শিক্ষা ডেস্ক:
বেসরকারি পাঁচ মাদ্রাসার সুপার, অধ্যক্ষসহ আট শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে তাদের বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। কেন তাদের বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বাক্ষরিত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব শিক্ষক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জাল স্বাক্ষর ও চিঠি তৈরি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শিট প্রস্তুত এবং মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
শোকজ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার নিজবলাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মো. ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন এবং কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার সোনারীপাড়া মীম ছীন বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ইস্কেন্দার মির্জা। এ ছাড়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মস্কিপুর দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আফতাব উদ্দীন, সহকারী মৌলভী মো. জহরুল ইসলাম ও মো. আখতার হোসেন এবং মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী মৌলভী শামছিয়া খাতুনকে শোকজ করা হয়েছে।
নোটিশে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের বেতন-ভাতা কেন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়েও জবাব চাওয়া হয়েছে।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
