রাজনীতি

  • আ.লীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগ; এএজি নূরুল করিমের পদত্যাগ

    আ.লীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগ; এএজি নূরুল করিমের পদত্যাগ

    আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর পদত্যাগ করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) মো. নূরুল করিম। রোববার রাষ্ট্রপতির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে নূরুল করিম ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা উল্লেখ করেছেন। এতে তিনি লেখেন, আমার ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে আমি আর সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে ইচ্ছুক নই। অতএব, আমি আমার পদ থেকে পদত্যাগপত্র দাখিল করছি। অনুগ্রহ করে আমার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করার অনুরোধ করছি।

    এদিকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছবি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, নূরুল করিম ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছেন। তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এমন কিছু তথ্য ও ছবি কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। পরে আমি তাকে ডেকে এসব বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বিষয়গুলো অস্বীকার করেননি এবং এএজি পদে না থাকার বিষয়ে আমাকে জানান।

    অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, নূরুল করিম রাষ্ট্রপতি বরাবর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন এবং সেটি তার কার্যালয়েও গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য পদত্যাগপত্রটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

  • বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরা হবে- প্রধানমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরা হবে- প্রধানমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যক্তি রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘কোনো সংকট এক দিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। সংকট মোকাবিলায় ধৈর্য ধরে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা নিয়ে ধীরে ধীরে এগোতে হবে।

    আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়িঘাট এলাকায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত, স্থানীয় জেলেদের মধ্যে মাছের পোনা বিতরণ ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলাসহ ঢাকার বহু মানুষ বর্তমানে বিদ্যুতের কষ্ট ভোগ করছেন। স্বৈরাচার সরকারের অপরিকল্পিত বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এই সংকট তৈরি হয়েছে। আগামী ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হবে। ওই অধিবেশনে সরকার আগামী ১০ বছরে দেশের বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে কী পরিকল্পনা নিয়েছে, তা জনগণের সামনে উপস্থাপন করবে।’

    বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে তারেক রহমান বললেন, ‘সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছুসংখ্যক ব্যক্তি রাস্তায় ও রাজপথে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। রাজপথে বিশৃঙ্খলা হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ। এতে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যেরও ক্ষতি হয়। স্বৈরাচার সরকার দেশের অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় এসব ব্যবস্থা পেয়েছে। এখন ধ্বংস থেকে দেশকে গড়ে তুলতে হচ্ছে।’

    উন্নয়ন ও রাষ্ট্র সংস্কারে বাধা দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন, ‘যারা উন্নয়নকাজে বাধা দেবে, রাজপথে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে। এখন দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার সময়। সবাইকে হাতে হাত রেখে রাষ্ট্র মেরামত ও পুনর্গঠনের কাজ করতে হবে।’

    তিনি আরও বলছিলেন, দেশের মালিক বাংলাদেশের জনগণ। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

    নারী শিক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘নারীদের শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে সরকার অনার্স পর্যন্ত তাদের শিক্ষা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষার সব খরচ সরকার বহন করবে। ভালো ফলাফল করা মেয়েদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে। গ্রামগঞ্জের দরিদ্র পরিবারের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের প্রতিবছর স্কুলড্রেস ও স্কুলব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিশুর হাতে স্কুলব্যাগ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

    নারীদের স্বাবলম্বী করার প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশের চার কোটি পরিবারের মধ্যে নারী পরিবারের প্রধান ও সংসার পরিচালনা করেন এমন নারীদের পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রতিটি ঘরে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হচ্ছে।’

    মৎস্য খাতের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানালেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে অবমুক্ত করা মাছ বড় হয়ে ডিম ছাড়বে এবং বিভিন্ন খাল-বিলে ছড়িয়ে পড়বে। এর উপকার বাংলাদেশের মানুষই পাবেন।

    অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন; স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারাসহ মৎস্যজীবী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়িঘাট এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

