জাতীয়

  • আওয়ামীপন্থি কাজিরা বালাম বই নিয়ে উধাও

    আওয়ামীপন্থি কাজিরা বালাম বই নিয়ে উধাও

    বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ নথি ‘বালাম বই’ নিয়ে উধাও হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাজিরা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আত্মগোপনে যাওয়া কয়েকজন কাজির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ও নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজিরা। তাদের এমন কর্মকাণ্ডে বিয়ে বা তালাকের সনদের কপি তুলতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। আইন মন্ত্রণালয় বলছে, বালাম বই নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ফৌজদারি অপরাধ। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর মগবাজার ও টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের বিভিন্ন কাজি অফিসে পুরোনো বালাম বই পাওয়া যাচ্ছে না। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনে বিগত সরকারের প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ পাওয়া কয়েকজন কাজি আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর এ সংকট আরো প্রকট হয়েছে। নতুন দায়িত্ব পাওয়া বা ভারপ্রাপ্ত কাজিরা পুরোনো নথি খুঁজতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বছরের বালাম বই পাচ্ছেন না। ফলে বিয়ে বা তালাকের সার্টিফায়েড কপি, কাবিননামা কিংবা বিদেশে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় ইংরেজি কপি দিতে পারছেন না তারা।আইন মন্ত্রণালয় বলছে, এ ধরনের ঘটনা তাদের কাছে নতুন। বালাম বই নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ফৌজদারি অপরাধ। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিবন্ধন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও জানান, নিকাহনামার বইয়ে কাটাছেঁড়া, তথ্য গোপন বা অনিয়মের অভিযোগ তারা মাঝেমধ্যে পেয়ে থাকেন। তবে বালাম বই নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ খুবই অস্বাভাবিক।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ৫,৫৭৮টি নিবন্ধিত কাজির পদ রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৫০০টি পদ শূন্য। ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বহু কাজি আত্মগোপনে চলে যান। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঢাকার কলাবাগান, খিলগাঁও ও নোয়াখালীর সেনবাগসহ মাত্র চারটি স্থানে নতুন কাজি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    দায়িত্ব হস্তান্তরে জবাবদিহি

    নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব হস্তান্তরসংক্রান্ত আইনের ১৬ ধারায় রেকর্ডপত্রের নিরাপত্তা ও যথার্থতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় সংশ্লিষ্ট দুপক্ষকে যৌথভাবে প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করে রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানোর বিধান রয়েছে। পরে রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রার তা সরকারের কাছে পাঠাবেন।

    আইনের ৩৯ ধারায় নিকাহ রেজিস্ট্রারকে সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়েছে। আর ১১ ধারায় অসদাচরণ, বিধান লঙ্ঘন ও তথ্যের মিথ্যা বর্ণনাসহ বিভিন্ন বিষয়কে নৈতিক স্খলন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

    মুন্সীগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার রমজান খান আমার দেশকে বলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে কাজি নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে বালাম বইসহ গুরুত্বপূর্ণ নথি কাজিদের কাছেই সংরক্ষিত থাকে। তার মতে, আগের বছরের বালাম বই নতুন বছর শুরুর আগেই জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। এতে কাজিদের জবাবদিহিও বাড়ত।

    দেশের কাজি অফিসগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও দেখভালের দায়িত্ব আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিচার বিভাগের। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও কাজিদের কার্যক্রমে বিভিন্ন অনিয়মের কথা জানান। শাখাটির একজন কর্মকর্তা সিলেট অঞ্চলের একটি ঘটনার উদাহরণ দেন, যেখানে এক নারী দাবি করেন, তার স্বামী জীবিত অবস্থায় তাকে তালাক দেননি। কিন্তু স্বামীর মৃত্যুর পর তার পরিবারের সদস্যরা কাজি অফিসের সঙ্গে যোগসাজশ করে স্বামীর মৃত্যুর আগে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেনÑএমন একটি তালাকনামা হাজির করেন। ওই নারী বিষয়টি নিয়ে কাজি অফিসে আবেদন করেন।

    পরে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাব-রেজিস্ট্রারের তদন্ত প্রতিবেদনে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে তালাকসংক্রান্ত কোনো চিঠি আদান-প্রদান হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি পর্যালোচনা করে কয়েকটি আইনের ব্যাখ্যাসহ জেলা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে পুনঃতদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সংশ্লিষ্ট কাজি নিজেই ওই নারীর স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে তাকে ফাঁসিয়ে এ কাজ করানোর অভিযোগে মামলা করেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

