স্বাস্থ্য খাতের সব টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পুরোনো টেন্ডার প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে তা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বিগত দিনে স্বাস্থ্য খাতের কেনাকাটা থেকে শুরু করে প্রায় সব সেক্টরেই অনিয়ম-দুর্নীতি হয়ে আসছিল। এখাতের টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে ছিল সীমাহীণ প্রশ্ন। সরকার এসব কিছু আমলে নিয়ে সব টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের (নিমিউ অ্যান্ড টিসি) পক্ষ থেকে টেন্ডার মূল্যায়নে একই ব্যক্তি একাধিক কমিটিতে দফায় দফায় থাকা এবং ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে কাজ করার অভিযোগ পেয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ জন্য গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সিএমএসডি, নিমিউসহ সংশ্লিষ্ট অধীনস্থ সংস্থার প্রধানরা বৈঠকে বসেন।
সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, টেন্ডার প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা দরকার। পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে পরিবর্তন-পরিবর্ধন আনা প্রয়োজন। এজন্য তারা ১৪ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এর মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে রিপোর্ট পেশ করা হবে। সমস্যা থাকলে তা সমাধানের পর টেন্ডার কার্যক্রম চালু করবে সরকার।
প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে গুটি কয়েক ব্যক্তি ঘুরেফিরে বিভিন্ন হাসপাতালের টেন্ডার মূল্যায়ন করেন। যার কারণে অসদুপায়ে ঠিকাদারদের সঙ্গে সিন্ডিকেট করে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার কাজ করেন। এসব কিছু খতিয়ে দেখতে এবং দুর্নীতি তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সরকার এ কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
