ফুটবল

  • বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে গোল পেল না কেউই

    বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে গোল পেল না কেউই

    প্রথম মিনিটেই গল্পটা লিখে ফেলা যেত, কিংবা শেষ বাঁশির আগে গ্যালারিতে ছড়াতে পারত বিষাদ। মালদ্বীপে চার জাতির ডায়মন্ড জুবিলি টুর্নামেন্টে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক দলের ম্যাচটি ইতি টেনেছে নির্বিষভাবে। ফরোয়ার্ডদের সুযোগ নষ্টের মহড়া আর গোলপোস্টের নিচে মেহেদী হাসান শ্রাবণের বীরত্বের দিনে শেষ পর্যন্ত ০-০ গোলের ড্রয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে দুই দল।

    মালে স্টেডিয়ামে ম্যাচের বয়স যখন মাত্র এক মিনিট, তখনই গোল উৎসবে মাততে পারত বাংলাদেশ। নাজমুল ফয়সালের বাড়ানো ক্রসে ছোট বক্সের ভেতর সৌরভ দেওয়ানের আলতো টোকা পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়। শুরুর ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে ফিনিশিংয়ের দুর্বলতা বারবার হতাশ করেছে। ২৮ মিনিটে ম্যাচের সহজতম সুযোগটি হাতছাড়া করেন মুরশেদ আলী। রাহুলের পাসের পর সামনে কেবল প্রতিপক্ষ কিপার থাকলেও মুরশেদ শট নেন সরাসরি তাঁর শরীর বরাবর। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সে রাব্বিকে ফাউল করা হলেও রেফারির সাড়া না মেলায় পেনাল্টি-বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ।

    ম্যাচের সবচেয়ে বড় নাটকটি মঞ্চস্থ হয় ৬১ মিনিটে। বাংলাদেশ অধিনায়ক মঞ্জুরুর রহমানকে পুশ করায় পাকিস্তানি ডিফেন্ডার সৈয়দ আব্দুল্লাহ শাহকে রেফারি প্রথমে লাল কার্ড দেখালেও পরে সিদ্ধান্ত বদলে হলুদ কার্ড দেখান। ১০ জনের দলে পরিণত না হওয়ার মনস্তাত্ত্বিক স্বস্তিতে এরপর একের পর এক আক্রমণ শোনায় পাকিস্তান। ৬৬ মিনিটে আলী হায়দার শাহের দুর্দান্ত সাইড ভলি বাজপাখির মতো লাফিয়ে উঠে কর্নারের বিনিময়ে ফিস্ট করেন শ্রাবণ। শেষ মিনিটেও ফাহিম হামিদের গতিময় বুলেট শট আটকে বাংলাদেশের জাল অক্ষত রাখেন তিনি। আক্রমণভাগের ব্যর্থতার দিনে শ্রাবণের দৃঢ়তাই শেষ পর্যন্ত একটি পয়েন্ট এনে দিয়েছে বাংলাদেশকে।

  • আয়োজক মেক্সিকোর বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

    আয়োজক মেক্সিকোর বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

    এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের অন্যতম আয়োজক মেক্সিকো ২৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে মেক্সিকো। স্কোয়াডের সবচেয়ে বড় চমক হলেন গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া। ৪০ বছর বয়সী এই তারকা ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেওয়ার কীর্তি গড়েদুই মহাতারকা মেসি-রোনাল্ডোর পাশে নিজের নাম লিখালেন। মেসি ও রোনালদো এবারের আসর নিয়ে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড গড়বেন।

    গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে প্রথমবার জাতীয় দলে সুযোগ পান ওচোয়া। এরপর বিশ্বকাপ মঞ্চে তার একাধিক স্মরণীয় পারফরম্যান্স মেক্সিকোর ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলে নিয়মিত না খেললেও অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণের কারণেই আগিররের পরিকল্পনায় জায়গা পেয়েছেন তিনি।