    কাজিদের দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী সচিব আবদুল ওয়াহাবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। আমার দেশকে তিনি বলেন, কোনো তথ্য অফিসিয়ালি জানাতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।

    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা আমার দেশকে বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তার দপ্তরে আসেনি। তবে বিষয়টিতে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, বালাম বই নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ফৌজদারি অপরাধ। সংশ্লিষ্ট অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

    নিবন্ধন অফিসের আইআরও ও সদ্য বিদায়ী ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার মুনশী মোকলেছুর রহমান আমার দেশকে বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় তিনি এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাননি। তবে মগবাজার কাজি অফিসে (৩৫ নম্বর ওয়ার্ড) নিকাহনামার কপি নিতে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগীদের ভিড় বাড়ছে। ইতিমধ্যে তিনজন ভুক্তভোগীর অভিযোগসংক্রান্ত আবেদন এ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন কামরুল রহমান, মাসুদুর রহমান ও জাহেদা হোসেন।

    মাসুদুর রহমান আমার দেশকে জানান, ২০১৬ সালের ১০ জুন তার স্বজনের বিয়ে নিবন্ধিত হয়। বিদেশে ব্যবহারের জন্য কাবিননামার ইংরেজি কপি তুলতে গিয়ে জানতে পারেন, তৎকালীন যুবলীগ নেতা ও নিয়োগপ্রাপ্ত কাজি পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি বালাম বই (প্রতিটিতে ১০০ পাতা) সঙ্গে নিয়ে গেছেন।

    আরেক ভুক্তভোগী কামরুল রহমান আমার দেশকে জানান, ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে সম্পাদিত একটি দলিলের সার্টিফায়েড কপির জন্য গত ২৩ জুলাই আবেদন করলেও বালাম বই না থাকায় বর্তমান কাজি তা সরবরাহ করতে পারছেন না। একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান জাহেদা হোসেন। তিনি বলেন, তার মেয়ের বিবাহের কাবিননামা তুলতে গিয়ে শোনেন বালাম বই নিয়ে কাজি উধাও।

    মগবাজার কাজি অফিসের মাওলানা সেলিম রেজা এ বিষয়ে আমার দেশকে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাবেক কাজি সাগর আহমেদ শাহীন পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনি অনেকগুলো বালাম বই সঙ্গে নিয়ে যান। নিখোঁজ বালাম বইগুলোর কোনো তালিকা নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের দেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিন সেবাগ্রহীতারা বিয়ে বা তালাকের সনদের জন্য এলে তল্লাশি চালিয়ে বোঝা যাচ্ছে, কোনো কোনো বালাম বই নেই।

    তিনি আরো বলেন, অনেক বালাম বইয়ে গুরুতর জালিয়াতি দেখা গেছে। কোথাও একটি পৃষ্ঠা কেটে অন্য পৃষ্ঠা লাগানো হয়েছে। আবার কোথাও তালাকের ক্ষেত্রে শুধু স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছে, কিন্তু বিস্তারিত তথ্য রেজিস্ট্রি করা হয়নি। ফলে অসম্পূর্ণ বা অর্ধসংরক্ষিত তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে নিকাহ বা তালাকের সনদ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

    তবে সাবেক কাজি সাগর আহমেদ শাহীন বালাম বই নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। আমার দেশকে তিনি বলেন, কোনো বালাম বই তিনি নিয়ে যাননি। সব বই কার্যালয়েই রেখে এসেছেন। তাকে হেয় করার উদ্দেশে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে।

    তিনি লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে বালাম বই নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি কোনো অপরাধ করেননি, চাকরিসংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন বলেও জানান। তিনি দাবি করেন, বর্তমান আইনমন্ত্রীকে টাকা দিয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।

    এদিকে বালাম বই গায়েব ও নথিতে অনিয়মের কারণে ভোগান্তিতে পড়া সাধারণ মানুষ এ সমস্যার একটি স্থায়ী প্রশাসনিক সমাধান দাবি জানান। তাদের প্রত্যাশা, নিখোঁজ বালাম বই উদ্ধার, নথির নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

  • বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন রিজভী, ইসমাইল জবিউল্লাহসহ চারজন

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন রিজভী, ইসমাইল জবিউল্লাহসহ চারজন

    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন করে চার নেতাকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। দলের সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে তাদের এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    নতুন মনোনীত চার নেতা হলেন—অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

    শনিবার বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই চার নেতাকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    বিএনপি আশা প্রকাশ করেছে, নতুন দায়িত্ব পাওয়া নেতারা তাদের মেধা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেবেন। পাশাপাশি দল ও জনগণের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণেও তারা ভূমিকা রাখবেন।

