নতুন লোগো এবং ওয়েবসাইট উন্মোচন করেছে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)। একই সাথে আগামী জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৭ সালের ২ জানুয়ারি।
শনিবার আসাদগেটস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাগপার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়াম কমিটির বৈঠকে নতুন লোগো ও ওয়েবসাইট উন্মোচন করা হয়। বৈঠকে জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ, দলীয় গঠনতন্ত্র সংস্কার ও সংশোধন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের অংশগ্রহণ, ১১ দলীয় ঐক্যে জাগপার ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতিসহ নানাবিধ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
৩ ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান এমপি বলেন, ‘আমরা সংবিধান সংস্কারের কথা বলি, কিন্তু নিজেদের দলের সংবিধান তথা গঠনতন্ত্রে অনেক ফাঁক রেখে দিই। আধিপত্যবাদ ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সকল পর্যায়ে সংস্কার প্রয়োজন। আর তাই সাধারণত দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হলেও এবার আমরা নতুন করে ঢেলে সাজিয়েছি, সংস্কার করেছি। ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক দল হিসেবে আন্দোলন-সংগ্রামে আরো জোরালো ভূমিকা রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
জাগপা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন বলেন, ‘জাগপার জাতীয় সম্মেলন আগামী ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ। এর পূর্বে সারা দেশে জাগপার সকল সাংগঠনিক জেলা এবং মহানগর কমিটি ঢেলে সাজানো হবে। এবারের জাতীয় সম্মেলন বর্ণাঢ্য এবং সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মেনে আয়োজন করা হবে।’
জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, ‘পূর্ববর্তী প্রজন্মের ঐতিহ্য এবং নতুন প্রজন্মের চাহিদার সমন্বয় করে জাগপার নতুন লোগো এবং ওয়েবসাইট উন্মোচন করা হয়েছে আজ। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং পৌরসভায় যেসব জায়গায় জাগপার যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জাগপা প্রার্থী দেবে না, বরং জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ১১ দলের যোগ্যতর প্রার্থীকে সমর্থন দেবে।’
জাগপা সভাপতি ও প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান এমপির সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, ১নং সহ-সভাপতি ও প্রেসিডিয়াম সদস্য রাশেদ প্রধান, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহিদুর রহমান বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, ভিপি মু. মুজিবুর রহমান, হাজী মো. হাসমত উল্লাহ এবং মো. শামীম আখতার পাইলট।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