    বিশ্বকাপে মেক্সিকোর নেতৃত্ব দেবেন অধিনায়ক এডসন আলভারেজ। গেল মৌসুমে ওয়েস্ট হ্যাম থেকে ধারে ফেনারবাহচেতে খেলেছেন এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার। , কোচ জাভিয়ের আগুইরে ২৬ সদস্যের দলে জায়গা করে নিয়েছেন ইংলিশ ক্লাব ফুলহ্যামের স্ট্রাইকার রাউল হিমেনেজ।

    দলে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি রাখা হয়েছে বেশ কয়েকজন তরুণকেও। দলে সুযোগ পেয়েছে ১৭ বছর বয়সী গিলবার্তো মোরা। এতে তিনি হতে চলেছেন দেশটির সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়। অন্যদিকে দলে জায়গা করে নিয়েছে আরেক উদীয়মান প্রতিভা ২৩ বছর বয়সী আরমান্দো গঞ্জালেজ।

    মেক্সিকোর হয়ে ষষ্ঠবারের মতেো বিশ্বকাপের আসরে খেলবেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া

    মেক্সিকোর কোচ হিসেবে আগুইরের এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ হবে। এর আগে তিনি ২০০২ এবং ২০১০ সালের আসরেও দলটিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

    ২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। ঘরের মাঠে মেক্সিকো সর্বশেষ বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল ১৯৮৬ সালে, যেখানে তারা কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। এবারও সেই সাফল্য ছুঁয়ে দেখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে দলটি।

    বিশ্বকাপ শুরুর আগে বৃহস্পতিবার সার্বিয়ার বিপক্ষে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে মেক্সিকো। এরপর ১১ জুন ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা-তে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা।

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ স্কোয়াড

    গোলরক্ষক : রাউল রাঙ্গেল (গুয়াদালাহারা), গিয়েরমো ওচোয়া (এএল লিমাসোল), কার্লোস অ্যাসেভেডো (সান্তোস লাগুনা)।

    ডিফেন্ডার : হোর্হে সানচেজ (পিএওকে), ইজরায়েল রেয়েস (ক্লাব আমেরিকা), সিজার মন্টেস (লোকোমোটিভ মস্কো), জোহান ভাসকেজ (জেনোয়া), জেসুস গ্যালার্দো (টোলুকা), মাতেও শ্যাভেজ (এজেড)।

    মিডফিল্ডার : এরিক লিরা (ক্রুজ আজুল), অরবেলিন পিনেদা (এইকে অ্যাথেন্স), আলভারো ফিডালগো (রিয়াল বেটিস), রবার্তো আলভারাদো, ব্রায়ান গুতেরেস, লুইস রোমো (গুয়াদালাজারা), এডসন আলভারেজ (ওয়েস্ট হ্যাম), ওবেদ ভার্গাস (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ), গিলবার্তো মোরানা (তিউনি) লুইজোয়ানা (তবে)।

    ফরোয়ার্ড : সেজার হুয়ের্তা (আন্ডারলেখ্ট), অ্যালেক্সিস ভেগা (টোলুকা), জুলিয়ান কুইনোনেস (আল-কাদসিয়া), গুইলারমো মার্টিনেজ (ইউএনএএম), আরমান্দো গঞ্জালেজ (গুয়াদালাজারা), সান্তিয়াগো গিমেনেজ (এসি মিলান), রাউল জিমেনেজ (ফুলহাম)।

  • ব্যক্তিগত বিমানে করে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দিলেন মেসি

    ব্যক্তিগত বিমানে করে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দিলেন মেসি

    আরেকটি বিশ্বকাপ, আরেকটি নতুন স্বপ্ন। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় ২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে নিজেদের চতুর্থ ট্রফি জয়ের মিশন শুরু করে দিল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে এসে পৌঁছেছেন আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক লিওনেল মেসি। মায়ামি থেকে একটি ব্যক্তিগত বিমানে সতীর্থ রদ্রিগো দি পলকে সঙ্গে নিয়ে আর্জেন্টিনা দলে যোগ দেন তিনি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ রাঙাতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