  • ইমরান-পড়শীর যে গান ছাড়াল ১০০ মিলিয়ন

    ইমরান-পড়শীর যে গান ছাড়াল ১০০ মিলিয়ন

    ৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সাবরিনা পড়শীর দ্বৈত কণ্ঠে একটি গান গেয়েছিলেন। সে সময় শ্রোতারা খুব একটা ইউটিউব কেন্দ্রিক না হলেও আজ অনেকদিন পর এসে সেই গান স্পর্শ করল এক দারুণ মাইলফলক। ইউটিউবে ১০০ মিলিয়ন ভিউ অর্থাৎ ১০ কোটি বার দেখা হয়েছে গানটি।

    গানটির নাম ‘জনম জনম’। ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম ডুয়েট এটি। সময়ের ব্যবধানে তারা জুটি বেঁধে বহু গান করলেও পুরোনো এই গানটি এখনও শুনছেন শ্রোতারা।

    শুক্রবার দুপুরে গানটির এমন অর্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গায়ক ইমরান মাহমুদুল। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটাই ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।’

    ইমরান লেখেন, ‘যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তারপরও সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে এটাই সত্যিই আনন্দের।’

    গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইমরান আরও লেখেন, রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে ‘জনম জনম’ গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম। গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা। ‘জনম জনম’ এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

    ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় গানটি। ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন রম্য খান। অডিও ক্যাসেট ও সিডির যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি একইভাবে সফল, তা বলাই বাহুল্য।

    এদিকে, ইমরানের পোস্টের কমেন্ট সেকশনে শুভেচ্ছা এবং পুরানো স্মৃতি প্রকাশ করছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। গানটির গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন নিজেও ইমরানকে ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মন্তব্য ঘরে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘নোকিয়া ফোনে শুনতাম গানটা, এখনো সেই আগের মতো ইউটিউবে শুনি সেম ফিল পাই।’

  • মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের অবস্থান ছিল ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে: মতিউর রহমান আকন্দ

    মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের অবস্থান ছিল ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে: মতিউর রহমান আকন্দ

    ‘মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ নয়, বরং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে’ জামায়াতের অবস্থান ছিল বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ।

    শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে আয়োজিত এক প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, “যুদ্ধ জয়ের পর স্বাধীন দেশের কাছে আত্মসমর্পণ না করে ভারতীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করা ছিল ষড়যন্ত্রের নীলনকশার বাস্তবায়ন। এ কারণে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অধীনে যুদ্ধ করতে জামায়াত প্রস্তুত ছিল না।”

    তিনি বলেন, “দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে জামায়াত প্রস্তুত রয়েছে।”

    দেশের স্বার্থে দলটির নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    প্রতিনিধি সম্মেলনে বিএনপির সমালোচনা করে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, “খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে ড. কামাল হোসেনের জোটে গিয়ে নির্বাচন করতে চাওয়া বিএনপি এখন জামায়াতকে ‘গুপ্ত’ বলে।”

    তিনি বলেন, “যারা জামায়াতকে ‘গুপ্ত’ বলছে, তারাই হারিয়ে যাবে।”

    ইসলামি আন্দোলনকে বিদায় করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এ সময় তিনি জামায়াতের নেতা-কর্মীদের কেন্দ্রভিত্তিক মজবুত সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। আসন্ন নির্বাচনে যাতে কেউ ভোট ডাকাতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

  • তানজিদ–নাজমুলের পর আবার হাসান, ডারউইনে দ্বিতীয় দিনও বাংলাদেশের

    তানজিদ–নাজমুলের পর আবার হাসান, ডারউইনে দ্বিতীয় দিনও বাংলাদেশের

    ছয় সেশনের মধ্যে কেবল একটিতেই একটু হাসি–আনন্দ করতে পারল অস্ট্রেলিয়ানরা। সেটিও আজ দিনের শেষ সেশনে। সারা দিনে বাংলাদেশের যে পাঁচটি উইকেট অস্ট্রেলিয়া নিতে পেরেছে, এই সেশনেই এসেছে তার তিনটি। এটুকু বাদ দিলে ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনের মতো আজ দ্বিতীয় দিনটাও ছিল বাংলাদেশেরই।

