২০১৩ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি দেশটির ক্ষমতায় আসেন।
এরপর এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতা আঁকড়ে থেকেছেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। অবশেষে তিনি ক্ষমতা ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) মিসরের সামরিক একাডেমিতে এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।
৭১ বছর বয়সি সিসি জানান, ২০৩০ সালে তার প্রেসিডেন্সির মেয়াদ শেষ হবে। ক্ষমতা থেকে তার সরে যাওয়ার বিষয়টি এখন নিষ্পন্ন। এ নিয়ে আর আলোচনার সুযোগ নেই।
সিসি বলেন, ‘মিসরের সংবিধানে কোনো হাত দেওয়া হবে না।’ তার প্রেসিডেন্সির বর্তমান মেয়াদকাল ৬ বছর। মিসরের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘২০৩০ সালে আমার প্রেসিডেন্সিয়াল মেয়াদ শেষ হবে। বিষয়টি পুরোপুরি চূড়ান্ত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মিসরকে ততক্ষণ পর্যন্ত ছেড়ে যাব না, যতক্ষণ না যোগ্য মানুষ দেশটির দায়িত্ব কাঁধে তুলে না নেয়।’ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রাক্কলন অনুযায়ী, মিসরের কারাগারগুলোতে ৬০ হাজারেরও বেশি ‘রাজনৈতিক বন্দি‘ আটক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ১ হাজারেরও বেশি নারী।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসি এবং বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন নেতাসহ অনেক বন্দিই কারাগারে চিকিৎসা অবহেলা ও অমানবিক পরিস্থিতির কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। এই অঞ্চলে এক অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেই সিসির এই মন্তব্য এলো।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
