ক্যাটাগরি এমপিও/ননএমপিও

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে সাড়ে ১৩ হাজার আবেদন

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে সাড়ে ১৩ হাজার আবেদন

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য ১৩ হাজার ৬৭৭টি আবেদন জমা পড়েছে। আবেদন গ্রহণের পর এখন যাচাই শেষে বদলির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণে বৈঠক করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মহাপরিচালক বৈঠকের সময় নির্ধারণ করলে টেলিটকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হবে।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরর (মাউশি) একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    ওই কর্মকর্তা জানান, ফল প্রকাশের জন্য একটি মিটিং ডাকা হবে। মাউশির মহাপরিচালক সময় নির্ধারণ করলে টেলিটকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে। বৈঠকে বদলি কার্যক্রমের যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ফল প্রকাশের একটি সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হতে পারে।

    সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এর আগে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদনের সময় শেষ হয়েছে গতকাল ১৩ সেপ্টেম্বর। শিগগির বদলির পরবর্তী কার্যক্রম, ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় এবং আবেদনে থাকা বিভিন্ন ভুল সংশোধনের সুযোগসহ পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    সূত্র জানায়, মাাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে শিক্ষকদের বদলির সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    এ ছাড়া বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠান ভুলভাবে শিক্ষক চাহিদা দেখিয়ে থাকলে সেই চাহিদা কর্তন করা হবে কি না, সেটিও বৈঠকে আলোচনায় আসতে পারে। একইসঙ্গে ইতোমধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাদের আবেদনে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য এডিট অপশন চালু করা হবে কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

    এছাড়া, কোনো শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করার পর তার বদলির আদেশ হলে, পরবর্তী সময়ে নতুন কর্মস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর সেখানে যেতে অনিচ্ছুক হলে সেসব বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনায় আসতে পারে। অর্থাৎ বদলির আদেশ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদান করা বাধ্যতামূলক হবে কি না, নাকি নির্দিষ্ট শর্তে বদলি গ্রহণ না করার সুযোগ রাখা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    সূত্র জানায়, শুধু ফল প্রকাশ নয়, আবেদন যাচাই, ভুল সংশোধন, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষক চাহিদা, বদলির আদেশ এবং আদেশের পর যোগদানের বিষয়—বদলি প্রক্রিয়ার প্রায় প্রতিটি ধাপ নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

    এর আগে গত ১৮ আগস্ট বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক—প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রদর্শক, ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সব শিক্ষককে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী বদলি করা হবে। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় প্রস্তুত করা সফটওয়্যারের মাধ্যমে এ বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    নীতিমালা অনুযায়ী, বদলিতে আগ্রহী শিক্ষকরা মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ২১ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পরবর্তীতে সময় বর্ধিত করে ১২ এবং ১৩ সেপ্টেম্বর বদলির আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

    একজন আবেদনকারী পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনগুলো বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। যাচাই শেষে কর্তৃপক্ষ বদলিভিত্তিক পদায়নের আদেশ জারি করবেন।

    বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষকরা চাকরির আবেদনে উল্লিখিত নিজ জেলায় আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করা যাবে।এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের জেলায়ও বদলির আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীকে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত হতে হবে। বদলি সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া এ-সংক্রান্ত তথ্য ভুল হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

    নীতিমালা অনুযায়ী, চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষক বদলির আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করা যাবে।

    এদিকে বদলির আবেদন চলমান থাকায় অনেক শিক্ষক আবেদন ফরমে বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার পর সাবমিট করার আগে তা নিয়ে যাচাই করছেন। কেউ কেউ আবেদন সাবমিট করার পর ভুল তথ্য দেখতে পাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সংশোধনের সুযোগ না থাকায় আবেদনকারীদের সতর্কতার সঙ্গে প্রতিটি তথ্য যাচাই করে আবেদন চূড়ান্ত করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • শিক্ষা ভাতা বঞ্চিত এমপিও শিক্ষক সন্তানরা

    শিক্ষা ভাতা বঞ্চিত এমপিও শিক্ষক সন্তানরা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা ভাতা বঞ্চিত এমপিও শিক্ষক সন্তানরা

    এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষা ভাতা চালুর দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম (বাবেশিকফো)।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সংগঠনটির নির্বাহী মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই আবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দেয়া হয়েছে।

