ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তেহরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। এ ঘোষণার পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আসা নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে।
সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিতার মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হতে পারে মোজতবার প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি দাফন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
গত এক সপ্তাহ ধরে চলা খামেনির শোকানুষ্ঠান ও শেষযাত্রার কোনো পর্বেই মোজতবাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এ ছাড়া খামেনির দাফনে কারা উপস্থিত থাকবেন, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট কারও নাম প্রকাশ করা হয়নি।
গত সপ্তাহজুড়ে খামেনি পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তার অন্য তিন ছেলে- মোস্তফা, মাসউদ ও মেইসাম খামেনি।
এদিকে এরই মধ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। টানা দুইদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এনিয়ে ইরানজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগও বেড়েছে।
গত সপ্তাহে ইসরাইল জানায়, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা তাদের “টার্গেট” বা হত্যার লক্ষ্যবস্তু। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে ইসরাইলি বাহিনীর চালানো হামলায় আলি খামেনিসহ দেশটির কয়েক ডজন শীর্ষ নেতা ও সামরিক কমান্ডার নিহত হন। তবে সেইদিন অল্পের জন্য হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান মোজতবা।
এরপর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও এখন পর্যন্ত মোজতবা আত্মগোপনে রয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর তিনি কখনো জনসমক্ষে আসেননি বা নিজের কণ্ঠে কোনো বক্তব্য দেননি। সমর্থকদের উদ্দেশে শুধুমাত্র লিখিত বার্তা পাঠিয়েছেন তিনি।
তার এমন আড়ালে থাকা নিয়েও নতুন করে জল্পনা ব্যাপকভাবে দেখা দিয়েছে।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
