হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে গতকাল ছয়টিতে নেমে এসেছে। তবে গত ১০ দিনের গড় হিসাবে প্রতিদিন প্রায় ১১টি জাহাজ এ জলপথ দিয়ে চলাচল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা কমে আসার মধ্যেই জাহাজ চলাচলে এ পতন দেখা গেছে। খবর রয়টার্স।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্যানুযায়ী, আজ গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিট পর্যন্ত চারটি পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে দুটি ছিল খালি তেলজাত পণ্যবাহী ট্যাংকার। অন্যদিকে, দুটি জাহাজ প্রণালি দিয়ে বেরিয়ে গেছে। এর একটি ছিল এলপিজি বহনকারী ছোট ট্যাংকার এবং অন্যটি পরিশোধনের পর থাকা অবশিষ্ট ভারি জ্বালানি তেল (রেসিডুয়াল ফুয়েল) বহন করছিল।
এদিকে সোমবার লোহিত সাগরের বাব এল-মানদেব প্রণালি দিয়ে ২৫টি জাহাজ চলাচল করেছে। গত ১০ দিনের দৈনিক গড় প্রায় ২৪টি জাহাজের তুলনায় এই সংখ্যা মোটামুটি অপরিবর্তিত রয়েছে বলে কেপলারের তথ্যে দেখা গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শান্তিচুক্তির বিষয়ে ইরানের দেয়া শর্তের জবাবে নিজেদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিভিন্ন যুদ্ধ, হামলা ও বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তিদের জন্য ইরানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
সম্প্রতি আবারো যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি তুলেলে তেহরান। এর পর ট্রাম্প এ প্রস্তাব দেন। ইরানের দাবিগুলো জুনে স্বাক্ষরিত একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তির শর্তের সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে ওই চুক্তি পরে ভেঙে যায়।
ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। কখনো তিনি সংঘাত আরো বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন, আবার কখনো বলেছেন, শান্তিচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