  • বিবিসি : বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব কে

    বিবিসি : বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব কে

    বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপতি কাকে করা হবে, তা নিয়ে নানা আলোচনা ছিল গত কয়েকমাস ধরে। ১৩ আগস্ট মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণার পর দলের মহাসচিবের পদটিও শূন্য হতে চলেছে।

    জাতীয় সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। যে কারণে তার শূন্য পদে আগামীতে কে হবেন বিএনপির মহাসচিব, সেটি নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

    প্রথমে ভারপ্রাপ্ত তারপর কাউন্সিলের মাধ্যমে মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার পর প্রায় ১৬ বছর ধরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই পদে আসীন ছিলেন বর্ষীয়ান এই নেতা।

    তার এই পদে ভবিষ্যতে কে দায়িত্ব পালন করবেন, সেই প্রশ্নে দলের ভেতর কিংবা বিভিন্ন গণমাধ্যমে কয়েকজন নেতার নামই ঘুরেফিরে আসছে।

    তবে, বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দলের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কাউকে এই পদের জন্য চূড়ান্ত বা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

    বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দলের স্থায়ী মহাসচিব নির্বাচিত হন জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে। তার আগে পর্যন্ত কোনো নেতা সাময়িকভাবে বা ভারপ্রাপ্ত হিসাবে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে যিনি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আছেন রুহুল কবির রিজভী, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনিই ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হবেন।

    মির্জা ফখরুল ইসলামের আলমগীরের স্থলে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে রিজভীর বিষয়টি দলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হলেও পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি কেউ।

    কেননা, এক্ষেত্রে রিজভী ছাড়াও আরো দুই তিনজনের নাম দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনায় শোনা গেছে। যদিও সে বিষয়গুলো নিয়ে দলীয় হাইকমান্ড বা স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এখনো আলোচনা হয়নি।

    বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে কিংবা সেই সময়ে পূর্ণাঙ্গভাবে কাউকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে আর আগ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে রিজভী দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি। পার্টি যেটা সিদ্ধান্ত নেবে, সেটার জন্যই অপেক্ষা করে আছি।’

    তবে বিএনপির নেতারা আভাস দিয়েছেন, দলীয় ফোরামে আলোচনা হলেও মহাসচিব কে হবেন, সেটা মূলত নির্ভর করবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপরে।

    দলের কয়েকটি সুত্র বলছে, প্রাথমিকভাবে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তারপর দল থেকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব যখন দেওয়া হবে, তখন এই পদে রুহুল কবির রিজভী থাকতেও পারেন বা তার পরিবর্ততে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়াও হতে পারে।

    রিজভী বলেন, ‘কখনো কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব পদ দেওয়া হয়েছে, কখনো আবার আবার কাউন্সিল ছাড়াও মহাসচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটার সমস্ত ক্ষমতা দেওয়া আছে চেয়ারম্যানকে। এই দায়িত্ব কাউন্সিল থেকেই দেওয়া হয়েছে।’

    ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নানান চড়াই উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছে বিএনপির রাজনীতি। মাঠে থেকে যে রাজনীতিবিদ দলীয় দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পর ছিল রুহুল কবির রিজভীর নাম।

    সেই হিসেবে দলীয় কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে সিনিয়র নেতাদেরও অনেকেই মনে করছেন, প্রাথমিকভাবে এই পদে রিজভীকেই মহাসচিব পদের জন্য তার নামটি সবচেয়ে এগিয়ে।

    যদিও বাংলাদেশের কোনো কোনো গণমাধ্যমের খবরে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ আরো কয়েকজন সিনিয়র নামও সম্ভাব্য হিসেবে সামনে আসছে। সেখানে বলা হয়েছে, সালাহউদ্দিন আহমদকে মন্ত্রণালয় বদলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দেওয়া হতে পারে। অতীতে রাজনৈতিক দলগুলোর মহাসচিব বা সাধারণ সম্পাদককে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেখা গেছে।

