রাজধানীর রামপুরায় তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করেন গৃহকর্মী খালেদা বেগম ও নিরাপত্তাকর্মী আলফাজ। দুজনের মাসিক আয় সবমিলিয়ে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। তাদের দুই সন্তান স্কুলে পড়াশোনা করে, যার পেছনে মাসে খরচ হয় সাড়ে তিন থেকে চার হাজার টাকা। জুলাই পর্যন্ত বাসাভাড়া ছিল সাত হাজার টাকা। সেপ্টেম্বর থেকে তা বেড়ে হয়েছে আট হাজার টাকা। এছাড়া, হাঁপানিতে আক্রান্ত আলফাজের ওষুধের পেছনে মাসে খরচ হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। সব খরচ মেটানোর পর পাঁচ সদস্যের পরিবারের খাবারসহ অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে হাতে থাকে সামান্য কিছু টাকা।
বাজারে নিত্যপণ্যের দাম লাগাতার বাড়লেও সেই তুলনায় তাদের আয় বাড়েনি। ফলে খাবারের তালিকা থেকে বাদ পড়ছে মাছ-মাংসের মতো পুষ্টিকর খাবার। বাধ্য হয়ে বেশির ভাগ সময় আলু, পেঁপে ও ডাল দিয়েই দিন পার করছে পরিবারটি।
আলাপকালে খালেদা বেগম বলেন, ‘বাজারের জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বেড়েছে, আয় সেভাবে বাড়েনি। এর মধ্যে গত দুই মাস ধরে বাড়িভাড়া এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। ছেলে-মেয়েদের নিয়ে একটু ভালো-মন্দ খাওয়ার সামর্থ্যও আর নেই। গত কোরবানির ঈদের পর আর মাংস কেনার সুযোগ হয়নি। মাছের দাম এতটাই চড়া যে তা কিনতে গেলে চাল কেনা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই বাধ্য হয়ে তুলনামূলক কম দামি সবজি কিনতে হয়।’
দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ২২ শতাংশে পৌঁছালেও শ্রমিকের জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার আটকেই আছে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশে। আয় আর ব্যয়ের এই অসম দৌড়ে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে নিম্ন আয়ের মানুষের খাবারের থালায়। ২০২৬ সালের গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স থেকে শুরু করে বিডিএইচএস-এর জরিপ— সব তথ্যই বলছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কেবল পকেট ফাঁকা করছে না, বরং দেশের শিশু ও নারীদের ঠেলে দিচ্ছে মারাত্মক পুষ্টিহীনতার দিকে।
তিনি আরও বলেন, ‘বেশির ভাগ সময় আলু আর পেঁপের সঙ্গে একটু ডাল দিয়ে আমাদের সংসারের খাবার চলে। ছোট ছেলে-মেয়েরা খেতে চায় না, তারপরও পেটে ক্ষুধা লাগলে ঠিকই খায়। মাসের শেষ সপ্তাহে চলতে খুব কষ্ট হয়। তখন প্রতি বেলাতেই ভাতের সঙ্গে আলু বা পেঁপের ভর্তা দিয়েই সংসার চলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বেশির ভাগ সময় আলু আর পেঁপের সঙ্গে একটু ডাল দিয়ে আমাদের সংসারের খাবার চলে। ছোট ছেলে-মেয়েরা খেতে চায় না, তারপরও পেটে ক্ষুধা লাগলে ঠিকই খায়। মাসের শেষ সপ্তাহে চলতে খুব কষ্ট হয়। তখন প্রতি বেলাতেই ভাতের সঙ্গে আলু বা পেঁপের ভর্তা দিয়েই সংসার চলে।’সরকারি কোনো সহায়তা পান কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে খালেদা বলেন, আগে তার একটি টিসিবির কার্ড থাকলেও গত ছয় মাস ধরে সেটিও বন্ধ রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এভাবে চলতে থাকলে একসময় দুই সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
খালেদা বেগমের পরিবারের মতো সীমিত আয়ের বহু মানুষকে বাড়তি খরচ সামলাতে গিয়ে খাদ্যের মান ও বৈচিত্র্য কমাতে হচ্ছে। এতে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সক্ষমতা হ্রাসের পাশাপাশি শিশুদের পুষ্টিহীনতা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।বাজারের জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বেড়েছে, আয় সেভাবে বাড়েনি। এর মধ্যে গত দুই মাস ধরে বাড়িভাড়া এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। ছেলে-মেয়েদের নিয়ে একটু ভালো-মন্দ খাওয়ার সামর্থ্যও আর নেই। গত কোরবানির ঈদের পর আর মাংস কেনার সুযোগ হয়নি। মাছের দাম এতটাই চড়া যে তা কিনতে গেলে চাল কেনা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই বাধ্য হয়ে তুলনামূলক কম দামি সবজি কিনতে হয়।— খালেদা বেগম, গৃহকর্মী
