকে গড়ায়।

  • রুশ হামলার পর ইউক্রেনে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে

    রুশ হামলার পর ইউক্রেনে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে

    ইউক্রেনে রাশিয়ার সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলার পর আকস্মিক সফরে কিয়েভ পৌঁছেছেন ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে। বুধবার তার এই সফরের কথা নিশ্চিত করেছে ন্যাটো ও ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে রুটের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে দেশকে রক্ষার জন্য জেলেনস্কি দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর কাছে আরও সহায়তা চেয়ে আসছেন।

    ন্যাটোর এক মুখপাত্র জানান, জোটভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে নিয়ে রুটে কিয়েভে পৌঁছেছেন। এর আগে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে অপারেটর উক্রজালিজনিতসিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার আগমনের ছবি প্রকাশ করেছিল।

    প্রতিষ্ঠানটি এক পোস্টে লিখেছিল, “আমরা ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটেকে স্বাগত জানাই।” পরে তারা এই সফরকে ইউক্রেনের প্রতি ন্যাটোর সংহতি ও সমর্থনের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে উল্লেখ করে। তবে পোস্টটি পরে মুছে ফেলা হয়।

    রুটের এই সফর এমন এক সময়ে হলো, যখন ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর সেন্ট পিটার্সবার্গের কয়েকটি জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই শহরে তখন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ফোরামে রুশ কর্মকর্তা ও বিদেশি অতিথিরা জড়ো হচ্ছিলেন।

    অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কিয়েভ এবং পূর্বাঞ্চলীয় শহর দিনিপ্রোতে অন্তত ২৩ জন নিহত হন।

    ইউক্রেন বলছে, রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তাদের আরও উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং এর গোলাবারুদ সরবরাহ বাড়ানোর জন্য ন্যাটো সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।

  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের ‘পড ফোর্স ওয়ান’ নামে একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত মোজতবার খামেনির সঙ্গে তার সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি। তবে সুযোগ হলে তিনি অবশ্যই তার সঙ্গে দেখা করতে চান। ভবিষ্যতে কোনো এক সময় এ সাক্ষাৎ হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

    খামেনির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি না, তার সঙ্গে আমার দেখা করার সৌভাগ্য কবে হবে। তবে ইরানের সঙ্গে আমাদের যে আলোচনা চলছে, এতে অবশ্যই যুক্ত আছেন মোজতবা। আমি মনে করি, তাকে ইরানিরা অনেক সম্মান করেন। তবে যেসব গল্প শোনা যায়, যদি সেগুলো সত্য হয় তাহলে হয়ত মোজতবা তার শরীরের অনেক অঙ্গ হারিয়েছেন’।

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অতর্কিত হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনী। সেই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ তার পরিবারের অনেকে নিহত হয়। তবে সেইদিন অল্পের জন্য বেঁচে যান তার ছেলে মোজতবা খামেনি।

    এরপর গত ৮ মার্চ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করে তেহরান। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে বার্তা দিয়ে আসছেন তিনি, যেগুলো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের পড়ে শোনানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত নতুন সর্বোচ্চ নেতা কোনো ছবি, ভিডিও বা অডিও রেকর্ডিং প্রকাশিত হয়নি।


    আরও পড়ুন · নির্ভরযোগ্য সূত্র:

  • উলিপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত কিশোর গ্রেফতার

    উলিপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত কিশোর গ্রেফতার

    কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ আরাফাত হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে।

    বুধবার (৩ জুন) তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এছাড়া ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুটি বর্তমানে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    এর আগে, মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে পৌরসভার জোনাইডাঙ্গা রেলস্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় শিশুটি বাড়ির আশপাশে অন্যান্য ছেলে-মেয়েদের সাথে খেলছিল।

    অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিবেশী কিশোর আরাফাত তাকে প্রলোভন দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি বন্ধ মাদরাসার নির্মাণাধীন ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ভয় দেখিয়ে ও মারধর করে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির পায়ুপথ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকলে কিশোর তাকে কাউকে কিছু না জানানোর হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়।

    পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে পুরো ঘটনা পরিবারকে জানালে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    ঘটনার দিন (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় শিশুটির বাবা উলিপুর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত কিশোর আরাফাতকে গ্রেফতার করে। জানা গেছে, গ্রেফতার কিশোর ওই এলাকার সোহেল রানার ছেলে।

    কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: নুর নেওয়াজ বলেন, শিশুটির চিকিৎসা চলছে এবং বর্তমানে সে সুস্থ আছে।

    উলিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কিশোর ঘোষ জানান, গ্রেফতার কিশোরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • মহেশপুর সীমান্তে বিদেশী পিস্তলসহ আটক ১

    মহেশপুর সীমান্তে বিদেশী পিস্তলসহ আটক ১

    ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত এলাকা থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ রফিকুল ইসলাম (৩২) নামে এক অস্ত্র কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    আটক রফিকুল ইসলাম মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাংঙ্গা গ্রামের শামসুল মণ্ডলের ছেলে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার ভোরে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির বাঘাডাঙ্গা ক্যাম্পের একটি টহল দল সীমান্ত পিলার ৬০/৮১-আর এলাকার বাংলাদেশ অংশের বেনোপাড়া মাঠে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বেনাপোডা মাঠের ঘাসক্ষেত থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিনসহ অস্ত্র কারবারি রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়।

    মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আটক রফিকুল ইসলামকে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