    একটি সেঞ্চুরি, একটি সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগানো ইনিংস, একটি শতোর্ধ্ব রানের জুটি এবং শতরানের কাছাকাছি আরেকটি জুটি মিলিয়ে বোলিংয়ের মতো প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়েও বাংলাদেশের জ্বলজ্বলে পারফরম্যান্স। হাসান মাহমুদের আগুনে পুড়ে গতকাল অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ১৯৮ রানে। আজ দ্বিতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান করে বাংলাদেশ এগিয়ে ১৫৩ রানে। ডারউইনে এমন কিছুর জন্য নিশ্চয়ই প্রস্তুত ছিল না অস্ট্রেলিয়া। তবে দ্বিতীয় দিন শেষের সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশকেই কৃতিত্ব দিয়ে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার বো ওয়েবস্টার।

    বাংলাদেশকে এমন দিন এনে দেওয়ার মূল কৃতিত্ব ওপেনার তানজিদ হাসান ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই তানজিদ করেছেন প্রথম সেঞ্চুরি। তাঁর ১৯৭ বলে ১০১ রানের ইনিংসটি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই টেস্টে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের প্রথম সেঞ্চুরি। নাজমুল শতরানের দেখা পাননি, তবে বাংলাদেশের আরেকটি ভালো দিনে ১২৬ বলে তাঁর ৮৪ রানের ইনিংসেরও আছে বড় ভূমিকা।

    ডারউইনে এখন শীতকাল হলেও সেই শীতের ধরনটা কেমন, তা বোঝা গেল আজ দুপুরে স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় ভেসে ওঠা এক সতর্কবার্তায়; যাতে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা অনেক বেশি। সবাই যেন পর্যাপ্ত পানি পান করে এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করে।

    সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে আউট হন নাজমুল

    নাজমুল যে সময়ে উইকেটে আসেন, ডারউইনের এই গা জ্বালানো রোদের ‘শীতে’ও বাংলাদেশের ইনিংসে তখন বসন্তের হাওয়া। জশ হ্যাজলউডের করা অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বলে মারতে গিয়ে প্রথম সেশনে মুমিনুল হক কট বিহাইন্ড হয়ে যান ফিফটি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থাকতে। কিন্তু যাওয়ার আগে দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদের সঙ্গে গড়ে দিয়ে যান ১০২ রানের জুটি। বাংলাদেশের সাড়ে তিন শ পেরিয়ে যাওয়ার প্রথম ভিত গড়ে দিয়েছিল সেটাই।

    স্কোরবোর্ডে ২ উইকেটে ১৩৮ রান, উইকেট তখনো বেশ ব্যাটিং–বান্ধব। মুমিনুল ফিরে যাওয়ার পর তানজিদের সঙ্গে অধিনায়ক নাজমুলের কাজ ছিল আরেকটি বড় জুটির সঙ্গী হওয়া, নিজেও বড় ইনিংস খেলা।

    দুটিতেই সফল বলতে হবে তাঁকে। তানজিদের সেঞ্চুরির একটু আগেই নাজমুল পূর্ণ করেন নিজের ফিফটি, সেঞ্চুরির পরপর তানজিদ আউট হওয়ার আগে তৃতীয় উইকেটে দুজনের জুটি দাঁড়ায় ৯৩ রানের। নাথান লায়নের একটা বল লং অফে পাঠিয়ে ১ রান নিয়ে নাজমুল ফিফটি পেয়ে যান ৭৪ বল খেলেই।

    সেঞ্চুরি করে উদ্‌যাপন তানজিদের

    টেস্ট ক্রিকেটে এর আগে ১৫ বার ফিফটি করে ৯ বারই তিন অঙ্কে পৌঁছেছেন। নাজমুলের ফিফটি হলেই তাই সেঞ্চুরির সুবাস ছড়াতে শুরু করে। ডারউইন টেস্টেও তা হলে বাংলাদেশের স্বপ্নের পরিধিটা আরও বড় হতে পারত। কিন্তু হ্যাজলউড নতুন বল হাতে নেওয়ার পরই ছোটখাটো একটা বিপর্যয়, নাজমুলকে দিয়েই যার শুরু।

    নতুন বলে একটু বেশি বাউন্স পেয়েছিলেন হ্যাজলউড। অফ স্টাম্পের বাইরের সে বলটা ঠিকঠাক সামলাতে না পেরে স্লিপে স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে নয় নাজমুলকে। তাতে ভেঙে যায় মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাঁর ৯৮ বলে ৬৬ রানের জুটি।
    দলের ২৯৭ রানে নাজমুল আউট হয়েছেন ৮২তম ওভারে। এরপর ৮৫ ও ৮৬তম ওভারে কামিন্স আর মিচেল স্টার্কের বলে বাংলাদেশে হারায় আরও দুই স্বীকৃত ব্যাটসম্যান লিটন দাস আর মুশফিকুর রহিমকে। ৩ উইকেটে ২৯৭ থেকে বাংলাদেশের স্কোর মাত্র ৫ ওভারের মধ্যে হয়ে যায় ৩০৮/৬।

