ভারতের তরুণদের প্রতি আহ্বানটি ছিল সহজ, ‘শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাতে দিল্লির রাস্তায় নামতে প্রস্তুত হও’। সেই আহ্বানে বেরিয়ে আসেন হাজার হাজার তরুণ।
শনিবার অনুষ্ঠিত হলো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রথম প্রকাশ্য বিক্ষোভ। মূলত ঠাট্টা-বিদ্রু প আর ব্যঙ্গের মধ্য দিয়ে দলটির জন্ম। ব্যঙ্গাত্মক এই উদ্যোগ দ্রুতই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, যিনি এই প্রাণবন্ত বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিতে শনিবার সকালেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন, ‘এ দেশের তরুণেরা আর ভয় পাবে না, তারা লড়াই করবে।’
দীপকে বলেন, ‘সরকারের কাছে আমরা হয়তো নিছক পোকামাকড়, কিন্তু আমরা জীবিত এবং আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে সক্ষম।’
কড়া পুলিশি পাহারার মধ্যে সমবেত হওয়া জেন-জি ও মিলেনিয়াল প্রজন্মের অনেকেই আশা প্রকাশ করছেন যে, প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সরকার পতনকারী আন্দোলনের মতো একটি যুব নেতৃত্বাধীন আন্দোলন ভারতেও গতি পেতে পারে।
সিজেপির পেছনের এই জোয়ার অনেককেই অবাক করেছে। বিশেষ করে দীপকে, যিনি মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও বোস্টন ইউনিভার্সিটির একজন ভারতীয় স্নাতক হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক শান্ত জীবনযাপন করছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি ভারতের বেকার যুবকদের ‘পরজীবী’ এবং ‘তেলাপোকা’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তার এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েই দীপকে হঠাৎ করে সামাজিক মাধ্যমে মজা করে একটি আহ্বান জানান, ‘সব তেলাপোকা একজোট হলে কেমন হয়?’
এ/জেড
।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
