ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণ
• হঠাৎ তীব্র জ্বর (১০১ থেকে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে) অথবা মৃদু জ্বর ১০০-১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে পারে।
• তীব্র মাথাব্যথা ও চোখের পেছনের অংশে ব্যথা।
• শরীর, হাড় ও মাংসপেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা।
• ত্বকে লালচে র্যাশ (Rash) বা দানা ওঠা।
• বমি বমি ভাব, বমি হওয়া বা রুচি কমে যাওয়া।
জ্বর কমার পরও যদি তীব্র পেটব্যথা, একটানা বমি, মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট কিংবা প্রচণ্ড দুর্বলতা দেখা দেয়—তবে কালবিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।
আক্রান্ত হলে করণীয়
পর্যাপ্ত বিশ্রাম : রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
তরল খাবার : প্রচুর পরিমাণে পানি, ডাবের পানি, ওআরএস (খাবার স্যালাইন), লেবুর শরবত ও স্যুপজাতীয় তরল খাবার খাওয়াতে হবে।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ : জ্বর কমাতে শুধু প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ সেবন করা যাবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না।
বর্জনীয় ওষুধ : কোনোভাবেই ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs), যেমন—আইবুপ্রোফেন, নাপ্রোক্সেন বা ডাইক্লোফেনাক খাওয়া যাবে না। এতে শরীরের ভেতরে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে।
অ্যান্টিবায়োটিক নয় : ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, তাই এতে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই।
ঘরোয়া পদক্ষেপ
• টব, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, এসি বা ফ্রিজের নিচে তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেবেন না।
• দিনে কিংবা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।
• যথাসম্ভব ফুলহাতা জামা ও লম্বা প্যান্ট পরিধান করুন।
• উন্মুক্ত স্থানে যাওয়ার সময় অ্যারোসল, মসকিউটো রিপেলেন্ট ক্রিম বা কয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
পরামর্শ : ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তের এনএস১ (NS1) বা সিবিসি (CBC) পরীক্ষা করিয়ে নিন এবং আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকুন।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
