জাতীয়

  • শতবর্ষী পোস্ট অফিসে তালা, অবশেষে উন্মুক্ত

    শতবর্ষী পোস্ট অফিসে তালা, অবশেষে উন্মুক্ত

    সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত শতবর্ষী এক পোস্ট অফিসকে নিজের সম্পত্তি দাবি করে তালা ঝুলিয়ে দেন এক ব্যক্তি। এ সময় তিনি দরজায় ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডও লাগিয়ে দেন। পরে প্রশাসন ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে অবশেষে তালা খুলে পুনরায় উন্মুক্ত করা হয় পোস্ট অফিসটি।

    সোমবার আশাশুনি উপজেলার চাম্পাফুল স্কুলগেট সংলগ্ন শোভনালী পোস্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

    পোস্ট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার মো. খাদেমুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকালে চাম্পাফুল গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আহসানুল্লাহ মীম কয়েকজনকে নিয়ে এসে দাবি করেন, পোস্ট অফিসের ভবনটি তাদের জায়গায় নির্মিত। এরপর দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন এবং নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেন।

    তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার আশাশুনি উপজেলা এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার, পুলিশ, শোভনালী ভূমি অফিসের নায়েবসহ স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জায়গা মাপা হয়।

    সার্ভেয়ার অমল কুমার জানান, পোস্ট অফিসটি ২০৬ ও ২১০ দাগের জমিতে অবস্থিত এর মধ্যে ২১০ দাগ সরকারি রাস্তার জমি হলেও ২০৬ দাগ ব্যক্তিমালিকানাধীন। তবে খতিয়ান যাচাই না করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। পরে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হলে আহসানুল্লাহ মীম নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং পোস্ট অফিসের দরজার তালা খুলে দেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা কামাল সরদার বলেন, আমার জন্মের আগ থেকেই এই পোস্ট অফিস এখানে রয়েছে। হঠাৎ করে কেউ এসে তালা ঝুলিয়ে দিল, এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    আরেক স্থানীয় খায়রুল ইসলাম বলেন, পোস্ট অফিস বন্ধ থাকায় দুদিন ধরে লোকজন বিপাকে পড়েছেন। অনেকের গুরুত্বপূর্ণ চিঠি ও পরীক্ষার কাগজপত্র আটকে গেছে।

    আশাশুনি উপজেলা পোস্টমাস্টার মীর আহছানুজ্জামান বলেন, পোস্ট অফিস সরকারি সম্পত্তি। এভাবে তালা ঝুলিয়ে দেওয়াটা দুঃখজনক। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

    আশাশুনি থানার ওসি সামছুল আরেফিন বলেন, এটি জমিসংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় আমরা এসিল্যান্ডকে জানিয়েছি। তবে ভবিষ্যতে এমন দুঃসাহস কেউ দেখালে কঠোর আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আহমেদ বলেন, জমির মালিকানা নিয়ে কিছু জটিলতা আছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তৎকালীন মালিক হেমনাথ মজুমদার পোস্ট অফিসের জায়গাটি লিখে দিলেও সেটি রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি। বিষয়টি বিস্তারিত যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, যতদিন পর্যন্ত জমির মালিকানা পরিষ্কার না হবে, ততদিন কেউ পোস্ট অফিসের কার্যক্রমে বাধা দিতে পারবে না। বিষয়টি পোস্টমাস্টার জেনারেলকেও জানানো হবে।

  • শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    মাগুরার শালিখায় গোপনে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বলে বাজারে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ উঠেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রামের মাংস বিক্রেতা হিরন বিশ্বাস রবিবার ভোর রাতে নিজ বাড়ির পিছনে চিত্রা নদীর তীরে নির্জন জায়গায় একটি ঘোড়া জবাই করেন। এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হিরণ বিশ্বাস পালিয়ে যায়। এ সময় তারা জবাইকৃত ঘোড়াটি পড়ে থাকতে দেখে হাজরাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংবাদ দেন।