    বাংলাদেশের কোনো কোনো গণমাধ্যমে সম্ভাব্য মহাসচিব হিসাবে দুই যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানি ও হাবিব উন নবী খান সোহেলের নামও এসেছে।

    তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম আমরা শুনি। কিন্তু পার্টির ভেতর তো এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। এই যে নামগুলো আসে, নিউজগুলো আসে, নেতাকর্মীরা যা বলতে থাকে সেই পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যম বলে থাকে।’

    তিনি বলছিলেন, ‘মহাসচিব হওয়ার মতো যোগ্য তো অনেকেই আছেন। প্রশ্নটা হলো—নিয়ম অনুযায়ী আপাতত রুহুল কবির রিজভী হওয়ার কথা। প্রোটকল অনুযায়ী উনি আসছেন। যদি অন্য কিছু হয় সেটা পরের ব্যাপার।’

  • অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

    অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল সুপ্রিম কোর্ট। রোববার দুপুরের তার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। এ সময় জেনারেলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষোভ করেছেন আইনজীবীরা। ‘দফা এক, দাবি এক—অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ’ স্লোগানে রোববার সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

    ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে আইনজীবীরা মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় তারা ডিএজি ও এএজি নিয়োগে অনিয়ম ও কথিত নিয়োগ-বাণিজ্যের তদন্ত, ফোরামের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন।

    বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইনজীবী শরীফ ইউ আহমেদ বলেন, ‘আমরা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের পদত্যাগ চাই। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তিনি বলেছিলেন, তিনি বিএনপির রাজনীতি করেন না। কিন্তু এখন তিনি ফ্যাসিস্টদের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন এবং তাদের পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন।’
    তিনি আরও বলেন, ‘রুহুল কুদ্দুস কাজল অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে থাকার সব ধরনের যোগ্যতা হারিয়েছেন।’ অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে শত কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে’—এমন অভিযোগ করে তিনি এর তদন্ত দাবি করেন।

    শরীফ ইউ আহমেদ বলেন, ‘আজকের এই সভা থেকে আমরা রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি। তার পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

    বিক্ষোভে অংশ নেয়া আইনজীবীরা বলেন, ‘‘তারা ‘ফ্যাসিস্ট, গুপ্ত, সুপ্ত ও দুর্নীতিমুক্ত’ অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় চান।’’ এ দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ২৪৭ বনাম ৯০, তবু হিসাব ভোটের বাইরেই

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ২৪৭ বনাম ৯০, তবু হিসাব ভোটের বাইরেই

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী জোটের দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ হয়েছে। ২০ আগস্ট ভোট হবে। প্রাথমিক সমীকরণে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে ২৪৭ এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের পক্ষে ৯০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন।

    সংখ্যার এই ব্যবধানে জয়-পরাজয় নিয়ে কার্যত কোনো অনিশ্চয়তা নেই। মির্জা ফখরুলের জয় প্রায় নিশ্চিত। এরপরও ভোটটিতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। তবে সেটি ফলাফলের চেয়ে অলি আহমদ কত ভোট পান, বিরোধী জোটের ৯০টি ভোট অটুট থাকে কি না এবং দুই শিবিরের বাইরের সংসদ সদস্যরা কোন দিকে যান—এসব প্রশ্নকে ঘিরে।

    আজ রোববার রাষ্ট্রপতি পদে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ—দুজনের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে। তবে কোনো প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নাই। ফলে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদকক্ষে দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোট হবে। ভোটার হবেন সংসদ সদস্যরা।

    গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। সংবিধান অনুসারে, পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কর্নেল (অব.) অলি আহমদ; রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি ও ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী তাঁরা ফাইল ছবি

