এমপিও/ননএমপিও

  • পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মসূচির ঘোষণা

    পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মসূচির ঘোষণা

    নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ, বদলির ফল ঘোষণা এবং শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে এবার কঠোর আন্দোলনে নামছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই আন্দোলন শুরু হবে।

    সোমবার এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বদলির জন্য আবেদন গ্রহণের দেড় মাস হতে চললেও এখন পর্যন্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে নিজ বাড়ি থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে কর্মরত শিক্ষকেরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। শিক্ষকদের এই অহেতুক ভোগান্তি কমাতে অবিলম্বে বদলির ফল প্রকাশ করতে হবে।

    পে স্কেলের বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি মাস থেকে নবম পে স্কেল অনুযায়ী বেতন পেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কবে থেকে নতুন পে স্কেলের সুফল পাবেন, তা এখনো অনিশ্চিত। এই ধোঁয়াশা ও অনিশ্চয়তা দূর করতে তাঁদের জন্য অবিলম্বে পে স্কেল বাস্তবায়নের সরকারি নির্দেশনা জারি করতে হবে।

    এ ছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নামমাত্র উৎসব ভাতা প্রদানকে চরম বৈষম্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের এই বৈষম্য অবিলম্বে দূর করে আসন্ন ঈদে সরকারি শিক্ষকদের মতো শতভাগ উৎসব ভাতা দিতে হবে।

    এই তিন দফা যৌক্তিক দাবি আদায়ে আগামী ৪ নভেম্বর ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

  • ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসা  শিক্ষক আটক

    ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

    পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নে এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক আবু ইউসুফ প্রামানিককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা মাদরাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।

    বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ভাঁড়ারা ইউনিয়নের একটি নুরানী মহিলা মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

    অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে। তিনি ওই মহিলা মাদরাসার পরিচালক ছিলেন। মাদরাসাটিতে প্রায় দেড়শ ছাত্রী পড়াশোনা করে বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফজরের আজানের আগে এক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার জন্য কক্ষ থেকে বের হলে শিক্ষক ইউসুফ তাকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ ওই ছাত্রীর। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

    ওই ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগেও তাকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ জন্য চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো বলে দাবি করেন তিনি।ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো বলেও অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। মাদরাসার আরও কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি তার। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    অভিযুক্ত শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন ওই ছাত্রী।

    এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন মাদরাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের থাকার বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
    এ ছাড়া অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগও তুলেছেন তার স্ত্রীর স্বজনেরা। তাদের দাবি, পরকীয়ার জেরে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।

    পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

    পাবনার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনাটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময়

    নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময়

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পৃথক গেজেট জারির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত জনবলকে নতুন বেতন কাঠামোয় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ২০১৫ সালে ৮ম পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক গেজেট দ্রুত জারি করা হয়েছিল। তবে ওই সময় তাদের নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করতে ছয় মাস সময় লেগেছিল। ফলে এবারও কিছুটা সময় লাগছে। তবে ৮ম পে-স্কেলের মতো এত দীর্ঘ সময় লাগবে না।

    এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম পে-স্কেল পাবেন বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

    তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যেন দ্রুত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পান। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়নিত আলোচনা হচ্ছে। হয়তো কিছুটা দেরি হবে। তবে শিক্ষকরাও নতুন পে-স্কেলে বেতন পাবেন।

    জানা গেছে, নতুন পে-স্কেলের আওতায় এমপিওভুক্ত ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে আনতে অতিরিক্ত ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হবে ১২ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা। বাকি অর্থ প্রয়োজন হবে পেনশন খাতে।

  • স্থানীয় নির্বাচনে লড়তে পারবেন বেসরকারি শিক্ষকরা

    স্থানীয় নির্বাচনে লড়তে পারবেন বেসরকারি শিক্ষকরা

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো আইনি বা নীতিগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    তিনি বলেছেন, যতদিন পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হচ্ছে, ততদিন শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই।

    বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে আইনি বা নীতিগত কোনো বাধা নেই।

    বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক, হবেই।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে যতবার শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং মান-মর্যাদা বৃদ্ধি হয়েছে, তা হয়েছে শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়ন হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়নে শিক্ষকদের বড় পরিসরে কর্মসূচি নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, জাতীয়করণের জন্য বছরে অতিরিক্ত ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকার প্রয়োজন। শিক্ষকরা একটি সুশৃঙ্খল ও বড় পরিসরের জাতীয় সমাবেশ আয়োজন করে মানবিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবি তুলে ধরলে বর্তমান সরকার অবশ্যই বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করবে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের নতুন উদ্যোগের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানের ছাদ ব্যবহার করে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্যানেল স্থাপন করা যায়।এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ছুটির দিনে ও অতিরিক্ত সময়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলো মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে বলে জানান তিনি।

    মীর শাহে আলম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে একদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের জন্য অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাবে।

    শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকই একমাত্র পেশা, যা পৃথিবীর অন্য সব পেশার জন্ম দেয়। আপনারাই সমাজের মূল চালিকাশক্তি এবং গণতন্ত্রের বার্তাবাহক।

    সমাজ ও রাষ্ট্রে শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী যেকোনো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে একযোগে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে নীতিমালা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে নীতিমালা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    এলোপাথাড়িভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব না এনে এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ নীতিমালার আওতায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করবে, সেগুলোই পরবর্তীতে জাতীয়করণের আওতায় আসবে।

    গত বুধবার শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে এ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসছিল। এভাবে একের পর এক প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আসে। পরে তিনি শিক্ষামন্ত্রীকে এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির নির্দেশ দেন।

    জাতীয়করণের ক্ষেত্রে কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে, কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে এবং কোন কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে—নীতিমালায় এসব বিষয় স্পষ্ট করা হবে বলে জানা যায়।

    নীতিমালা হলে ভবিষ্যতে ইচ্ছেমতো বা বিচ্ছিন্নভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সুযোগ থাকবে না। বরং নীতিমালায় নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোই জাতীয়করণের জন্য বিবেচিত হবে বলে জানা গেছে।

    এতে প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয়করণের প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করাও সহজ হবে।

  • নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বাড়বে যেভাবে

    নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বাড়বে যেভাবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির কথা জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত জনবলের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির প্রয়োজন হবে না বলে জানা গেছে।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ এবং শিক্ষার উচ্চপর্যায়ের দুই কর্মকর্তার মধ্যে মঙ্গলবার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রয়োজন নেই বলে মত দিয়েছেন অর্থ বিভাগের ওই কর্মকর্তা। নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে পৃথক প্রজ্ঞাপনের প্রয়োজন হবে না। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঘোষিত গেজেটই এমপিওভুক্ত জনবলের জন্য প্রযোজ্য হবে।’অতীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক গেজেট জারি হয়েছে। এ ছাড়া এমপিওভুক্ত জনবল সরকারি চাকরিজীবীদের ন্যায় ভাতা পান না। এ বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তাদের বেতন বৃদ্ধি হবে। ভাতাগুলো আগের মতোই থাকবে। বিষয়গুলো নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কাজ করবে।’

    নতুন পে-স্কেলে নিজের বেতন বৃদ্ধির হিসাব করবেন যেভাবে

    নতুন জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই হিসাব-নিকাশ চলছে। নতুন বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূলত একজন কর্মচারীর ৩০ জুনের মূল বেতন, বর্তমান গ্রেড এবং নতুন বেতন কাঠামোয় সংশ্লিষ্ট গ্রেডের নির্ধারিত স্কেলের তথ্যগুলো প্রয়োজন হবে।

    নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনে বেতন নির্ধারণের জন্য দুটি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে। পুরোনো বেতন স্কেলের একেবারে শুরুতে থাকা কর্মচারীদের ক্ষেত্রে হিসাব অপেক্ষাকৃত সহজ। আর যারা স্কেলের মাঝামাঝি বা ওপরের কোনো ধাপে বেতন পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে পুরোনো স্কেলের শুরু থেকে বর্তমান বেতনের ব্যবধান হিসাব করে নতুন স্কেলে তা সমন্বয় করতে হবে।

    স্কেলের শুরুতে থাকা কর্মচারীদের বেতন যেভাবে নির্ধারিত হবে

    কোনো কর্মচারী যদি ৩০ জুন পর্যন্ত তার বর্তমান বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন বা প্রারম্ভিক ধাপে বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে নতুন বেতন কাঠামোয় সংশ্লিষ্ট গ্রেডের প্রারম্ভিক ধাপেই তার বেতন নির্ধারণ করা হবে।

    ধরা যাক, ১৬তম গ্রেডের একজন কর্মচারী ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা বেতন স্কেলের শুরুতে ৯ হাজার ৩০০ টাকা মূল বেতন পেতেন। নতুন বেতন কাঠামোয় ১৬তম গ্রেডের স্কেল যদি ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা নির্ধারিত হয়, তাহলে ওই কর্মচারীর নতুন মূল বেতন হবে ২১ হাজার ৯০০ টাকা। অর্থাৎ পুরোনো স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপে থাকা কর্মচারীর ক্ষেত্রে পুরোনো বেতন ও নতুন বেতন স্কেলের শুরুর ধাপের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় করা হবে।

    স্কেলের মাঝামাঝি ধাপে থাকা কর্মচারীদের হিসাব

    কোনো কর্মচারী যদি তার বর্তমান বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে নতুন বেতন নির্ধারণের জন্য প্রথমে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন এবং তার বর্তমান মূল বেতনের মধ্যে ব্যবধান বের করতে হবে।

  • কসবায় শিক্ষিকাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

    কসবায় শিক্ষিকাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক স্কুলশিক্ষিকাকে পিস্তল দেখিয়ে জোরপূর্বক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা রাতেই কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী শিক্ষিকা ও অভিযুক্ত দেলোয়ার একই গ্রামের বাসিন্দা।

    থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে শিক্ষিকা উল্লেখ করেন, স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে দেলোয়ার তাঁর পথরোধ করেন। ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলতে রাজি না হওয়ায় তিনি পিস্তল বের করে ভয় দেখান এবং জোর করে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেন। এ সময় দেলোয়ারের সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি তাঁর মুখ চেপে ধরে এবং গলায় ছুরি ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, সিএনজিটি কুল্লাবাড়ি জোড়া ব্রিজের কাছে পৌঁছালে প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দেন ওই শিক্ষিকা। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ। তাঁর দাবি, ওই শিক্ষিকার সঙ্গে তাঁর প্রায় এক মাসের সম্পর্ক ছিল। শিক্ষিকার রাগ কমাতে তাঁকে নিয়ে সিএনজিতে করে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। অপহরণের অভিযোগটি মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।

    অন্যদিকে শিক্ষিকা দেলোয়ারের সঙ্গে সম্পর্কের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, বাড়ি ফেরার পথে দেলোয়ার তাঁর পথরোধ করে কথা বলতে চান। তিনি রাজি না হওয়ায় পিস্তল ঠেকিয়ে জোর করে সিএনজিতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

    ওই শিক্ষিকা আরও বলেন, ঘটনার পর তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • মাসের শুরুতেই বেতন পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    মাসের শুরুতেই বেতন পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    মাসের শুরুতেই বেতন পাওয়ার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের। দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মাসের শুরুতেই বেতন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। ছয় মাসের মধ্যেই সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    মাউশি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। বুধবার বেতনের ডাটা আইবাসে পাঠানো হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিক্ষক-কর্মচারীরা সেপ্টেম্বরের বেতন-ভাতা পেতে পারেন।

    মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মাসের শুরুতেই বেতন দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করছি, এবার ১ অক্টোবরই শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পাবেন।’

    এর আগে আগস্ট মাসের বেতন-ভাতা ৩ সেপ্টেম্বর পেয়েছিলেন প্রায় পৌনে চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী। মাসের শুরুতে বেতন পাওয়ায় বাড়িভাড়া, সন্তানদের শিক্ষা ব্যয়সহ অন্যান্য খরচ পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালনা করা সহজ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

  • এমপিও শিক্ষকদের বদলি: সভায় এডিট-ডিলিট নিয়ে আলোচনা

    এমপিও শিক্ষকদের বদলি: সভায় এডিট-ডিলিট নিয়ে আলোচনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সভায় বদলির ফল প্রকাশের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। শিক্ষকদের থাকা বিভিন্ন সমস্যা ও এডিট-ডিলিট অপশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে আরো কয়েকটি সভা করতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. কে এম এ এম সোহেল এবং টেলিটকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    সভা সূত্রে জানা গেছে, সভায় এডিট ও ডিলিট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে মতামত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বদলি কার্যক্রমের উদ্বোধন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বদলি কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন কিনা তা এখন নীতিগত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