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ হয়েছে। অথচ জাতীয় মজুরি হার সূচক বেড়েছে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা সাধারণ মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। ফলে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আয় না বাড়ায় সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমছে।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিও এই চাপকে আরও তীব্র করেছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকার ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন ব্যয় ও ধানের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে চালের বাজারেও।
এদিকে, গত সপ্তাহে জার্মানির বার্লিনে প্রকাশিত ২০২৬ সালের গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সের (জিএইচআই) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষুধা দূরীকরণে বাংলাদেশের অগ্রগতির গতি আগের তুলনায় কিছুটা মন্থর হয়েছে। ১২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম এবং দেশের ক্ষুধার মাত্রা এখনও ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের স্কোর ২০ থাকলেও সর্বশেষ মূল্যায়নে তা কমে হয়েছে ১৯ দশমিক ২। অর্থাৎ আট বছরে স্কোর কমেছে শূন্য দশমিক ৮ পয়েন্ট বা ৪ শতাংশ। যেখানে ২০০০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে স্কোর ৪২ শতাংশের বেশি কমেছিল।
শিশুদের পুষ্টি পরিস্থিতির কিছু সূচকও বেশ উদ্বেগজনক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে উচ্চতার তুলনায় ওজন কম থাকার হার ২০১৮ সালের ৮ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০০০ সালের পর সর্বোচ্চ। তবে, দীর্ঘ মেয়াদে খর্বকায়তার হার কিছুটা কমে ২৪ শতাংশে নেমেছে। অর্থাৎ দেশের প্রতি চার শিশুর প্রায় একজনের বয়স অনুপাতে উচ্চতা কম।
সরকার জনকল্যাণমূলক সহায়তা দিতে গেলে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হয় কিংবা কর বাড়াতে হয়। আবার সাধারণ মানুষের হাতে হঠাৎ অতিরিক্ত অর্থ তুলে দিলে তা নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি করতে পারে। তাছাড়া, এই পরিস্থিতি কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের ওপর নির্ভর করে না, এর সঙ্গে বৈশিক সংকটও যুক্ত।—
ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, অধ্যাপক, স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালে সার্বিক জনসংখ্যার মধ্যে অপুষ্টির হার ১২ দশমিক ১ শতাংশ থাকলেও তা কমে বর্তমানে ৮ দশমিক ২ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার ৩ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৩ শতাংশে।

তবে, ২০২২ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ‘নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক পারিবারিক নির্দেশিকা’য় দেশের পুষ্টি পরিস্থিতির এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। নির্দেশিকার তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিশু ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য খাবার থেকে বঞ্চিত এবং প্রায় ৫৬ শতাংশ নারী অপর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করেন। এছাড়া, প্রজননক্ষম বয়সী নারীদের প্রায় ৫০ শতাংশ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত সমস্যায় ভুগছেন। একই সঙ্গে প্রায় ৫০ শতাংশ গর্ভবতী নারী রক্তস্বল্পতার শিকার, যা কম ওজনের শিশু জন্মের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ওই নির্দেশিকায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক খাদ্যতালিকায় চাল বা গম, শ্বেতসারসমৃদ্ধ মূল ও কন্দজাতীয় খাবার, মাছ-মাংস, ডাল, দুধ বা দুগ্ধজাত খাদ্য, মৌসুমি ফল, শাকসবজি এবং ডিম রাখার সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ২৭০ থেকে ৪২০ গ্রাম চাল বা গম, ৭৫ থেকে ১০০ গ্রাম শ্বেতসারসমৃদ্ধ মূল, কন্দ ও কলা, মাঝারি আকারের এক থেকে চার টুকরো মাছ বা মাংস, এক থেকে দুই কাপ ডাল, অন্তত এক কাপ দুধ বা দুগ্ধজাত পণ্য, ন্যূনতম দুটি মৌসুমি ফল, ১০০ গ্রাম সবজি বা ২০০ গ্রাম শাক এবং অন্তত একটি ডিম অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়।
