শিক্ষা

  • বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা বই পাবে, আশা শিক্ষামন্ত্রীর

    বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা বই পাবে, আশা শিক্ষামন্ত্রীর

    বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের পাঠ্যবই হাতে পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের মাঠে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আশা করছি, এ বছরে ডিসেম্বর অর্থাৎ বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে তাদের বই পৌঁছে দেব। বইগুলি পরিমার্জিত বই এবং বইগুলোর কারিকুলাম অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৮ সালে আমরা নতুন কারিকুলাম নিয়ে নতুন সিলেবাস নিয়ে আমরা আসতে পারব।

    তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বইগুলো পরিমার্জন হয়েছে। চারটি বিষয়ে আমরা বই নতুনভাবে দিচ্ছি এবং এ কর্মযজ্ঞ শিক্ষা মন্ত্রণালয় চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণত বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়। তবে এবার ২৫ ডিসেম্বরের আগেই তাদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে।

    আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন, মাধ্যমিক স্তরের এসএসসি পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সুন্দরভাবে। প্রশ্নপত্র আউট (ফাঁস) হয়নি, নকল হয়নি এবং দুই মাসের ভেতরে আগামী ২০ জুলাইয়ের ভেতরে রেজাল্টও আউট (ফল প্রকাশ) হয়ে যাবে।

    এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, এর পরবর্তীতে সেশন জট এবং এই যে গ্যাপ রয়েছে আমাদের এসএসসি, এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশনের, এই গ্যাপগুলোকে আমরা সমন্বয় সাধন করছি। আশা করছি, ২০২৮-এর মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই কলেজ অ্যাডমিশন এবং কলেজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন…। এটাকে আমরা সিংক্রোনাইজ করছি। আমরা কোনো অবস্থায়ই অবহেলায় সময় কাটাব না আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এ যে সিংক্রোনাইজ করছি এসএসসি, এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশন, এখানে যেন ছেলেমেয়েরা বসে না থাকে এবং অযথা যেন কোচিং সেন্টারে যেতে না হয় এবং ক্রিয়েটিভ এডুকেশন, সৃজনশীল লেখাপড়া যেন তারা করতে পারে, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা সিলেবাস কারিকুলাম তৈরি করছি।

    অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • জাকসু জিএসের আবেগঘন পোস্ট

    জাকসু জিএসের আবেগঘন পোস্ট

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাস্টার্স পরীক্ষা শেষে হলের সিট ছেড়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন এক পোস্টে হল জীবনের স্মৃতিচারণ করেছেন।

    সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নিজের ব্যক্তিগত প্রোফাইলে এক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর যথাসময়ে হল ত্যাগের সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্টে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি স্মৃতিময় অধ্যায়। করোনা-পরবর্তী সময়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম নান্দনিক আবাসিক হল মওলানা ভাসানী হলে ওঠেন এবং সেখানেই পড়াশোনা, খেলাধুলা, ক্লাবিংসহ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিবাহিত করেন।

    তিনি জানান, হলের করিডোর, খেলার মাঠ, কমনরুম, মসজিদ, ক্যান্টিন ও রিডিং রুমের প্রতিটি কোণায় তার অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। হলের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এমনকি হল প্রাঙ্গণের পরিচিত বিড়ালগুলোর সঙ্গেও গড়ে উঠেছে আন্তরিক সম্পর্ক।

    স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোমুগ্ধকর বৃষ্টি, শীতের সকালের রৌদ্রোজ্জ্বল সৌন্দর্য এবং গ্রীষ্মের বিকেলের কালবৈশাখির রূপ তিনি সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন এই হল থেকেই। হলের প্রতিটি মুহূর্ত ও পরিবেশ তার কাছে বিশেষ নান্দনিকতার প্রতীক হয়ে থাকবে।

    মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সিট ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আমি আমার হলের সিট ছেড়ে দিচ্ছি। শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার নিকটতম সময়ের মধ্যেই সবার উচিত হল ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়া।

    তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল আচরণ নবীনদের জন্য আবাসন সংকট নিরসনে সহায়ক হবে এবং এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি থেকে মুক্ত একটি সুস্থ ও সুষ্ঠু একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, আবাসিক হলগুলোতে নিয়মিত সিট হস্তান্তর ও সময়মতো হল ত্যাগের সংস্কৃতি গড়ে উঠলে নতুন শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে এবং ক্যাম্পাসে আরও মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

  • স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদের অসম্মতি

    স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদের অসম্মতি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদ সৃষ্টির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম জানতে চান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে যেই বিতর্ক সহকারী শিক্ষক সংগীত পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে; তার বর্তমান অবস্থা কী?

