রাজনৈতিক চর্চার চেয়ে পেশাগত দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ; প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদন:

·

, , , ,

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সচেতনতা ও মতাদর্শগত অবস্থান স্বাভাবিক বিষয়। তবে রাজনীতি করতে গিয়ে পেশাগত দায়িত্বে কোনো ধরনের অবহেলা করা যাবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সমাজের প্রায় সব ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে। তাই শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা পেশাজীবীরা নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও সংগঠিত থাকতে পারেন। এতে অস্বাভাবিকতার কিছু নেই।

তবে রাজনৈতিক সক্রিয়তা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। রাজনৈতিক চর্চার চেয়ে নিজ নিজ পেশার দায়িত্ব পালনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ

জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

‘ধ্বংসস্তূপের মতো পরিস্থিতি পেয়েছি’

চিকিৎসকদের বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ধ্বংসস্তূপের মতো একটি পরিস্থিতি পেয়েছে।

‘দুর্বল অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং ভঙ্গুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা’—সব মিলিয়ে কঠিন একটি পরিস্থিতি সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই অবস্থা থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সরকার কাজ করছে। এর জন্য সময় প্রয়োজন এবং সব খাতকে ধীরে ধীরে পুনর্গঠন করতে হবে।

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের কথাও স্বীকার

বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি সরকার অস্বীকার করছে না বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানুষ যে বর্তমানে বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে কষ্ট ভোগ করছে, সরকার তা জানে। তবে সামগ্রিকভাবে একটি ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়ায় এসব সমস্যা সমাধানে সরকারকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