    সংখ্যার চেয়ে ভোটের বিন্যাসে নজর

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনসহ বর্তমানে সদস্য রয়েছেন ৩৪৯ জন। বিএনপির সদস্য ২৪৭ জন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের সদস্য ৯০ জন। চট্টগ্রাম-৪ আসনে নির্বাচিত ঘোষিত বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা আদালতের রায়ে বাতিল হওয়ায় তিনি শপথ নিতে পারেননি। ফলে আসনটি শূন্য রয়েছে।

    দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরের বাইরে থাকা ১২ সদস্যের মধ্যে তিনজন বিএনপির মিত্র গণসংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি)। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্য একজন। বাকি আটজন স্বতন্ত্র; তাঁদের প্রায় সবাই একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    এই সমীকরণে মির্জা ফখরুলের জয় প্রায় নিশ্চিত হলেও বাকি ১২টি ভোট রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অলি আহমদ স্বতন্ত্র কিংবা ইসলামী আন্দোলনের ভোট টানতে পারলে বিরোধী জোট সেটিকে রাজনৈতিক অর্জন হিসেবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে মির্জা ফখরুল বিএনপির বাইরের ভোট পেলে ক্ষমতাসীন দল তাঁর প্রতি বৃহত্তর রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার বার্তা দিতে পারবে।

    অলি আহমদের সামনে মূল লক্ষ্য তাই রাষ্ট্রপতি হওয়া নয়; নিজের জোটের ভোট অটুট রেখে এর বাইরে কতটি ভোট পাওয়া যায়, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    ভোট প্রকাশ্য, ৭০ অনুচ্ছেদে বিতর্ক

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা প্রকাশ্যে ভোট দেন। ব্যালট পেপারে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশাপাশি ভোটদাতা সদস্যের নাম ও আসন নম্বরও উল্লেখ করতে হয়। ফলে কে কাকে ভোট দিয়েছেন, তা শনাক্ত করা যায়।

    জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ১১ আগস্ট বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে। কেউ দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দিলে তাঁর সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে।

    জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি ফাইল ছবি

    সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে কিংবা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তাঁর আসন শূন্য হবে। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নির্বাচন কমিশন পরিচালিত একটি স্বতন্ত্র সাংবিধানিক প্রক্রিয়া হওয়ায় এতে ৭০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে কি না, তা নিয়ে ভিন্ন আইনি মত রয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে দেওয়া বৈধ ভোট বাতিলেরও কোনো বিধান নেই।

    রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আইনি ব্যাখ্যা যা-ই হোক, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে কোনো সংসদ সদস্য ভোট দেবেন—এমন সম্ভাবনা খুবই কম।

    সর্বশেষ ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হয়েছিল। ওই সংসদে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ বেশ কয়েকটি দলের সদস্য ছিলেন। মোট ৩৩০ সদস্যের মধ্যে ৬৬ জন ভোট দেননি। এবারের সংসদের প্রায় সব সদস্যই ক্ষমতাসীন ও বিরোধী—এই দুই রাজনৈতিক শিবিরে বিভক্ত। ফলে বড় ধরনের ভোট-বিচ্যুতির সম্ভাবনা আরও কম।

    অলির প্রার্থিতায় রাজনৈতিক বার্তা

    অলি আহমদ শুধু একজন বিরোধী প্রার্থী নন। তিনি বিএনপির সাবেক নেতা, জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৮০ সালে সেনাবাহিনী ছেড়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারের যোগাযোগমন্ত্রীও ছিলেন তিনি।

    অর্থাৎ একসময়ে বিএনপির ঘরের মানুষ অলি আহমদ এখন বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর প্রার্থিতার এই প্রতীকী দিকটি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    রাজনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের মধ্যে একজন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করে জোটটি আলাদা রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইছে। জাতীয় নির্বাচনের আগেও অলি আহমদকে সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছিল জামায়াত। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও সেই রাজনীতির ধারাবাহিকতা দেখা যাচ্ছে।

    জোটসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার আশ্বাসের ভিত্তিতে এলডিপি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে এসেছিল। ফলে পরাজয় নিশ্চিত জেনেও তাঁকে প্রার্থী করা একদিকে সেই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা, অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিপরীতে বিরোধী পক্ষের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা।