    আবেদনে বলা হয়, শিক্ষাবান্ধব সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি বর্তমান সরকারের সহানুভূতি ও শিক্ষার মান উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপসমূহের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাধ্যমিক থেকে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৯৭ শতাংশ পরিচালনা করে থাকে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানরা শিক্ষা ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরা বঞ্চিত। শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরা শিক্ষা ভাতা পাবে না এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    অতএব, আপনার কাছে আবেদন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য শিক্ষা ভাতা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে আপনার সুদৃষ্টি ও মহানুভবতা প্রার্থনা করছি।

  • শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেল ঘোষণা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেল ঘোষণা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি আরও বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা আগামীর বাংলাদেশ। কাজেই শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) হিসেবে রূপান্তরের ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগ বিলম্বিত হচ্ছে। তবে অচিরেই ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আর এই নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষায় প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে।’

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করে উৎসাহ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য গোলাপি সাইকেল উপহার দেওয়ার জন্য কাজ করা হচ্ছে।

    কুয়েট প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করেছিলেন। এর মধ্যে একটি আজকের খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশ সেবায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় সংসদের হুইপ ও সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস। এই ক্যাম্পাসে কোনোভাবেই প্রকাশ্যে বা গুপ্ত অবস্থায় রাজনীতি করা যাবে না। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক মেডিকেল সেন্টার ও ৫-১০টি বৈদ্যুতিক বাস দেওয়ার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান।

    এ ছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন, এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহজাহান আলী ও অধ্যাপক ড. হাসান আলী।

    বেলা সাড়ে ১২টায় অডিটরিয়ামের সামনে প্রীতি সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন, আনন্দ র‍্যালি, স্টল পরিদর্শন, ‘কুয়েটের অর্জন (ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ)’ বিষয়ক উপস্থাপনা, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    বিকেলে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের নিচতলায় পোস্টার বা প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশন, একই সময়ে দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ল্যাবসমূহ উন্মুক্ত রাখা হয়। বিকেল ৪টায় শিক্ষক বনাম শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া, সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাখার বিপক্ষে ৯৬ শতাংশ

    স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাখার বিপক্ষে ৯৬ শতাংশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা থাকতে পারবেন না। বরং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এই কমিটিতে যুক্ত করে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। এমতাবস্থায় দেশের ৯৬ শতাংশ মানুষও তাদের সঙ্গে একমত। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাখার বিপক্ষে মত দিয়েছেন তারা।

    দৈনিক শিক্ষাডটকমের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে জরিপে অংশ নেয়া ৩ শতাংশ মানুষ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের থাকার পক্ষে। আর অবশিষ্ট ১ শতাংশ মানুষ এর পক্ষে বিপক্ষে কোনো মতামত দেননি।

    গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়ে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত দৈনিক শিক্ষাডটকমের ওয়েবসাইটে এই জরিপ চালানো হয়। দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিচালিত এই জরিপে অংশ নিয়েছেন মোট ছয় হাজার ৪৬২ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ছয় হাজার ১৯২ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২২২ জন। ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো মন্তব্য করেননি ৪৮ জন।

    জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতা থাকতে পারবেন না—ডেপুটি স্পিকারের মন্তেব্যের সঙ্গে আপনিও কি একমত? জরিপে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর পাশাপাশি ‘মন্তব্য নেই’ নামে আরেকটি ঘর ছিলো।

    প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট নেত্রকোনার দুর্গাপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ‘বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কায়সার কামাল আরো বলেন, বিগত দিনে দলীয়করণের অপসংস্কৃতির কড়া সমালোচনা করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, স্কুলের পরিচালনা কমিটির কাছে কিছু ক্ষমতা থাকে, যা অনেক সময় রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহার করা হয়। যারা রাজনীতি করবেন, তাদের জন্য ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড কমিটি রয়েছে। একজন শিক্ষক আজীবনই শিক্ষক। মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত তারা সমাজের কাছে “স্যার” বা “ম্যাডাম” হিসেবে পরম শ্রদ্ধার পাত্র।

  • চৌগাছায় শিক্ষক  সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় শিক্ষক  সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার চৌগাছা মৃধাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি চৌগাছা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জিএমএ মুনিব, চৌগাছা মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম বজলুর রশিদ, সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাটগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তবিবর রহমান, সমিতির সাবেক সভাপতি ও পুড়াহুদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মাওলানা নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

    সাধারণ সভায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষকদের বিরাট ভুমিকা রয়েছে। শিক্ষকরা যদী তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন তাহলে দেশ ও জাতি দ্রুত উন্নতির স্বর্ণশিখরে আরোহন করতে পারবে। তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।

  • শনিবার শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণের টাকা বিতরণ শুরু