    মাংস বিক্রেতা হিরণ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে এভাবে গরুর নাম করে বাজারে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করে মানুষকে ঠকিয়ে আসছিলেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।

    শালিখার হাজরাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি সুলতান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জবাইকৃত একটি ঘোড়া পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে পুলিশ পৌঁছবার আগেই বিক্রেতা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি৷

  • ৭৭ টন চাল ওএমএস ডিলারের গুদাম থেকে উদ্ধার

    ৭৭ টন চাল ওএমএস ডিলারের গুদাম থেকে উদ্ধার

    মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর বাজার থেকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) উপকারভোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ৭৭.৮৩৫ মেট্রিক টন চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার রাতে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তারের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এ চাল উদ্ধার করেন। কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সোবহান, সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মজনুর রহমান এবং উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে বিনোদপুর বাজারের তিনটি গুদাম থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়।

    তদন্ত কমিটির সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান বলেন, গত জুলাই মাসে ওএমএস ডিলার হোসনিয়া কান্তা ঋতুকে ৭৭.৮৩৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে তিনি চালগুলো টিসিবির ডিলারদের কাছে সরবরাহ করেননি। তদন্ত কমিটির কাছে তিনি স্বীকার করেছেন যে, চালগুলো বিনোদপুর বাজারের একটি গুদামে সংরক্ষিত ছিল। তদন্ত প্রতিবেদন ইউএনও বরাবর জমা দেওয়ার পর, তার নির্দেশে ওই রাতেই তিনটি গুদামে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত চাল বর্তমানে মহম্মদপুর ও বিনোদপুরের সরকারি গুদামে সংরক্ষিত রয়েছে। ইতোমধ্যে ওএমএস ডিলার হোসনিয়া কান্তা ঋতুর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে চাল পরীক্ষা করে নির্দেশনা দেবেন।

    উল্লেখ্য, ওএমএস ডিলারের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ৭৭ টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেলে, তদন্তে নামে উপজেলা প্রশাসন। অভিযোগ অনুসন্ধানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবহানকে আহ্বায়ক এবং উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান ও আইসিটি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ইউএনও’র নির্দেশে চালগুলো জব্দ করা হয়।

  • মাগুরায় দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ৯০ ফুটের তোরণ

    মাগুরায় দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ৯০ ফুটের তোরণ

    মাগুরায় ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী কাত্যায়নী উৎসব। ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) পর্যন্ত। শতবর্ষী এই কাত্যায়নী পূজাকে ঘিরে পুরো শহরে এখন উৎসবের আমেজ।

    জানা যায়, দুর্গাপূজার ঠিক একমাস পর দুর্গা প্রতিমার আদলেই প্রতিমা তৈরি করে প্রতিবছর কাত্যায়নী পূজা পালন করা হয়। মূলত, দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলেও মাগুরায় এক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম। মাগুরায় কাত্যায়নী পূজাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পালন করে আসছেন এ অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

    এবারের কাত্যায়নী উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে শহরের নতুন বাজার সেতুর ওপর নির্মিত প্রায় ৯০ ফুট উচ্চতার বর্ণিল তোরণ। এটি নির্মাণ করেছে নিজনান্দুয়ালী এলাকার নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম পূজা উদ্‌যাপন কমিটি।

    আর এই তোরণ দেখার জন্য এলাকার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।

    আয়োজকদের দাবি, জেলায় এর আগে এত উঁচু তোরণ নির্মিত হয়নি। প্রায় ৩০ জন শিল্পী ও শ্রমিকের তিন সপ্তাহের পরিশ্রমে তৈরি এই তোরণ এখন শহরের মানুষের প্রধান আকর্ষণ।

  • হরিনাকুন্ডে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    হরিনাকুন্ডে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় হাসের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মোস্তাক হোসেন (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের মন্ডলপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    মৃত শিশু মোস্তাক হোসেন একই গ্রামের সাগর হোসেনের ছেলে।