    জাতীয় নির্বাচনের পর বিরোধী দলগুলোর ঐক্য কতটা টেকসই, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সেই ঐক্যের পরীক্ষা হবে। অলি আহমদ জোটের ৯০টি ভোটের সব কটি পেলে বিরোধীরা ঐক্যের বার্তা দিতে পারবে। ভোট কমে গেলে জোটের ভেতরের দুর্বলতাও প্রকাশ পাবে।

    মির্জা ফখরুল দীর্ঘদিন বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব এবং তারেক রহমানের দেশের বাইরে থাকার সময়ে তিনি দলের কঠিন সময়ের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন। তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপি দীর্ঘদিনের একজন পরীক্ষিত নেতাকে সক্রিয় দলীয় রাজনীতি থেকে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর ভিন্ন ভূমিকায় নিয়ে যাচ্ছে।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল প্রায় নিশ্চিত হলেও ২০ আগস্টের ভোট তাই অর্থহীন আনুষ্ঠানিকতা নয়। ফখরুলের জয়ের চেয়ে অলি কত ভোট পেলেন, বিরোধী জোটের ৯০টি ভোট অটুট থাকল কি না, দুই শিবিরের বাইরের ভোট কোন দিকে গেল এবং কোনো ভোট-বিচ্যুতি ঘটল কি না, ভোটের পরের রাজনীতিতে এসব প্রশ্নই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

  • অব্যবহৃত জলাশয়ে মাছ চাষে তরুণদের সহায়তা দেবে সরকার

    অব্যবহৃত জলাশয়ে মাছ চাষে তরুণদের সহায়তা দেবে সরকার

    মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও কর্মসংস্থানমুখী করতে দেশের অব্যবহৃত পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও অন্যান্য জলাশয় সংস্কার করে তরুণদের মধ্যে বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করে স্থানীয় তরুণদের মাধ্যমে মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আজ রোববার দুপুরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও অন্যান্য জলাশয় কাজে লাগিয়ে কিংবা অল্প জমিতে মাছ চাষের মাধ্যমে মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার বড় সুযোগ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক জলাশয় পড়ে আছে। সরকার এসব জলাশয় সংস্কার করে সেখানে মাছের পোনা ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘যে পুকুরগুলো, যে হাওর-বিলগুলো, জলাশয়গুলো যে এলাকায় হবে, সেই এলাকার তরুণ যাঁরা আছেন, তাঁদের মধ্যে সুন্দরভাবে আমরা এটা বণ্টন করতে চাই, যাতে করে তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।’ এ বিষয়ে মৎস্য মন্ত্রণালয়ে এরই মধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৎস্য খাত দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। মাছ চাষ, আহরণ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিক্রির সঙ্গে বহু মানুষ যুক্ত। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় বাড়াতেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্বের ৫২টি দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ছয় হাজার কোটি টাকার বেশি সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে। এই অর্জনের কৃতিত্ব মৎস্য উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও চাষিদের।

    তারেক রহমান বলেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গত জুনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মৎস্য ও জলজ প্রাণী উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। আর অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে মাছ আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারলে এ খাত থেকে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।

    প্রধানমন্ত্রী জানান, খুলনা অঞ্চলে ৩০০টি ক্লাস্টার গঠন করে ক্লাস্টারভিত্তিক চিংড়ি চাষ উন্নয়নের ফলে ৭ হাজার ৫০০ ঘেরে উৎপাদন গড়ে দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। পাশাপাশি কক্সবাজারের চকরিয়ায় সাত হাজার একর জমিতে চিংড়ি চাষ উন্নয়নে অবকাঠামো উন্নয়নসহ ‘শ্রিম সিটি মাস্টারপ্ল্যান’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