    রোববার, ১৪ই জুন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন লিখিত উত্তরে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ের শিক্ষক পদটি সৃজনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অসম্মতি প্রদান করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েকমাস ধরে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ প্রশ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দল ভিন্ন ভিন্ন দাবি ও অবস্থান জানিয়ে আসছে।

  • ছাত্রাবাস থেকে রাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ছাত্রাবাস থেকে রাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার (১০ জুন) বিকেলের দিকে নগরীর আমজাদের মোড় এলাকার ‘আয়েশা টাওয়ার’ নামের একটি ছাত্রাবাস থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মাহফুজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।

    নিহত শিক্ষার্থীর বন্ধু ও মেস সূত্রে জানা গেছে, মাহফুজুরের সঙ্গে কিছুদিন ধরে তাঁর এক বান্ধবীর সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। আজ বেলা ২টার দিকে তাঁদের মধ্যে ভিডিও কলে কথা হচ্ছিল। কথা বলার একপর্যায়ে ওই বান্ধবী মেস ম্যানেজারের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে মাহফুজুরের কক্ষে (৪১৫ নম্বর) দ্রুত যেতে বলেন। মেস ম্যানেজার ও সেখানে থাকা অন্য শিক্ষার্থীরা গিয়ে কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। এরপর একাধিকবার ধাক্কা দেওয়ার পর কক্ষের দরজা খুলে গেলে মাহফুজুরকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। মেসের অন্য শিক্ষার্থীদের ধারণা, বান্ধবীকে ভিডিও কলে রেখেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন।

    মাহফুজুরের সহপাঠী মোবাল্লেক জানান, মাহফুজুরের চার-পাঁচ বছর ওই মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। মাঝে কিছুদিন সম্পর্কের অবনতি ঘটে, কিন্তু সেটার সমাধান হয়েছিল। ঈদের বন্ধে সবাই বাড়িতে চলে যাওয়ায় তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরপরই আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সে আত্মহত্যা করেছে। তবে তার দেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন বা কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।’

    এ বিষয়ে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মতিন বলেন, ‘মাহফুজুরের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। মরদেহটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের ফ্রিজিং ভ্যানে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা চাচ্ছি, ময়নাতদন্ত ছাড়াই যেন মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

    মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ গোলাম কবীর বলেন, ‘আমরা মরদেহের সুরতহাল পরীক্ষা করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

    ওসি আরও বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং তাঁর পরিবার, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও শিক্ষার্থীরা না চাইলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

  • তুরস্কের সহযোগিতায় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে আলোচনা

    তুরস্কের সহযোগিতায় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে আলোচনা

    বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, কারিকুলাম আধুনিকায়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    সোমবার (৮ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের দপ্তরে তার্কিশ কো-অপারেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন এজেন্সির (টিকা) ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আলি এরজানের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, তুরস্ক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, বাংলাদেশও সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে চায়। এজন্য প্রাথমিক স্তর থেকেই বিজ্ঞান, গণিত, প্রযুক্তি ও সমস্যা সমাধান দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, সরকার শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নতুন শিক্ষাক্রম, অবকাঠামো উন্নয়ন ও ডিজিটাল শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচিও চলমান রয়েছে।

    ড. আলি এরজান বলেন, প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নের পরিকল্পনা প্রশংসনীয়। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে এই উদ্যোগ বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ শিক্ষা খাতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা, মডেল স্কুল উন্নয়ন, শিক্ষক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পেডাগজিক্যাল পদ্ধতি নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়ে একমত হন।

  • শিক্ষার্থীদের জন্য মিড ডে মিল চালুর আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

    শিক্ষার্থীদের জন্য মিড ডে মিল চালুর আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের মধ্যে সারাদেশে শিশুদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হবে বলে আস্বাস দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুর ন্যাশনাল বাংলা স্কুলে আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

    বিগত সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের ড্রপ আউটের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিলো, বর্তমান সরকার সবার আগে শিশুদের শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে – এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে শিশুদের স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করা হবে এবং এ বছরের মধ্যে সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হবে।

    তিনি বলেন, শিক্ষাকে আনন্দময় করতে খেলাধুলাকে কারিকুলামে যুক্ত করা হবে, শিক্ষার্থীরা যাতে হাসতে হাসতে শিখতে পারে সেজন্য সকল পদক্ষেপ নিবে সরকার।