    মেসি ও দি পল শেষ দিকে যোগ দিলেও আর্জেন্টিনা দলের মূল বহরটি বুয়েনস আইরেস থেকে রওনা হয়ে রোববার দুপুরেই কানসাসে এসে পৌঁছায়। যে চার্টার্ড ফ্লাইটে চড়ে হুলিয়ান আলভারেস, এনসো ফার্নান্দেস, নিকোলাস ওতামেন্দিরা এসেছেন, সেটির নম্বর ছিল ‘এআর১৯৭৮’। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের সোনালি স্মৃতিকে মনে করিয়ে দেওয়া এই নম্বরটি যেন দলের লক্ষ্যকেই পুনর্ব্যক্ত করছে। স্কোয়াডের ১৮ জন ফুটবলারের পাশাপাশি অনুশীলনে সহায়তার জন্য বেশ কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কেও সঙ্গে থে এনেছেন কোচ লিওনেল স্কালনি।

    এছাড়া প্রিমিয়ার লিগে খেলা লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসও ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। তবে এমিলিয়ানোর মার্তিনেসের হাতে সম্পূর্ণ ব্যান্ডেজ থাকা সত্ত্বেও তাঁর খেলা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই বলেই জানা গেছে। দলের সঙ্গে এখনো যোগ দিতে পারেননি এএফএ সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল দেখতে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে থাকায় পরবর্তীতে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি।

    কানসাস সিটির নবনির্মিত ‘অরিজিন হোটেল’-এ অবস্থান করছে আর্জেন্টিনা দল। টুর্নামেন্ট চলাকালীন এটিই হবে তাদের ঘাঁটি। হোটেল থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত ‘স্পোর্টিং কেসি ট্রেনিং সেন্টার’-এ সোমবার ভোর থেকেই শুরু হয়েছে কড়া অনুশীলন। তবে বছরের এই সময়ে কানসাসের আবহাওয়া বেশ পরিবর্তনশীল। তীব্র গরম, আর্দ্রতা আর ঝড়ের সম্ভাবনা মাথায় রেখেই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন ফুটবলাররা।

    মেসি সম্প্রতি ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলার সময় বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে কিছুটা চোট পেয়েছিলেন। তবে ক্রীড়া দৈনিক ‘ক্লারিন’ জানিয়েছে, আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগেই সম্পূর্ণ ফিট হয়ে উঠবেন এই জাদুকর। বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে স্কালোনির দল। ৭ জুন টেক্সাসে হন্ডুরাসের বিপক্ষে এবং ১০ জুন আলাবামায় আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা।

    ১১ জুন পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের। আর ১৭ জুনকানসাস সিটিতেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা।

  • আবারও ব্যালন ডি’অর জিতছেন লিও মেসি!

    আবারও ব্যালন ডি’অর জিতছেন লিও মেসি!

    বিডিটািইমস ডেস্কঃ লিওনেল মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যুগ শেষ হওয়ার পর ব্যালন ডি’অর দৌড় অনেকটাই খোলামেলা। অনেক খেলোয়াড়ই মনে করছেন সোনার বলটা তাদের হাতে আসতে পারে। তবে গোল ডট কমের ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং বলছে ভিন্ন কথা। জানাচ্ছে, নবম ব্যালন ডি’অর জেতার সম্ভাবনা একেবারেও শেষ হয়ে যায়নি মেসির!

    যদিও এই মুহূর্তে সবার উপরে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন। এই মৌসুমে তিনি ৬৫ গোল করেছেন। জিতেছেন বুন্দেসলিগা, ডিএফবি পোকাল ও ডিএফএল সুপার কাপ। ট্রফি না জেতার যে পুরোনো অপবাদ তাকে দেওয়া হতো, সেটা এখন অতীত। কেইন এখন পুরোপুরি প্রমাণ করতে চাইছেন যে তিনি ব্যক্তিগত পুরস্কারেরও যোগ্য।

    দ্বিতীয় স্থানে আছেন পিএসজির ওসমান দেম্বেলে। গত বছর ব্যালন ডি’অর জেতার পর এই মৌসুমে চোটের কারণে শুরুটা ভালো হয়নি তার। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর থেকেই দারুণ ফর্মে ফিরেছেন। লিভারপুল ও বায়ার্নের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স দিয়েছেন, ফাইনালেও গোল করেছেন। পিএসজি টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে। বিশ্বকাপেও ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হবেন তিনি।