    দিনের তখনো অনেকটা খেলা বাকি ছিল বলে মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ হয়তো অলআউটই হয়ে যাবে আজ। ব্যাট করার মতো আর তো ছিলেন কেবল মেহেদী হাসান মিরাজ, অন্যদের মূল পরিচয় বোলার।

    কিন্তু বল হাতে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদ ব্যাট হাতেও মিরাজের সঙ্গে এমনই দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন যে বাংলাদেশকে অলআউট করতে অপেক্ষায় থেকেই দিন শেষ হলো অস্ট্রেলিয়ার।

    পাকা ব্যাটসম্যানের মতোই খেলেন হাসান মাহমুদ

    সপ্তম উইকেটে ২৪.৩ ওভার অবিচ্ছিন্ন থেকেছে মিরাজ–হাসানের সপ্তম উইকেট জুটি; এই সময়ে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে যোগ হয়েছে আরও ৪৩ রান। ৭৩ বলে ৩২ রানে অপরাজিত মিরাজের সঙ্গে হাসানের স্কোরটাই বেশি বিস্ময় জাগায়। দুটি বাউন্ডারি মেরে তিনি অপরাজিত ১৬ রানে, তবে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের চরম হতাশা উপহার দিয়ে বল খেলেছেন ৭৬টি। শেষ দিকে আর উইকেট ফেলতে না পেরে অন্য পথেও গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা। কিন্তু তাঁদের স্লেজিং মনঃসংযোগে কোনো ব্যাঘাতই ঘটাতে পারেনি মিরাজ–হাসানের।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১১০ ওভারে ৩৫১/৬ (তানজিদ ১০১, নাজমুল ৮৪, মুমিনুল ৪৯, মুশফিক ৩৬, মিরাজ ৩২*, হাসান ১৩* ; স্টার্ক ২/৬৮, হ্যাজলউড ২/৬৮, কামিন্স ১/৫০)। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৯৮। —দ্বিতীয় দিন শেষে।

  • বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

    বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

    শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

    কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয় অথবা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হবে। এসব কর্মসূচিতে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেবেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এসব দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

    কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    এ ছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর, উপজেলা ও অন্যান্য পর্যায়ে দলীয় কার্যালয় কিংবা স্থানীয় মসজিদে অনুরূপ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

    দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের এসব আয়োজনে অংশ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।

  • বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে গেলে যুগের পর যুগ ভুগতে হবে: তাসনিম জারা

    বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে গেলে যুগের পর যুগ ভুগতে হবে: তাসনিম জারা

    বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিলে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘমেয়াদে ভোগান্তি পোহাতে হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী তাসনিম জারা। তার মতে, বেসরকারি কোম্পানির হাতে বিদ্যুৎ বিতরণ গেলে গ্রাহকের সামনে বিকল্প সরবরাহকারী বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ফলে ন্যায্য দাম ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা বলেছেন, সরকার বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এর অর্থ হলো, কোনো এলাকায় বিদ্যুতের যে তার যায়, বাসায় যে মিটার বসে এবং মাস শেষে যে বিল আসে, এসবের নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি কোম্পানির হাতে চলে যাবে।

    ‘চাল-ডাল কেনার সময় কোনো দোকানদার বেশি দাম চাইলে ক্রেতা পাশের দোকানে যেতে পারেন। বিকল্প থাকার কারণে দোকানদারও ন্যায্য দাম রাখার চাপ অনুভব করেন। কিন্তু বিদ্যুতের ক্ষেত্রে এমন সুযোগ থাকবে না’, বলছিলেন তাসনিম জারা।

    তার ব্যাখ্যা, কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য চারটি কোম্পানি চার সেট খুঁটি ও তার বসাবে না। ফলে গ্রাহকের সামনে বিভিন্ন কোম্পানির সেবা ও দাম তুলনা করে পছন্দ করার সুযোগও থাকবে না।

    একটি নির্দিষ্ট এলাকার বিদ্যুতের তার যে কোম্পানির মালিকানায় থাকবে, গ্রাহককে সেই কোম্পানির কাছ থেকেই বিদ্যুৎ নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    বিষয়টি বোঝাতে চাল-ডালের দোকানের উদাহরণ দেন তাসনিম জারা। তিনি বলেছেন, কোনো মহল্লায় যদি মাত্র একটি চাল-ডালের দোকান খোলার অনুমতি থাকে এবং দ্বিতীয় দোকান খোলার সুযোগ না থাকে, তাহলে ওই দোকানদার কি দাম কমাবেন? তার মতে, কমাবেন না।

    তবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি কোম্পানির হাতে রয়েছে, এমন উদাহরণের কথাও স্বীকার করেছেন তিনি।

    তাসনিম জারা বলছিলেন, এসব দেশে কঠিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা রয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ইচ্ছেমতো কিছু করতে পারে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তারা স্বাধীনভাবে সেই দায়িত্ব পালন করে।

    উদাহরণ হিসেবে ব্রিটেনের কথা তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, সেখানে ঝড়ে বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা পুনরায় চালু করতে না পারলে তারের কোম্পানিকে গ্রাহককে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে হয়। এই ক্ষতিপূরণের জন্য গ্রাহককে আলাদাভাবে আবেদন করতে হয় না। কোম্পানিকেই তা দিতে হয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাসনিম জারা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদাহরণ দিয়ে বলছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বছরের পর বছর প্রকাশ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার কমানোর দাবি জানিয়েছেন। নিজের নিয়োগ দেওয়া গভর্নরকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন এবং বরখাস্তের হুমকিও দিয়েছেন। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি।

    এরপর বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে তাসনিম জারা প্রশ্ন রাখেন, দেশের কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা কখনো সরকারের মুখের ওপর না বলেছে কি না। তার মতে, এমন উদাহরণ মনে করা কঠিন। বরং এর বিপরীত ঘটনাই বেশি মনে পড়বে।

    বিদ্যুৎ বিতরণ সরকারি হাতে থাকলে ব্যর্থতার দায় নির্ধারণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাসনিম জারার ভাষ্য, লোডশেডিং হলে বা অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল এলে সরকারের দায় থাকে। একই সঙ্গে নির্বাচনে হারার ভয়ও থাকে।

    জারা বলছিলেন, কিন্তু বেসরকারি কোম্পানির ক্ষেত্রে সেই জবাবদিহির পথও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি। কারণ, বেসরকারি কোম্পানি জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। ভোট দিয়ে তাদের সরানোরও সুযোগ নেই।

    একই সঙ্গে বাজারে বিকল্প প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে গ্রাহকের অন্য কোনো কোম্পানির সেবা নেওয়ার সুযোগও থাকবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    ফেসবুক পোস্টের শেষে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বিষয়টি তুলে ধরেন তাসনিম জারা। তিনি বলেছেন, এসব চুক্তি সাধারণত ২০-২৫ বছরের জন্য হয়। একবার চুক্তি হয়ে গেলে সরকার পরিবর্তন হলেও তা সহজে পরিবর্তন হয় না। ফলে বর্তমান সরকারের নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তের প্রভাব যুগের পর যুগ মানুষকে বহন করতে হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

  • ভারতের জায়গায় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলতে চায় বাংলাদেশ

    ভারতের জায়গায় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলতে চায় বাংলাদেশ

    সুযোগটা হঠাৎই এসেছে বাংলাদেশের সামনে। ফিফার অর্থায়নে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আসিয়ান কাপের অংশ হওয়ার পথে বাংলাদেশ। মূলত ভারতের সরে দাঁড়ানোতেই খুলেছে এই দরজা। শেষ মুহূর্তে পাওয়া আমন্ত্রণ গ্রহণের ব্যাপারে আজ ইতিবাচক সিদ্ধান্তের দিকেই এগিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

    আজ বিকেলে জাতীয় দল কমিটির বিশেষ সভায় টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত কমিটির সদস্যরা বাংলাদেশকে আসিয়ান কাপে পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছেন। এখন ফিফার নিশ্চয়তার অপেক্ষা।

    বাংলাদেশের জন্য এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা, এ নিয়ে বাফুফেকে বাড়তি আর্থিক চাপ নিতে হচ্ছে না। আয়োজকদের পক্ষ থেকেই অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও আবাসনের খরচ বহন করা হবে। টুর্নামেন্টের জন্য দলগুলোকে অর্থও দেওয়া হবে।

    ফিফার অর্থায়নে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় হবে টুর্নামেন্টের ডিভিশন-১। অংশগ্রহণকারী ৮ দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপে চারটি করে দল। ভারতের জায়গায় বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে।

