বৃটেনের ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনে চমক দেখিয়েছিল দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা লেবার পার্টি। স্থানীয় নির্বাচনে সফলতায় ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করে লেবার পার্টি। তবে দেশটিতে লেবার শাসনের মাত্র দুই বছরের মাথায় রাজনীতির মাঠের চিত্র পাল্টে গেলো।লেবার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বৃটেনের জনগণ। ইংল্যান্ডের স্থানীয় নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে লেবার পার্টি। ৭ই মে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ভোট গণনার প্রাথমিক ফল হতাশ করেছে লেবার পার্টিকে। প্রাথমিক ফলাফলে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়েছে।
লেবার ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত বিভিন্ন কাউন্সিলে লেবারের আসন কমেছ। অন্যদিকে ফলাফলে উল্লেখযোগ্য সফলতার মুখ দেখেছে অভিবাসী বিরোধী নেতা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম রিফর্ম ইউকে।
অনেকেই মনে করছেন, এই ফলাফল প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে রিফর্ম ইউকের উত্থান বৃটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রাপ্ত ফলাফলে প্রথম স্থানে এগিয়ে রয়েছে রিফর্ম ইউকে ও লেবার রয়েছে চতুর্থ স্থানে।
নির্বাচনে ভরাডুবি নিয়ে স্টারমার বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতার কারণে মানুষ পরিবর্তন আশা করলেও সেই পরিবর্তন এখনও অনুভব করছে না।
স্টারমারের মন্ত্রিসভার পররাষ্ট্র সচিব ইভেট কুপার বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সরকার ও লেবার পার্টির জন্য বড় বার্তা বহন করছে।
তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সময় এসেছে। দেশের রাজনীতিতে মেরুকরণ বাড়ছে এবং এটি জাতীয় ঐক্যের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এদিকে স্থানীয় নির্বাচনে বড় সাফল্য পাওয়া রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ দাবি করেছেন, এই ফলাফল ব্রিটিশ রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