  • কুড়িগ্রামে বজ্রপাতে কৃষক ও ২ গরুর মৃত্যু

    কুড়িগ্রামে বজ্রপাতে কৃষক ও ২ গরুর মৃত্যু

    কুড়িগ্রামে বজ্রপাতে আনোয়ার হোসেন (৪৪) নামে এক কৃষক ও দু’টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে জেলার ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত কৃষক আনোয়ার হোসেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের পূর্বকেদার গ্রামের মরহুম হোসেন আলীর ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে ফাঁকা মাঠে বাঁধা গরু আনতে যান আনোয়ার হোসেন। গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বজ্রপাতে তার কোমর থেকে বুক পর্যন্ত ঝলসে যায়।

    বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মেম্বার আব্দুর রাজ্জাক জানান, বজ্রপাতের সময় তারা কয়েকজন মাত্র দুই শ’ গজ দূরে অবস্থান করছিলেন। বজ্রপাতের বিকট শব্দে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

    এদিকে একই সময়ে জেলার নাগেশ্বরী উপজেলায় বজ্রপাতে পৃথক স্থানে দু’টি গরু মারা যায়। উপজেলার কেদার ইউনিয়নের পশ্চিম বিষ্ণুপুর গ্রামের আনছার আলীর একটি ও কালীগঞ্জ ইউনিয়নের কমেদপুর বেগুনীপাড়া গ্রামের সন্তোষ কাপালীর একটি গরু বজ্রপাতে মারা গেছে বলে জানা গেছে।

    কচাকাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অর্পণ কুমার দাস কৃষক আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

    এ আর,

  • গায়েব মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা!

    গায়েব মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা!

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে উধাও হয়ে গেছে মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালার প্রজ্ঞাপন। তবে কী কারণে এমন হলো তা জানা যায়নি।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে নীতিমালাটি পাওয়া যায়নি।

    এর আগে এদিন বিকেলে নীতিমালাটি প্রকাশ করা হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে।

    কারিগরি শিক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, টেকনিক্যাল কোনো কারণে এটা হতে পারে। অগামীকাল ফের শিক্ষকরা এ নীতিমালা দেখতে পাবেন।

    এদিকে প্রকাশিত নীতিমালায় বলা হয়েছিলো, শুধুমাত্র এনটিআরসিএ’র সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এ নীতিমালার আওতায় বদলি আবেদন করতে পারবেন।

  • ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন আশার আলো

    ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন আশার আলো

    ক্যানসার চিকিৎসায় এক যুগান্তকারী সাফল্যের ইঙ্গিত দিয়েছেন গবেষকরা। গবেষণায় নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে এমন একটি “স্মার্ট ড্রাগ”, যা ক্যানসার কোষের লুকিয়ে থাকার ক্ষমতা নষ্ট করে ইমিউনোথেরাপিকে আরও কার্যকর করতে সাহায্য করছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধ টিউমারের আকার অন্তত ৩০% পর্যন্ত কমাতে সক্ষম।

    গবেষকদের মতে, ক্যানসার কোষ সাধারণত শরীরের ইমিউন সিস্টেমের চোখ এড়িয়ে নিজেকে “অদৃশ্য” করে রাখে। নতুন এই ওষুধ সেই অদৃশ্যতা বা “ইনভিজিবিলিটি ক্লোক” ভেঙে দেয়, ফলে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহজেই ক্যানসার কোষ শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে।

    ৬ ধরনের ক্যানসারে ইতিবাচক ফল

    যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, স্পেন ও অস্ট্রেলিয়ায় পরিচালিত একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ৮৩ জন রোগী অংশ নেন। তারা ছিলেন জরায়ু, মূত্রথলি, লিভার, অন্ত্র, ফুসফুস এবং মাথা-ঘাড় ক্যানসারে আক্রান্ত।

    রোগীদের দেওয়া হয় পরীক্ষামূলক ওষুধ জিআরডব্লিউডি ৫৭৬৯, যা ইমিউনোথেরাপি ওষুধ সেমিপ্লিম্যাবের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করা হয়।

    গবেষণায় দেখা যায়, ২৬ জন রোগীর টিউমার সঙ্কুচিত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ১৫ জনের ক্ষেত্রে টিউমারের আকার কমেছে অন্তত ৩০%।

    গবেষণায় অংশ নেওয়া সব রোগীই আগে প্রচলিত চিকিৎসায় সাড়া পাননি এবং অনেকের জন্য অন্য কোনো চিকিৎসার পথও ছিল না। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো—যাদের ওপর ইমিউনোথেরাপি আগে কাজ করেনি বা পরে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও এই ওষুধ কার্যকর হয়েছে।

    কীভাবে কাজ করে এই ওষুধ

    ক্যানসার কোষ সাধারণত একটি এনজাইম ইআরএপি১ (এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম অ্যামিনোপেপটিডেজ-১) পরিবর্তন করে নিজেকে ইমিউন সিস্টেমের চোখ থেকে আড়াল করে। নতুন ওষুধটি এই এনজাইমকে বাধা দেয়, ফলে ক্যানসার কোষের “অদৃশ্যতা ঢাল” ভেঙে যায় এবং টি-সেলগুলো সহজেই কোষগুলোকে শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়া

    গবেষণার প্রধান গবেষক প্রফেসর ফিওনা থিস্টলথওয়েট বলেন, এটি মুখে খাওয়ার ওষুধ হওয়ায় রোগীদের জন্য সহজ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে খুবই আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে।

    আরেক গবেষক প্রফেসর স্টেফান সিমেওনাইডস এটিকে “উত্তেজনাপূর্ণ অগ্রগতি” বলে মন্তব্য করেছেন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ের গবেষণা হলেও বিভিন্ন ধরনের কঠিন ক্যানসারে একসঙ্গে ইতিবাচক ফল পাওয়া অত্যন্ত বিরল।

    গবেষকরা বলছেন, ওষুধটি এখনো বৃহত্তর পর্যায়ের পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে। ভবিষ্যতে এটি সফল হলে ইমিউনোথেরাপির কার্যকারিতা বহু রোগীর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

    তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান