জামায়াত

  • নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিতে হবে: গোলাম পরওয়ার

    নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিতে হবে: গোলাম পরওয়ার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে।

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত হিন্দু সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথাগুলো বলেন

    গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার পর যারাই দেশ চালিয়েছে, তারা সবাই হিন্দুদের ব্যবহার করে শুধুমাত্র নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করেছে। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজন ইসলামী সরকার। তিনি আরও বলেন, যারা দাড়িপাল্লার জোয়ার দেখে হিন্দুদের ভয়-হুমকি দিচ্ছে, তাদের হুমকিতে এবার হিন্দুরা ভয় পাবে না। হিন্দুদের কেউ বাধা দিলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

    তিনি বলেন, ৫৪ বছর যারা দেশ চালিয়েছে, সেই মাস্তান, দখলদার, চাঁদাবাজরা সরকারের সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করে হিন্দুদের শোষণ করেছে। জামায়াত দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দেশ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলদার উৎখাত করা হবে ইনশাআল্লাহ।

    সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরা সেই পরিবর্তন আনতে চাই। লাঙলের শাসন দেখেছি, ধানের শীষের শাসন দেখেছি, নৌকার শাসনও দেখেছি। একটি দলই বাকি আছে, সেটি হচ্ছে জামায়াতের দাড়িপাল্লা। দেড় হাজার জীবন, ৪০ হাজারের আহতের মধ্য দিয়ে চব্বিশের (২৪ সালের) পরিবর্তনের বার্তা ঢাবি, চবি, রাবি, জাবিসহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দিয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনেও সেই বার্তা দেশবাসী দেখাবে ইনশাআল্লাহ।

    উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি বাবু কৃষ্ণ নন্দীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মন্ডলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি ও অতিরিক্ত জিপি অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, শোভনা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. মোসলেম উদ্দিন, শরাফপুর সর্বজনীন পূজা মন্দিরের ঘোসাই সাধু প্রমথ গাইন, ডুমুরিয়া উপজেলা হিন্দু কমিটির সহ-সভাপতি ডা. হরিদাস মন্ডল, কানাই লাল কর্মকার ও প্রভাষক প্রশান্ত কুমার মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ গৌতম কুমার মন্ডল, পল্লীশ্রী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, মাগুরখালী ইউনিয়ন সহ-সভাপতি সুজিৎ কুমার সরকার, ডুমুরিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আপোষ সিংহ প্রমুখ।

  • চৌগাছায় জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ

    চৌগাছায় জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ

    চৌগাছা প্রতিনধি

    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে গতকাল মঙ্গলবার শহরের প্রেসক্লাব চত্তরে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে দলটি। সমাবেশ শেষে শহরে একটি মিছিলে করে।


    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. গোলাম মোরশেদ।

    উপিজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক নুরুজ্জামানের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাও নুরুল ইসলাম, কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ আমিন উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি রহিদুল খান, সাবেক প্যানেল মেয়র মাষ্টার কামাল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, শ্রমিক নেতা তুহিনুর রহমান, যুব বিভাগের নেতা শাহ আলম প্রমুখ।

    সমাবেশ শেষে হাজার হাজার নেতা কর্মীর অংশ গ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল শরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

  • কাউখালীতে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা

    কাউখালীতে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা

    রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দিনব্যাপী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চলিয়েছ। আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামীণ জনপদে এই প্রচারণা চালায় চালায়।

    দিনব্যাপী প্রচারণার নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত রাঙ্গামাটি-২৯৯ নং আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ। এসময় তিনি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ, পথসভা ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

    প্রচারণাকালে তিনি জনগণের উদ্দেশে বলেন, “আমরা জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে ন্যায়, ও সুশাসনের ভিত্তিতে একটি কল্যাণকর সমাজ গড়ে তুলতে চাই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা সর্বাধিক অগ্রাধিকার পাবে।”

    এ সময় তিনি নৌকা, পাহাড় ও নদীর জনপদ কাউখালীর উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কৃষি ও পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোসহ নানা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