    ইলিশ উৎপাদন ও সংরক্ষণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইলিশ শুধু জাতীয় মাছ ও অর্থনৈতিক সম্পদ নয়, এটি বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবেও বিশ্বে স্বীকৃত। দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের অবদান ১০ শতাংশ এবং জিডিপিতে এর অবদান ১ শতাংশের বেশি। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল। তাই এ খাতকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো সুন্দরবন ও হাওর অঞ্চলে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন জেলেদের ভিজিএফের আওতায় আনা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বক্তব্য দেন।

  • বিএনপিতে যোগ দিলেন আ.লীগ সমর্থিত ১১ ইউপি সদস্য

    বিএনপিতে যোগ দিলেন আ.লীগ সমর্থিত ১১ ইউপি সদস্য

    কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ৮ নম্বর জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ সমর্থিত ১১ ইউপি সদস্য বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

    শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় হোমনায় কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার বাসভবনে গিয়ে তার হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগ দেন। যোগদানকারীরা সবাই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

    যোগদানকারীরা হলেন—১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বিল্লাল মোল্লা, ২ নম্বর ওয়ার্ডের হারুনুর রশিদ, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আমীর হোসেন গাজী, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আশরাফ উদ্দিন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খুরশিদ আলম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শাহ আলী, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. জাবেদ হোসেন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুনসুর আলী, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হান্নান মিয়া এবং সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রিপা বেগম ও ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রোজিনা আক্তার।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ওসমান গনি ভূঁইয়া, তিতাস উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মোল্লা এবং তিতাস উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম।

    যোগদানের পর বিএনপিতে সদ্য যোগ দেওয়া মো. বিল্লাল মোল্লা তার ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, দূর থেকে আমরা অনেকেই অনেক সময় নেতিবাচক চিন্তাভাবনা করি। সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া সত্যিই ভালো মনের মানুষ। তাই আজ জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সব সদস্য (মেম্বার) সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বিএনপির রাজনীতিতে যোগদান করলাম।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে ৭০ অনুচ্ছেদের প্রশ্নটা অবান্তর: গয়েশ্বর

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে ৭০ অনুচ্ছেদের প্রশ্নটা অবান্তর: গয়েশ্বর

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা ৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা অবান্তর।

    রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কনফারেন্স রুমে নির্বাচনি কর্তা ও সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এরপর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

    গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট। এ মাসের ১৩ তারিখে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি এবং আজকে বাছাই পর্ব ছিল। আমাদের পক্ষ থেকে প্রার্থী ঘোষণা করেছিলাম আমাদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। এর প্রস্তাবক ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। সমর্থনকারী হিসেবে ছিলাম আমি।

    তিনি বলেন, আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে বৈধ ঘোষিত হয়েছেন। এখন আমরা অপেক্ষায় থাকবো, ২০ তারিখের নির্বাচনের জন্য।

    জামায়াতের প্রতিনিধি, অর্থাৎ ১১ দলের প্রতিনিধিরা বলছেন, ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন হওয়া দরকার। এ বিষয়ে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর বলেন, ‘সেটা পরের চ্যাপ্টার। পরবর্তী সংসদ যদি বিবেচনা করে সবাই মিলে, এটা হতে পারে। এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগেই প্রশ্নটা অবান্তর। একটা কনফিউশন সৃষ্টি করে লাভ নেই।’

    ‘১১ দলীয় জোট বলছে এটা বড় অন্তরায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এটা বড় বাধা’ এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘না, বড় বাধা না। প্রচলিত সংবিধান অনুযায়ী, আমাকে পথ চলতে হবে। সেই সংবিধানে যেখানে বাধা আছে, সেই বাধা অতিক্রম করার জন্য আমাকে সংসদ থেকেই সংশোধন করতে হবে।’

    এ সময় দলের মহাসচিব নিয়ে কি কোনো চিন্তাভাবনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দলের মহাসচিব তো নির্বাচন কমিশনের চিন্তাভাবনা না। ওটা আমাদের গুলশান অফিসে আমাদের স্থায়ী কমিটির চিন্তা।’

