তেলের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে

প্রতিবেদন:

·

,

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধের উত্তেজনা কমার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমেছে। যদিও টানা দুই দিনের মূল্যবৃদ্ধির পর বৃহস্পতিবার তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে, তবু সাপ্তাহিক হিসাবে বড় দরপতনের পথেই রয়েছে। চলতি সপ্তাহে ব্রেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১২ শতাংশ কমতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার শুক্রবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের জানুয়ারি মাসের সরবরাহ চুক্তির দাম আগের দিনের তুলনায় ১ ডলার ৫৭ সেন্ট বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ ডলার ৮৬ সেন্টে দাঁড়ায়।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১ ডলার ১০ সেন্ট বা ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১ ডলার ৬২ সেন্টে ওঠে। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দুই ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ল।

তবে দৈনিক এই মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও সাপ্তাহিক হিসাবে ব্রেন্টের দাম ১২ শতাংশ কমার পথে রয়েছে।

৩০ অক্টোবর ডিসেম্বর মাসের সরবরাহ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জানুয়ারি মাসের চুক্তির দাম বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ডব্লিউটিআইয়ের দামও চলতি সপ্তাহে ১২ দশমিক ১ শতাংশ কমতে পারে।

এর আগে বুধবার এক দিনেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর এই দরপতন ঘটে।

ওই দিন ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—দুই ধরনের তেলের দামই গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।

বাজারে এই দরপতনের পেছনে ইরান যুদ্ধের উত্তেজনা কমার প্রত্যাশা কাজ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর সংঘাত প্রশমনের সম্ভাবনা দেখছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা এখনো রয়েছে। এ উদ্বেগই বিশ্ববাজারে তেলের দামের আরো বড় পতন ঠেকাতে ভূমিকা রাখছে।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