অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পরিবার বা নির্ভরশীল সদস্যদের দেশটিতে নিয়ে আসার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে দেশটির লেবার সরকার। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
ক্রমবর্ধমান অভিবাসন চাপ সামাল দিতে এবং নেট অভিবাসন হার কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এই নতুন নীতিমালার বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
মূলত চাহিদার ওপর নির্ভর করে চলা অভিবাসন নীতি থেকে সরে এসে সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে কোটা নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে দেশে আগমন ও প্রস্থানের সংখ্যা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
সরকারের লক্ষ্য, আগামী দুই বছরের মধ্যে নেট অভিবাসন বর্তমানের প্রায় তিন লাখ পাঁচ হাজার থেকে কমিয়ে দুই লাখ পঁচিশ হাজারে নামিয়ে আনা। গত বছর দেশটিতে প্রায় তিন লাখ ৩৭ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভিসা পেলেও এর বড় একটা অংশ ছিল পরিবারের সদস্যদের জন্য। নতুন নিয়মে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে একা অস্ট্রেলিয়ায় আসার শর্ত পূরণ করতে হবে।
এর পাশাপাশি, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর ক্যাটাগরি পরিবর্তনের সুযোগ বন্ধ করা এবং অবৈধ বা দীর্ঘমেয়াদি আপিল প্রক্রিয়া সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এই কড়াকড়ির ফলে অর্থনীতি ও বিভিন্ন খাতে দক্ষ শ্রমিকের ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
