ট্যাগ শিশু স্বাস্থ্য

  • তীব্র গরমে দেশের সোয়া দুই কোটি শিশু ঝুঁকিতে

    তীব্র গরমে দেশের সোয়া দুই কোটি শিশু ঝুঁকিতে

    জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ শিশু প্রতিবছর অন্তত এক মাস অতিরিক্ত বিপজ্জনক তাপজনিত চাপের মুখে পড়ছে।

    এ সংখ্যা দেশের এই বয়সী মোট শিশুর প্রায় ৭৯ শতাংশ।

    ব্রাসেলসের ভ্রিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

    গবেষণাটি গতকাল বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স অ্যাডভান্সেসে প্রকাশিত হয়েছে।


    গবেষণায় দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বছরে অন্তত পাঁচ মাস বা ১৫০ দিন মোট বিপজ্জনক তাপজনিত চাপের মুখে পড়া শিশুর সংখ্যাও প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন না থাকলে এ সংখ্যা প্রায় ৯০ লাখ হওয়ার কথা ছিল। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই কোটি ৬০ লাখে, যা এই বয়সী মোট শিশুর ৯১ শতাংশ।

    বাংলাদেশের পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে বিস্তৃত বড় সংকটের অংশ।

    গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় ১৬ কোটি ৭৪ লাখ শিশু, অর্থাৎ এই বয়সী মোট শিশুর প্রায় ৬২ শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বছরে অন্তত এক মাস অতিরিক্ত তাপজনিত চাপের মুখে রয়েছে। এ অঞ্চলে বছরে অন্তত পাঁচ মাস বিপজ্জনক তাপজনিত চাপের মুখে থাকা শিশুর সংখ্যাও দ্বিগুণ হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন না থাকলে এ সংখ্যা প্রায় আট কোটি হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১৫ কোটি ৬৬ লাখ।

    বিশ্বজুড়ে গবেষণায় দেখা গেছে, শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী সর্বোচ্চ ৫৬ কোটি শিশু, অর্থাৎ এই বয়সী মোট শিশুর ৪৩ শতাংশ মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে প্রতিবছর অন্তত এক মাস অতিরিক্ত তাপজনিত চাপের মুখে পড়ছে। অন্যান্য বয়সী মানুষের চেয়ে শিশুদের এ ঝুঁকি বেশি।

    অতিরিক্ত গরমে শিশুরা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে তাদের শরীর দ্রুত উত্তপ্ত হয়। ঘামের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতাও তুলনামূলকভাবে কম। এ ছাড়া অতিরিক্ত গরম থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে তারা প্রাপ্তবয়স্কদের ওপর বেশি নির্ভরশীল। তীব্র গরমের কারণে শিশুদের পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোক হতে পারে। বিদ্যমান স্বাস্থ্য সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত তাপ শিশুদের শেখার ক্ষমতা ও মস্তিষ্কের বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    গবেষণায় আর্দ্রতাজনিত তাপের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ছায়ায় ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার সম্মিলিত প্রভাবকে তাপজনিত চাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘামের মাধ্যমে শরীর কার্যকরভাবে তাপ ছেড়ে দিতে পারে না। ফলে এ ধরনের গরম শরীরের জন্য আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

    গবেষণার প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখা গেলেও বাংলাদেশে শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় দুই কোটি ৩০ লাখ শিশু, অর্থাৎ ৮৭ শতাংশ প্রতিবছর অন্তত এক মাস অতিরিক্ত তাপজনিত চাপের মুখে পড়তে পারে। একই সময়ে প্রায় দুই কোটি ৫০ লাখ শিশু, অর্থাৎ ৯৩ শতাংশ বছরে অন্তত পাঁচ মাস তাপজনিত চাপের মুখে পড়তে পারে।


    অন্যদিকে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে এই বয়সী প্রায় এক কোটি ৯০ লাখ শিশু, অর্থাৎ ৯৮ শতাংশ প্রতিবছর অন্তত এক মাস অতিরিক্ত তাপজনিত চাপের মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে প্রায় এক কোটি ৯০ লাখ শিশু, অর্থাৎ ৯৭ শতাংশ বছরে অন্তত পাঁচ মাস তাপজনিত চাপের মুখে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।

    গবেষণার প্রধান লেখক ও ব্রাসেলসের ভ্রিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক রোসা পিয়েত্রোইউস্তি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে ইতোমধ্যেই কোটি কোটি শিশু বিপজ্জনক তাপের মুখে পড়ছে, যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে। উন্নয়নশীল দেশের শিশুরা এখন এবং ভবিষ্যতে জলবায়ুজনিত চরম পরিস্থিতির তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।


    ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. লুৎফন নেছা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তীব্র গরমের প্রভাব শিশুদের মধ্যেও ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে রোদে খেলাধুলার পর হঠাৎ বমি, অতিরিক্ত ক্লান্তি, অস্থিরতা ও ক্ষুধামন্দার মতো সমস্যা এখন আগের চেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, শিশুদের বসার ও খেলার জন্য ঠান্ডা জায়গার ব্যবস্থা করতে হবে। দুপুর ও বিকেলের কয়েক ঘণ্টা তাদের বাড়ির বাইরে যাওয়া থেকে বিরত রাখা দরকার। শিশুদের হালকা ও বাতাস চলাচলের উপযোগী পোশাক পরাতে হবে। শিশুদের প্রচুর পানি পান করানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

    গবেষণার ফল বলছে, চরম তাপমাত্রা এখন শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামগ্রিক বিকাশের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। শিশুদের সুরক্ষায় শিশুকেন্দ্রিক তাপ মোকাবিলা পরিকল্পনা, শক্তিশালী তাপজনিত স্বাস্থ্য প্রস্তুতি, জলবায়ু সহনশীল জনসেবা এবং তাপজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাপ ঝুঁকি আরও বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ দ্রুত কমানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন গবেষকরা। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দারিদ্র্য, অপর্যাপ্ত আবাসন, শীতল পরিবেশে থাকার সীমিত সুযোগ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ শিশুদের তীব্র গরমের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা আরও কমিয়ে দিতে পারে।

    সূত্র: সমকাল অনলাইন

  • হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, মোট মৃত্যু ৭১৬

    হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, মোট মৃত্যু ৭১৬

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬২৩ এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জন। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭১৬।

    আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১ হাজার ৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২১১ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৪১ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে ১১ হাজার ৮৫১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৩ হাজার ৮০৬ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮০ হাজার ১৯৩ জন।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগে এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • হামের প্রাদুর্ভাব: উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের

    হামের প্রাদুর্ভাব: উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬১৯ এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জন। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭১২।

    আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের হিসাব দেওয়া হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৯৪১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ২০৭।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১৬ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে ১১ হাজার ৭১০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮২ হাজার ৮৪৪ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৭৯ হাজার ১৫২ জন।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগে এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশু মারা গেছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন শিশু মারা গেছে। তবে এসময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

    এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬১৫ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৩ শিশুর প্রাণ গেছে। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৭০৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৪৫ শিশু। এসময়ে হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৪৪। সবমিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৯ জন।

    তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৮ হাজার ২৬৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৫৯৪ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮১ হাজার ৯৫৫ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৮ হাজার ২৮৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

  • ডেঙ্গু চিকিৎসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন নির্দেশনা

    ডেঙ্গু চিকিৎসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন নির্দেশনা

    বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গু এখন দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি বেশি এবং অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা মারাত্মক হতে পারে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো শিশুদের জন্য আলাদা ডেঙ্গু চিকিৎসা উন্নয়নে নতুন নির্দেশনা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।

    ১৫ জুন, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এই নির্দেশনায় শিশু-কেন্দ্রিক ডেঙ্গু চিকিৎসা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট ও অনুমোদিত চিকিৎসা নেই। সাধারণত রোগীদের সহায়ক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করা হয়, যা অনেক সময় শিশুদের জন্য যথেষ্ট নয়।

    শিশুদের জন্য আলাদা চিকিৎসার প্রয়োজন কেন

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, শিশুদের শরীর ডেঙ্গু ভাইরাসে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া করে। অনেক শিশুর ক্ষেত্রে রোগ দ্রুত গুরুতর পর্যায়ে চলে যেতে পারে। ফলে তাদের জন্য আলাদা ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি থাকা জরুরি হয়ে পড়েছে।নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের ডেঙ্গু ওষুধ ও চিকিৎসা পদ্ধতি যেন শিশুদের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। এটি শুধু ডোজের বিষয় নয়, বরং ওষুধের ফর্মুলেশন, নিরাপত্তা এবং ব্যবহারযোগ্যতার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত।

    নতুন পিএডিও (PADO) উদ্যোগ কী বলছে

    এই নির্দেশনা এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার Paediatric Drug Optimization বা PADO প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এর উদ্দেশ্য হলো শিশুদের জন্য উপযুক্ত ওষুধ ও চিকিৎসা উন্নয়নের পথ নির্ধারণ করা।

    এই উদ্যোগে বিশেষজ্ঞরা ডেঙ্গু চিকিৎসার বিভিন্ন সম্ভাব্য ওষুধ, গবেষণা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছেন। এতে কিছু উন্নয়নাধীন চিকিৎসা পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে, যা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে শিশুদের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    গবেষণা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ডেঙ্গু চিকিৎসার ক্ষেত্রে শিশুদের নিয়ে গবেষণা আরও দ্রুত শুরু করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য চলমান ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফল পাওয়ার পরই শিশুদের ওপর গবেষণা শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর লক্ষণ, পুষ্টিগত অবস্থা এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে আলাদা গবেষণা ও চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতামতবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা তৈরি করতে হলে শুরু থেকেই তাদের কথা বিবেচনায় নিতে হবে। পরবর্তীতে যুক্ত করা হলে চিকিৎসা কাঠামো যথেষ্ট কার্যকর নাও হতে পারে।

    বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষণা সংস্থা এই উদ্যোগকে শিশুদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।

    কেন এই নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ

    বিশ্বে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে এবং এর একটি বড় অংশ শিশু। অনেক দেশে এখনো উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা সীমিত। ফলে শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশনা ভবিষ্যতে চিকিৎসা উন্নয়ন, গবেষণা এবং স্বাস্থ্য নীতিনির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলবে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই নতুন নির্দেশনা শিশুদের ডেঙ্গু চিকিৎসায় একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছে, যা ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থার পথ তৈরি করতে পারে। সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

  • শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ  : প্রধানমন্ত্রী

    শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ। একটি আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য বিষয় শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

    তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ।

    আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষাখাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে কাজ করছে। সেজন্য পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাও অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতার এসব খেলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, শুধু তাত্ত্বিক নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। আমার বিশ্বাস, এর ফলে মাদকাসক্তি, মোবাইল ফোন আসক্তির মতো সামাজিক সমস্যা রুখে দিতে সহায়ক হবে।

    তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, এ টুর্নামেন্টে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থাৎ ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৯৯ লাখ ৪৮ হাজার ৯৫৬ জন বালক ও বালিকা (বালক-৪৬ লাখ ৯১ হাজার ৯৯৬ জন, বালিকা-৫২ লাখ ৫৬ হাজার ৯৬০ জন) উভয় খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

    বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা দল সমান সুযোগ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। এ বছর সারাদেশে বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট এক লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কলেবর বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে বিবেচিত।বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সাথে মনন বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে গুরুত্বারোপ করছে। এর ফলে দেশে ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে আমাদের ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলে, সাফল্য অর্জন করছে।তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীরা হবে আমাদের আগামীর উজ্জ্বল মুখ, যারা দেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুনভাবে আলোকিত করবে। আমি ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি

  • শোকজের সন্তোষজনক জবাব না পেলে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    শোকজের সন্তোষজনক জবাব না পেলে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় কারণ দর্শানোর নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পেলে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

    তিনি বলেন, ‘আগামীকাল রোববার বিকালের মধ্যে আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ নোটিশের জবাব দিতে হবে, কেন তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না। সন্তোষজনক উত্তর না পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর মিন্টো রোডের নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

    সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে রোববার বিকালের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    তিনি জানান, জনস্বার্থ এবং মানুষের জীবনের নিরাপত্তার প্রশ্নে আইন অনুযায়ী শান্তির বিধান নিশ্চিত করা হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জবাব সন্তোষজনক না হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় একটি ফৌজদারি মামলা হয়েছে। তদন্তে যা বেরিয়ে আসবে, তার ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জনগণের দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এই লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ সফল হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের ঘাটতি পূরণ হবে এবং বিশাল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।’

    তিনি বলেন, মূলত তিন পর্যায়ে এই সেবা দেওয়ার মহাপরিকল্পনা করছে সরকার। এর মধ্যে থাকবে- গ্রাম থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানী পর্যন্ত রোগী পরিবহণের জন্য তিন ধরনের আলাদা ডিজাইনের অ্যাম্বুলেন্স। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে অত্যন্ত কম খরচে দেশের প্রান্তিক মানুষের কাছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

    সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের ভৌগোলিক ও সড়ক যোগাযোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে স্থানীয়ভাবে এই অ্যাম্বুলেন্সগুলোর ডিজাইন করা হবে। প্রাথমিকভাবে দেশের একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে ধরে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এই বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্সগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, অক্সিজেন সাপোর্টসহ জরুরি সেবার সব আধুনিক সুবিধা যুক্ত থাকবে। এই অ্যাম্বুলেন্সগুলো তৈরিতে কারিগরি ও ডিজাইন সহায়তার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট)।

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারা দেশে সচেতনতামূলক র‌্যালি করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্র সরণি থেকে শুরু করে ঢাকা শহরসহ সারা দেশের জেলা শহরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়াতে সচেতনতামূলক র‌্যালি করা হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আক্রান্তদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধও প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    রাজধানীর মগবাজারস্থ আদ-দ্বীনের হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে আদ-দ্বীন হাসপাতালের দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে। পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৬০১ জনে।

    তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

    এ সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২১০ জন। বুধবার (৩ জুন) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১২১০ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে।

    গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ৫৭২ জনে।

    এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫৫ জন। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ১৯১ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬০ হাজার ১৫৮ জন।

    একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৫ হাজার ১৪২ জন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫১১ জনের। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯০ জন।

  • হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

    হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। গত ৭৭ দিনে হাম ও উপসর্গে ৫৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    রোববার (৩১ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৮৫ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৫ জন।

    এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫৩ শিশু। একই সময়ে ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৩৬।