    তৃতীয় স্থানে আছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। এই মৌসুমে ২৫ গোল ও ২০ অ্যাসিস্ট করেছেন। বিশ্লেষকদের চোখে মৌসুমের শুরুতে তিনিই ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে বড় দাবিদার ছিলেন। তবে চোটের কারণে বিশ্বকাপের শুরুর ম্যাচগুলো মিস করতে পারেন। নকআউট পর্বে ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে, আর সেখানে ভালো খেললে পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে যেতে পারেন।

    চতুর্থ স্থানে পিএসজির ভিতিনিয়া। ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন। ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর পোডিয়ামে জায়গা পেয়েছিলেন, এবার আরও উপরে উঠতে পারেন।

    পঞ্চম স্থানে বায়ার্নের মাইকেল ওলিসে। ২৩ গোল ও ৩৩ অ্যাসিস্ট করে রীতিমতো চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে তার পারফরম্যান্স বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

    আর্সেনালের ডেক্লান রাইসের অবস্থান এখন নবম। প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছেন এবং আর্সেনালকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে নিয়ে গেছেন। কিন্তু বুদাপেস্টে পিএসজির কাছে সেই ফাইনালে হারের পর তার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে।

    কিলিয়ান এমবাপ্পে আছেন ষষ্ঠ স্থানে। ৪৮ গোল করেও ট্রফি পাননি। তবে বিশ্বকাপে সেরাটা দেওয়ার রেকর্ড আছে তার, তাই শেষ পর্যন্ত রেসে থাকবেন।

    এই তালিকায় চমক হিসেবে আছেন ইন্টার মায়ামির লিওনেল মেসি। ৩৬ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট করে এমএলএস কাপ জিতেছেন। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সাথে যদি ভালো করেন, তাহলে আট বারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর ফিরে আসাটাও অসম্ভব নয়।

    এবার চ্যাম্পিয়নস লিগের পাশাপাশি বিশ্বকাপ ও আফ্রিকান কাপ অফ নেশনসও ব্যালন ডি’অর নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

  • কানসাস সিটিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রাজকীয় পদার্পণ

    কানসাস সিটিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রাজকীয় পদার্পণ

    বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার মিশন নিয়ে আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১০টায় আলবিসেলেস্তেদের বহনকারী বিশেষ বিমানটি কানসাস সিটিতে অবতরণ করে। দলের অধিকাংশ ফুটবলারই এই বহরে উপস্থিত রয়েছেন।

    বিশ্বকাপের আগে কানসাস সিটিকে নিজেদের প্রধান ‘বেস ক্যাম্প’ হিসেবে বেছে নিয়েছে লিওনেল মেসির দল। এখানেই আগামী ১৭ জুন সকালে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবেন স্কালোনির শিষ্যরা। বিশ্বজয়ী এই তারকারা পৌঁছানোর সাথে সাথেই শহরজুড়ে শুরু হয়ে গেছে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা।

    কানসাস সিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান আর্জেন্টিনার নিকো পাজ ও এনজো ফার্নান্দেজ। ছবি- এএফপি

    বিমানবন্দরে ল্যাগেজ হাতে হেঁটে যাচ্ছেন জিওভানি লো সেলসো। ছবি- এএফপি

    বিমানবন্দরে অবতরণ করেন হুলিয়ান আলভারেজ ও নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। ছবি- এএফপি

    আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলকে বহনকারী বিশেষ বিমান। ছবি- এএফপি

    বিমানবন্দরে নিকোলাস পাজ ও এনজো ফার্নান্দেজ। ছবি- এএফপি

    সতীর্থদের সঙ্গে কানসাস সিটি বিমানবন্দরে মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। ছবি- এএফপি

    লিওনার্দো বালের্দি ও হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ। ছবি- এএফপি

    আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। ছবি- এএফপি

    ছবি- এএফপি

    থিয়াগো আলমাদা ও এজেকুয়েল প্যালাসিওস। ছবি- এএফপি

  • মার্তিনেজের হাতে ব্যান্ডেজ, আর্জেন্টিনা দলে নতুন শঙ্কা

    মার্তিনেজের হাতে ব্যান্ডেজ, আর্জেন্টিনা দলে নতুন শঙ্কা

    বিশ্বকাপ শুরুর আগে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে নিয়ে সমর্থকদের মনে একটু উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কানসাসে যাওয়ার পথে বিমানে তোলা একটি ছবি সেই উদ্বেগ নতুন করে উসকে দিয়েছে।

