শিশু স্বাস্থ্য

  • হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

    হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। গত ৭৭ দিনে হাম ও উপসর্গে ৫৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    রোববার (৩১ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৮৫ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৫ জন।

    এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫৩ শিশু। একই সময়ে ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৩৬।

  • আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেকারি পাওয়া গেছে

    আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেকারি পাওয়া গেছে

    রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাউরুটি তৈরির একটি ফ্যাক্টরির (বেকারি) সন্ধান পাওয়া গেছে।

    শনিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল হাসপাতালটি পরিদর্শনে গেলে এ বিষয়টি সামনে আসে।

    পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের ভেতরে পাউরুটি উৎপাদনের কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।

    এ সময় ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেশের কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচার করা হয়, যা জনমনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

    ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৩ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ৫৩ জন।

    আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ঢাকায় তিনজন, সিলেটে দুজন, চট্টগ্রামে একজন ও ময়মনসিংহে দুজন মারা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫৮৩ শিশুর। এর মধ্যে হামের উপসর্গে দেশে ৪৯৩ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯০ শিশু।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ৬১২। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৫ হাজার ৭০৫ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৫২ হাজার ৫০ শিশু বাড়ি ফিরেছে। অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯৯৬।

  • বড়দের আচরণে ক্ষতি হয় শিশুর

    বড়দের আচরণে ক্ষতি হয় শিশুর

    শিশুরা সবসময় নিজের চারপাশ থেকে শেখে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের আচরণই তাদের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। তারা বড়দের দেখেই অনেক কিছু রপ্ত করে ফেলে। তাই বাড়িতে ছোট সদস্য থাকলে বড়দের একটু বেশি সতর্ক হওয়া দরকার। ছোটদের সামনে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা তাদের মনে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে।

    এখানে এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো, যেগুলো অভিভাবকদের এড়িয়ে চলা উচিত—বিশেষ করে যখন শিশুরা আশপাশে থাকে।

    অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা করা নয়

    প্রতিটি শিশু আলাদা — তাদের ভাবনা, শেখার পদ্ধতি, আর গতি একেকরকম। তাই নিজের সন্তানের সঙ্গে অন্য কারও তুলনা করা একেবারেই উচিত নয়। এতে তার আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং মনে চাপ তৈরি হয়। শিশুকে তার নিজের মতো বেড়ে উঠতে দিন, প্রশংসা করুন তার নিজস্বতা।

    আবেগ দমন করতে শেখানো ঠিক নয়

    অনেক সময় দেখা যায়, শিশুরা কষ্ট বা রাগ পেলে সেটা প্রকাশ করতে চায়, কিন্তু বড়রা সেটা আটকান। ‘এগুলো বলো না’ বা ‘এত আবেগ দেখিও না’—এমন কথা শিশুর মনে বাধা তৈরি করে। ফলে তারা ধীরে ধীরে মনের কথা বলার সাহস হারিয়ে ফেলে। বরং, সন্তানের আবেগকে বোঝার চেষ্টা করুন, তাকে ভালোভাবে শুনুন।

    সব সময় ব্যস্ত রাখা শিশুর জন্য ক্ষতিকর

    আজকাল শিশুরা পড়াশোনা ছাড়াও নানা কাজে ব্যস্ত থাকে—কোচিং, হোমওয়ার্ক, ক্লাস, প্রজেক্ট ইত্যাদি। কিন্তু খেলাধুলা, বিশ্রাম, বা একান্ত নিজের সময়ও তাদের দরকার। যদি সারাদিন তাকে দৌড়ঝাঁপে ব্যস্ত রাখা হয়, তাহলে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাই একটা ভারসাম্যপূর্ণ রুটিন বানানো জরুরি।

    শিশুদের বেড়ে ওঠার সময় তাদের চারপাশের পরিবেশ অনেক বড় ভূমিকা রাখে। বড়রা যেমন আচরণ করবেন, শিশুরাও তা দেখেই শিখবে। তাই নিজের আচরণে সচেতন হওয়া এবং ছোটদের বুঝে, ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তোলাই একজন অভিভাবকের আসল দায়িত্ব।