যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নেতাদের হত্যা বন্ধ করতে হবে, যাতে আলোচনায় কারা যুক্ত রয়েছেন, তা শনাক্ত করা যায়। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, মার্কিন সামরিক অভিযানে দেশটির নেতৃত্ব ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে এক নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানি নেতাদের হত্যা করা আমাকে বন্ধ করতে হবে। কারণ, শেষ পর্যন্ত আমাদের বুঝতে হবে, আমরা আসলে কার সঙ্গে আলোচনা করছি।’
ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও নেতৃত্বের ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তাদের কোনো বিমান নেই, জাহাজ নেই, কিছুই নেই। তাদের শীর্ষপর্যায়ের নেতা নেই। প্রথম স্তরের নেতা শেষ, দ্বিতীয় স্তরের নেতাও শেষ।’
২০১৫ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে সম্পাদিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্তের পক্ষেও সাফাই দেন ট্রাম্প। তার দাবি, ওই চুক্তি বাতিলের মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথ বন্ধ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বারাক হোসেন ওবামার করা সবচেয়ে খারাপ চুক্তিগুলোর একটি বাতিল করেছিলাম। জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ), যাকে অনেকে ইরান পারমাণবিক চুক্তি বলে থাকেন, সেটি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। সৌভাগ্যক্রমে, ঠিক সময়েই আমি চুক্তিটি বাতিল করেছিলাম।’
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ এবং ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মাধ্যমে দেশটির ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তিনি ২০২৫ সালে এবং চলতি বছর পরিচালিত সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানকে সামরিকভাবে, আর্থিকভাবে এবং অন্যান্য দিক থেকেও পরাজিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