    এই টুর্নামেন্টের ফরম্যাটেও রয়েছে ভিন্নতা। গ্রুপ পর্ব শেষে দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি খেলবে ফাইনালে। শুধু শিরোপার লড়াইয়েই শেষ নয় প্রতিযোগিতা। দুই গ্রুপের রানার্সআপ দল খেলবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। দুই গ্রুপের তৃতীয় হওয়া দলগুলো মুখোমুখি হবে পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। আর গ্রুপে চতুর্থ হওয়া দল দুটি খেলবে সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। তাই টুর্নামেন্টে চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।

    ৩ অক্টোবর কলকাতায় ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবে ভারত। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে আসিয়ান কাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করেছে তারা। ফলে ফিফার নতুন এই টুর্নামেন্টে ভারতের ফাঁকা জায়গায় বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে।

  • সেনাবাহিনীতে ধর্মভীরুতা:কর্নেল মো. শাহজাহান মোল্লা, পিএসসি (অব.)

    সেনাবাহিনীতে ধর্মভীরুতা:কর্নেল মো. শাহজাহান মোল্লা, পিএসসি (অব.)

    একটা কথা দুর্মুখেরা প্রায়ই বলে থাকেন যে সামরিক বাহিনী দিন দিন ধর্মীয় বলয়ে ঢুকছে। কেউ মৌলবাদের গন্ধ ও খোঁজার চেষ্টা করেন। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের দেশে সেনাসদস্যরা বেশির ভাগ মুসলিম পরিবার থেকেই আসে। তাদের স্বাভাবিক ধর্মকর্মের চর্চা স্বাভাবিক। তারপরও ইলেকট্রনিক যুগে যেকোনো তথ্যের কাছে দ্রুত পৌঁছা উৎসাহব্যঞ্জক। জ্ঞান-বিজ্ঞানের আদান-প্রদান তথ্যপ্রবাহকে করেছে আরো গতিময়। সেনাবাহিনীতে দীর্ঘকাল থেকে উপলব্ধি করেছি সেনাসদস্যরা আগের চেয়ে বর্তমানে ধর্মচর্চার ব্যাপারে আরো আগ্রহী হওয়ার কারণ কী?

    সামরিক বাহিনীতে যোগদানকারী একজন তরুণ প্রথমে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও দেশসেবার আদর্শ নিয়ে প্রবেশ করে। কিন্তু কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে যখন সে জাতীয় পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করে শপথগ্রহণ করে, তখন তার জীবনের দর্শনই বদলে যায়। সে উপলব্ধি করে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করার পবিত্র দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে। এই উপলব্ধি মানুষকে অহংকারী নয়, বরং বিনয়ী করে। আর বিনয় থেকেই জন্ম নেয় সৃষ্টিকর্তার প্রতি নির্ভরতা।

    আমার কর্মজীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে মাঠপর্যায়ে, দুর্গম এলাকায় এবং অপারেশনাল পরিবেশে। বিশেষ করে, পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকারী একজন সেনাসদস্য প্রতিদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটান। কখন, কোথায়, কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে—তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। অনেক প্রিয় সহযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন, অনেককে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করতে এবং অসংখ্য পরিবারকে প্রিয়জন হারানোর বেদনা বহন করতে দেখেছি। এমন বাস্তবতার মধ্যে একজন সৈনিকের সৃষ্টিকর্তার স্মরণে শান্তি খোঁজা খুবই স্বাভাবিক।

    অনেকে মনে করেন, সেনাসদস্যদের ধর্মচর্চা বুঝি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চাপের ফল। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পূর্ণ ভিন্ন। দুর্গম পাহাড়ের নির্জন ক্যাম্পে দিনের অপারেশন শেষে বিনোদনের সুযোগ খুবই সীমিত। সে সময় অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধর্মীয় গ্রন্থ পড়েন, নামাজ আদায় করেন বা নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী প্রার্থনা করেন। এটি আদেশের কারণে নয়; বরং মানসিক প্রশান্তি, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং আত্মিক শক্তি অর্জনের একটি ব্যক্তিগত উপায়।

    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে। কঠোর শৃঙ্খলা, নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং দায়িত্বপূর্ণ পরিবেশ একজন সৈনিককে আরো আত্মনিয়ন্ত্রিত করে তোলে। সেখানে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। ব্যক্তিগত ধর্মীয় অনুশীলন সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলাবোধকে আরো দৃঢ় করে।

    একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বলা দরকার। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী কোনো একটি ধর্মের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি সংবিধানের প্রতি অনুগত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। এখানে বিভিন্ন ধর্মের সদস্য একসঙ্গে কাজ করেন, একসঙ্গে প্রশিক্ষণ নেন, একসঙ্গে দেশের জন্য জীবন বাজি রাখেন। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার ভোগ করেন এবং সহকর্মীর ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতিও সমান শ্রদ্ধাশীল থাকেন। এই পারস্পরিক সম্মানই বাহিনীর শক্তির অন্যতম ভিত্তি।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেনাপ্রধানের দাড়ি রাখা বা কোনো সেনাসদস্যের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিদ্রুপ করতে দেখা যায়। ব্যক্তিগত ধর্মীয় অনুশীলনকে রাজনৈতিক বা বিদ্বেষমূলক বিতর্কে টেনে আনা সমীচীন নয়। একজন সৈনিকের মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার সততা, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব এবং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে—তার ব্যক্তিগত ধর্মীয় অনুশীলনের ভিত্তিতে নয়।

    আমার বিশ্বাস, মৃত্যুর ঝুঁকির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ জীবনের প্রকৃত মূল্য সবচেয়ে গভীরভাবে উপলব্ধি করে। একজন সৈনিক যখন সীমান্তে, পাহাড়ে বা শান্তিরক্ষা মিশনে দেশের পতাকা বুকে ধারণ করে দায়িত্ব পালন করেন, তখন তার কাছে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস—এগুলো পরস্পরবিরোধী নয়; বরং একে অন্যের পরিপূরক।

    এ কারণেই আমার কাছে সেনাসদস্যদের ধর্মীয় অনুশীলন কোনো বিস্ময়ের বিষয় নয়। এটি তাদের পেশাগত বাস্তবতা, আত্মিক শক্তি, নৈতিক চেতনা এবং দায়িত্ববোধের স্বাভাবিক প্রকাশ।

    লেখক : মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক পদাতিক কর্মকর্তা

  • আবারও পারভেজের ৫ উইকেট, সিরিজ বাংলাদেশের যুবাদের

    আবারও পারভেজের ৫ উইকেট, সিরিজ বাংলাদেশের যুবাদের

    এক দল বিনা উইকেটেই তুলে ফেলেছিল ৮৯ রান। আরেক দল ৫৮ রান তুলতেই হারায় ৫ উইকেট। তবে আজ রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে জিতেছে দ্বিতীয় দলটিই। দ্বিতীয় দলটির নাম বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩। দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচে মালয়েশিয়া জাতীয় দলকে ৩ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজটাও এক ম্যাচ হাতে রেখে জিতে নিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা।

    প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের দলটির জয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা শেখ পারভেজ জীবন আজও হয়েছেন ম্যাচসেরা। আগের ম্যাচের মতোই আজও ৫ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ম্যাচে ১৬ রানে ৫ উইকেট নেওয়া পারভেজ আজ ৮ ওভারে ২৩ রান দিয়েছেন।

    আসলাম খান মালিক ও সাইফ উল্লাহ মালিক মালয়েশিয়াকে উদ্বোধনী জুটিতে এনে দেন ৮৯ রান। ২৫ রান করা সাইফকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন পারভেজ। আসলাম এক প্রান্ত ধরে রাখলেও একের পর এক উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রানে অলআউট মালয়েশিয়া। নয় নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে ১০৭ বলে ঠিক ১০০ রান করেন আসলাম। সেঞ্চুরিয়ান আসলামকে বোল্ড করেই পঞ্চম উইকেট পেয়ে যান পারভেজ।

    রান তাড়ায় ৫৮ রানে ৫ উইকেট খোয়ানো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে উদ্ধার করে আহরার আমিন ও দেবাশিস সরকারের ৯২ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি। দুজনই ফিফটিও পেয়েছেন। ৪১ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৮ রান করে দেবাশিস আউট হলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন আহরার। ৭৬ বলে তাঁর ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৫৭ রান। ৩১.৫ ওভারেই জয় পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    মালয়েশিয়া: ৩৮ ওভারে ১৭৬ (আসলাম ১০০, সাইফ ২৫; পারভেজ ৫/২৩, স্বাধীন ২/৩৬, রাহিন ২/৫২)।
    বাংলাদেশ অ-২৩ দল: ৩১.৫ ওভারে ১৭৭/৭ (দেবাশিস ৫৮, আহরার ৫৭*, ইকবাল ২৬; বিজয় ২/২৩, প্রশান্ত ২/২৬)।
    ফল: বাংলাদেশ অ-২৩ দল ৩ উইকেটে জয়ী।
    সিরিজ: ৩-ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ অ-২৩ দল ২-০-তে এগিয়ে।
    ম্যান অব দ্য ম্যাচ: শেখ পারভেজ।