জ্বালানি সংকট, লোডশেডিং নিয়ে সংসদে সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের বিষয়ে- দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না— টুকু আসে, টুকু যায়। এই আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জ্বালানি সংকট নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, যখন তেলের দাম বাড়ছে, যখন বিদ্যুতের জন্য হাহাকার, যখন গ্যাস পাওয়া যায় না। তখন ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতি যে সরকার দিয়েছিল নির্বাচনে। সে সরকার ক্ষমতায় আসার ৬ মাসের মধ্যে ৬২ হাজার লোক চাকরি হারিয়েছে। ৯০০ এর উপরে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে? যারা চাকরি করছেন, তাদের চাকরি কতদিন থাকবে আল্লাহ মাবুদ জানেন।
তিনি বলেন, এ সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারের মধ্যে তিনটি কাজের একটি হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন; দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তা। আইন শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুশকিল হয়, আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আছেন— তিনি হয় ব্যঙ্গ করেন, না হলে বাক চাতুর্য দিয়ে পুরো বিষয়টি ঢেকে দিতে চান। কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেমন তিনজন মন্ত্রী আছেন, ৬৪ জেলায় ৬৪ জন আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী থাকলে কেবল মন্দ হত না। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এত ভালো অবস্থা।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। ডিমের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। চালের দামও বেড়েছে। বিশেষ করে মিনিকেট চালের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে টিসিবির পণ্যের জন্য মানুষের দীর্ঘ লাইনের কথাও উল্লেখ করেন এই সংসদ সদস্য।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