    এ সময় বিএনপির প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

  • শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকতে দিল্লিকে সব উজাড় করে দিয়েছিলেন: রিজভী

    শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকতে দিল্লিকে সব উজাড় করে দিয়েছিলেন: রিজভী

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় চিরদিন টিকে থাকার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দিল্লির কাছে সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

    তিনি বলেছেন, তারা দেশের সার্বভৌমত্বকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে। শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকতেই তিনি এত রক্ত ঝরিয়েছেন, কাউকে পাত্তা না দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করেছেন।

    রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘জুলাইয়ের চেতনা ও আগামী বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন রিজভী।

    তিনি আরও বলেন, দুঃশাসনের নানা চিত্র ছিল—রিমান্ড, গুম, খুন এমন কোনো অপরাধ নেই যা শেখ হাসিনা করেননি। ফ্যাসিস্ট হিসেবে শেখ হাসিনার সঙ্গে পৃথিবীর অন্য কোনো ফ্যাসিস্টের মিল নেই। হিটলারসহ বিশ্বের অন্য ফ্যাসিস্টদের মধ্যে কিছুটা হলেও দেশপ্রেম ছিল; তারা চেয়েছিল তাদের দেশকে বিশ্বের সেরা হিসেবে প্রমাণ করতে। কিন্তু শেখ হাসিনা চেয়েছেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে হলেও ক্ষমতায় টিকে থাকতে। এ জন্যই তিনি জনগণের ওপর সব ধরনের অত্যাচার চালিয়েছেন।

    শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে রিজভী বলেন, ফেরারি পাখিরা কখনও ফেরে না, শেখ হাসিনাও আর ফিরতে পারবেন না। তবে তিনি ফিরতে পারতেন, যদি তাকে জোর করে দেশ থেকে বের করা হতো। লেনিন ফিরেছিলেন, ইমাম খোমেনি ফিরেছিলেন; কারণ তারা দেশের টাকা পাচার করেননি, প্লট নেননি, ব্যাংকের টাকা মেরে খাননি। এ জন্যই তারা ফিরতে পেরেছিলেন। তবে আমাদের মধ্যে ঐক্য না থাকলে ফ্যাসিবাদ অন্য কোনো রূপে ফিরে আসার চেষ্টা করতে পারে।

    আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতির প্রতি যথাযথ সম্মান জানাতে হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যাকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে এগিয়ে নিতে হবে। সে লক্ষ্যেই আমরা ‘কোয়ালিটি এডুকেশন’, ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’, ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-সহ আধুনিক সব প্রযুক্তি কীভাবে শিক্ষাব্যবস্থায় যুক্ত করা যায়, সে বিষয়েও আমরা কাজ করছি।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক সমন্বয় দপ্তরের পরিচালক মো. আমিনুল আকতার ও ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক নাজিম উদ্দীন আহমেদ।

  • অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; গ্যাস-বিদ্যুতের ভোগান্তি আরও দুই বছর পোহাতে হবে

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; গ্যাস-বিদ্যুতের ভোগান্তি আরও দুই বছর পোহাতে হবে

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন,বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট অতীত থেকে পাওয়া। এ সমস্যা ছয় মাস কিংবা এক বছরের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব নয়। দুই বছর সময় লাগবে। তবে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যার সমাধানে সরকার কোনো সময় নষ্ট করছে না।

    রোববার দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে অ্যামচেম আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ছাড়া দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে।

    সংকট নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের জ্বালানি ব্যবস্থায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের সমন্বয়ে একটি এনার্জি মিক্স তৈরি করা হচ্ছে।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, কর ব্যবস্থায় লাল ফিতার দৌরাত্ম্য, দুর্নীতি ও হয়রানি কমিয়ে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে কাজ করছে সরকার। এ সময় দেশের পুঁজিবাজারও আগের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।