    প্রচারণার সময় দলিটর স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পুলিশের হাতে জুলাই যোদ্ধাদের মার খাওয়া লজ্জাজনক: জামায়াত আমির

    পুলিশের হাতে জুলাই যোদ্ধাদের মার খাওয়া লজ্জাজনক: জামায়াত আমির

    জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দিনেও জুলাই যোদ্ধাদের রাস্তায় নামতে হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের পুলিশের হাতে মার খেতে হয়েছে- এটা লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) মিরপুর ১০ নম্বরের শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের পুলিশের হাতে জুলাই যোদ্ধাদের মার খাওয়া লজ্জাজনক। অনেকের দাবি

    মেনে নেওয়া হচ্ছে অথচ তাদেরকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জামায়াতের মতো আর কাউকে এব বেশি জুলুমের শিকার হতে হয়নি। তাই জুলাই মজলুমদের কষ্ট আমরা সবচেয়ে ভালো বুঝি।

    জামায়াত কারো বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়নি উল্লেখ করে দলটির আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর থেকে এখন পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নেওয়া হয়নি।

    সুযোগ থাকার সত্ত্বেও জামায়াত কোনো অপরাধে লিপ্ত হয়নি উল্লেখ করেন ডা. শফিকুর রহমান। এমনকি সামনের দিনগুলোতে কাউকে অপরাধ করতে দেওয়া হবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির।

  • জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সোমবার বিকেলে শহরের প্রেসক্লাব চত্ত¡রে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. গোলাম মোরশেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত মনোনীত চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও. নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও নুরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা আমীর হাফেজ আমিন উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা আমির মুফতি আনিছুর রহমান, সেক্রেটারি মুফতি শিহাব উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির মাও আব্দুল খালেক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, রহিদুল ইসলাম খান, জগদিসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুর রহমান, ফুলসারা ইউনিয়নের সভাপতি মাও. শরিফুল ইসলাম, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল আলিম, পাশাপোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুল কাদের, হাকিমপুর ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, স্বরুপদাহ ইউনিয়নের সভাপতি মাও. আবু বক্কর সিদ্দিক, ইসলামী ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি হাফেজ আবু সাঈদ প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই ছিলেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবু জাতির জন্য জীবন দিতে তাঁরা দ্বিধাবোধ করেননি। এখন তাঁদের পরিবারের দায়িত্ব দেশবাসীকে বিশেষ করে সরকারকে নিতে হবে। তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা কারও কাছে ভিক্ষা চান না। তাঁরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চান।
    তিনি আরো বলেন, আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একশ শয্যা কার্যক্রম আগামি এক মাসের মধ্যে চালু হবে।
    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, কারো পিছনে না লেগে চৌগাছা- ঝিকরগাছা উন্নয়নে ভোটের আগে ও পরে সকলেই এক সাথে কাজ করতে হবে।
    সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাব চত্ত¡র থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

  • জুলাইয়ের বিশ্বাসঘাতকদের প্রতিহত করতে হবে: ডা. তাহের

    জুলাইয়ের বিশ্বাসঘাতকদের প্রতিহত করতে হবে: ডা. তাহের

    জুলাইয়ের চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য চক্রান্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, জুলাইয়ের ফসল ভোগকারীদের মাঝে বিশ্বাসঘাতকতার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এই বিশ্বাসঘাতকদেরকে চিনে প্রতিরোধ ও প্রতিহত করতে হবে। ক্ষমতার মসনদ থেকে তাদেরকে চিহ্নিত করে বের করে দিতে হবে।

    রোববার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান–২০২৪’ শীর্ষক স্মৃতি লিখন প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. তাহের বলেন, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা, সুষ্ঠু রাজনৈতিক কালচার তৈরি, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন করার জন্য যা কিছু সংস্কার করার প্রয়োজন এ সরকারকে করতে হবে। না হলে জনগণ ও শহীদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে ইতিহাস তাদেরকে চিহ্নিত করবে।