    শনিবার শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণের টাকা বিতরণ শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার শুরু হচ্ছে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা বিতরণ। এ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার এ অনুষ্ঠানের তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারেক রহমান টাকা বিতরণের বিষয়ে সম্মতি দেন।

    জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে এ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দিতে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দেওয়া হবে। অবসর সুবিধা বোর্ডের অর্থ পাবেন ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী। আর কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পাবেন ৫৩ হাজার ৪৭৭ জন আবেদনকারী। আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) অর্থ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আবেদনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য মোট সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। অবসর সুবিধার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা করে পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। আর কল্যাণ ট্রাস্টের ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পাবেন।

    জানা গেছে, শিক্ষকদের চাঁদা, ব্যাংকে জমা থাকা টাকার সুদ এবং সরকারের দেওয়া থোক বরাদ্দ ও বন্ড সুবিধার ভিত্তিতে এই টাকা দেওয়া হয়। অবসরসুবিধার জন্য চাকরিকালীন শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৬ শতাংশ প্রতি মাসে কেটে রাখা হয়। কল্যাণসুবিধার জন্য কাটা হয় আরও ৪ শতাংশ। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এই হারে চাঁদা নেওয়া হয়েছে। এর আগে অবসরসুবিধার জন্য ৪ শতাংশ এবং কল্যাণসুবিধার জন্য ২ শতাংশ হারে চাঁদা নেওয়া হতো।

    এছাড়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরসুবিধা ও ৩০ টাকা কল্যাণসুবিধা তহবিলে জমা হয়। বাকি অর্থ সরকার এবং জমা করা অর্থের সুদ থেকে সমন্বয় করা হয়।

  • চায়ের দোকানে খাতা দেখছিলেন পরীক্ষক, জব্দ ৪০০ উত্তরপত্র 

    চায়ের দোকানে খাতা দেখছিলেন পরীক্ষক, জব্দ ৪০০ উত্তরপত্র 

    শিক্ষা ডেস্ক:

    অফিস কিংবা বাসায় নয়, একেবারে প্রকাশ্যে অরক্ষিত অবস্থায় চায়ের দোকানে বসে এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা দ্বিতীয় পত্রের খাতা দেখছিলেন ইকবাল হোসেন (সোহান) নামে এক পরীক্ষক। খাতা মূল্যায়নে তার সাথে ছিলেন কয়েকজন বন্ধুও। খবর পেয়ে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা ৪০০টি খাতা জব্দ করেন ওই পরীক্ষকের কাছ থেকে।

    শনিবার রাতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে তোলপাড়া চলছে শিক্ষাবোর্ড অভ্যন্তর ও পরীক্ষকদের মধ্যে। অভিযুক্ত পরীক্ষক ইকবাল হোসেন (সোহান) সিলেট মেট্রোসিটি উইমেন্স কলেজের প্রভাষক।

    রোববার মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব সমকালকে জানিয়েছেন, চায়ের দোকানে খাতা দেখার অভিযোগে একজন শিক্ষককে নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এসেছিলেন। তারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ডায়রিতে অরক্ষিত অবস্থায় চারশ খাতা শিক্ষকের কাছ থেকে উদ্ধারের কথা বলা হয়।

    এদিকে চায়ের দোকানে বসে খাতা জব্দের ঘটনায় কলেজ পরিদর্শককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করবে। পাশাপাশি রোববার ওই পরীক্ষককে শোকজের চিঠি তার প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    শিক্ষাবোর্ড ও স্থানীয় দোকান ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ফজলুল হকের চায়ের দোকানে বসে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করছিলেন ইকবাল হোসেন সোহান। সাথে তার কয়েকজন বন্ধু ছিলেন, যারা সাবেক সাস্টিয়ান। এর মধ্যে একজন ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি আইরিন লিনজা। তারাও খাতা মূল্যায়ন করছিলেন বলেন জানা গেছে।

    আগের দিন শুক্রবার রাতেও তাঁরা দোকানে বসেছিলেন বলে দোকানি ফজলুল হক জানিয়েছেন। তিনি জানান, দোকান লাগানোর সময় তারা ভেতরে পেপার দেখছিলেন। শিক্ষকরা এসে খাতার বস্তাসহ একজনকে নিয়ে যান।