এদিকে, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত ‘বাংলাদেশ জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ (বিডিএইচএস) ২০২২’-এর তথ্যানুযায়ী, দেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ২৪ শতাংশ খর্বকায় (বয়সের তুলনায় কম উচ্চতা), ২২ শতাংশ কম ওজনের এবং ১১ শতাংশ কৃশকায় (উচ্চতার তুলনায় কম ওজন) সমস্যায় ভুগছে।

খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সীমিত আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘব ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘সরকার জনকল্যাণমূলক সহায়তা দিতে গেলে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হয় কিংবা কর বাড়াতে হয়। আবার সাধারণ মানুষের হাতে হঠাৎ অতিরিক্ত অর্থ তুলে দিলে তা নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি করতে পারে। তাছাড়া, এই পরিস্থিতি কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের ওপর নির্ভর করে না, এর সঙ্গে বৈশ্বিক সংকটও যুক্ত।’খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের পুষ্টিকর খাবার কেনার সক্ষমতা ক্রমাগত কমে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে দেশে পুষ্টিহীন মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন করা জরুরি। যাদের পুষ্টিকর খাবার কেনার আর্থিক সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ও সহায়তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।—সাইকা সিরাজ, বাংলাদেশ প্রতিনিধি, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে দেশের সবাইকে সরাসরি সহায়তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে কেবল সরকারের ওপর ভরসা না করে নিজেদের জীবনযাত্রার ব্যয়েও পরিবর্তন আনতে হবে। ফাস্টফুড, চিপস ও চকলেটের মতো অপ্রয়োজনীয় খাবারের বাড়তি খরচ কমিয়ে কম খরচে পুষ্টিসমৃদ্ধ দেশীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।’
অধ্যাপক আব্দুল হামিদ আরও উল্লেখ করেন, সরকারের আকার ছোট করার পাশাপাশি সব ক্ষেত্রে অপচয় রোধ করা জরুরি। বিশেষ করে প্রশাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অপচয় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তবে, এই ধরনের পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। এছাড়া, বিকল্প খাদ্যের নামে বাজারে আসা কৃত্রিম বা ফোর্টিফায়েড ফুড-এর বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশীয় কৃষকদের উৎপাদিত খাঁটি খাবার ও আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হবে। এই সংকটের কোনো তাৎক্ষণিক বা সহজ সমাধান নেই।
এমন পরিস্থিতিতে মাছ-মাংসের বিকল্প হিসেবে সয়াবিন, পেয়ারা, কলা, শাকসবজি, ডাল ও ছোট মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি সম্ভব হলে প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় অন্তত একটি করে ডিম রাখার তাগিদ দেন।
সাইকা সিরাজ আরও বলেন, ‘পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন করা জরুরি। যাদের পুষ্টিকর খাবার কেনার আর্থিক সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ও সহায়তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, টিসিবির সাশ্রয়ী মূল্যের ট্রাকে পুষ্টিকর খাদ্যপণ্য যুক্ত করার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে স্কুল মিল চালুর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।’
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