    সভা সূত্র আরো জানায়, শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দৈনিক শিক্ষাডটকমে যেসব প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সেসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এর আগে গতকাল রোববারও এ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকালকের সভা সূত্র জানায়, শিক্ষকদের বদলির সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে টেলিটক ব্রিফ করছে। নানা সমস্যা আলোচনা হয়েছে। ফল প্রকাশে কী কী জটিলতা রয়েছে তা-ও আলোচনা হয়েছে।এদিকে স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল চলতি মাসের প্রকাশের কথা থাকলেও সেটি হচ্ছে না। আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে সব শেষে সামগ্রিক বিষয়ে জানা যাবে।

  • পে স্কেল: এমপিও শিক্ষকদের জন্য এটি ভুয়া প্রজ্ঞাপন

    পে স্কেল: এমপিও শিক্ষকদের জন্য এটি ভুয়া প্রজ্ঞাপন

    নবম জাতীয় পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করার ভুয়া প্রজ্ঞাপন ছড়িয়েছে বিভিন্ন মাধ্যমে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছড়িয়ে পড়া ওই প্রজ্ঞাপনটি ভুয়া।

    বৃহস্পতিবার ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রজ্ঞাপনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল কার্যকরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক শিক্ষক-কর্মচারী এটিকে প্রজ্ঞাপন মনে করে ফেসবুকে প্রচারও করেছেন। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় থেকে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি। গত ১৭ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট জারি হয়। এই পে-স্কেলের আওতায় সরকারি শিক্ষকরা এই কাঠামোর সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন। অপরদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন শিগগির প্রকাশ করা হবে বলে জানা গিয়েছিলো। তবে এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন জারি করেনি।

  • নবম পে-স্কেল: এমপিও শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন শিগগিরই

    নবম পে-স্কেল: এমপিও শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন শিগগিরই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    নবম জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় সরকারি শিক্ষকরা নতুন বেতন কাঠামোর সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন। অর্থাৎ আজ প্রকাশিত গেজেটি সরকারি শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। অপরদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

    আজ শনিবার নবম পে-স্কেলের জারি করা গেজেটে এসব বিষয় উঠে এসেছে। গেজেটের গায়ে ১৭ সেপ্টেম্বর লেখা থাকলেও আজ শনিবার বিকেলে এটি হাতে পাওয়া গেছে।

    আজ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ইতোমধ্যে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ গেজেট জারি হয়েছে।

    প্রকশিত গেজেটে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কার্যকর করা হয়েছে। তবে ধাপে ধাপে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে। এ ক্ষেত্রে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। একই সময়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়তি মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।

    এরপর ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নতুন বেতন কাঠামোর পরবর্তী ধাপ কার্যকর হবে। এ সময়ে নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে বেতন পাবেন।

    ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর বেতন বৃদ্ধির পুরো অংশ বা শতভাগ কার্যকর হবে। যেহেতু নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, তাই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই তারিখ থেকে প্রাপ্য বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থও পাবেন।প্রজ্ঞাপনে নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন ভাতা কার্যকরের সময়ও নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর অন্যান্য সব ধরনের ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় যাবতীয় সুবিধা পাবেন।নতুন বেতন কাঠামোতে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। অন্যদিকে, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে।

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে সাড়ে ১৩ হাজার আবেদন

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে সাড়ে ১৩ হাজার আবেদন

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য ১৩ হাজার ৬৭৭টি আবেদন জমা পড়েছে। আবেদন গ্রহণের পর এখন যাচাই শেষে বদলির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণে বৈঠক করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মহাপরিচালক বৈঠকের সময় নির্ধারণ করলে টেলিটকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হবে।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরর (মাউশি) একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    ওই কর্মকর্তা জানান, ফল প্রকাশের জন্য একটি মিটিং ডাকা হবে। মাউশির মহাপরিচালক সময় নির্ধারণ করলে টেলিটকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে। বৈঠকে বদলি কার্যক্রমের যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ফল প্রকাশের একটি সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হতে পারে।

    সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এর আগে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদনের সময় শেষ হয়েছে গতকাল ১৩ সেপ্টেম্বর। শিগগির বদলির পরবর্তী কার্যক্রম, ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় এবং আবেদনে থাকা বিভিন্ন ভুল সংশোধনের সুযোগসহ পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    সূত্র জানায়, মাাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে শিক্ষকদের বদলির সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    এ ছাড়া বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠান ভুলভাবে শিক্ষক চাহিদা দেখিয়ে থাকলে সেই চাহিদা কর্তন করা হবে কি না, সেটিও বৈঠকে আলোচনায় আসতে পারে। একইসঙ্গে ইতোমধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাদের আবেদনে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য এডিট অপশন চালু করা হবে কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

    এছাড়া, কোনো শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করার পর তার বদলির আদেশ হলে, পরবর্তী সময়ে নতুন কর্মস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর সেখানে যেতে অনিচ্ছুক হলে সেসব বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনায় আসতে পারে। অর্থাৎ বদলির আদেশ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদান করা বাধ্যতামূলক হবে কি না, নাকি নির্দিষ্ট শর্তে বদলি গ্রহণ না করার সুযোগ রাখা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    সূত্র জানায়, শুধু ফল প্রকাশ নয়, আবেদন যাচাই, ভুল সংশোধন, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষক চাহিদা, বদলির আদেশ এবং আদেশের পর যোগদানের বিষয়—বদলি প্রক্রিয়ার প্রায় প্রতিটি ধাপ নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

    এর আগে গত ১৮ আগস্ট বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক—প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রদর্শক, ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সব শিক্ষককে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী বদলি করা হবে। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় প্রস্তুত করা সফটওয়্যারের মাধ্যমে এ বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    নীতিমালা অনুযায়ী, বদলিতে আগ্রহী শিক্ষকরা মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ২১ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পরবর্তীতে সময় বর্ধিত করে ১২ এবং ১৩ সেপ্টেম্বর বদলির আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

    একজন আবেদনকারী পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনগুলো বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। যাচাই শেষে কর্তৃপক্ষ বদলিভিত্তিক পদায়নের আদেশ জারি করবেন।

    বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষকরা চাকরির আবেদনে উল্লিখিত নিজ জেলায় আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করা যাবে।এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের জেলায়ও বদলির আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীকে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত হতে হবে। বদলি সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া এ-সংক্রান্ত তথ্য ভুল হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

    নীতিমালা অনুযায়ী, চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষক বদলির আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করা যাবে।

    এদিকে বদলির আবেদন চলমান থাকায় অনেক শিক্ষক আবেদন ফরমে বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার পর সাবমিট করার আগে তা নিয়ে যাচাই করছেন। কেউ কেউ আবেদন সাবমিট করার পর ভুল তথ্য দেখতে পাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সংশোধনের সুযোগ না থাকায় আবেদনকারীদের সতর্কতার সঙ্গে প্রতিটি তথ্য যাচাই করে আবেদন চূড়ান্ত করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • শিক্ষা ভাতা বঞ্চিত এমপিও শিক্ষক সন্তানরা

    শিক্ষা ভাতা বঞ্চিত এমপিও শিক্ষক সন্তানরা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা ভাতা বঞ্চিত এমপিও শিক্ষক সন্তানরা

    এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষা ভাতা চালুর দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম (বাবেশিকফো)।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সংগঠনটির নির্বাহী মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই আবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দেয়া হয়েছে।

    আবেদনে বলা হয়, শিক্ষাবান্ধব সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি বর্তমান সরকারের সহানুভূতি ও শিক্ষার মান উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপসমূহের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাধ্যমিক থেকে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৯৭ শতাংশ পরিচালনা করে থাকে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানরা শিক্ষা ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরা বঞ্চিত। শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরা শিক্ষা ভাতা পাবে না এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    অতএব, আপনার কাছে আবেদন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য শিক্ষা ভাতা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে আপনার সুদৃষ্টি ও মহানুভবতা প্রার্থনা করছি।

  • শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেল ঘোষণা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেল ঘোষণা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি আরও বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা আগামীর বাংলাদেশ। কাজেই শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) হিসেবে রূপান্তরের ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগ বিলম্বিত হচ্ছে। তবে অচিরেই ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আর এই নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষায় প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে।’

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করে উৎসাহ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য গোলাপি সাইকেল উপহার দেওয়ার জন্য কাজ করা হচ্ছে।

