দেশের জন্য আত্মত্যাগে প্রস্তুত ইরানিরা

ইরানের রাজধানী তেহরানের বিখ্যাত ইনকিলাব স্কয়ারে দেশটির ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি সংহতি জানাতে লাখো মানুষ জড়ো হয়েছেন। দেশটির বর্তমান ব্যবস্থা ও আয়াতুল্লাহর প্রতি সমর্থন জানাতে তারা এই সমাবেশে অংশ নেন।

আলজাজিরার প্রতিবেদক সিনেম কোসেওগলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘জানফাদা-ই-ইরান’ নামে একটি কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে শত শত হাজার মানুষ নিজেদের নাম নিবন্ধন করেছেন। ফারসি শব্দবন্ধটির মোটামুটি অর্থ ‘ইরানের জন্য আত্মত্যাগ’।

কর্মসূচিটি মূলত ইরানের জনগণ ঐক্যবদ্ধ এবং দেশের প্রয়োজনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত—এমন বার্তা তুলে ধরার একটি প্রদর্শনীতে পরিণত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

‘জানফাদা-ই-ইরান’-এর মূল ভাবনা হলো—‘আমার জীবন আমার দেশের জন্য উপহার’। কর্মসূচিতে নারী ও কিশোর-কিশোরীরাও নিজেদের নাম নিবন্ধন করছেন। কোনো সংকট বা যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে তাদের সংগঠিত করা হতে পারে। তাদের ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন বাসিজ বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাৎ এটি অনেকটা রিজার্ভ বাহিনীর মতো কাজ করবে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বক্তব্যে তিনি এটিকে জনগণের সংহতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

পেজেশকিয়ানের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু ইরানের ওপর হামলা চালানো দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে নয়, বরং ইসলামি প্রজাতন্ত্রকেও একটি বার্তা দেওয়া হচ্ছে—যেকোনো সংকট মোকাবিলায় ইরানের জনগণ প্রস্তুত।