    জানা গেছে, দোকানে বসে খাতা দেখা হচ্ছে- এমন তথ্য পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চায়ের দোকানে হাজির হন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিনসহ তিন কর্মকর্তা। প্রথমে দুই কর্মকর্তা দোকানে প্রবেশ করে পরীক্ষক ছাড়াও আরও তিনজনকে দেখতে পান। এর মধ্যে একজন মেয়ে ছিলেন। পরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ভেতরে প্রবেশ করলে একজন সটকে পড়েন। সত্যতা পেয়ে পুলিশে খবর দেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। পুলিশ খাতাগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি জিডি করে খাতাগুলো নিজেদের জিম্মায় নেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন সমকালকে জানিয়েছেন, চায়ের দোকানে খাতা দেখা অবস্থায় পরীক্ষককে পাওয়া যায়। তার কাছ থেকে ৪০০ খাতা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষককে শোকজ ও তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি তিন কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দেবে।

  • ইএফটিতে মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, তথ্য হালনাগাদের নির্দেশ

    ইএফটিতে মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, তথ্য হালনাগাদের নির্দেশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দেশের সব এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারে (ইএফটি) বেতন-ভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে অনলাইনে তথ্য সংশোধন ও হালনাগাদ করার নির্দেশনা দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্ধারিত ছক অনুযায়ী তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে প্রস্তুত রাখার জন্য বলা হয়েছে।

    গতকাল রোববার মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। দেশের সব মাদরাসার অধ্যক্ষ ও সুপারদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর অর্থ বিতরণ সহজীকরণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইএফটির মাধ্যমে ‘গভর্নমেন্ট টু পার্সন’ (জিটুপি) পদ্ধতিতে সরাসরি নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে। এ লক্ষ্যে অনলাইন এমপিও সিস্টেমের প্রয়োজনীয় আপগ্রেডেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ইএফটির মাধ্যমে অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য আবশ্যিকভাবে সঠিক হতে হবে।

    নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষক-কর্মচারীরা নির্ধারিত ছক পূরণ ও স্বাক্ষর করে প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে জমা দেবেন এবং এর একটি সফট কপি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা এই তথ্যগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করবেন। পরবর্তীতে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে সফটওয়্যারের লিংক ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনাসহ অনলাইনে এই তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হবে।

    কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকল তথ্য নির্ভুল না থাকলে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো বেতন-ভাতা শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে না। এই কারণে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে সংযুক্ত ছকের সকল তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ ও প্রস্তুত রাখার জন্য মাদরাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও শিক্ষক-কর্মচারীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • পাঠদানের অনুমতি পেল আরো ৬৫৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    পাঠদানের অনুমতি পেল আরো ৬৫৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দেশের ৬৫৪টি বেসরকারি স্বতন্ত্র কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিম্ন-মাধ্যমিক (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পাঠদান পরিচালনার অনুমতি দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো অনুমতিপত্র সংগ্রহ করেনি, তাদের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত অনুমতিপত্র সংগ্রহের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ গত ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি অনুযায়ী অনুমোদনহীন বেসরকারি স্বতন্ত্র কারিগরি শিক্ষার এসএসসি (ভোকেশনাল)/দাখিল (ভোকেশনাল) প্রতিষ্ঠানে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক (ভোকেশনাল) (ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণি) শিক্ষাক্রম পরিচালনার জন্য ৬৫৪টি প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে।তে আরও বলা হয়, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো নিম্ন-মাধ্যমিক (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের পাঠদানের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে প্রথমে চেয়ারম্যান বরাবর একটি প্রতিষ্ঠানপত্র দিয়ে পাঠদান পরিচালনার সক্ষমতার বিষয়ে অবহিত করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পাঠদানের অনুমতিপত্রের কপি সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা দেখুন এখানে…….

  • এমপিও শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ ৮ দাবি

    এমপিও শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ ৮ দাবি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বৈষম্য নিরসনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণসহ ৮ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘সচেতন শিক্ষক সমাজ’।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি জানান সচেতন শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বৈষম্য দূর করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

    আটটি দাবি হলো- শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, ৯ম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তিকরণ, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি শিক্ষকদের প্রেষণে নিয়োগ বন্ধকরণ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আওয়ামী দোসরদের অপসারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি না করা, শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বদলির ব্যবস্থাকরণ এবং শতভাগ উৎসব ভাতা ও সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া প্রদান এবং কল্যাণ-অবসরের টাকা দ্রুত প্রদানের ব্যবস্থা করা।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. মোকলেছুর রহমান, মোল্লা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল হক, আব্দুল আউলিয়া, প্রভাষক হালাদার আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক আব্দুল হাকিম, অধ্যাপক আব্দুল মফিজ, মো. বোরহান উদ্দিন, শাহাজ পারভীন, এএইসএম সাইদুজামন, মো. আজিজুল হক রাজা প্রমুখ।