    কুয়েট প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করেছিলেন। এর মধ্যে একটি আজকের খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশ সেবায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় সংসদের হুইপ ও সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস। এই ক্যাম্পাসে কোনোভাবেই প্রকাশ্যে বা গুপ্ত অবস্থায় রাজনীতি করা যাবে না। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক মেডিকেল সেন্টার ও ৫-১০টি বৈদ্যুতিক বাস দেওয়ার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান।

    এ ছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন, এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহজাহান আলী ও অধ্যাপক ড. হাসান আলী।

    বেলা সাড়ে ১২টায় অডিটরিয়ামের সামনে প্রীতি সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন, আনন্দ র‍্যালি, স্টল পরিদর্শন, ‘কুয়েটের অর্জন (ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ)’ বিষয়ক উপস্থাপনা, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    বিকেলে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের নিচতলায় পোস্টার বা প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশন, একই সময়ে দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ল্যাবসমূহ উন্মুক্ত রাখা হয়। বিকেল ৪টায় শিক্ষক বনাম শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া, সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাখার বিপক্ষে ৯৬ শতাংশ

    স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাখার বিপক্ষে ৯৬ শতাংশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা থাকতে পারবেন না। বরং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এই কমিটিতে যুক্ত করে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। এমতাবস্থায় দেশের ৯৬ শতাংশ মানুষও তাদের সঙ্গে একমত। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাখার বিপক্ষে মত দিয়েছেন তারা।

    দৈনিক শিক্ষাডটকমের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে জরিপে অংশ নেয়া ৩ শতাংশ মানুষ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতাদের থাকার পক্ষে। আর অবশিষ্ট ১ শতাংশ মানুষ এর পক্ষে বিপক্ষে কোনো মতামত দেননি।

    গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়ে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত দৈনিক শিক্ষাডটকমের ওয়েবসাইটে এই জরিপ চালানো হয়। দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিচালিত এই জরিপে অংশ নিয়েছেন মোট ছয় হাজার ৪৬২ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ছয় হাজার ১৯২ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২২২ জন। ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো মন্তব্য করেননি ৪৮ জন।

    জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতা থাকতে পারবেন না—ডেপুটি স্পিকারের মন্তেব্যের সঙ্গে আপনিও কি একমত? জরিপে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর পাশাপাশি ‘মন্তব্য নেই’ নামে আরেকটি ঘর ছিলো।

    প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট নেত্রকোনার দুর্গাপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ‘বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কায়সার কামাল আরো বলেন, বিগত দিনে দলীয়করণের অপসংস্কৃতির কড়া সমালোচনা করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, স্কুলের পরিচালনা কমিটির কাছে কিছু ক্ষমতা থাকে, যা অনেক সময় রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহার করা হয়। যারা রাজনীতি করবেন, তাদের জন্য ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড কমিটি রয়েছে। একজন শিক্ষক আজীবনই শিক্ষক। মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত তারা সমাজের কাছে “স্যার” বা “ম্যাডাম” হিসেবে পরম শ্রদ্ধার পাত্র।

  • চৌগাছায় শিক্ষক  সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় শিক্ষক  সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার চৌগাছা মৃধাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি চৌগাছা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জিএমএ মুনিব, চৌগাছা মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম বজলুর রশিদ, সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাটগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তবিবর রহমান, সমিতির সাবেক সভাপতি ও পুড়াহুদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মাওলানা নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

    সাধারণ সভায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষকদের বিরাট ভুমিকা রয়েছে। শিক্ষকরা যদী তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন তাহলে দেশ ও জাতি দ্রুত উন্নতির স্বর্ণশিখরে আরোহন করতে পারবে। তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।

  • শনিবার শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণের টাকা বিতরণ শুরু

    শনিবার শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণের টাকা বিতরণ শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার শুরু হচ্ছে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা বিতরণ। এ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার এ অনুষ্ঠানের তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারেক রহমান টাকা বিতরণের বিষয়ে সম্মতি দেন।

    জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে এ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দিতে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দেওয়া হবে। অবসর সুবিধা বোর্ডের অর্থ পাবেন ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী। আর কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পাবেন ৫৩ হাজার ৪৭৭ জন আবেদনকারী। আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) অর্থ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আবেদনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য মোট সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। অবসর সুবিধার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা করে পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। আর কল্যাণ ট্রাস্টের ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পাবেন।