    আজকের শিশুরাই আগামীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

    আর প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, সরকার এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেন শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমত বিষয় নিয়ে নিজেকে তৈরি করতে পারে।

  • নড়াইলে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    নড়াইলে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    ‘সিটবাণিজ্য ও কোনো নেতার আনুগত্য পাওয়ার আশায় রাজনীতি করবেন না’-জিএস সালাউদ্দিন আম্মার

    নড়াইল প্রতিনিধি
    নড়াইলে ঊষার আলো সূর্য সংঘের আয়োজনে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

    শনিবার (৩০ মে) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।

    বক্তব্যে তিনি বলেন, সিটবাণিজ্য ও কোনো নেতার আনুগত্য পাওয়ার আশায় রাজনীতি করবেন না। নিজে ব্যক্তিগত ভাবে এগিয়ে যান। এতে নিজের অবস্থান ভালো হবে। নেতার জন্য গলা ফাটিয়ে মিছিল করার দরকার নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা শেষ করে শুধু বিসিএস ক্যাডার বা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার আশা করা ঠিক নয়। আগে দরকার একজন ভালো ও মানবিক মানুষ হওয়ার। কারণ, অনেকে হয়ত বলতে পারেন, ম্যাজিস্ট্রেট হলে সরকারি বেতনের পাশাপাশি সম্মান পাওয়া যায়। আমি এটা সমর্থন করি না। কারণ, একজন ম্যাজিস্ট্রেটকেও অনেক ক্ষেত্রে এইট (অষ্টম) পাস পাতি নেতাকে এক মিনিটে ৪১ বার স্যার, স্যার… সম্বোধন করে উঠে দাঁড়াতে হয়।

    তাই শুধু বিসিএস ক্যাডার বা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট হলেই সবকিছু পেয়ে যাবেন, এমনটি ভাবা ঠিক নয়। অনেক বেসরকারি চাকরি বা উদ্যোক্তা ম্যাজিস্ট্রেটের চেয়েও বেশি বেতন পান। তাই সবার আগে সবাইকে ভালো ও মানবিক মানুষ হতে হবে। যে যেটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, ভালো ভাবে সেইদিকে এগিয়ে যেতে হবে।

    জিএস সালাউদ্দিন আম্মার নবীন ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার পাশাপাশি বিজ্ঞান ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চাসহ সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এসব ভালো দিক গ্রহণের পাশাপাশি খারাপ দিকও রয়েছে।
    এখানে (বিশ্ববিদ্যালয়) এসে অনেকে মাদকাসক্তও হয়ে পড়েন। বিপথে চলে যান। তাই সর্তক থেকে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া নবীন বয়সে প্রেমে পড়ে নিজের জীবন নষ্ট করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা ঠিকভাবে ব্যবহার করলে নিজেকে যোগ্য ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

    ঊষার আলো সূর্য সংঘের সভাপতি তরুণ কবি ও কলাম লেখক মিনহাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শাফায়াত উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন-ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার ধর্মতত্ত অনুষদের সাবেক ডিন ড. আকবর মাহমুদ।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন-নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ছায়েম আলী খান, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আলমগীর হুসাইন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ লাবলু, প্রকৌশলী গোলাম রাব্বি, সাবিব অটো গ্যালারির স্বত্তাধিকারী আনিসুল আজম, নড়াইলের প্যারাডাইস একাডেমির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু মুসা, বুয়েট শিক্ষার্থী শেখ ইমতিয়াজ, শিক্ষার্থী রাফাত জামিল, ঊষার আলো সূর্য সংঘের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খান মাসুম বিল্লাহ, আমিরুল ইসলাম রানা, আল আমিন মন্ডল, এস এম তন্ময় রেজা, আবির, তাফহিম, মুজাহিদ, বায়েজিদ খন্দকারসহ অনেকে।

    বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ১৩০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক, সনদপত্র ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এদের বাড়ি নড়াইলের বিভিন্ন এলাকায়।

    প্রসঙ্গত সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ঊষার আলো সূর্য সংঘ প্রতিবছর নড়াইলের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়ে আসছে।

  • ৫ তলা ভবন ধস, শতাধিক শিক্ষার্থী হতাহতের শঙ্কা

    ৫ তলা ভবন ধস, শতাধিক শিক্ষার্থী হতাহতের শঙ্কা

    ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির দক্ষিণে একটি পাঁচতলা বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় সাকেত মেট্রো স্টেশনের কাছে সাইদুলাজাব এলাকার ওয়েস্টার্ন মার্গে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভবনটিতে একটি কোচিং ইনস্টিটিউট, কয়েকটি ক্যাফে ও অফিস ছিল। একই সঙ্গে ভবনের ওপরের অংশে নির্মাণকাজ চলছিল বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।

    পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত। ধ্বংসস্তূপে আর কেউ আটকা পড়ে আছেন বলে আপাতত মনে হচ্ছে না, তবে নিশ্চিত হতে তল্লাশি চলছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটি ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মানুষের চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। মুহূর্তেই চারদিকে ধুলার মেঘ ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের একটি অংশ পাশের একটি অস্থায়ী টিনশেড ক্যানটিনের ওপর ভেঙে পড়ে, যেখানে শিক্ষার্থীরা খাবার খাচ্ছিলেন।

    দমকল বিভাগ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তিনজনকে উদ্ধার করে। পরে দমকলকর্মী ও জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

    আহত এক শিক্ষার্থীর বাবা বলবন্ত যাদব জানান, তার মেয়ে নীলম ভবনের পাশের ক্যানটিনে ছিলেন। ভবন ধসে পড়ার সময় সেখানে শতাধিক শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। নীলমের পা ভেঙে গেছে এবং তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    উদ্ধারকাজে ভারী যন্ত্রপাতি, হাইড্রোলিক কাটার, বিশেষ ক্যামেরা ও প্রশিক্ষিত অনুসন্ধানী কুকুর ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে দমকল, এনডিআরএফ, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা কাজ করছেন।

    সেখানকার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর ভবনটির মালিকানা, নির্মাণকাজের অনুমোদন এবং কোনো ধরনের অবহেলা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।

  • শিক্ষা সনদের সমমান নিশ্চিত করা হচ্ছে

    শিক্ষা সনদের সমমান নিশ্চিত করা হচ্ছে

    দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মক্ষেত্রে ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টির জন্য সরকার শিক্ষার্থীদের সনদের সমমান নিশ্চিত করছে। একইসঙ্গে টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে আন্তর্জাতিক চাহিদা অনুযায়ী কোর্স ও কারিকুলাম প্রণয়ন করা হচ্ছে।

    সোমবার (২৫ মে) বিকেলে সরকারের ‘১০০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতির পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যায়ক্রমে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর লক্ষ্যে শীর্ষস্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় চলমান রয়েছে, যা শিগগিরই কার্যকর করা হবে।

    উপদেষ্টা মাহদী আমিন আরো জানান, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মূল উদ্দেশ্য হলো তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যক্তির কার্যকর সংযোগ স্থাপন, ক্যারিয়ার সার্ভিস দেয়া, কাউন্সেলিং ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং বাজারের চাহিদার সঙ্গে কর্মসংস্থানের যোগানকে সমন্বিত করা। প্রবাসে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন দূতাবাসকে ডিমান্ড ম্যাপিংয়ের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো কোন দেশে কী ধরনের দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীর চাহিদা রয়েছে তা নির্ধারণ করে আমাদের টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে সে অনুযায়ী কোর্স ও কারিকুলাম প্রণয়ন করা। পাশাপাশি সনদের সমমান নিশ্চিত করা হচ্ছে, যাতে দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মক্ষেত্রে ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।

  • এবার শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ

    এবার শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ

    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দক্ষ জনবল তৈরি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে সরকার এই দুই খাতে উল্লেখযোগ্য হারে বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষায় ৫০ হাজার ৩০২ কোটি টাকা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় ৪২ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রাক্কলন করা হচ্ছে। দুই খাত মিলিয়ে মোট বরাদ্দ দাঁড়াচ্ছে ৯২ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ৯ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা বেশি

    অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরের সম্ভাব্য ব্যয়সীমার মধ্যে শিক্ষা খাতকে শীর্ষে রাখা হচ্ছে। সর্বোচ্চ ব্যয়ের ১০টি খাতের জন্য মোট ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এসব খাতে বরাদ্দ ছিল ৩ লাখ ২৭ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে এই খাতগুলোতে মোট বরাদ্দ বাড়ছে ৩০ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। এই তালিকায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এ বিভাগের বরাদ্দ ৫০ হাজার ৩০২ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৭ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা। ফলে আগামী অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ২ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা।

    জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৪২ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জন্য ১৮ হাজার ৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রাক্কলন করা হয়েছে।

    শিক্ষা খাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সব জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটউট স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে এবং একটি গুণগত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করা হয়েছে। সে আলোকে শিক্ষা খাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।