    ছবিটি শেয়ার করেছেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মার্তিনেজ এক হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে হাসিমুখে বসে আছেন। আঙুলে ফ্র্যাকচার হওয়ার ১১ দিন পর এই ছবি তোলা হয়।

    এর আগে ইউরোপা লিগ ফাইনালের আগে বাঁ হাতের একটি আঙুল ভেঙেছিল মার্তিনেজর। তারপরও সেই ফাইনাল খেলেন এবং অ্যাস্টন ভিলার হয়ে শিরোপা জেতেন। চোটের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ক্লাব ও আর্জেন্টিনা জাতীয় দল মিলে একটি পরিকল্পনা করে। সেই পরিকল্পনায় আছে হাত স্থির রাখা, বিশেষ ব্যায়াম এবং বিশ্বকাপের আগে বাড়তি ঝুঁকি না নেওয়া।

    বেশিরভাগ আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় আগেই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। মার্তিনেজ ও লিসান্দ্রো পরে রওনা দেন এবং কানসাসে দলের সাথে যোগ দেন।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, মার্তিনেজ হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ দুটো খেলবেন না। এটা তার সুস্থতার সময়সূচির অংশ। লক্ষ্য একটাই, ১১ জুন থেকে শুরু হওয়া বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে নামা। কোচ লিওনেল স্কালোনির স্টাফরা তার সুস্থতার প্রতিটি ধাপ নজরে রাখছেন।

    বিশ্বকাপের শুরুতে তার খেলা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো শঙ্কা নেই বলেই জানা গেছে। আর বিমানে মার্তিনেজর সেই হাসিমুখের ছবিটাই যেন বলছে, সামনে যা আসবে, তার জন্য তিনি প্রস্তুত।

  • ফ্রান্স কিংবদন্তি জিদানের ছেলে বিশ্বকাপে খেলবেন আলজেরিয়া দলের হয়ে

    ফ্রান্স কিংবদন্তি জিদানের ছেলে বিশ্বকাপে খেলবেন আলজেরিয়া দলের হয়ে

    ফ্রান্সের কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের ছেলে লুকা জিদান এবার বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছেন। আলজেরিয়া তাকে তাদের বিশ্বকাপ দলে ডেকেছে।

    ২৮ বছর বয়সী লুকা আফ্রিকান কাপ অফ নেশনসে আলজেরিয়ার প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক ছিলেন। কিন্তু এপ্রিলে স্পেনের ক্লাব গ্রানাদার হয়ে খেলার সময় চোয়াল ও থুতনি ভেঙে যায় তার। সেই চোট সারিয়ে এখন তিনি বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন।

    লুকা ফ্রান্সের হয়ে অনূর্ধ্ব-২০ পর্যন্ত খেলেছেন। পরে আলজেরিয়াকে বেছে নেন, কারণ তার দাদা-দাদি সেখানকার মানুষ।

    তার বাবা জিনেদিন জিদান ১৯৯৮ সালে ঘরের মাঠে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফাইনালে দুই গোল করে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতান। ২০০৬ সালের ফাইনালেও গোল করেন, তবে সেই ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন।

    আলজেরিয়ার এই দলে আরও ফিরেছেন সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি ও লেস্টার ফরোয়ার্ড রিয়াদ মাহরেজ। ৩৫ বছর বয়সী মাহরেজ এখন সৌদি আরবের আল-আহলিতে খেলছেন।

    সাবেক টটেনহাম মিডফিল্ডার নাবিল বেনতালেব সাত মাস পর দলে ফিরেছেন। হুসেম আউয়ার ও আমিন গুইরিও ফিরেছেন। দুজনই চোটের কারণে এই বছরের শুরুতে আফ্রিকান কাপ অফ নেশনস খেলতে পারেননি।