    জানা গেছে, শিক্ষকদের চাঁদা, ব্যাংকে জমা থাকা টাকার সুদ এবং সরকারের দেওয়া থোক বরাদ্দ ও বন্ড সুবিধার ভিত্তিতে এই টাকা দেওয়া হয়। অবসরসুবিধার জন্য চাকরিকালীন শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৬ শতাংশ প্রতি মাসে কেটে রাখা হয়। কল্যাণসুবিধার জন্য কাটা হয় আরও ৪ শতাংশ। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এই হারে চাঁদা নেওয়া হয়েছে। এর আগে অবসরসুবিধার জন্য ৪ শতাংশ এবং কল্যাণসুবিধার জন্য ২ শতাংশ হারে চাঁদা নেওয়া হতো।

    এছাড়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরসুবিধা ও ৩০ টাকা কল্যাণসুবিধা তহবিলে জমা হয়। বাকি অর্থ সরকার এবং জমা করা অর্থের সুদ থেকে সমন্বয় করা হয়।

  • চায়ের দোকানে খাতা দেখছিলেন পরীক্ষক, জব্দ ৪০০ উত্তরপত্র 

    চায়ের দোকানে খাতা দেখছিলেন পরীক্ষক, জব্দ ৪০০ উত্তরপত্র 

    শিক্ষা ডেস্ক:

    অফিস কিংবা বাসায় নয়, একেবারে প্রকাশ্যে অরক্ষিত অবস্থায় চায়ের দোকানে বসে এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা দ্বিতীয় পত্রের খাতা দেখছিলেন ইকবাল হোসেন (সোহান) নামে এক পরীক্ষক। খাতা মূল্যায়নে তার সাথে ছিলেন কয়েকজন বন্ধুও। খবর পেয়ে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা ৪০০টি খাতা জব্দ করেন ওই পরীক্ষকের কাছ থেকে।

    শনিবার রাতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে তোলপাড়া চলছে শিক্ষাবোর্ড অভ্যন্তর ও পরীক্ষকদের মধ্যে। অভিযুক্ত পরীক্ষক ইকবাল হোসেন (সোহান) সিলেট মেট্রোসিটি উইমেন্স কলেজের প্রভাষক।

    রোববার মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব সমকালকে জানিয়েছেন, চায়ের দোকানে খাতা দেখার অভিযোগে একজন শিক্ষককে নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এসেছিলেন। তারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ডায়রিতে অরক্ষিত অবস্থায় চারশ খাতা শিক্ষকের কাছ থেকে উদ্ধারের কথা বলা হয়।

    এদিকে চায়ের দোকানে বসে খাতা জব্দের ঘটনায় কলেজ পরিদর্শককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করবে। পাশাপাশি রোববার ওই পরীক্ষককে শোকজের চিঠি তার প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    শিক্ষাবোর্ড ও স্থানীয় দোকান ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ফজলুল হকের চায়ের দোকানে বসে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করছিলেন ইকবাল হোসেন সোহান। সাথে তার কয়েকজন বন্ধু ছিলেন, যারা সাবেক সাস্টিয়ান। এর মধ্যে একজন ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি আইরিন লিনজা। তারাও খাতা মূল্যায়ন করছিলেন বলেন জানা গেছে।

    আগের দিন শুক্রবার রাতেও তাঁরা দোকানে বসেছিলেন বলে দোকানি ফজলুল হক জানিয়েছেন। তিনি জানান, দোকান লাগানোর সময় তারা ভেতরে পেপার দেখছিলেন। শিক্ষকরা এসে খাতার বস্তাসহ একজনকে নিয়ে যান।

    জানা গেছে, দোকানে বসে খাতা দেখা হচ্ছে- এমন তথ্য পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চায়ের দোকানে হাজির হন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিনসহ তিন কর্মকর্তা। প্রথমে দুই কর্মকর্তা দোকানে প্রবেশ করে পরীক্ষক ছাড়াও আরও তিনজনকে দেখতে পান। এর মধ্যে একজন মেয়ে ছিলেন। পরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ভেতরে প্রবেশ করলে একজন সটকে পড়েন। সত্যতা পেয়ে পুলিশে খবর দেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। পুলিশ খাতাগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি জিডি করে খাতাগুলো নিজেদের জিম্মায় নেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন সমকালকে জানিয়েছেন, চায়ের দোকানে খাতা দেখা অবস্থায় পরীক্ষককে পাওয়া যায়। তার কাছ থেকে ৪০০ খাতা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষককে শোকজ ও তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি তিন কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দেবে।

