সোহেল কি সত্যিই আটক?

সংবাদ সম্মেলনে সোহেল আফ্রিদি

প্রতিবেদন:

·

, ,

সোহেল আফ্রিদি—পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) গুরুত্বপূর্ণ নেতা তিনি।

গতকাল রোববার খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দিয়েছে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার। জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। সেই সঙ্গে গভর্নরের শাসন। পিটিআইয়ের অভিযোগ, সোহেল আফ্রিদিকে আটক করেছে পুলিশ। তবে সদ্য ক্ষমতা হারানো মুখ্যমন্ত্রীর ‘খোঁজ’ পাওয়া যাচ্ছে না।

পরে পিটিআই এক বিবৃতিতে সোহেল আফ্রিদি ও দলের অন্য নেতাদের ‘আটকের’ তীব্র সমালোচনা করে। বিবৃতিতে বলা হয়, এটি ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ এবং ‘প্রদেশের নির্বাচিত নেতৃত্ব ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা’।

পিটিআইয়ের মুখপাত্র শেখ ওয়াকাস আকরামের বরাতে বলা হয়, সোহেল আফ্রিদির ‘আটকের’ ঘটনাকে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

‘এই ঘটনাপ্রবাহ নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাশ কাটানো এবং প্রদেশের সাংবিধানিক কর্তৃত্বকে ক্ষুণ্ন করার একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার প্রতিফলন,’ বিবৃতিতে বলেছেন শেখ ওয়াকাস আকরাম। তিনি সোহেল আফ্রিদিসহ ‘আটক’ হওয়া সবার ‘দ্রুত ও নিঃশর্ত’ মুক্তি চেয়েছেন।

পিটিআইয়ের দাপ্তরিক এক্স অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও ক্লিপে দলের মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা বলেন, ‘সোহেল আফ্রিদি কোথায় আছেন, তাঁকে কী অবস্থায় রাখা হয়েছে—আমরা কিছুই জানি না। জুনায়েদ আকবরেরও কোনো খোঁজ নেই।’

জানতে চাইলে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তালাল চৌধুরী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।’ তবে তাঁদের মধ্যে সোহেল আফ্রিদি আছেন কি না, সেটা জানাননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তালাল চৌধুরী জানান, যাঁদের আগের অপরাধের কোনো রেকর্ড নেই এবং যাঁরা ‘ওয়ান্টেড’ নন, তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