    তিনি বলেন, যারা সংস্কারে বাধা দিচ্ছে তারা সংস্কারকে গ্রহণ করতে চায় না, যারা সংস্কারের আইনি ভিত্তি অনুভব করে না, তারাই নির্বাচন বিরোধী। তারা নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়। তারা যেনতেন নির্বাচন করে বাংলাদেশকে আবার পিছিয়ে সেই ১৫ বছরের জঞ্জালে নিয়ে যেতে চায়।

    সরকারকে বলব, যেখানে যেখানে সংস্কার প্রয়োজন-নির্দ্বিধায় করতে হবে। কোন দল মানে আর কোন দল মানে না-বাংলার জনগণ এটা শুনতে চায় না। একথা বাংলাদেশের মানুষ মানে না।

    তিনি বলেন, আমরা বড় ধরনের চক্রান্তের কথা শুনছি। আমাদের চেতনাকে আবার মুছে ফেলার জন্য, রাষ্ট্র কাঠামোকে আবার পূর্ণভাবে উল্টে ফেলার জন্য এবং জুলাইয়ের চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য চক্রান্ত হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রকারীরা সবসময় ছিল, থাকবে। এ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার আহ্বান করব, তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে ষড়যন্ত্রকারী নয়, বিশ্বাসঘাতকদের নিয়ে একটু আতঙ্কিত হই। কারণ কাজের মানুষ বিশ্বাসঘাতকতা করলে তা মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে যায়।

    ডা. তাহের বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে তিনটি কথা বলেছিলাম। সংস্কার ও খুনি-দোষীদের দৃশ্যমান বিচার সুস্পষ্টভাবে অর্জনের পর নির্বাচনের কথা বলেছিলাম। আমরা নির্বাচন চাই। কিন্তু যেনতেন নির্বাচন চাই না। আমরা হাসিনা মার্কা লুটপাট, কেন্দ্র দখলের নির্বাচন চাই না। দিনের নির্বাচন রাতে অনুষ্ঠিত হওয়া চাই না। তিনি শহীদ পরিবার ও আহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সরকারসহ সকল পক্ষকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আন্দোলনে ত্যাগ ও অবদান রাখা সকল শ্রেণির মানুষ যাতে বৈষম্যহীনভাবে যেন যার যার প্রাপ্যতা সঠিকভাবে পেতে পারে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, জুলাইকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধারণ করতে হবে। কেউ যেন এটাকে বিকৃত করতে না পারে। তিনি একবছরের গণহত্যার বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিচারে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। বিচার দ্রুত করতে হবে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে রাষ্ট্রকে যেভাবে পরিচালনার দরকার ছিল তা দেখা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলোতে জুলাইয়ের চেতনা ধারণে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে শিবির সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, শহিদ পরিবারের সদস্য, জুলাই যোদ্ধা সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। এসময় জুলাই স্মৃতি লেখা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

  • জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না দিলে মামলা করবে জামায়াত

    জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না দিলে মামলা করবে জামায়াত

    জুলাই সনদের বিষয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি বলছে, জুলাই সনদের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। কিন্তু আমরা মনে করি, শুধু প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করলে হবে না। আইনি ভিত্তি না থাকলে এই চার্টার মূল্যহীন হয়ে পড়বে। সে জন্য আমরা কমিশন এবং সরকারের বিরুদ্ধে কমপেনসেট (ক্ষতিপূরণ) মামলা করব। আইনগত ভিত্তি ছাড়া জুলাই সনদে জামায়াত স্বাক্ষর করবে না বলেও জানান তিনি।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সঙ্গে চলমান সংলাপের বিরতির সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন তিনি।

    নায়েবে আমির আরও বলেন, গত ৫৪ বছরের নির্বাচনী পদ্ধতিতে বাংলাদেশে দলীয়করণ, দখল, দূষণ, ভুয়া নির্বাচন, ভোটারবিহীন ঘোষণা ও রাতের নির্বাচনসহ নানা অপসংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ফলে আমরা মনে করি, এখন সারা বিশ্বে প্রায় ৯০টি দেশে যেভাবে পিআর পদ্ধতি আছে, বাংলাদেশেও তা প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতি এখন আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া প্রতিটি মহাদেশেই আছে। গরিব-ধনী বা কালো-সাদার ভেদে নয়, এটি একটি বৈশ্বিক বাস্তবতা। এমনকি অনেক দেশ প্রতি বছর নতুনভাবে এই পদ্ধতি গ্রহণ করছে।