    ৩১ বছর বয়সী বেনতালেব গত তিন মৌসুম ধরে ফ্রান্সের লিলে খেলছেন। তিনি ২০১৪ সালে ব্রাজিলে আলজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছিলেন, যেটাই আলজেরিয়ার সর্বশেষ বিশ্বকাপ ছিল।

    আলজেরিয়া গ্রুপ জে-তে খেলবে। তাদের সামনে থাকবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।

    আলজেরিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
    গোলরক্ষক: উসামা বেনবোট, মেলভিন মাসতিল, লুকা জিদান।
    ডিফেন্ডার: আশরাফ আবাদা, রায়ান আইত-নুরি, জিনেদিন বেলাইদ, রাফিক বেলঘালি, রামি বেনসেবাইনি, সামির শেরগুই, জাউয়েন হাজাম, আইসা মান্দি, মোহাম্মদ আমিন তুগাই।
    মিডফিল্ডার: হুসেম আউয়ার, নাবিল বেনতালেব, হিশাম বুদাউই, ফারেস চাইবি, ইব্রাহিম মাজা, ইয়াসিন তিত্রাউই, রামিজ জেরৌকি।
    ফরোয়ার্ড: মোহাম্মদ আমিন আমুরা, নাদির বেনবুয়ালি, আদিল বুলবিনা, ফারেস ঘেজেমিস, আমিন গুইরি, রিয়াদ মাহরেজ, আনিস হাজ মুসা।

  • টাইব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

    টাইব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

    পিএসজি ১–১ আর্সেনাল (টাইব্রেকারে ৪–৩ গোলে জয়ী পিএসজি)

    চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালও যে ৯০ মিনিটের বেশি সময় ধরে হতে পারে, সেটি এত দিনে হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন অনেকে। সেই ২০১৬ সালে মিলানে রিয়াল মাদ্রিদ-আতলেতিকো মাদ্রিদের ফাইনাল অতিরিক্ত আধা ঘণ্টা পেরিয়ে টাইব্রেকারে গিয়ে শেষ হয়েছিল।

    এক দশক পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল আজ আবারও দেখল ৯০ মিনিট পার হতে, দেখল টাইব্রেকারও। বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় পিএসজি-আর্সেনালের এই স্নায়ু পরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত জিতেছে ফরাসি ক্লাবটি। আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে পিএসজি।

    টাইব্রেকারে শেষ শটে পিএসজির লুকাস বেরালদো জাল খুঁজে পেলেও আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস মেরে দেন বারের ওপর দিয়ে। তাতেই রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার কীর্তি গড়ে প্যারিসের ক্লাবটি।

    শিরোপা ধরে রাখতে বেশ ঘামই ঝরাতে হয়েছে পিএসজিকে। ম্যাচের শুরুটা ছিল আর্সেনালের। ষষ্ঠ মিনিটে মারকিনিওসের ক্লিয়ারেন্স লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের গায়ে লেগে কাই হাভার্টজের সামনে চলে আসে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জার্মান ফরোয়ার্ড গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পিএসজি গোলকিপার মাতবে সাপোনভ তাঁর মাথার ওপর দিয়ে বুলেট গতিতে যাওয়া বলটি ধরার সুযোগই পাননি।

    কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল

    পিএসজি এই ম্যাচে মাঠে নেমেছিল গত বছরের ফাইনাল শুরু করা ১০ জন নিয়েই। যে একটি পরিবর্তন, সেটি এই সাপোনভই। এক বছর আগে এই মঞ্চে শিরোপাজয়ের অভিজ্ঞতা আছে বলেই হয়তো পিএসজি শুরুতে গোল হজম করলেও আড়ষ্ট হয়ে যায়নি; বরং গোলের পর আর্সেনাল অনেকটা নিচে নেমে রক্ষণ সামলানোয় বেশি মনোযোগ দিলে আক্রমণের ধার বাড়ান উসমান দেম্বেলে, ফ্যাবিয়ান রুইস, দিজিয়ের দুয়েরা। যদিও গোলের প্রবল সম্ভাবনা জাগাতে পারেননি, দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্টই থেকে গেছে।

