সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলার সময় ইতালির একটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো।
শুক্রবার ইতালির বার্তা সংস্থা আনসার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের তাইফ বিমানঘাঁটির পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন ক্রোসেত্তো। ওই ঘাঁটিতে ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’-এর অংশ হিসেবে ইতালির সামরিক সদস্যরা অবস্থান করছেন। ঘাঁটিটি সম্প্রতি একাধিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
তবে হামলায় কোনো ইতালীয় সেনা জড়িত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন ক্রোসেত্তো।
তিনি বলেন, হামলার সময় ঘাঁটির একটি দূরবর্তী এলাকায় থাকা ইতালির একটি এফ-২০০০ যুদ্ধবিমান আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। তবে ইতালীয় সামরিক সদস্যদের ব্যবহৃত অন্য কোনো যানবাহন বা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
ক্রোসেত্তো জানান, পরিস্থিতির মূল্যায়নের পর সেখানে থাকা ইতালীয় সামরিক সদস্যদের অবস্থা এবং সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তাকে বিস্তারিত জানাতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সামরিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা বেশ কিছুদিন আগেই নেওয়া হয়েছিল বলে তাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সামরিক সদস্যদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে পরিস্থিতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’
আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সৌদি আরব ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে। এসব হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করা হয়েছে।
এদিকে, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে জুলাইয়ের শুরু থেকে লড়াইও তীব্র হয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে যে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি বজায় ছিল, নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় তারও অবসান ঘটেছে।