    মৃতের স্বজনরা জানান, সকালে বাড়ির পাশে হাঁসের সঙ্গে খেলা করছিল শিশু মোস্তাক। এ সময় তার সঙ্গে সমবয়সী কয়েকজন প্রতিবেশী শিশু ছিল। অন্য শিশুরা খেলাধুলা করলেও মোস্তাককে তাদের সঙ্গে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির পাশে ডোবা থেকে শিশু মোস্তাককে উদ্ধার করে স্বজনরা। পরে তাকে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    হরিনাকুন্ড থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন

  • ঝিনাইদহকে আধুনিক জেলা গড়তে সেমিনার

    ঝিনাইদহকে আধুনিক জেলা গড়তে সেমিনার

    ঝিনাইদহকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও সমৃদ্ধ জেলা গড়তে মাস্টার প্লান তৈরি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকালে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি এ সেমিনারের আয়োজন করেন। সেসময় চিকিৎসক, শিক্ষক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সেমিনারে বক্তারা বলেন, ঝিনাইদহ জেলাতে প্রচুর সম্পদ থাকলেও তার সঠিক ব্যবহার না হওয়া অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকছে। এই সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষক, অভিভাবক সকলকে নজরদারি বাড়াতে হবে। তাহলে সন্তানের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে, তারা ঝিনাইাদহকে উন্নতির শিখরে পৌছে দিবে। এছাড়া হানাহানিও সম্পদের ক্ষতি করে, মানুষকে অর্থনৈতিক ও মুল্যবোধের দিক থেকে পিছিয়ে রাখে। আগামী দিনে হানাহানি প্রতিরোধে সচেতনতা ও মুল্যবোধ জাগ্রত করণের মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যাবো, ঝিনাইদহ জেলাকে দেশের উন্নয়নের মডেল হিসাবে রুপান্তরিত করবো।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির, সভাপতি কামাল আজাদ পান্নু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, জেলা জামায়াতের আমির আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা সভাপতি মুমতাজুল করীম, ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা গণ অধিকারের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষানুরাগী সাবেক অধ্যক্ষ মোাহাব্বত হোসেন টিপু, ঝিনাইদহ জেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার, জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আব্দুর রশিদ বিশ্বাস, এ্যাড. শামছুজ্জামান লাকিসহ অন্যান্যরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • মহেশপুর পৌরসভার সামনে ময়লার ভাগাড়

    মহেশপুর পৌরসভার সামনে ময়লার ভাগাড়

    মহেশপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনেই মহেশপুর বাইপাস সড়কের পাশে কপোতাক্ষ নদের তীরে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। পৌরসভার ৯ ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন ট্রাকে করে এনে এই স্থানে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। ফলে মহাসড়কের আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে তীব্র দুর্গন্ধ, সৃষ্টি হয়েছে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বাইপাস সড়কের পাশে রাস্তা ঘেঁষে জমে আছে নানান ধরনের বর্জ্য পচা সবজি, পলিথিন, নোংরা কাপড়, হাসপাতালের ফেলা আবর্জনাসহ নানা কিছু। এসব ময়লা থেকে নির্গত দুর্গন্ধে হাঁটাচলা করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সকাল ও দুপুরে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও অফিসগামী মানুষদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

    পথচারী আহসান হাবীব বলেন, এই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গেলে নাক মুখ চেপে ধরতে হয়। অনেক সময় বমি চলে আসে। একটু বাতাস হলেই দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

    অটোরিকশা চালক আব্দুল্লাহর অভিযোগ, ময়লার ভাগাড়ে সারাদিন কুকুর, বিড়াল, কাকের ভিড় লেগে থাকে। ওরা ময়লা ছড়িয়ে দেয় রাস্তায়। রাতে চলাচলের সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। বৃষ্টির সময় তো রাস্তা পুরো নোংরা পানিতে ভরে যায়।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে এই স্থানে বর্জ্য ফেলে আসছে। আগে এটি নদীর পাড়ের ফাঁকা জায়গা ছিল, এখন তা পুরোপুরি ময়লার স্তুপে পরিণত হয়েছে। নোংরা পানি মিশে যাচ্ছে নদের পানিতেও, ফলে নদী দূষণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    স্থানীয় স্কুলছাত্রী সাদিয়া আক্তার বলেন, আমরা এই রাস্তা দিয়েই স্কুলে যাই। প্রতিদিনই নাক চেপে দৌঁড়ে পার হতে হয়। বৃষ্টি হলে অবস্থা আরও খারাপ হয়।

    পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনবসতির এত কাছাকাছি বর্জ্য ফেলা পরিবেশের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। এতে শুধু দুর্গন্ধই নয়, নানা রোগজীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কাও থাকে। দীর্ঘমেয়াদে এটি স্থানীয় জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হতে পারে।

    মহেশপুর পৌরসভা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, আমাদের পৌর এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এ কারণে আপাতত ওই স্থানে বর্জ্য রাখা হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে একটি স্থায়ী জায়গা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। খুব শিগগিরই বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে এই সমস্যা সমাধান করা হবে।

    স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কের পাশে এই বর্জ্য ভাগাড় মহেশপুরের চেহারাকে নোংরা করে দিচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে বর্জ্য অপসারণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • শ্রীপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৬,

    শ্রীপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৬,

    মাগুরার শ্রীপুরে সামাজিক আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দু-গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। এ সময় অন্তত ৬ টি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামের ইউপি সদস্য সোহেল আহম্মেদ বাবু এবং একই গ্রামের আনিচুর রহমান কনকের সাথে সামাজিক দল করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি সোহেল আহম্মেদ বাবু আনিচুর রহমান কনকের সাথে সামাজিক দল থেকে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। এরই জের ধরে শনিবার সকালে সোহেল আহম্মেদ বাবু গ্রুপের লোকজন মনিকুলের দোকানের সামনে আনিচুর রহমান কনক গ্রুপের আলিম শেখ (৩৫), মহসিন মোল্যা (৪৫) এবং সুজন মল্লিক (৪২) কে মারধর করে। এ সংবাদ জানাজানি হলে উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে সোহেল আহম্মেদ বাবু গ্রুপের আলম (৪৫), নাবিল (২৫) এবং সজল মৃধা (৪৫) মারাত্মক আহত হয়। আহতরা বর্তমানে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ও শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ সময় বাবু গ্রুপের মনিরুল মৃধা, রবিউল মৃধাসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ৬ টি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

    শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইদ্রিস আলী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  • চালু হয়েছে খুলনার আধুনিক কারাগার

    চালু হয়েছে খুলনার আধুনিক কারাগার

    চালু হয়েছে খুলনার আধুনিক কারাগার। শনিবার (১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় কারাগারটি চালু করা হয়। এ সময় কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তিনটি প্রিজন ভ্যানে করে বন্দিদের নতুন কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

    জেলা কারাগারের প্রথম ১০০ কয়েদিকে নতুন করাগারে গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

    বন্দিদের নতুন কারাগারে স্বাগত জানান, খুলনা বিভাগীয় কারা অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) মো. মনির আহমেদ, খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান, ডেপুটি জেল সুপার আব্দুল্লাহ হেল আল আমিন, জেলার মুহাম্মদ মুনীর সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • নারীদের মাঝে দোস্ত এইডের সেলাই মেশিন বিতরণ

    নারীদের মাঝে দোস্ত এইডের সেলাই মেশিন বিতরণ

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ নারীদের মাঝে ১৮টি সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি।

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জীবননগর ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে গ্রামীণ নারীদের হাতে সেলাই মেশিনগুলো তুলে দেওয়া হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক মুহাম্মদ খায়রুল বাশার, উপজেলার সহকারি সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দীন প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জীবননগর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোজাফফর রহমান। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির চুয়াডাঙ্গা শাখার ব্রাঞ্চ ইনচার্জ হোসাইন আহম্মেদ।