    প্রথমার্ধের বিরতির আগে হাভার্টজ আর্সেনালকে দ্বিতীয় গোলও এনে দিচ্ছিলেন প্রায়, সেটি হয়নি মারকিনিওসের দৃঢ়তায়।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আর্সেনালের লক্ষ্য ছিল সময় নষ্ট করার। বিরতি শেষে ইংলিশ ক্লাবটি মাঠে ফেরে পিএসজির দুই মিনিট পর। খেলা শুরু হওয়ার পর সময় নষ্ট করার কারণে হলুদ কার্ডও দেখেন ক্রিস্টিয়ান মস্কেরা। ৬৫ মিনিটে স্প্যানিশ এই রাইটব্যাকই সুযোগ করে দেন পিএসজিকে ম্যাচে ফেরার। বল নিয়ে বক্সে ঢোকা খিচা কাভারাস্কেইয়াকে মস্কেরা ফাউল করলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। দেম্বেলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্কোরলাইনে সমতা আনতে ভুল করেননি (১-১)।

    পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে

    এরপর ম্যাচে পিএসজির নিয়ন্ত্রণ শুধু বেড়েছেই। কাভারাস্কেইয়ার একটি শট পোস্টে লাগে, বারকোলা দুটি সহজ সুযোগ নষ্টও করেন। তবে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এই আধা ঘণ্টার খেলায় অবশ্য আর্সেনালও সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। টিম্বার ও গিওকেরেস সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল গড়ায় টাইব্রেকারে।

    আর্সেনালের দ্বিতীয় শট নিতে যাওয়া এবেরেচি এজের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পরপরই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট ঠেকিয়ে দেন দাভিড রায়া। ৪ শট শেষে তাই টাইব্রেকার ফলও থাকে সমতায়। তবে শেষ শটে আর সমতা রাখতে পারেনি আর্সেনাল। ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক মাগালাইসের বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে উৎসব শুরু হয়ে যায় পিএসজি শিবিরে।

    চ্যাম্পিয়নস লিগে এত দিন শুধু রিয়াল মাদ্রিদেরই টানা দুটি শিরোপা (মূলত হ্যাটট্রিক) জেতার কীর্তি ছিল। ২০২৫ সালের আগপর্যন্ত একটি শিরোপার জন্য অপেক্ষায় থাকা পিএসজি এবার টানা ট্রফি জিতে নাম লেখাল রিয়ালেরই পাশে।

  • ৭০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার লন্ডনে ব্যালন ডি’অর আয়োজন

    ৭০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার লন্ডনে ব্যালন ডি’অর আয়োজন

    বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর এবার গড়তে যাচ্ছে নতুন ইতিহাস। দীর্ঘদিনের প্যারিসের ঐতিহ্য ভেঙে প্রথমবারের মতো এই জমকালো আয়োজন বসবে লন্ডনে।

    আয়োজকরা জানিয়েছেন, ব্যালন ডি’অরের ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৬ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ১৯৫৬ সালে ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের হাত ধরে যাত্রা শুরু হওয়া এই পুরস্কারের প্রথম বিজয়ী ছিলেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি স্ট্যানলি ম্যাথিউজ।

    উয়েফা জানিয়েছে, প্রথম ব্যালন ডি’অরজয়ী স্ট্যানলি ম্যাথিউজের প্রতি সম্মান জানাতেই এবারের বিশেষ আয়োজনের জন্য লন্ডনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। যদিও অনুষ্ঠানটি লন্ডনের ঠিক কোন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

    ফুটবল বিশ্বে ব্যক্তিগত অর্জনের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত ব্যালন ডি’অর গত দেড় দশক ধরে ছিল দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দখলে। মেসি রেকর্ড আটবার এই পুরস্কার জিতেছেন, আর রোনালদোর ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি ব্যালন ডি’অর।

    সবশেষ আসরে পুরুষদের বিভাগে বিজয়ী হন ফরাসি তারকা উসমান দেম্বেলে এবং নারীদের বিভাগে বর্ষসেরা নির্বাচিত হন স্পেনের আইতানা বনমাতি।

    দীর্ঘদিনের প্যারিস অধ্যায়ের বাইরে গিয়ে লন্ডনে ব্যালন ডি’অরের এবারের আয়োজন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি করেছে বাড়তি কৌতূহল ও উচ্ছ্বাস। ঐতিহ্য আর নতুনত্বের মিশেলে ৭০তম আসরকে ঘিরে এখন থেকেই বাড়ছে বিশ্বজুড়ে আলোচনা।

  • বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি ফুটবলার মুসলিম ইয়ামাল?

    বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি ফুটবলার মুসলিম ইয়ামাল?

    বিডিটািইমস ডেস্কঃ সবকিছু ঠিক থাকলে ১১ দিন পর মাঠে গড়াবে ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। আসন্ন এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি ফুটবলার কে, তার পারিশ্রমিক কত?

    সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে—বিশ্ব ফুটবলের নতুন তারকারা বয়সে যত তরুণ হচ্ছেন, দামের দিক দিয়ে ততটাই ছাড়িয়ে যাচ্ছেন সবাইকে।

    এর সবচেয়ে বড় ও চমকপ্রদ উদাহরণ স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামাল। ২০ বছর না পেরোতেই এই বার্সেলোনা উইঙ্গারের বাজারমূল্য এখন ৪০১ মিলিয়ন (৪০ কোটি ১০ লাখ) ডলারেরও বেশি! বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। বিশ্বজুড়ে দামি খেলোয়াড়দের তালিকায় তিনি এখন সবার ওপরে। সমবয়সী অন্য যেকোনো ফুটবলারের চেয়ে তার দাম প্রায় তিন গুণ।

    ইয়ামালের ঠিক পরেই আছেন নরওয়ে ও ম্যানচেস্টার সিটির ‘গোলমেশিন’ আরলিং হালান্ড। তবে ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের বয়স ২৭ পেরিয়ে গেলেও এই তালিকার শীর্ষ তিনে ঠিকই নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড।

    আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া শীর্ষ ১০ দামি ফুটবলারের তালিকাটি দেখলে ইউরোপের বড় পরাশক্তিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্যই চোখে পড়বে। এই তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদের তিনজন, বার্সেলোনার দুজন এবং ফরাসি ক্লাব পিএসজির দুজনের জায়গা হয়েছে।

    তবে তালিকায় ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলের নাম নেই! অথচ পিএসজির হয়ে সম্প্রতি সব শিরোপাই জিতেছেন তিনি, এমনকি ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অরও উঠেছে তার হাতে।

    ব্যক্তিগত এত বড় অর্জনের পরও দেম্বেলের না থাকার কারণটা বেশ পরিষ্কার। বর্তমান ফুটবল বাজার খেলোয়াড়দের অতীত বা বর্তমানের ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে তাদের বয়স, পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনার ওপরই বেশি জোর দিচ্ছে। আর সে কারণেই সেরাদের এই তালিকায় রাজত্ব করছেন তরুণেরাই।

    ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি ১০ ফুটবলার

    ১. লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা) – ৪০১.৩১ মিলিয়ন ডলার

    ২. আরলিং হালান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি) – ২৯৮.৩৭ মিলিয়ন ডলার

    ৩. কিলিয়ান এমবাপ্পে (রিয়াল মাদ্রিদ) – ২৩৫.২৩ মিলিয়ন ডলার

    ৪. জুড বেলিংহাম (রিয়াল মাদ্রিদ) – ১৭৯.০৮ মিলিয়ন ডলার

    ৫. মাইকেল ওলিসে (বায়ার্ন মিউনিখ) – ১৬০.১০ মিলিয়ন ডলার

    ৬. ফ্লোরিয়ান ভাইর্টস (লিভারপুল) – ১৫৮.৭৬ মিলিয়ন ডলার

    ৭. দেজিরে দুয়ে (পিএসজি) – ১৫৭.৩৪ মিলিয়ন ডলার

    ৮. জোয়াও নেভেস (পিএসজি) – ১৫২.৭৮ মিলিয়ন ডলার

    ৯. আরদা গুলের (রিয়াল মাদ্রিদ) – ১৫২.৪৩ মিলিয়ন ডলার

    ১০. পেদ্রি (বার্সেলোনা) – ১৫২.০৫ মিলিয়ন ডলার।