  • ইএফটিতে মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, তথ্য হালনাগাদের নির্দেশ

    ইএফটিতে মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, তথ্য হালনাগাদের নির্দেশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দেশের সব এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারে (ইএফটি) বেতন-ভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে অনলাইনে তথ্য সংশোধন ও হালনাগাদ করার নির্দেশনা দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্ধারিত ছক অনুযায়ী তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে প্রস্তুত রাখার জন্য বলা হয়েছে।

    গতকাল রোববার মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। দেশের সব মাদরাসার অধ্যক্ষ ও সুপারদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর অর্থ বিতরণ সহজীকরণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইএফটির মাধ্যমে ‘গভর্নমেন্ট টু পার্সন’ (জিটুপি) পদ্ধতিতে সরাসরি নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে। এ লক্ষ্যে অনলাইন এমপিও সিস্টেমের প্রয়োজনীয় আপগ্রেডেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ইএফটির মাধ্যমে অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য আবশ্যিকভাবে সঠিক হতে হবে।

    নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষক-কর্মচারীরা নির্ধারিত ছক পূরণ ও স্বাক্ষর করে প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে জমা দেবেন এবং এর একটি সফট কপি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা এই তথ্যগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করবেন। পরবর্তীতে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে সফটওয়্যারের লিংক ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনাসহ অনলাইনে এই তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হবে।

    কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকল তথ্য নির্ভুল না থাকলে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো বেতন-ভাতা শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে না। এই কারণে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে সংযুক্ত ছকের সকল তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ ও প্রস্তুত রাখার জন্য মাদরাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও শিক্ষক-কর্মচারীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • পাঠদানের অনুমতি পেল আরো ৬৫৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    পাঠদানের অনুমতি পেল আরো ৬৫৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দেশের ৬৫৪টি বেসরকারি স্বতন্ত্র কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিম্ন-মাধ্যমিক (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পাঠদান পরিচালনার অনুমতি দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো অনুমতিপত্র সংগ্রহ করেনি, তাদের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত অনুমতিপত্র সংগ্রহের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ গত ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি অনুযায়ী অনুমোদনহীন বেসরকারি স্বতন্ত্র কারিগরি শিক্ষার এসএসসি (ভোকেশনাল)/দাখিল (ভোকেশনাল) প্রতিষ্ঠানে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক (ভোকেশনাল) (ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণি) শিক্ষাক্রম পরিচালনার জন্য ৬৫৪টি প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে।তে আরও বলা হয়, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো নিম্ন-মাধ্যমিক (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের পাঠদানের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে প্রথমে চেয়ারম্যান বরাবর একটি প্রতিষ্ঠানপত্র দিয়ে পাঠদান পরিচালনার সক্ষমতার বিষয়ে অবহিত করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পাঠদানের অনুমতিপত্রের কপি সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা দেখুন এখানে…….

  • এমপিও শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ ৮ দাবি

    এমপিও শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ ৮ দাবি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বৈষম্য নিরসনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণসহ ৮ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘সচেতন শিক্ষক সমাজ’।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি জানান সচেতন শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বৈষম্য দূর করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

    আটটি দাবি হলো- শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, ৯ম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তিকরণ, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি শিক্ষকদের প্রেষণে নিয়োগ বন্ধকরণ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আওয়ামী দোসরদের অপসারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি না করা, শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বদলির ব্যবস্থাকরণ এবং শতভাগ উৎসব ভাতা ও সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া প্রদান এবং কল্যাণ-অবসরের টাকা দ্রুত প্রদানের ব্যবস্থা করা।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. মোকলেছুর রহমান, মোল্লা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল হক, আব্দুল আউলিয়া, প্রভাষক হালাদার আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক আব্দুল হাকিম, অধ্যাপক আব্দুল মফিজ, মো. বোরহান উদ্দিন, শাহাজ পারভীন, এএইসএম সাইদুজামন, মো. আজিজুল হক রাজা প্রমুখ।