    ডা. তাহের বলেন, গত ২৩ দিনে আমরা যে সংখ্যক ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেখেছি, তা আগের ২২ দিনে দেখিনি। তবুও এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। একজন ‘না’ বলতেই পারেন। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ পক্ষে থাকলে সেটা গ্রহণযোগ্যতা পায়। আইনি ভিত্তি দেওয়া এখনই সম্ভব। অলটারনেটিভ আছে, উদাহরণ আছে। যারা বলছেন এটা এখন দেওয়া যাবে না, তারা জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন।

    তাহের বলেন, আইনি ভিত্তি না দিলে আমরা এই সংস্কার প্রক্রিয়াকে অসমাপ্ত মনে করব। সই করলেই যদি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে এটা এক ধরনের প্রহসন। সুতরাং আমরা সরকার ও কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি — তারা যেন নিজেদের ওয়াদা বাস্তবায়নের জন্য এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করে।

    তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, আমরা জাতির সঙ্গে আর কোনো তামাশা হতে দেব না।

  • ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন দলের নায়েবে আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

    বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বুধবার অসুস্থ হয়ে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছিলেন। এই মুহূর্তে দেশ ও জাতির সার্বিক পরিস্থিতিতে তার অবদান খুবই প্রয়োজন।

    তিনি আরো বলেন, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করার জন্য আমরা দেশের সকল নাগরিক, সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি এবং দেশে-বিদেশে অবস্থানরত শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি মহান রবের নিকট কায়মনোবাক্যে দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    আল্লাহ তাআলা যেন জামায়াত আমিরকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার তাওফিক দান করেন, আমীন।

  • জামায়াত আমিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

    জামায়াত আমিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

    হার্টে একাধিক ব্লক ধরাপড়ার পর বাইপাস সার্জারির জন্য বুধবার থেকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার তার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন অর্ন্তরবর্তীকাইলক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহামম্দ ইউনূস।

    জামায়াত আমিরের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে অ্যাডমিনের পক্ষ থেকে পোস্ট করা ওই স্ট্যাটাসে বলা হয়, বাইপাস সার্জারির জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করে জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার সামগ্রিক খোঁজখবর নিয়েছেন। তিনি জামায়াতের আমিরের আশু রোগমুক্তি কামনা করেছেন। এজন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ প্রধান উপদেষ্টাকে উত্তম জাযা দান করুন।

  • জামায়াত আমিরের হার্টে একাধিক ব্লক! দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

    জামায়াত আমিরের হার্টে একাধিক ব্লক! দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

    বাংলাদশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে তার বাইপাস সার্জারীর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। জামায়াত আমিরের পিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গত ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় দুইবার মঞ্চে পড়ে গিয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইবনে সিনা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ওইদিন রাতেই বাসায় ফেরেন তিনি।

    নজরুল ইসলাম জানান, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন জামায়াত আমির। সেখানে বিকাল চারটার দিকে এনজিওগ্রাম করা হয়। কার্ডিওলজিস্ট ডা. মমিনুজ্জামানের অধীনে সম্পন্ন হওয়া এনজিওগ্রামে হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা বাইপাস সার্জারির পরামর্শ দিয়েছেন। সেই প্রস্তুতি চলছে।

    জানা গেছে, জামায়াত আমিরের হার্টে ব্লক ধরা পড়ার খবরে তার পরিবার ও দলীয় নেতাদের মাঝে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্যও পরামর্শ দেয়া হয় দলের পক্ষ থেকে। তবে জামায়াত আমির দেশেই চিকিৎসার নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। দ্রুত সুস্থতায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।