শিক্ষা ডেস্ক:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা থাকতে পারবেন না। বরং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এই কমিটিতে যুক্ত করে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। এমতাবস্থায় দেশের ৯৬ শতাংশ মানুষও তাদের সঙ্গে একমত। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাখার বিপক্ষে মত দিয়েছেন তারা।
দৈনিক শিক্ষাডটকমের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে জরিপে অংশ নেয়া ৩ শতাংশ মানুষ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের থাকার পক্ষে। আর অবশিষ্ট ১ শতাংশ মানুষ এর পক্ষে বিপক্ষে কোনো মতামত দেননি।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়ে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত দৈনিক শিক্ষাডটকমের ওয়েবসাইটে এই জরিপ চালানো হয়। দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিচালিত এই জরিপে অংশ নিয়েছেন মোট ছয় হাজার ৪৬২ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ছয় হাজার ১৯২ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২২২ জন। ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো মন্তব্য করেননি ৪৮ জন।
জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতা থাকতে পারবেন না—ডেপুটি স্পিকারের মন্তেব্যের সঙ্গে আপনিও কি একমত? জরিপে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর পাশাপাশি ‘মন্তব্য নেই’ নামে আরেকটি ঘর ছিলো।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট নেত্রকোনার দুর্গাপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ‘বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কায়সার কামাল আরো বলেন, বিগত দিনে দলীয়করণের অপসংস্কৃতির কড়া সমালোচনা করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, স্কুলের পরিচালনা কমিটির কাছে কিছু ক্ষমতা থাকে, যা অনেক সময় রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহার করা হয়। যারা রাজনীতি করবেন, তাদের জন্য ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড কমিটি রয়েছে। একজন শিক্ষক আজীবনই শিক্ষক। মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত তারা সমাজের কাছে “স্যার” বা “ম্যাডাম” হিসেবে পরম শ্রদ্ধার পাত্র।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
